Product gallery
MRP ৩০.৫০১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৭.৪৫/10's Strip
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Acetor একটি অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম (ACE) ইনহিবিটর জাতীয় ওষুধ, যার নিম্নলিখিত অনুমোদিত ব্যবহার রয়েছে:

  • উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন): একক বা অন্য অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে ব্যবহৃত হয়।
  • হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা (হার্ট ফেইলিউর): সাধারণত মূত্রবর্ধক (ডাইইউরেটিক) ওষুধের সাথে সহায়ক থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • হার্ট অ্যাটাকের পর বাম নিলয়ের কর্মক্ষমতা হ্রাস: হার্ট অ্যাটাকের পর ক্লিনিক্যালি স্থিতিশীল রোগীদের বেঁচে থাকার হার উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।
  • ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি: টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এবং কিডনিতে প্রোটিন নিঃসরণ (প্রোটিনিউরিয়া) রয়েছে এমন রোগীদের কিডনি রোগের অগ্রগতি ধীর করতে ব্যবহৃত হয়।

Acetor ব্যবহারের নির্দিষ্ট নির্দেশনা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Acetor একটি অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম (ACE) ইনহিবিটর শ্রেণীর ওষুধ, যা প্রধানত হৃদরোগ ও কিডনি সংক্রান্ত সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Captopril অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম (ACE) কে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলকভাবে বাধা দেয়, যার ফলে অ্যাঞ্জিওটেনসিন I থেকে শক্তিশালী রক্তনালী সংকোচনকারী অ্যাঞ্জিওটেনসিন II তৈরি হতে পারে না। এর ফলে রক্তনালী শিথিল হয়, রক্তচাপ কমে এবং অ্যালডোস্টেরন নিঃসরণ হ্রাস পায়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

  • শোষণ: মুখে খাওয়ার পর দ্রুত শোষিত হয়; খাবারের সাথে সেবন করলে শোষণ প্রায় ৩০-৪০% কমে যায়, তাই এটি সাধারণত খালি পেটে সেবন করা হয়।
  • কার্যকারিতার সময়: সেবনের ১৫-৬০ মিনিটের মধ্যে রক্তচাপ কমানোর প্রভাব শুরু হয়।
  • বিপাক ও নিঃসরণ: আংশিকভাবে লিভারে বিপাকিত হয় এবং মূলত কিডনির মাধ্যমে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

নির্দেশনাপ্রচলিত মাত্রা
উচ্চ রক্তচাপশুরুতে দিনে ২-৩ বার ২৫ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে ১-২ সপ্তাহ পর দিনে ২-৩ বার ৫০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতাশুরুতে দিনে ৩ বার ৬.২৫-১২.৫ মি.গ্রা., ধীরে ধীরে বাড়িয়ে দিনে ৩ বার ৫০ মি.গ্রা. পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে, সাধারণত মূত্রবর্ধক ওষুধের সাথে।
হার্ট অ্যাটাকের পরহার্ট অ্যাটাকের ৩ দিন পর থেকে অল্প মাত্রায় (যেমন ৬.২৫ মি.গ্রা.) শুরু করে ধীরে ধীরে দিনে ৩ বার ৫০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিদিনে ৩ বার ২৫ মি.গ্রা.।

শিশুদের মাত্রা

শিশুদের ক্ষেত্রে Acetor এর মাত্রা ওজন অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হয় এবং শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে দেওয়া উচিত।

কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়

কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে Acetor এর মাত্রা কমাতে হয় বা সেবনের ব্যবধান বাড়াতে হয়।

সেবনবিধি

Acetor সাধারণত খাবারের ১ ঘণ্টা আগে খালি পেটে সেবন করা উচিত, যদি না চিকিৎসক ভিন্ন পরামর্শ দেন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Acetor এর সাথে নিম্নলিখিত ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ:

  • পটাশিয়াম-সংরক্ষণকারী মূত্রবর্ধক, পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা লবণের বিকল্প: রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে যাওয়ার (হাইপারক্যালেমিয়া) ঝুঁকি বাড়ায়।
  • NSAIDs (যেমন আইবুপ্রোফেন): Acetor এর রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে এবং কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • লিথিয়াম: Acetor লিথিয়ামের নিঃসরণ কমিয়ে রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অন্যান্য মূত্রবর্ধক ওষুধ: বিশেষত প্রথম মাত্রার পর অতিরিক্ত রক্তচাপ কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অ্যালিস্কিরেন বা ARB জাতীয় ওষুধ: Acetor এর সাথে একত্রে ব্যবহারে হাইপারক্যালেমিয়া, রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়া ও কিডনির সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে; ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে অ্যালিস্কিরেনের সাথে একত্রে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

প্রতিনির্দেশনা

Captopril নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ:

  • Captopril বা অন্য কোনো ACE ইনহিবিটরের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে।
  • পূর্বে Captopril বা অন্য কোনো ACE ইনহিবিটর সেবনের ফলে অ্যাঞ্জিওএডিমা (মুখ/গলা ফুলে যাওয়া) হয়ে থাকলে, অথবা বংশগত অ্যাঞ্জিওএডিমা থাকলে।
  • গর্ভাবস্থায় (বিস্তারিত জানতে দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ)।
  • ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে অ্যালিস্কিরেনের সাথে একত্রে ব্যবহার।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Acetor সেবনে দেখা দিতে পারে এমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:

