
Milk Of Magnesia114 ml
ACME Laboratories Ltd.

Acme's Milk of Magnesia নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Acme's Milk of Magnesia দীর্ঘমেয়াদী নিয়মিত ব্যবহারের জন্য নয়, বরং স্বল্পমেয়াদী ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত।
Acme's Milk of Magnesia একটি অ্যান্টাসিড এবং স্যালাইন (অসমোটিক) ল্যাক্সেটিভ শ্রেণির ওষুধ।
অ্যান্টাসিড হিসেবে কার্যপ্রণালী: Magnesium Hydroxide পাকস্থলীর হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড ও পানি তৈরি করে, যা পাকস্থলীর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে এবং pH বাড়িয়ে বুক জ্বালাপোড়া ও বদহজমের উপসর্গ কমায়।
ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কার্যপ্রণালী: ম্যাগনেসিয়াম আয়ন অন্ত্র থেকে খুব কম শোষিত হয়। অশোষিত ম্যাগনেসিয়ামের অসমোটিক প্রভাবে অন্ত্রে পানি টানা হয়, যা মল নরম করে এবং অন্ত্রের সংকোচন (পেরিস্টালসিস) বাড়িয়ে সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগে সহায়তা করে।
গৃহীত ম্যাগনেসিয়ামের একটি ছোট অংশ (প্রায় ১৫-৩০%) দেহে শোষিত হয় এবং স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতার ক্ষেত্রে কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়; কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে ম্যাগনেসিয়াম জমা হতে পারে।
| রোগীর ধরন | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু | সাধারণত ৫-১৫ মি.লি. মুখে সেবনযোগ্য সাসপেনশন, প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। |
| ১২ বছরের কম বয়সী শিশু | ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। |
| রোগীর ধরন | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু | ৩০-৬০ মি.লি. সাসপেনশন (৪০০ মি.গ্রা./৫ মি.লি.), সাধারণত দিনে একবার, বিশেষত ঘুমানোর আগে পর্যাপ্ত পানির সাথে। |
| ৬-১১ বছর বয়সী শিশু | ১৫-৩০ মি.লি. সাসপেনশন, প্রাপ্তবয়স্কদের তত্ত্বাবধানে। |
| ২-৫ বছর বয়সী শিশু | ৫-১৫ মি.লি. সাসপেনশন, শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে। |
| ২ বছরের কম বয়সী শিশু | শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন। |
Acme's Milk of Magnesia সাসপেনশন প্রতিবার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ল্যাক্সেটিভ হিসেবে ১ সপ্তাহের বেশি এবং অ্যান্টাসিড হিসেবে ২ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না।
Acme's Milk of Magnesia পাকস্থলীর pH বাড়ায় এবং অল্প-শোষিত ম্যাগনেসিয়াম আয়ন সরবরাহ করে, যা একসাথে সেবন করলে বেশ কিছু ওষুধের শোষণ ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে। উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
সাধারণ সতর্কতা হিসেবে, চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ না থাকলে অন্যান্য মুখে সেবনযোগ্য ওষুধ Acme's Milk of Magnesia সেবনের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করা উচিত।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Magnesium Hydroxide ব্যবহার করা উচিত নয়:
Acme's Milk of Magnesia এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, বিশেষত ল্যাক্সেটিভ মাত্রায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে, অন্তর্ভুক্ত:
হাইপারম্যাগনেসেমিয়া: Acme's Milk of Magnesia এর অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার, অথবা কিডনি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার, রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এর লক্ষণ হালকা (বমি বমি ভাব, দুর্বলতা, মুখ লাল হয়ে যাওয়া) থেকে শুরু করে গুরুতর (পেশি দুর্বলতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা, শ্বাসক্রিয়া দমন) পর্যন্ত হতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। এটি একটি প্রকৃত ও সুপ্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ, যার জন্য সতর্কতা প্রয়োজন — দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা অংশ।
স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়ামের দেহে শোষণ খুবই কম হওয়ায়, গর্ভাবস্থায় অ্যান্টাসিড ও ল্যাক্সেটিভ উভয় ক্ষেত্রেই মাঝে মাঝে Acme's Milk of Magnesia ব্যবহার সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। তবে Acme's Milk of Magnesia শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে ব্যবহার করা উচিত, এবং গর্ভাবস্থায় নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত, কারণ প্রসবের কাছাকাছি সময়ে অতিরিক্ত ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ কদাচিৎ নবজাতকের উপর প্রভাব ফেলার সাথে সম্পর্কিত পাওয়া গেছে। প্রস্তাবিত মাত্রায় Acme's Milk of Magnesia সাধারণত স্তন্যদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, কারণ স্বাভাবিক খাদ্যতালিকাগত গ্রহণের তুলনায় বুকের দুধে খুব কম ম্যাগনেসিয়াম স্থানান্তরিত হয়। নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের আগে গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Acme's Milk of Magnesia সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন:
