
Lopadine600 mcg/sp
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Alercon হলো একটি অ্যান্টিহিস্টামিন যার সাথে মাস্ট সেল স্ট্যাবিলাইজিং কার্যকারিতাও রয়েছে। এটি চোখের ড্রপ, নাজাল স্প্রে এবং মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়।
Alercon চুলকানি ছাড়া লাল চোখের চিকিৎসায় কার্যকর নয় এবং এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় - এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণ নিরাময় করে না।
Alercon একটি সিলেক্টিভ H1-রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট (অ্যান্টিহিস্টামিন) যার সাথে মাস্ট সেল স্ট্যাবিলাইজিং কার্যকারিতাও যুক্ত। ফর্মুলেশন অনুযায়ী এটি চক্ষু-সংক্রান্ত অ্যান্টি-অ্যালার্জিক এজেন্ট, নাজাল অ্যান্টিহিস্টামিন, অথবা মুখে খাওয়ার অ্যান্টিহিস্টামিন হিসেবে শ্রেণীভুক্ত।
Olopatadine Hydrochloride হিস্টামিন H1-রিসেপ্টরকে নির্বাচিতভাবে ব্লক করে, যার ফলে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট চুলকানি, লালভাব ও ফোলাভাব প্রতিরোধ হয়। এছাড়াও এটি মাস্ট সেল থেকে হিস্টামিন ও অন্যান্য প্রদাহজনক পদার্থ নিঃসরণ প্রতিরোধ করে। টপিক্যাল (চোখ/নাক) প্রয়োগে Olopatadine Hydrochloride-এর সিস্টেমিক শোষণ কম, তবে মুখে খাওয়া হলে এটি শোষিত হয়ে লিভারে সীমিত পরিমাণে বিপাক হয় এবং মূলত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।
Alercon-এর মাত্রা ফর্মুলেশন ও রোগ অনুযায়ী ভিন্ন হয়। সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ বা লেবেল অনুসরণ করুন।
| ফর্মুলেশন | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা |
|---|---|---|
| চোখের ড্রপ ০.১% | প্রতিটি আক্রান্ত চোখে দিনে ২ বার ১ ফোঁটা | ৩ বছর বয়স থেকে একই মাত্রা |
| চোখের ড্রপ ০.২%/০.৭% | প্রতিটি আক্রান্ত চোখে দিনে ১ বার ১ ফোঁটা | ০.৭%: ২ বছর থেকে; ০.২%: ৩ বছর থেকে |
| নাজাল স্প্রে | প্রতি নাসারন্ধ্রে দিনে ২ বার ২ স্প্রে | ৬-১১ বছর: প্রতি নাসারন্ধ্রে দিনে ২ বার ১ স্প্রে |
| ট্যাবলেট (৫ মিগ্রা) | দিনে ২ বার ৫ মিগ্রা | সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে |
চোখের ড্রপ ব্যবহারের আগে হাত ধুয়ে নিন এবং ড্রপারের ডগা চোখ বা চোখের পাতা স্পর্শ না করার বিষয়ে সতর্ক থাকুন। নাজাল স্প্রে ব্যবহারের আগে হালকা করে ঝাঁকিয়ে নিন। ট্যাবলেট পানি দিয়ে গিলে খেতে হবে। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি Alercon গ্রহণ করবেন না।
চোখের ড্রপ ও নাজাল স্প্রে আকারে Alercon-এর সিস্টেমিক শোষণ কম হওয়ায় উল্লেখযোগ্য ঔষধ মিথস্ক্রিয়ার সম্ভাবনা কম। মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট গ্রহণের ক্ষেত্রে অ্যালকোহল বা অন্যান্য সিএনএস ডিপ্রেসেন্ট (ঘুমের ওষুধ, সেডেটিভ) এর সাথে একত্রে গ্রহণে অতিরিক্ত ঝিমুনি হতে পারে, তাই সতর্কতা প্রয়োজন। একাধিক চোখের ড্রপ ব্যবহার করলে প্রতিটির মধ্যে অন্তত ৫-১০ মিনিট বিরতি রাখুন। Alercon শুরু করার আগে ব্যবহৃত সকল ওষুধের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
যাদের Olopatadine Hydrochloride বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিনির্দেশিত। এছাড়া Olopatadine Hydrochloride-এর অন্য কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত পরম প্রতিনির্দেশনা নেই।
Alercon-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ফর্মুলেশন অনুযায়ী ভিন্ন হয়।
Alercon-এ গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (মুখ/ঠোঁট/জিহ্বা ফোলা, তীব্র র্যাশ, শ্বাসকষ্ট) বিরল; এমন হলে সাথে সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