  • সাধারণ: শুকনো ও দীর্ঘস্থায়ী কাশি, স্বাদের পরিবর্তন (ধাতব স্বাদ বা স্বাদ না পাওয়া), চর্মে র‍্যাশ, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, রক্তে পটাশিয়াম সামান্য বেড়ে যাওয়া।
  • কম সাধারণ: প্রথম মাত্রার পর রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া, প্রস্রাবে প্রোটিন যাওয়া।
  • বিরল কিন্তু গুরুতর: অ্যাঞ্জিওএডিমা (মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা বা গলা ফুলে যাওয়া — অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন), নিউট্রোপেনিয়া/অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস, তীব্র কিডনি বিকল হয়ে যাওয়া, যকৃতের ক্ষতি।

Acetor সেবনকালে মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, জ্বর-গলাব্যথা বা ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার (বক্সড ওয়ার্নিং)

Acetor গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ব্যবহার করলে অনাগত শিশুর মারাত্মক ক্ষতি বা মৃত্যু ঘটাতে পারে। গর্ভাবস্থা নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথেই Acetor বন্ধ করে বিকল্প ওষুধ গ্রহণ করতে হবে। Acetor গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

স্তন্যদানকালে ব্যবহার

Acetor স্বল্প পরিমাণে বুকের দুধে নির্গত হয়। স্তন্যদানকালে Acetor শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এবং প্রকৃত প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত, এবং শিশুর মধ্যে রক্তচাপ কমে যাওয়ার লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সতর্কতা

Acetor ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সতর্কতা মেনে চলতে হবে:

  • রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া: বিশেষত মূত্রবর্ধক ওষুধ সেবনরত রোগীদের ক্ষেত্রে প্রথম মাত্রার পর রক্তচাপ হঠাৎ কমে যেতে পারে।
  • কিডনি ধমনী সংকীর্ণতা: উভয় কিডনির ধমনী সংকীর্ণ থাকলে Acetor তীব্র কিডনি বিকল করতে পারে।
  • হাইপারক্যালেমিয়া: কিডনি সমস্যা, ডায়াবেটিস বা পটাশিয়াম-সংরক্ষণকারী ওষুধের সাথে ব্যবহারে ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • নিউট্রোপেনিয়া/অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস: বিরল হলেও কিডনি সমস্যা বা কোলাজেন ভাস্কুলার রোগ থাকলে ঝুঁকি বেশি; চিকিৎসক প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।
  • অ্যাঞ্জিওএডিমা: চিকিৎসার যেকোনো সময় হতে পারে; মুখ/গলা ফুলে গেলে তৎক্ষণাৎ Acetor বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
  • কাশি: শুকনো কাশি Acetor এবং অন্যান্য ACE ইনহিবিটরের পরিচিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া; এটি বিপজ্জনক নয় তবে অস্বস্তিকর হলে নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ না করে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।
  • অস্ত্রোপচার/অ্যানেস্থেসিয়া: বড় অস্ত্রোপচারের আগে Acetor সেবনের কথা চিকিৎসককে জানান।

মাত্রাধিক্যতা

Acetor এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে তীব্র রক্তচাপ হ্রাস, শক, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা এবং তীব্র কিডনি বিকল হতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যান বা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন। বাড়িতে নিজে থেকে কোনো চিকিৎসা নেওয়ার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

৩০°সে এর নিচে সাধারণ তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

Acetor শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ওজন অনুযায়ী মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; এই বয়সে রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগীরা Acetor এর রক্তচাপ কমানোর প্রভাবে বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন এবং তাদের কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকতে পারে, তাই কম মাত্রায় শুরু করে সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Acetor 25 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Acetor 25 mg Tablet উচ্চ রক্তচাপ, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা, হার্ট অ্যাটাকের পর হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা হ্রাস এবং টাইপ ১ ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Q: Acetor 25 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: Acetor 25 mg Tablet সাধারণত খাবারের ১ ঘণ্টা আগে, দিনে ২-৩ বার, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করতে হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Acetor 25 mg Tablet সেবন করা যাবে?

A: না। Acetor 25 mg Tablet এর একটি বক্সড ওয়ার্নিং রয়েছে, কারণ গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এটি সেবন করলে অনাগত শিশুর মারাত্মক ক্ষতি বা মৃত্যু হতে পারে। গর্ভবতী হলে বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে অবিলম্বে চিকিৎসককে জানান।

Q: Acetor 25 mg Tablet শুরু করার পর শুকনো কাশি হচ্ছে কেন?

A: শুকনো ও দীর্ঘস্থায়ী কাশি Acetor 25 mg Tablet এবং অন্যান্য ACE ইনহিবিটরের একটি পরিচিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। এটি সাধারণত বিপজ্জনক নয়, তবে অস্বস্তিকর হলে নিজে থেকে বন্ধ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Acetor 25 mg Tablet এর মাত্রা মিস হলে বা বেশি সেবন করলে কী করব?

A: মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় হয়ে গেলে বাদ দিন। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে বা তীব্র মাথা ঘোরা/অজ্ঞান হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন।

Q: Acetor 25 mg Tablet কি অন্য রক্তচাপের ওষুধের সাথে সেবন করা যায়?

A: Acetor 25 mg Tablet প্রায়ই মূত্রবর্ধক ওষুধের সাথে দেওয়া হয়, তবে ARB বা অ্যালিস্কিরেনের মতো একই হরমোন সিস্টেমে কাজ করা ওষুধের সাথে একত্রে সেবনে হাইপারক্যালেমিয়া, রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়া ও কিডনির সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor
Cart
Account