Product gallery
MRP ৫.০২১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৪.৫২/piece
স্টকে নেই
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Amifen একটি ফেনামেট গোত্রের নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা স্বল্পমেয়াদী ব্যথা উপশমে এবং মাসিকের ব্যথায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথায়, যেখানে চিকিৎসা ৭ দিনের বেশি স্থায়ী হবে না।
  • প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া (কোনো অন্তর্নিহিত রোগ ছাড়া মাসিকের সময়কার ব্যথা)।

প্রচলিতভাবে অফ-লেবেল ব্যবহৃত

  • অতিরিক্ত মাসিক রক্তক্ষরণ (মেনোরেজিয়া) কমাতে সহায়ক হিসেবে।
  • অন্যান্য মৃদু থেকে মাঝারি প্রদাহজনিত/পেশি-হাড়ের ব্যথায় স্বল্পমেয়াদী উপশমে।

Amifen দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য নয়; এটি শুধুমাত্র স্বল্প সময়ের চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ (NSAID) – ফেনামেট (অ্যানথ্রানিলিক অ্যাসিড) শ্রেণি। Amifen এই শ্রেণির একটি প্রতিনিধি ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Mefenamic acid মূলত সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 ও COX-2) এনজাইমকে অ-নির্বাচনীভাবে বাধা দিয়ে কাজ করে, যা প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সংশ্লেষণ কমায়। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের জন্য দায়ী। জরায়ুতে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের মাত্রা কমিয়ে Mefenamic acid জরায়ু সংকোচন ও মাসিকের রক্তক্ষরণও কমায়, যা ডিসমেনোরিয়ায় এর কার্যকারিতার কারণ।

মুখে খাওয়ার পর Mefenamic acid দ্রুত শোষিত হয় এবং প্রায় ২-৪ ঘণ্টার মধ্যে রক্তে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছায়। এটি যকৃতে বিপাকিত হয় এবং মূলত কিডনির মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনা অনুযায়ী মাত্রা (১৪ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য)

নির্দেশনামাত্রামন্তব্য
তীব্র মৃদু-মাঝারি ব্যথাপ্রাথমিকভাবে ৫০০ মি.গ্রা., এরপর প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২৫০ মি.গ্রা. প্রয়োজন অনুযায়ীচিকিৎসা ৭ দিনের বেশি চালানো উচিত নয়
প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়ারক্তক্ষরণ/ব্যথা শুরু হলে প্রাথমিকভাবে ৫০০ মি.গ্রা., এরপর প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২৫০ মি.গ্রা.সাধারণত ২-৩ দিন বা উপসর্গ কমা পর্যন্ত চালানো হয়

শিশুদের মাত্রা

১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Amifen এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; এই বয়সে এটি সুপারিশ করা হয় না।

কিডনি/যকৃতের সমস্যায়

গুরুতর কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় Amifen এড়িয়ে চলতে হবে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা অংশ)। হালকা-মাঝারি সমস্যায় সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

Amifen খাবার বা দুধের সাথে খেলে পাকস্থলীর অস্বস্তি কম হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নির্ধারিত মাত্রা বা মেয়াদের বেশি সেবন করা উচিত নয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ওষুধ/শ্রেণিAmifen এর সাথে মিথষ্ক্রিয়ার প্রভাব
অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন), অ্যান্টিপ্লেটলেট, SSRIরক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে, বিশেষত পাকস্থলী-নাড়িতে; একসাথে ব্যবহারে সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন
অ্যাসপিরিন ও অন্যান্য NSAIDবাড়তি কোনো উপকার নেই কিন্তু পাকস্থলীর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; একত্রে ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না
ACE ইনহিবিটর, ARB, মূত্রবর্ধক (diuretics)রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের কার্যকারিতা কমে; একত্রে ব্যবহারে বিশেষত বয়স্ক বা পানিশূন্য রোগীদের কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে
লিথিয়ামরক্তে লিথিয়ামের মাত্রা বিষাক্ত পর্যায়ে বাড়তে পারে; পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন
মেথোট্রেক্সেটমেথোট্রেক্সেটের বিষক্রিয়া বাড়াতে পারে, বিশেষত উচ্চ মাত্রায়
কর্টিকোস্টেরয়েডপাকস্থলীর ক্ষত/রক্তক্ষরণের ঝুঁকি সংযোজিতভাবে বাড়ে

Amifen শুরু করার আগে সেবনরত সকল ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

