Product gallery
MRP ২.০০১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১.৮০/10's Strip
স্টকে নেই
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Alerjess একটি প্রথম প্রজন্মের (সিডেটিং) H1-রিসেপ্টর বিরোধী অ্যান্টিহিস্টামিন, যা বিভিন্ন অ্যালার্জিজনিত অবস্থার লক্ষণ উপশমে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো এভাবে ভাগ করা যায়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • মৌসুমি ও বারমাসি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক/চোখ/গলা চুলকানো) এর লক্ষণ উপশম।
  • অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের সাথে সম্পর্কিত অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস (চোখ চুলকানো, পানি পড়া) এর লক্ষণ উপশম।
  • অ্যালার্জিজনিত urticaria (আমবাত) ও চুলকানি উপশম।
  • ত্বকের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া ও পোকামাকড়ের কামড়জনিত হালকা অ্যালার্জির সহায়ক চিকিৎসা এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিসে এপিনেফ্রিনের সাথে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে (এটি এপিনেফ্রিনের বিকল্প নয়, যা প্রথম সারির চিকিৎসা)।

সমন্বিত (কম্বিনেশন) ওষুধ/সহায়ক ব্যবহার

  • Alerjess সাধারণ সর্দি-কাশির মাল্টি-সিম্পটম কম্বিনেশন ওষুধের একটি সাধারণ উপাদান, যেখানে এটি সর্দির সাথে সম্পর্কিত হাঁচি ও নাক দিয়ে পানি পড়া কমাতে সাহায্য করে। এটি কেবল অ্যালার্জিক/হিস্টামিন-নির্ভর লক্ষণ কমায়, সর্দির স্থায়িত্ব কমায় না বা এর মূল ভাইরাসজনিত কারণের চিকিৎসা করে না।

অফ-লেবেল ব্যবহার

  • চিকিৎসকের নির্দেশে রক্ত সঞ্চালন বা কনট্রাস্ট মিডিয়াজনিত হালকা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ বা উপশমে অফ-লেবেল ব্যবহৃত হতে পারে।

Alerjess অ্যালার্জির মূল কারণ নিরাময় করে না; এটি শুধু সাময়িক লক্ষণগত উপশম দেয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অ্যান্টিহিস্টামিন (H1-রিসেপ্টর বিরোধী); প্রথম প্রজন্মের, সিডেটিং, অ্যালকাইলামিন-জাত অ্যান্টিহিস্টামিন। Alerjess এই শ্রেণিভুক্ত।

ফার্মাকোলজি

Chlorpheniramine Maleate পেরিফেরাল ও কেন্দ্রীয় হিস্টামিন H1 রিসেপ্টরে প্রতিযোগিতামূলকভাবে বাধা দেয়। এর ফলে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার সময় নির্গত হিস্টামিনের প্রভাব - যেমন কৈশিক ভেদ্যতা বৃদ্ধি, রক্তনালী প্রসারণ, মসৃণ পেশির সংকোচন এবং সংবেদনশীল স্নায়ু প্রান্তের উদ্দীপনা (যা চুলকানি ও হাঁচি সৃষ্টি করে) - হ্রাস পায়।

Chlorpheniramine Maleate রক্ত-মস্তিষ্ক বাধা সহজে অতিক্রম করে, তাই এটি সিডেশন/ঘুম ঘুম ভাব ঘটায়; তবে কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে, এটি উল্টো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজনা (অস্থিরতা, অনিদ্রা) ঘটাতে পারে। এর উল্লেখযোগ্য অ্যান্টিকোলিনার্জিক কার্যকলাপও রয়েছে, যা মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি, প্রস্রাব ধরে রাখা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হয়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে খাওয়ার পর Chlorpheniramine Maleate ভালোভাবে শোষিত হয়; কার্যকারিতা শুরু হয় সাধারণত ৩০-৬০ মিনিটের মধ্যে এবং প্রভাব স্থায়ী হয় প্রায় ৪-৬ ঘণ্টা (সাসটেইন্ড-রিলিজ ফর্মুলেশনে বেশি সময়)। এটি যকৃতে বিপাকিত হয় এবং মূলত প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়; প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অর্ধায়ু প্রায় ১২-২৪ ঘণ্টা, যা শিশু এবং যকৃত/কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে দীর্ঘতর হতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Alerjess এর মাত্রা নির্দেশনা, বয়স ও ফর্মুলেশনের (তাৎক্ষণিক-নিঃসরণ বনাম সাসটেইন্ড-রিলিজ, ট্যাবলেট/সিরাপ/ইনজেকশন) উপর নির্ভর করে। সর্বদা প্রোডাক্ট লেবেল বা চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, urticaria ও অন্যান্য অ্যালার্জিক অবস্থা (মুখে খাওয়ার তাৎক্ষণিক-নিঃসরণ ফর্মুলেশন)