গর্ভাবস্থায় মানবদেহে Alercon ব্যবহারের তথ্য সীমিত। প্রাণীদেহে গবেষণায় ভ্রূণের ওপর কোনো টেরাটোজেনিক প্রভাব পাওয়া যায়নি, তবে এর অর্থ এই নয় যে মানুষের ক্ষেত্রেও এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। গর্ভাবস্থায় Alercon কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন স্পষ্টভাবে প্রয়োজন এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে বিবেচিত হয়; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদানকালে Alercon সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে যেতে পারে বলে প্রাণীদেহের গবেষণায় দেখা গেছে; মানুষের ক্ষেত্রে এর প্রভাব সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই। তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের সতর্কতার সাথে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Alercon ব্যবহার করা উচিত।
Alercon ব্যবহারের আগে পরিচিত অ্যালার্জি, বর্তমান ওষুধ এবং অন্যান্য চোখ/নাকের সমস্যা সম্পর্কে চিকিৎসককে জানান।
প্রতিনির্দেশনা এবং গর্ভাবস্থায়_ও_স্তন্যদানকালে অংশও দেখুন।
চোখ বা নাকে ব্যবহৃত Alercon-এর সিস্টেমিক শোষণ কম হওয়ায় মারাত্মক বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা কম, তবে দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে বা ট্যাবলেটের ওভারডোজ হলে অতিরিক্ত ঝিমুনি, মাথা ঘোরা বা মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। Alercon-এর ওভারডোজ সন্দেহ হলে বা কোনো শিশু ভুলবশত গিলে ফেললে, ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
Alercon ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। জমাট বাঁধাবেন না। ব্যবহারের পর কনটেইনার ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং Alercon-এর সকল ফর্মুলেশন শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। চোখের ড্রপ খোলার পর লেবেলে উল্লেখিত সময়ের (সাধারণত ৪ সপ্তাহ) মধ্যে ব্যবহার করুন।
Alercon-এর অনুমোদিত শিশু ব্যবহার ফর্মুলেশনভেদে ভিন্ন:
বয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রায় Alercon ব্যবহার করা হয়; তরুণদের তুলনায় নিরাপত্তা বা কার্যকারিতায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি।
Q: Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
A: Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray চোখের ড্রপ অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসের চুলকানি নিরাময় করে, নাজাল স্প্রে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের লক্ষণ উপশম করে, এবং কিছু দেশে ট্যাবলেট আকারে এটি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, দীর্ঘমেয়াদি urticaria ও চুলকানিতে ব্যবহৃত হয়।
Q: Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray কত দ্রুত কাজ করে?
A: Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray চোখের ড্রপ ও নাজাল স্প্রে সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই চুলকানি কমাতে শুরু করে এবং শক্তি অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে; ট্যাবলেট সাধারণত ১-২ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু করে।
Q: Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray ব্যবহারের সময় কি কন্টাক্ট লেন্স পরা যাবে?
A: Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray ড্রপ দেওয়ার আগে লেন্স খুলে ফেলুন এবং কমপক্ষে ১০ মিনিট পর পুনরায় পরুন, কারণ প্রিজারভেটিভ সফট লেন্সে শোষিত হতে পারে। চোখ লাল থাকলে লেন্স পরবেন না।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray নিরাপদ?
A: তথ্য সীমিত। প্রয়োজন স্পষ্ট হলে এবং উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে গর্ভাবস্থায় Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray ব্যবহার করা যেতে পারে, স্তন্যদানকালেও সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; উভয় ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray-এর একটি মাত্রা মিস হয়ে গেলে কী করব?
A: মনে পড়ার সাথে সাথে মিস হওয়া মাত্রা নিন; পরবর্তী মাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে সেটি বাদ দিয়ে নিয়মিত সময়সূচি অনুসরণ করুন। দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না।
Q: কেউ ভুলবশত Alercon 600 mcg/spray Nasal Spray গিলে ফেললে কী করব?
A: অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।