
Lebac500 mg
Square Pharmaceuticals PLC.

সংবেদনশীল Streptococcus pneumoniae, Streptococcus pyogenes, Staphylococcus aureus (পেনিসিলিনেজ-উৎপাদনকারী স্ট্রেইনসহ) এবং Haemophilus influenzae দ্বারা সৃষ্ট ফ্যারিনজাইটিস, টনসিলাইটিস, ওটাইটিস মিডিয়া এবং লোবার নিউমোনিয়ার মতো ঊর্ধ্ব ও নিম্ন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে Aphrin একটি প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা। স্ট্রেপ্টোকক্কাল ফ্যারিনজাইটিস/টনসিলাইটিসে পেনিসিলিন বা অ্যামোক্সিসিলিন প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে অগ্রাধিকার পায়; তীব্র (অ্যানাফাইল্যাক্সিস-জাতীয়) অ্যালার্জি ছাড়া অন্য কারণে পেনিসিলিন নিতে না পারা রোগীদের ক্ষেত্রে Aphrin একটি বিকল্প।
সংবেদনশীল স্ট্যাফাইলোকক্কাস ও স্ট্রেপ্টোকক্কাস দ্বারা সৃষ্ট জটিলতাহীন ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণে Aphrin একটি প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা।
Escherichia coli, Proteus mirabilis এবং Klebsiella pneumoniae-র মতো সংবেদনশীল জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট জটিলতাহীন এবং (উচ্চ মাত্রায়) জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ, যেমন সিস্টাইটিস ও প্রোস্টাটাইটিস, চিকিৎসায় Aphrin একটি প্রতিষ্ঠিত ঔষধ।
জীবাণু ও তার সংবেদনশীলতা জানার পর, সংকীর্ণ-বর্ণালী বিকল্প হিসেবে সংবেদনশীল হাড় ও জয়েন্টের সংক্রমণে Aphrin নির্দেশিকা- ও চর্চা-সমর্থিত একটি চিকিৎসা বিকল্প; গুরুতর হাড়/জয়েন্ট সংক্রমণে এটি সাধারণত প্রথম সারির অভিজ্ঞতাভিত্তিক (empiric) চিকিৎসা নয়।
দূষিত বা সম্ভাব্য দূষিত অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে ইনজেকশনযোগ্য Aphrin সহায়ক, স্বল্পমেয়াদী প্রতিরোধমূলক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়; এটি অস্ত্রোপচারের সময়কালে প্রতিরোধমূলক হিসেবে দেওয়া হয়, দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা হিসেবে নয়, যা অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মেথিসিলিন-প্রতিরোধী স্ট্যাফাইলোকক্কাস, Pseudomonas aeruginosa, অধিকাংশ Enterococcus প্রজাতি, অথবা ভাইরাস, ছত্রাক বা পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের বিরুদ্ধে Aphrin কার্যকর নয়, এবং সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট বলে নিশ্চিত বা দৃঢ়ভাবে সন্দেহভাজন সংক্রমণেই এটি ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
থেরাপিউটিক শ্রেণি: Aphrin একটি প্রথম প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক (বিটা-ল্যাকটাম শ্রেণি)।
Cephradine একটি ব্যাকটেরিয়ানাশক (bactericidal), অর্ধ-সিন্থেটিক প্রথম প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন। Cephradine ব্যাকটেরিয়ার কোষ ঝিল্লিতে অবস্থিত পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিনের (PBP) সাথে যুক্ত হয়ে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর (পেপটিডোগ্লাইক্যান) গঠনের ক্রস-লিংকিং ধাপকে বাধা দেয়, যার ফলে কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া লাইসিস ও মৃত্যুর দিকে যায়। Cephradine স্ট্যাফাইলোকক্কাসের কিছু পেনিসিলিনেজ এনজাইমের বিরুদ্ধে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকে, তবে গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণুর বিস্তৃত-বর্ণালী বিটা-ল্যাকটামেজের বিরুদ্ধে স্থিতিশীল নয়।
মুখে সেবনের পর Cephradine ভালোভাবে শোষিত হয়, দেহের টিস্যু ও তরলে বিস্তৃতভাবে বিতরিত হয়, সামান্য পরিমাণে বিপাকিত হয়, এবং প্রধানত অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন ও টিউবিউলার সিক্রেশনের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়। কিডনির মাধ্যমে নিষ্কাশনই প্রধান পথ হওয়ায়, বৃক্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে Cephradine-এর মাত্রা সমন্বয় করা প্রয়োজন (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।
Aphrin-এর মাত্রা, সেবনের ঘনত্ব এবং চিকিৎসার মেয়াদ নির্ভর করে সংক্রমণের ধরন, রোগীর বয়স, ওজন এবং কিডনির কার্যক্ষমতার উপর, এবং তা একজন যোগ্য চিকিৎসক দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত। অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী যথাযথভাবে Aphrin সেবন করুন; উপসর্গ কমে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Aphrin বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা | শিশুর মাত্রা (৯ মাসের বেশি বয়সী) |
|---|---|---|
| শ্বাসতন্ত্র ও ত্বক/নরম টিস্যুর সংক্রমণ | প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২৫০–৫০০ মি.গ্রা., অথবা প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৫০০ মি.গ্রা.–১ গ্রাম | প্রতিদিন ২৫–৫০ মি.গ্রা./কেজি, ৬–১২ ঘণ্টা পরপর ভাগ করে |
| লোবার নিউমোনিয়া | প্রতি ৬ ঘণ্টায় ৫০০ মি.গ্রা., অথবা প্রতি ১২ ঘণ্টায় ১ গ্রাম | প্রতিদিন ২৫–৫০ মি.গ্রা./কেজি, ভাগ করে |
| ওটাইটিস মিডিয়া | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ নির্দেশনা নয় | প্রতিদিন ৭৫–১০০ মি.গ্রা./কেজি, ৬–১২ ঘণ্টা পরপর ভাগ করে (দৈনিক ৪ গ্রামের বেশি নয়) |
| জটিলতাহীন মূত্রনালীর সংক্রমণ (সিস্টাইটিস) | প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৫০০ মি.গ্রা. | প্রতিদিন ২৫–৫০ মি.গ্রা./কেজি, ভাগ করে |
| জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ / প্রোস্টাটাইটিস | প্রতি ৬ ঘণ্টায় ৫০০ মি.গ্রা., অথবা প্রতি ১২ ঘণ্টায় ১ গ্রাম | প্রতিষ্ঠিত নয় |
| ইনজেকশন (মাঝারি থেকে তীব্র সংক্রমণ) | প্রতিদিন ২–৪ গ্রাম ভাগ করে (জীবন-হুমকিস্বরূপ সংক্রমণে সর্বোচ্চ ৮ গ্রাম/দিন, IM বা ধীরে IV) | প্রতিদিন ৫০–১০০ মি.গ্রা./কেজি ভাগ করে (তীব্র সংক্রমণে নিবিড় চিকিৎসকীয় তত্ত্বাবধানে সর্বোচ্চ ৩০০ মি.গ্রা./কেজি/দিন পর্যন্ত) |
| অস্ত্রোপচার-পূর্ব প্রতিরোধমূলক ব্যবহার (ইনজেকশন) | অস্ত্রোপচারের কিছুক্ষণ আগে ১–২ গ্রাম, স্বল্পমেয়াদী মাত্রায় | প্রতিষ্ঠিত নয় |
স্ট্রেপ্টোকক্কাল ফ্যারিনজাইটিস/টনসিলাইটিসের ক্ষেত্রে রিউম্যাটিক ফিভার ও পোস্ট-স্ট্রেপ্টোকক্কাল গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিসের ঝুঁকি কমাতে Aphrin দিয়ে চিকিৎসা কমপক্ষে ১০ দিন চালিয়ে যাওয়া উচিত। অন্যান্য অধিকাংশ সংক্রমণে, রোগী উপসর্গমুক্ত হওয়ার পর অথবা ব্যাকটেরিয়া নির্মূলের প্রমাণ পাওয়ার পর কমপক্ষে ৪৮–৭২ ঘণ্টা Aphrin চালিয়ে যাওয়া হয় (দেখুন চিকিৎসার মেয়াদ)। বৃক্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে Aphrin-এর মাত্রা অবশ্যই কমাতে হবে (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।
Cephradine বা অন্য কোনো সেফালোস্পোরিন-শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Cephradine প্রতিনির্দেশিত (contraindicated)।
Aphrin FDA-র পুরনো (legacy) গর্ভাবস্থা শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ক্যাটাগরি B-তে অন্তর্ভুক্ত: পশুর প্রজনন গবেষণায় ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে গর্ভবতী নারীদের ওপর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। অন্যান্য সেফালোস্পোরিনের মতো, পেনিসিলিন ব্যবহার করা সম্ভব না হলে এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসা স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে Aphrin সাধারণত গর্ভাবস্থায় গ্রহণযোগ্য একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই এবং একজন যোগ্য চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানেই কেবল গর্ভাবস্থায় Aphrin ব্যবহার করা উচিত।
Aphrin সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। স্তন্যপানকারী শিশুর ওপর গুরুতর প্রভাবের সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও, স্তন্যদানকালে Aphrin সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, এবং স্বাভাবিক অন্ত্রের উদ্ভিদের ভারসাম্যহীনতাজনিত ডায়রিয়া, ডায়াপার র্যাশ, বা মুখের থ্রাশের মতো সম্ভাব্য প্রভাবের জন্য শিশুকে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। স্তন্যদানকালে Aphrin ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Aphrin-এর অতিরিক্ত মাত্রার প্রতিবেদিত প্রভাবগুলো সাধারণত এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারই বর্ধিত রূপ, বিশেষত বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া এবং অন্যান্য পাকস্থলীর সমস্যা; অন্যান্য বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকের মতো, খুব বেশি মাত্রায়, বিশেষত বৃক্কের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, তাত্ত্বিকভাবে স্নায়ু-পেশির অতি-উত্তেজনা বা খিঁচুনি হতে পারে। Aphrin-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। Aphrin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাহায্য নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; সাম্প্রতিক বড় মাত্রায় সেবনের ক্ষেত্রে চিকিৎসাকর্মীরা গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ বিবেচনা করতে পারেন। অন্যথায় চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক, এবং তীব্র বৃক্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস বা গুরুতর অতিরিক্ত মাত্রার ক্ষেত্রে হেমোডায়ালাইসিস শরীর থেকে Aphrin অপসারণে সাহায্য করতে পারে।
Aphrin-এর ক্যাপসুল এবং অদ্রবীভূত পাউডার ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), সরাসরি আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, মূল প্যাকেজিংয়ে, এবং শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে সংরক্ষণ করুন। পানি মিশিয়ে প্রস্তুত করা Aphrin-এর সাসপেনশন ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করলে ৭ দিনের মধ্যে এবং ফ্রিজে (২–৮°C) সংরক্ষণ করলে ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন; প্রতিবার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন এবং এই সময়ের পর অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন। ইনজেকশনযোগ্য Aphrin দ্রবণের স্থিতিশীলতা অনেক কম, তাই প্রস্তুতকারী স্বাস্থ্যকর্মীর নির্দেশ অনুযায়ী দ্রুত ব্যবহার করা উচিত। মেয়াদোত্তীর্ণ Aphrin ব্যবহার করবেন না।
৯ মাসের বেশি বয়সী শিশু এবং বড় শিশুদের ক্ষেত্রে Aphrin ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে, ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করে (দেখুন পেডিয়াট্রিক ব্যবহার)। ৯ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে দিনে দুইবার সেবনের নিয়মে Aphrin-এর পর্যাপ্ত তথ্য নেই, তাই এই বয়সের শিশুদের ক্ষেত্রে Aphrin নিবিড় চিকিৎসকীয় তত্ত্বাবধানে, বিশেষ সতর্কতার সাথে এবং সাধারণত বেশি ঘনঘন মাত্রায় ব্যবহার করা উচিত।
শুধুমাত্র বয়সের ভিত্তিতে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Aphrin-এর কোনো নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে বয়সের সাথে সাথে বৃক্কের কার্যক্ষমতা সাধারণত কমে যায় বলে, বয়স্ক রোগীদের কিডনির কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা এবং বৃক্কের সমস্যা থাকলে সে অনুযায়ী Aphrin-এর মাত্রা সমন্বয় করা উচিত।
Aphrin প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নিষ্কাশিত হওয়ায়, ঔষধ জমা হওয়া এড়াতে বৃক্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে মাত্রার ব্যবধান ও/অথবা মাত্রা কমাতে হয় — ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ২০ মিলি/মিনিটের বেশি হলে প্রতি ৬ ঘণ্টায় ৫০০ মি.গ্রা.; ৫–২০ মিলি/মিনিট হলে প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২৫০ মি.গ্রা.; এবং ৫ মিলি/মিনিটের কম হলে প্রতি ১২ ঘণ্টা থেকে শুরু করে সংক্রমণের তীব্রতা অনুযায়ী প্রতি ৫০–৭০ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবধানে ২৫০ মি.গ্রা.। হেমোডায়ালাইসিসে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে তাদের নেফ্রোলজিস্ট/চিকিৎসক ডায়ালাইসিসের সময়সূচি অনুযায়ী Aphrin-এর মাত্রা ও সময় পৃথকভাবে নির্ধারণ করবেন।
Aphrin প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়, যকৃতের মাধ্যমে নয়, এবং শুধুমাত্র যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাসের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় সুপ্রতিষ্ঠিত নয়; স্বাভাবিক বৃক্কীয় কার্যক্ষমতাসম্পন্ন যকৃতের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাধারণত স্বাভাবিক মাত্রায় Aphrin ব্যবহার করা যায়।
এই জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে Aphrin-এর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনার জন্য উপরের গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশটি দেখুন।
Q: Aphrin 500 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Aphrin 500 mg Capsule একটি প্রথম প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেমন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ (ফ্যারিনজাইটিস, টনসিলাইটিস, ওটাইটিস মিডিয়া, নিউমোনিয়া), ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ, মূত্রনালীর সংক্রমণ এবং কিছু হাড় ও জয়েন্টের সংক্রমণ। সাধারণ সর্দি বা ফ্লুর মতো ভাইরাসজনিত সংক্রমণে Aphrin 500 mg Capsule কাজ করে না।
Q: Aphrin 500 mg Capsule-এর স্বাভাবিক মাত্রা কী?