বয়সের গ্রুপস্বাভাবিক মাত্রাসর্বোচ্চ দৈনিক মাত্রা
প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুপ্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় ৪ মিগ্রা২৪ মিগ্রা/২৪ ঘণ্টা
৬ থেকে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুপ্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় ২ মিগ্রা১২ মিগ্রা/২৪ ঘণ্টা
২ থেকে ৬ বছরের কম বয়সী শিশুশুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে; নির্দেশিত হলে সাধারণত প্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় ১ মিগ্রা৬ মিগ্রা/২৪ ঘণ্টা (শুধু চিকিৎসকের নির্দেশে)
২ বছরের কম বয়সী শিশুচিকিৎসকের নির্দেশনা ছাড়া সুপারিশ করা হয় না-
নবজাতক/অপরিণত শিশুপ্রতিনির্দেশিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)-

সাসটেইন্ড/এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট

Alerjess এর এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ফর্মুলেশন (যেমন ৮ মিগ্রা বা ১২ মিগ্রা) সাধারণত দিনে একবার বা দুইবার লেবেল অনুযায়ী সেবন করতে হয়; ট্যাবলেট পুরোটা গিলে ফেলতে হবে, ভাঙা বা চিবানো যাবে না।

ইনজেকশন (সহায়ক ব্যবহার, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে)

Alerjess ইনজেকশন একজন স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা (মাংসপেশিতে, ত্বকের নিচে বা ধীরে শিরায়) প্রয়োগ করা হয়, সাধারণত তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা অ্যানাফাইল্যাক্সিস ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে, চিকিৎসকের নির্ধারিত মাত্রা ও ফ্রিকোয়েন্সিতে।

কিডনি/যকৃত সমস্যা

কিডনি বা যকৃত সমস্যার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় সুপ্রতিষ্ঠিত নয়; তবে যেহেতু Alerjess যকৃতে বিপাকিত ও কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়, তাই উল্লেখযোগ্য যকৃত/কিডনি সমস্যায় কম মাত্রা বা দীর্ঘ ডোজিং ব্যবধান এবং অতিরিক্ত সিডেশন/অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাবের জন্য ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ, চিকিৎসকের পরামর্শে, উপযোগী।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Alerjess এর সাথে নিম্নলিখিত সুপ্রতিষ্ঠিত, ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াগুলো রয়েছে:

  • কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দমনকারী ওষুধ (অ্যালকোহল, সিডেটিভ, হিপনোটিক, বেঞ্জোডায়াজেপিন, ওপিওয়েড, অন্যান্য সিডেটিং অ্যান্টিহিস্টামিন): Alerjess এর সাথে একসাথে ব্যবহারে অতিরিক্ত সিডেশন ও সাইকোমোটর দুর্বলতা হতে পারে; এই সমন্বয় এড়িয়ে চলা উচিত বা শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
  • মোনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর (MAOI): MAOI Alerjess এর অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব দীর্ঘায়িত ও তীব্র করতে পারে; একসাথে ব্যবহার, অথবা MAOI বন্ধ করার প্রায় ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবহার, চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া এড়িয়ে চলা উচিত।
  • অন্যান্য অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ (ট্রাইসাইক্লিক এন্টিডিপ্রেসেন্ট, কিছু অ্যান্টিসাইকোটিক, অন্যান্য অ্যান্টিহিস্টামিন, অ্যান্টিস্প্যাসমডিক): Alerjess এর সাথে এগুলোর সমন্বয়ে মুখ শুকানো, ঝাপসা দৃষ্টি, কোষ্ঠকাঠিন্য ও প্রস্রাব ধরে রাখার মতো অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব বাড়তে পারে।
  • কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র উদ্দীপক ও খিঁচুনির প্রান্তসীমা কমায় এমন ওষুধ: সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ Alerjess জনিত CNS উত্তেজনা উদ্দীপক প্রভাবের সাথে মিলে অস্থিরতা, কম্পন, বা (বিরল ক্ষেত্রে) খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