Acme's Milk of Magnesia এর অতিরিক্ত বা মাত্রাধিক্য সেবনে তীব্র ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা এবং হাইপারম্যাগনেসেমিয়া হতে পারে, যা পেশি দুর্বলতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দন কমে যাওয়া, বিভ্রান্তি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসক্রিয়া দমন ও হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে (poison control center) যোগাযোগ করুন। নির্দিষ্ট কোনো ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না; সহায়ক চিকিৎসা ও চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। ব্যবহারের আগে সাসপেনশন ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন এবং জমে যেতে দেবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
শিশুদের ক্ষেত্রে: ল্যাক্সেটিভ হিসেবে ২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে বয়স-উপযোগী মাত্রায় Acme's Milk of Magnesia ব্যবহার করা যেতে পারে (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি); ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করা উচিত। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত, কারণ ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে স্ব-নির্দেশিত অ্যান্টাসিড ব্যবহারের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাধারণত কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকায় হাইপারম্যাগনেসেমিয়ার ঝুঁকি বেশি, তাই তাদের Acme's Milk of Magnesia সতর্কতার সাথে এবং সাধারণত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার এড়িয়ে ব্যবহার করা উচিত।
কিডনি সমস্যা: দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা — উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় নিয়মিত ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।
Q: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension মাত্রার উপর নির্ভর করে অ্যান্টাসিড হিসেবে মাঝে মাঝে হওয়া বুক জ্বালাপোড়া, অম্লতাজনিত বদহজম ও পেটের অস্বস্তি উপশমে, এবং ল্যাক্সেটিভ হিসেবে মাঝে মাঝে হওয়া কোষ্ঠকাঠিন্য উপশমে ব্যবহৃত হয়।
Q: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension কতদিন পর্যন্ত সেবন করা যায়?
A: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension স্বল্পমেয়াদী ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ল্যাক্সেটিভ হিসেবে ১ সপ্তাহের বেশি বা অ্যান্টাসিড হিসেবে ২ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না, কারণ দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার অন্তর্নিহিত সমস্যা আড়াল করতে পারে বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
Q: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension এর সাথে কি অন্য ওষুধ সেবন করা যাবে?
A: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক, আয়রন সাপ্লিমেন্ট, বিসফসফোনেট এবং ডিগক্সিনসহ বেশ কিছু ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। সাধারণ নিয়ম হিসেবে, চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ না থাকলে অন্যান্য মুখে সেবনযোগ্য ওষুধ Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension সেবনের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করুন।
Q: গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension কি নিরাপদ?
A: স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রক্তে খুব কম ম্যাগনেসিয়াম শোষিত হওয়ায় গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে মাঝে মাঝে Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension ব্যবহার সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। তবে এটি শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে ব্যবহার করা উচিত এবং নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ব্যাপারে প্রথমে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত।
Q: কাদের Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension ব্যবহার করা উচিত নয়?
A: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension এর প্রতি পরিচিত অ্যালার্জি থাকা ব্যক্তি, মারাত্মক কিডনি সমস্যাযুক্ত ব্যক্তি (রক্তে ম্যাগনেসিয়াম জমা হওয়ার ঝুঁকির কারণে), এবং অ্যাপেন্ডিসাইটিস বা অনির্ণীত পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ল্যাক্সেটিভ হিসেবে Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension ব্যবহার করা উচিত নয়।
Q: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension বেশি মাত্রায় সেবন করে ফেললে কী করব?
A: Acme's Milk of Magnesia 114 ml Oral Suspension অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করলে তীব্র ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা, এবং রক্তে বিপজ্জনক পরিমাণে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা পেশি দুর্বলতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, বা হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা ঘটাতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।