A: মুখে সেবনের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের অধিকাংশ সংক্রমণে সাধারণত প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২৫০–৫০০ মি.গ্রা. বা প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৫০০ মি.গ্রা.–১ গ্রাম Aphrin 500 mg Capsule দেওয়া হয়; ৯ মাসের বেশি বয়সী শিশুদের সাধারণত প্রতিদিন ২৫–৫০ মি.গ্রা./কেজি ভাগ করে দেওয়া হয়, ওটাইটিস মিডিয়ার ক্ষেত্রে উচ্চতর মাত্রা ব্যবহৃত হয়। সঠিক মাত্রা, ঘনত্ব ও মেয়াদ নির্ভর করে নির্দিষ্ট সংক্রমণ, রোগীর বয়স, ওজন ও কিডনির কার্যক্ষমতার উপর, এবং সর্বদা একজন যোগ্য চিকিৎসক দ্বারা নির্ধারণ করা উচিত।
Q: ভালো বোধ করলে কি আমি Aphrin 500 mg Capsule সেবন বন্ধ করে দিতে পারি?
A: না। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Aphrin 500 mg Capsule-এর সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা উচিত, যদিও উপসর্গ আগে কমে যায়। Aphrin 500 mg Capsule খুব তাড়াতাড়ি বন্ধ করা, ডোজ বাদ দেওয়া, বা অন্য কাউকে দেওয়া সংক্রমণ ফিরে আসতে বা আরও খারাপ হতে দিতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে ভূমিকা রাখে; বিশেষত স্ট্রেপ্টোকক্কাল গলা সংক্রমণে রিউম্যাটিক ফিভারের মতো জটিলতা প্রতিরোধে Aphrin 500 mg Capsule-এর পূর্ণ ১০ দিনের কোর্স প্রয়োজন।
Q: আমার পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকলে কি Aphrin 500 mg Capsule নিরাপদ?
A: Aphrin 500 mg Capsule সেফালোস্পোরিন পরিবারের অন্তর্গত, যা রাসায়নিকভাবে পেনিসিলিনের সাথে সম্পর্কিত, এবং ক্রস-রিঅ্যাক্টিভিটি ঘটতে পারে। পেনিসিলিনের প্রতি তীব্র বা তাৎক্ষণিক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার (যেমন অ্যানাফাইল্যাক্সিস, আর্টিকেরিয়া, বা শ্বাসকষ্ট) ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Aphrin 500 mg Capsule এড়িয়ে চলা উচিত, এবং হালকা পেনিসিলিন অ্যালার্জির ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। Aphrin 500 mg Capsule শুরু করার আগে আপনার অতীতের ঔষধ অ্যালার্জির কথা চিকিৎসককে অবশ্যই জানান।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Aphrin 500 mg Capsule নেওয়া যায়?
A: Aphrin 500 mg Capsule FDA ক্যাটাগরি B হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ এবং স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে ও অন্য কোনো উপযুক্ত বিকল্প না থাকলে গর্ভাবস্থায় সাধারণত গ্রহণযোগ্য একটি অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় এটি ব্যবহার করা উচিত। Aphrin 500 mg Capsule সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে যায়, তাই স্তন্যদানকালে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত এবং শিশুর ডায়রিয়া বা থ্রাশের লক্ষণের জন্য নজর রাখা উচিত; উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Aphrin 500 mg Capsule-এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Aphrin 500 mg Capsule-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, পেটে অস্বস্তি এবং মৃদু ত্বকের র্যাশ। কম সাধারণভাবে, Aphrin 500 mg Capsule যোনিতে চুলকানি বা স্রাব, মুখের থ্রাশ, বা রক্তকণিকার মৃদু পরিবর্তন ঘটাতে পারে। Aphrin 500 mg Capsule সেবনকালে তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ, বা ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসককে জানান; বিস্তারিত জানতে উপরের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অংশ দেখুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।