এই তালিকাটি সম্পূর্ণ নয়। Alerjess শুরু করার আগে রোগীদের সকল ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানানো উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

Chlorpheniramine Maleate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):

  • chlorpheniramine maleate বা ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি, অথবা একই রাসায়নিক গঠনের অন্যান্য অ্যান্টিহিস্টামিনের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা।
  • নবজাতক বা অপরিণত (প্রিম্যাচিউর) শিশু (এই বয়সে খিঁচুনি ও প্যারাডক্সিক্যাল CNS উত্তেজনাসহ গুরুতর প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি)।
  • ন্যারো-অ্যাঙ্গেল (অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার) গ্লুকোমা, যেহেতু অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব চোখের ভেতরের চাপ বাড়াতে পারে।
  • উপসর্গযুক্ত প্রস্রাব ধরে রাখা বা উল্লেখযোগ্য ব্লাডার-আউটলেট/ব্লাডার-নেক প্রতিবন্ধকতা (যেমন প্রস্টেট বৃদ্ধিজনিত), যেহেতু অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব প্রস্রাব ধরে রাখা আরও খারাপ করতে পারে।
  • মোনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর (MAOI) এর সাথে একসাথে ব্যবহার, অথবা MAOI বন্ধ করার প্রায় ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবহার (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।

হালকা-মাঝারি যকৃত সমস্যা, বয়স্ক রোগী, বা হালকা প্রস্টেট উপসর্গের ক্ষেত্রে Chlorpheniramine Maleate শুধুমাত্র সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, একেবারে বন্ধ নয়; এগুলো সতর্কতা অংশে আলোচনা করা হয়েছে, পরম প্রতিনির্দেশনা হিসেবে নয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Alerjess এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত এর সিডেটিং ও অ্যান্টিকোলিনার্জিক বৈশিষ্ট্যের সাথে সম্পর্কিত।

সাধারণ

  • ঘুম ঘুম ভাব, সিডেশন ও মাথা ঘোরা (সবচেয়ে সাধারণ)
  • মুখ, নাক ও গলা শুকিয়ে যাওয়া
  • ঝাপসা দৃষ্টি
  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • শ্বাসনালীর নিঃসরণ ঘন হয়ে যাওয়া
  • হালকা পেটের সমস্যা (বমি বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য)

কম সাধারণ

  • প্রস্রাব ধরে রাখা বা প্রস্রাবে অসুবিধা
  • প্যারাডক্সিক্যাল CNS উত্তেজনা - অস্থিরতা, নার্ভাসনেস, অনিদ্রা বা খিটখিটে ভাব (সিডেশনের বদলে, বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখা যায়)
  • মাথাব্যথা, পেশির দুর্বলতা/অসংলগ্নতা
  • বুক ধড়ফড় বা হালকা টাকিকার্ডিয়া

বিরল/গুরুতর

  • অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া, র‍্যাশ বা বিরল ক্ষেত্রে অ্যাঞ্জিওএডিমা/অ্যানাফাইল্যাক্সিস
  • রক্তের সমস্যা (যেমন অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস, হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়া, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া) - বিরল, এই শ্রেণির অ্যান্টিহিস্টামিনের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে রিপোর্ট করা হয়েছে
  • উল্লেখযোগ্য বিভ্রান্তি বা হ্যালুসিনেশন, বিশেষত বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে

গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, তীব্র বিভ্রান্তি, শ্বাসকষ্ট, বা প্রস্রাব করতে না পারার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Alerjess গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা যদি ভ্রূণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হয় তবেই ব্যবহার করা উচিত; বিশেষত প্রথম ত্রৈমাসিকে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অ্যান্টিহিস্টামিনগুলোর মধ্যে chlorpheniramine এর গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে কখনো কখনো তুলনামূলক কম-ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে এটি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত প্রমাণিত নয়, এবং সিডেশন এড়াতে চিকিৎসকরা প্রায়ই দ্বিতীয় প্রজন্মের (নন-সিডেটিং) অ্যান্টিহিস্টামিন পছন্দ করেন যখন বিকল্প থাকে।

স্তন্যদান: Alerjess ও অন্যান্য অ্যান্টিহিস্টামিন অল্প পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে। সিডেটিং অ্যান্টিহিস্টামিন শিশুর মধ্যে ঘুম ঘুম ভাব, খিটখিটে ভাব বা কম খাওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে এবং দুধ উৎপাদন কমাতে পারে বলে, স্তন্যদানকালে এটি শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে ও চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত; উপযুক্ত ক্ষেত্রে নন-সিডেটিং বিকল্প পছন্দনীয় হতে পারে। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