  • Mefenamic acid বা এর কোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতিসংবেদনশীলতা।
  • অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID সেবনের পর হাঁপানি, আর্টিকেরিয়া বা অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস।
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ব্যথার জন্য ব্যবহার সহ।
  • সক্রিয় পাকস্থলী/নাড়ির রক্তক্ষরণ বা সক্রিয় পেপটিক আলসার।
  • ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ (ক্রোনস ডিজিজ বা আলসারেটিভ কোলাইটিস), কারণ Mefenamic acid এই রোগ আরও খারাপ করতে পারে।
  • গুরুতর কিডনি বা যকৃতের অকার্যকারিতা।
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিক।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ (প্রতি ১০ জনে ১ জন পর্যন্ত হতে পারে)

  • পাকস্থলী-নাড়ি সংক্রান্ত: পেটে ব্যথা, বদহজম, বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া (Amifen এ কিছু অন্যান্য NSAID এর তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা যায়), কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা
  • স্নায়ুতন্ত্র সংক্রান্ত: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ঝিমুনি
  • অন্যান্য: চর্মে র‍্যাশ, কানে শব্দ শোনা (টিনিটাস)

কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর

  • পেপটিক আলসার, পাকস্থলী-নাড়ির রক্তক্ষরণ বা ছিদ্র (কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই হতে পারে)
  • যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি, যকৃতের ক্ষতি
  • কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়া, পানি জমা, ফোলাভাব
  • হৃদরোগ সংক্রান্ত থ্রম্বোটিক ঘটনা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক)
  • হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া (Amifen এর ক্ষেত্রে অসাধারণ হলেও স্বীকৃত) ও অন্যান্য রক্তের সমস্যা
  • ব্রঙ্কোস্পাজম বা অ্যালার্জিজনিত তীব্র প্রতিক্রিয়া, বিশেষত অ্যাসপিরিন/NSAID সংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে

কালো পায়খানা, রক্ত বমি, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে দাগ, ত্বক-চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ থেকে Amifen এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এই সময়ে NSAID গর্ভস্থ শিশুর কিডনির কার্যকারিতায় সমস্যা করতে পারে এবং অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমিয়ে দিতে পারে। ৩০ সপ্তাহ বা তার পরে ব্যবহার করলে গর্ভস্থ শিশুর ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে, তাই তৃতীয় ত্রৈমাসিকে Amifen সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এর আগের সময়ে শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, স্বল্পতম সময়ের জন্য এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত, কারণ সম্ভাব্য উপকারিতা গর্ভস্থ শিশুর প্রতি সম্ভাব্য ঝুঁকির বিপরীতে বিবেচনা করতে হবে।

স্তন্যদান: Amifen স্তন্যদুগ্ধে অল্প মাত্রায় প্রবেশ করে। শিশুর ওপর সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে স্তন্যপান বন্ধ রাখা হবে নাকি Amifen বন্ধ রাখা হবে তা মায়ের চিকিৎসাগত প্রয়োজনীয়তা ও স্তন্যদানের উপকারিতা বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে — ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

হৃদরোগের ঝুঁকি

অন্যান্য NSAID এর মতো Amifen ও গুরুতর হৃদরোগ সংক্রান্ত থ্রম্বোটিক ঘটনার (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক) ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। এই ঝুঁকি চিকিৎসার প্রথম দিকেও দেখা দিতে পারে এবং ব্যবহারের সময়কাল বাড়ার সাথে বা হৃদরোগের পূর্ব ইতিহাস থাকলে বাড়তে পারে।

পাকস্থলী-নাড়ির ঝুঁকি

Amifen পাকস্থলী বা নাড়ির রক্তক্ষরণ, ক্ষত বা ছিদ্রের মতো গুরুতর সমস্যা ঘটাতে পারে, যা কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই এবং চিকিৎসার যেকোনো সময়ে ঘটতে পারে এবং প্রাণঘাতী হতে পারে। বয়স্ক ব্যক্তি এবং পূর্বে পেপটিক আলসার বা পাকস্থলীর রক্তক্ষরণের ইতিহাস থাকা রোগীদের ঝুঁকি বেশি।

ব্যবহারের মেয়াদ

চিকিৎসকের পর্যালোচনা ছাড়া ব্যথার জন্য Amifen ৭ দিনের বেশি ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না, কারণ দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের নিরাপত্তা তথ্য সীমিত।

কিডনি ও যকৃতের কার্যকারিতা

দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চ মাত্রায় Amifen ব্যবহারে কিডনির কার্যকারিতা প্রভাবিত হতে পারে; পূর্ব থেকে কিডনি/যকৃতের সমস্যা থাকা রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি বা diuretics/ACE ইনহিবিটর সেবনকারীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

রক্ত সংক্রান্ত ঝুঁকি

Amifen রক্তক্ষরণের সময় বাড়াতে পারে এবং বিরল ক্ষেত্রে হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া বা অন্যান্য রক্তের সমস্যা ঘটাতে পারে; অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট সেবনকারী বা রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।

অন্যান্য সতর্কতা

Amifen জ্বর ও প্রদাহের মতো সংক্রমণের লক্ষণ আড়াল করতে পারে। বয়স্ক রোগী, যাদের গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি, এবং হাঁপানির রোগীদের (ব্রঙ্কোস্পাজমের ঝুঁকি) ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।

মাত্রাধিক্যতা

Amifen এর মাত্রাধিক্যতার লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে ঝিমুনি, বমি বমি ভাব, বমি, পেটের উপরিভাগে ব্যথা, পাকস্থলী-নাড়ির রক্তক্ষরণ এবং গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি বা কিডনির তীব্র ক্ষতি।

Amifen এর মাত্রাধিক্যতা একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা। অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক পদ্ধতিতে করা হয়; পেশাদার নির্দেশনা ছাড়া বাড়িতে মাত্রাধিক্যতার চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

রুম তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

Amifen শুধুমাত্র ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ব্যথায় ও প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়ায় ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত; ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Amifen এ গুরুতর হৃদরোগ, পাকস্থলী ও কিডনি সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

কিডনি/যকৃতের সমস্যায়

গুরুতর কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় Amifen এড়িয়ে চলতে হবে (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)। হালকা-মাঝারি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ও পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

বিস্তারিত জানতে দেখুন "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Amifen 500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Amifen 500 mg Tablet মূলত ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মৃদু-মাঝারি ব্যথার স্বল্পমেয়াদী উপশমে এবং বিশেষভাবে প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া (মাসিকের ব্যথা) কমাতে ব্যবহৃত হয়।

Q: Amifen 500 mg Tablet কি এক সপ্তাহের বেশি খাওয়া যাবে?

A: চিকিৎসকের পর্যালোচনা ছাড়া ব্যথার জন্য Amifen 500 mg Tablet সাধারণত ৭ দিনের বেশি টানা সেবন করা উচিত নয়, কারণ দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে পাকস্থলী-নাড়ি ও অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। মেয়াদ সম্পর্কে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।

Q: গর্ভাবস্থায় Amifen 500 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ থেকে Amifen 500 mg Tablet এড়িয়ে চলা উচিত এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কারণ এটি গর্ভস্থ শিশুর কিডনি এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী (ডাক্টাস আর্টেরিওসাস) অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে। এর আগের সময়ে শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত, কারণ সম্ভাব্য উপকারিতা গর্ভস্থ শিশুর প্রতি সম্ভাব্য ঝুঁকির বিপরীতে বিবেচনা করতে হবে।

Q: স্তন্যদানকালে কি Amifen 500 mg Tablet খাওয়া যাবে?

A: Amifen 500 mg Tablet স্তন্যদুগ্ধে অল্প মাত্রায় প্রবেশ করে। স্তন্যদানকালে Amifen 500 mg Tablet ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, যাতে শিশুর জন্য উপকারিতা ও ঝুঁকি যাচাই করা যায়।

Q: Amifen 500 mg Tablet এর প্রধান পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Amifen 500 mg Tablet এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পেটের অস্বস্তি, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা। কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ/আলসার, যকৃত বা কিডনির সমস্যা এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো হৃদরোগজনিত ঘটনা — এগুলো দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কাদের Amifen 500 mg Tablet খাওয়া উচিত নয়?

A: যাদের Amifen 500 mg Tablet বা অন্য NSAID/অ্যাসপিরিনে অ্যালার্জি আছে, সক্রিয় পাকস্থলীর আলসার বা রক্তক্ষরণ আছে, ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ আছে, গুরুতর কিডনি বা যকৃতের সমস্যা আছে, যারা CABG হৃদ-অস্ত্রোপচার করছেন, এবং গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে থাকা নারীদের Amifen 500 mg Tablet খাওয়া উচিত নয়। সর্বদা আপনার সম্পূর্ণ চিকিৎসা ইতিহাস চিকিৎসককে জানান।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor