
Fimoxyclav(1 gm+200
Synovia Pharma PLC

Amoclav একটি সংমিশ্রণ অ্যান্টিবায়োটিক, যাতে অ্যামোক্সিসিলিন (একটি অ্যামিনোপেনিসিলিন) এবং ক্লাভুলানিক অ্যাসিড (একটি বিটা-ল্যাকটামেজ ইনহিবিটর) থাকে। এটি বিটা-ল্যাকটামেজ উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়াসহ সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
বিটা-ল্যাকটামেজ উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের আশঙ্কা থাকলে শুধু অ্যামোক্সিসিলিনের পরিবর্তে Amoclav ব্যবহার করা হয়।
Amoclav একটি বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক, যা অ্যামিনোপেনিসিলিন উপশ্রেণীর অন্তর্গত এবং একটি বিটা-ল্যাকটামেজ ইনহিবিটরের সাথে সংমিশ্রিত। থেরাপিউটিকভাবে এটি একটি সম্প্রসারিত বর্ণালীর পেনিসিলিন-শ্রেণীর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ঔষধ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।
Amoxicillin + Clavulanic Acid-এর অ্যামোক্সিসিলিন উপাদানটি ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের মধ্যে থাকা পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে পেপটিডোগ্লাইকান সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে, যার ফলে কোষপ্রাচীর দুর্বল হয়ে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।
অনেক ব্যাকটেরিয়া বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইম তৈরি করে, যা অ্যামোক্সিসিলিনকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। Amoxicillin + Clavulanic Acid-এর ক্লাভুলানিক অ্যাসিড উপাদানটি এই এনজাইমকে অপরিবর্তনীয়ভাবে নিষ্ক্রিয় করে, ফলে অ্যামোক্সিসিলিন সুরক্ষিত থাকে এবং প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও কার্যকর হয়।
উভয় উপাদান মুখে খাওয়ার পর ভালোভাবে শোষিত হয়, শরীরের বিভিন্ন টিস্যু ও তরলে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রধানত কিডনির মাধ্যমে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়।
Amoclav-এর মাত্রা অ্যামোক্সিসিলিন উপাদানের হিসেবে নির্ধারিত হয় এবং সংক্রমণের তীব্রতা, রোগীর বয়স, ওজন ও কিডনির কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিভেদে নির্ধারণ করা হয়।
| নির্দেশনা | সাধারণ মাত্রা | সময়কাল |
|---|---|---|
| হালকা থেকে মাঝারি সংক্রমণ | ৫০০ মি.গ্রা./১২৫ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর, বা ২৫০ মি.গ্রা./১২৫ মি.গ্রা. প্রতি ৮ ঘণ্টা অন্তর | ৭–১০ দিন |
| গুরুতর সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, সাইনুসাইটিস, কানের সংক্রমণ | ৮৭৫ মি.গ্রা./১২৫ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর, বা ৫০০ মি.গ্রা./১২৫ মি.গ্রা. প্রতি ৮ ঘণ্টা অন্তর | ৭–১৪ দিন |
ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয় (অ্যামোক্সিসিলিন উপাদানের ভিত্তিতে সাধারণত প্রতিদিন ২০–৪৫ মি.গ্রা./কেজি, ভাগ করা মাত্রায়), ওরাল সাসপেনশন ব্যবহার করে। কানের সংক্রমণে বা প্রতিরোধী S. pneumoniae-এর আশঙ্কায় চিকিৎসকের পরামর্শে উচ্চতর মাত্রা (প্রায় ৯০ মি.গ্রা./কেজি/দিন পর্যন্ত) ব্যবহৃত হতে পারে।
কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে Amoclav-এর মাত্রা বা সেবনের ব্যবধান কমাতে হয়; গুরুতর কিডনি সমস্যায় (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৩০ মি.লি./মিনিটের কম) সাধারণত মাত্রা সমন্বয় ছাড়া ব্যবহার এড়িয়ে চলা হয়।
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক নিয়মে Amoclav সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, কোনো ডোজ বাদ দেবেন না এবং অন্য কারো সাথে এই ঔষধ ভাগাভাগি করবেন না। লক্ষণ কমে গেলেও সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা জরুরি, যাতে সংক্রমণ পুনরায় না ফিরে আসে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি না হয়।
Amoclav-এর সাথে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Amoxicillin + Clavulanic Acid ব্যবহার করা যাবে না:
Amoclav-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো (২ শতাংশের বেশি রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায়):
ক্লাভুলানিক অ্যাসিড উপাদানের কারণে শুধুমাত্র অ্যামোক্সিসিলিনের তুলনায় Amoclav সেবনে ডায়রিয়া বেশি দেখা যায়; খাবারের সাথে সেবন করলে পেটের অস্বস্তি কমতে পারে।
কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে লিভারের ক্ষতি/জন্ডিস (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন), অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া এবং Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া। গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা: উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী Amoclav-এর সাথে জন্মগত ত্রুটি বা গর্ভপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধির সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে অন্যান্য ঔষধের মতোই, গর্ভাবস্থায় Amoclav তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন এটি সত্যিকারভাবে প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে বিবেচিত হয়; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ঝিল্লি ফেটে যাওয়ার (প্রিটার্ম প্রিম্যাচিউর রাপচার অফ মেমব্রেন) ক্ষেত্রে Amoclav ব্যবহারে নবজাতকের নেক্রোটাইজিং এন্টেরোকোলাইটিসের সাথে সম্ভাব্য সম্পর্কের কিছু তথ্য রয়েছে, তাই এই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রসূতি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
স্তন্যদান: Amoclav-এর উপাদানগুলো অল্প পরিমাণে মায়ের দুধে প্রবেশ করে। সাধারণত স্তন্যদানকালে Amoclav ব্যবহার নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়, তবে শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া, র্যাশ, বা মুখে ছত্রাক সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিক নিয়মে Amoclav সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, কোনো ডোজ বাদ দেবেন না এবং অন্য কারো সাথে এই ঔষধ ভাগাভাগি করবেন না।
লিভারের ক্ষতি: Amoclav মূলত ক্লাভুলানিক অ্যাসিড উপাদানের কারণে লিভারের কার্যকারিতাজনিত সমস্যা ও কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিসের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি, এবং সাধারণত ঔষধ বন্ধ করার পর তা পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে, যদিও বিরল ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনাও রিপোর্ট হয়েছে। Amoclav সেবনকালে বা সেবনের পরে জন্ডিস (ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া), গাঢ় রঙের প্রস্রাব, ফ্যাকাশে পায়খানা, অথবা অস্বাভাবিক বমি বমি ভাব/ক্ষুধামন্দা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া: Amoclav সেবনে গুরুতর এবং কখনো কখনো প্রাণঘাতী অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিস) এবং গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস) হতে পারে। মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা ব্যাপক র্যাশের মতো গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ঔষধ বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা নিন। সেফালোস্পোরিন জাতীয় ঔষধে অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া: প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকের মতো Amoclav-ও C. difficile-জনিত ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে, যা হালকা ডায়রিয়া থেকে শুরু করে মারাত্মক কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। চিকিৎসা চলাকালীন বা পরে ডায়রিয়া দেখা দিলে বা স্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ইনফেকশাস মনোনিউক্লিওসিস রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ তাদের মধ্যে অ্যামিনোপেনিসিলিন সেবনে ত্বকে র্যাশ হওয়ার হার বেশি। শুধু অ্যামোক্সিসিলিনের তুলনায় Amoclav-এ ডায়রিয়া বেশি দেখা যায়; খাবারের সাথে সেবন করলে পেটের অস্বস্তি কমতে পারে।
Amoclav-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া ও পেটে ব্যথার মতো পরিপাকতন্ত্রের লক্ষণ এবং তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ত্বকে র্যাশ, অস্থিরতা বা ঝিমুনিও হতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে প্রস্রাবে অ্যামোক্সিসিলিন স্ফটিক জমার (ক্রিস্টালুরিয়া) ফলে কিডনির সমস্যাও রিপোর্ট হয়েছে।
Amoclav-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। ঘরোয়া উপায়ে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না। চিকিৎসা মূলত লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক; পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করা উচিত। গুরুতর ক্ষেত্রে হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে অ্যামোক্সিসিলিন ও ক্লাভুলানিক অ্যাসিড অপসারণ করা সম্ভব।
Amoclav ৩০°C-এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মিশ্রিত ওরাল সাসপেনশন ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে এবং ১০ দিনের মধ্যে (অথবা লেবেলে নির্দেশিত অনুযায়ী) অবশিষ্টাংশ ফেলে দিতে হবে।
একিউট ওটাইটিস মিডিয়া, সাইনুসাইটিস, শ্বাসনালীর নিম্নাংশের সংক্রমণ, ত্বকের সংক্রমণ ও মূত্রনালীর সংক্রমণের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক ওরাল সাসপেনশন ডোজে (সাধারণত অ্যামোক্সিসিলিন উপাদানের ভিত্তিতে প্রতিদিন ২০–৪৫ মি.গ্রা./কেজি, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কানের সংক্রমণে চিকিৎসকের নির্দেশে প্রায় ৯০ মি.গ্রা./কেজি/দিন পর্যন্ত) Amoclav ব্যবহৃত হয়। ১২ সপ্তাহের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Amoclav-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়; এই বয়সে ব্যবহার করতে হলে চিকিৎসকের কড়া তত্ত্বাবধানে কিডনির অপরিণত কার্যকারিতা বিবেচনা করে মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।
শুধু বয়সের কারণে Amoclav-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন সাধারণত হয় না, তবে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে বলে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত এবং কিডনির কার্যকারিতাও যাচাই করা উচিত।
Q: Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection একটি সংমিশ্রণ অ্যান্টিবায়োটিক, যা শ্বাসনালী, কান, সাইনাস, মূত্রনালী, ত্বক ও নরম টিস্যুর ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষত যেসব সংক্রমণ শুধু অ্যামোক্সিসিলিন দিয়ে প্রতিরোধী হতে পারে।
Q: ভালো লাগলে কি Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া যাবে?
A: না। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection-এর সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করতে হবে, লক্ষণ কমে গেলেও। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করা, মাত্রা বাড়ানো, ডোজ বাদ দেওয়া বা অন্য কারো সাথে ঔষধ ভাগাভাগি করা উচিত নয়, কারণ অসম্পূর্ণ চিকিৎসায় সংক্রমণ ফিরে আসতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে পারে।
Q: Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি এবং যোনিপথে ইস্ট সংক্রমণ। শুধু অ্যামোক্সিসিলিনের তুলনায় Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection-এ ডায়রিয়া বেশি দেখা যায়; খাবারের সাথে সেবন করলে পেটের অস্বস্তি কমতে পারে।
Q: গর্ভাবস্থায় Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection ব্যবহার নিরাপদ কি?
A: গর্ভাবস্থায় Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন এটি সত্যিকারভাবে প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি। গর্ভবতী বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection কি লিভারের ক্ষতি করতে পারে?
A: হ্যাঁ। Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection-এর সাথে লিভারের কার্যকারিতাজনিত সমস্যা (হেপাটোটক্সিসিটি), যার মধ্যে জন্ডিসও রয়েছে, হওয়ার একটি স্বীকৃত কিন্তু বিরল ঝুঁকি আছে, যা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection সেবনকালে বা পরে ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, গাঢ় প্রস্রাব, বা অস্বাভাবিক বমি বমি ভাব দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: কাদের Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection খাওয়া উচিত নয়?
A: যাদের পেনিসিলিন জাতীয় ঔষধে অ্যালার্জি আছে অথবা পূর্বে Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection সেবনের কারণে লিভারের সমস্যা (জন্ডিস) হয়েছিল, তাদের Amoclav (1 gm+200 mg)/20 ml IV Injection সেবন করা উচিত নয়। চিকিৎসা শুরুর আগে পূর্বের যেকোনো ঔষধ অ্যালার্জির কথা চিকিৎসককে জানান।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।