Alerjess ব্যবহারের সময় নিম্নলিখিত সতর্কতা মেনে চলা উচিত:

  • সিডেশন/CNS প্রভাব: Alerjess সাধারণত ঘুম ঘুম ভাব ঘটায়। এটি কীভাবে প্রভাব ফেলে তা না জানা পর্যন্ত গাড়ি চালানো, ভারী যন্ত্রপাতি চালানো বা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এড়িয়ে চলুন, এবং অ্যালকোহল বা অন্যান্য CNS দমনকারী ওষুধ এড়িয়ে চলুন, যা সিডেশন বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব: গ্লুকোমা (ন্যারো-অ্যাঙ্গেল ব্যতীত, যা পরম প্রতিনির্দেশনা), প্রকৃত প্রতিবন্ধকতা ছাড়া প্রস্টেট বৃদ্ধি, বা প্রস্রাব ধরে রাখার প্রবণতাযুক্ত অবস্থায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
  • শিশু: সিডেশনের বদলে প্যারাডক্সিক্যাল CNS উত্তেজনা (অস্থিরতা, নার্ভাসনেস, অনিদ্রা) হতে পারে, বিশেষত ছোট শিশুদের মধ্যে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করুন এবং শুধুমাত্র লেবেলে নির্দেশিত বয়সসীমার মধ্যে।
  • বয়স্ক রোগী: বয়স্করা Alerjess এর অ্যান্টিকোলিনার্জিক ও CNS প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল (বিভ্রান্তি, মাথা ঘোরা, পড়ে যাওয়া ও প্রস্রাব ধরে রাখার ঝুঁকি বেশি); বিকল্প থাকলে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রথম প্রজন্মের অ্যান্টিহিস্টামিন সাধারণত এড়িয়ে চলা ভালো।
  • শ্বাসতন্ত্রের অবস্থা: হাঁপানি, দীর্ঘস্থায়ী অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ বা নিম্ন শ্বাসতন্ত্রের লক্ষণযুক্ত অন্যান্য অবস্থায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ শুষ্কতা/অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব শ্বাসনালীর নিঃসরণ ঘন করে তা পরিষ্কার হওয়া কঠিন করতে পারে।
  • যকৃত সমস্যা: উল্লেখযোগ্য যকৃত রোগে সতর্কতার সাথে, এবং সম্ভবত কম মাত্রায়, ব্যবহার করুন, কারণ বিপাক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
  • এটি অ্যান্টিবায়োটিক নয়: Alerjess শুধুমাত্র অ্যালার্জিক লক্ষণের চিকিৎসা করে; এটি সংক্রমণের চিকিৎসা করে না এবং প্রয়োজন হলে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্যান্য চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

মাত্রাধিক্যতা

Alerjess এর অতিরিক্ত মাত্রা গুরুতর হতে পারে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে, এবং CNS দমন (তীব্র ঘুম, অলসতা, কোমা) ও প্যারাডক্সিক্যাল CNS উত্তেজনা (হ্যালুসিনেশন, অস্থিরতা, কম্পন, খিঁচুনি) এর মিশ্রণসহ অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব (চোখের মণি বড় হয়ে যাওয়া, ত্বক লাল ও শুষ্ক হওয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, জ্বর, প্রস্রাব ধরে রাখা, দ্রুত হৃদস্পন্দন) দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদযন্ত্রের সমস্যা বা খিঁচুনি হতে পারে।

Alerjess এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না; হাসপাতালে গেলে ওষুধের পাত্রটি সাথে নিয়ে যান এবং কতটুকু ও কখন খাওয়া হয়েছে তা বলার জন্য প্রস্তুত থাকুন। চিকিৎসা সহায়ক এবং চিকিৎসা পেশাদারদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

সংরক্ষণ

Alerjess ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), সরাসরি আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। পাত্রের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন। শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন। প্যাকেটের গায়ে লেখা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্যবহার করবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: নবজাতক ও অপরিণত শিশুদের ক্ষেত্রে Alerjess প্রতিনির্দেশিত (ব্যবহার করা যাবে না)। ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া সাধারণত সুপারিশ করা হয় না, কারণ এই বয়সে প্যারাডক্সিক্যাল CNS উত্তেজনা ও অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি। ২ বছর ও তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে বয়সভিত্তিক মাত্রা অনুসরণ করা উচিত (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি)।

বয়স্ক রোগী: বয়স্করা Alerjess এর সিডেটিভ ও অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল, ফলে বিভ্রান্তি, মাথা ঘোরা, পড়ে যাওয়া ও প্রস্রাব ধরে রাখার ঝুঁকি বেশি; কম প্রারম্ভিক মাত্রা ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়, এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে নন-সিডেটিং বিকল্প অ্যান্টিহিস্টামিন পছন্দনীয় হতে পারে।

যকৃত ও কিডনি সমস্যা: উল্লেখযোগ্য যকৃত বা কিডনি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ও সম্ভবত কম মাত্রায় Alerjess ব্যবহার করুন, কারণ এটি যকৃতে বিপাকিত ও কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Alerjess 4 mg Tablet কী কাজে ব্যবহার করা হয়?

A: Alerjess 4 mg Tablet একটি প্রথম প্রজন্মের অ্যান্টিহিস্টামিন, যা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ চুলকানো/পানি পড়া), urticaria (আমবাত) ও চুলকানির মতো অ্যালার্জিজনিত লক্ষণ উপশমে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণ সর্দির সাথে সম্পর্কিত হাঁচি ও নাক দিয়ে পানি পড়া কমাতে কম্বিনেশন সর্দি-কাশির ওষুধেরও একটি সাধারণ উপাদান।

Q: Alerjess 4 mg Tablet খেলে কি ঘুম পাবে?

A: হ্যাঁ, Alerjess 4 mg Tablet এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো ঘুম ঘুম ভাব ও সিডেশন, কারণ নতুন অ্যান্টিহিস্টামিনগুলোর বিপরীতে এটি মস্তিষ্কে প্রবেশ করে। এটি কীভাবে প্রভাব ফেলে তা না জানা পর্যন্ত গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি চালানো এড়িয়ে চলুন এবং অ্যালকোহল বা অন্যান্য সিডেটিং ওষুধ এড়িয়ে চলুন।

Q: শিশুরা কি Alerjess 4 mg Tablet খেতে পারবে?

A: ২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে বয়স-উপযোগী মাত্রায় Alerjess 4 mg Tablet ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে নবজাতক ও অপরিণত শিশুদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিনির্দেশিত এবং চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি সিডেশনের বদলে অস্থিরতা বা ঘুমাতে অসুবিধা ঘটাতে পারে, তাই অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখা উচিত এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Alerjess 4 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Alerjess 4 mg Tablet শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত, কারণ সম্ভাব্য উপকারিতা ও শিশুর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করতে হবে। এর গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে কখনো কখনো তুলনামূলক কম-ঝুঁকিপূর্ণ অ্যান্টিহিস্টামিন হিসেবে বিবেচিত হয়, তবুও চিকিৎসকের নিশ্চিতকরণ প্রয়োজন এবং কখনো কখনো নন-সিডেটিং বিকল্প পছন্দনীয় হতে পারে।

Q: কাদের Alerjess 4 mg Tablet খাওয়া উচিত নয়?

A: যাদের Alerjess 4 mg Tablet এর প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা/অ্যালার্জি আছে, নবজাতক ও অপরিণত শিশু, ন্যারো-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমার রোগী, উপসর্গযুক্ত প্রস্রাব ধরে রাখা বা উল্লেখযোগ্য ব্লাডার-আউটলেট প্রতিবন্ধকতাযুক্ত রোগী, অথবা যারা বর্তমানে মোনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর (MAOI) সেবন করছেন বা প্রায় ১৪ দিন আগে বন্ধ করেছেন, তাদের এটি খাওয়া উচিত নয়। হাঁপানি, প্রস্টেট বৃদ্ধি (প্রতিবন্ধকতা ছাড়া) বা যকৃতের সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: Alerjess 4 mg Tablet বেশি খেয়ে ফেললে (মাত্রাধিক্যতা) কী করা উচিত?

A: Alerjess 4 mg Tablet এর অতিরিক্ত মাত্রা বিপজ্জনক হতে পারে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে, এবং তীব্র ঘুম বা উল্টো অস্থিরতা, হ্যালুসিনেশন বা খিঁচুনির সাথে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ত্বক লাল হওয়া ও দ্রুত হৃদস্পন্দনের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। বাড়িতে নিজে চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor