Product gallery
MRP ৭০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৬৩.০০/15 gm tube
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Ariproct পায়ুপথের বিভিন্ন সমস্যায় স্বল্পমেয়াদী উপসর্গ উপশমের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান ব্যবহারক্ষেত্রগুলো হলো:

  • অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পাইলস (হেমোরয়েড): ব্যথা, চুলকানি, জ্বালাপোড়া, ফোলাভাব ও অস্বস্তি উপশমে, বিশেষত যেখানে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
  • এনাল ফিসার ও প্রুরাইটাস অ্যানাই (পায়ুপথে চুলকানি): সংশ্লিষ্ট ব্যথা ও জ্বালাপোড়া উপশমে।
  • হেমোরয়েডেক্টমি বা পায়ুপথের অস্ত্রোপচার-পরবর্তী যত্ন: চিকিৎসকের নির্দেশনায় স্বল্পমেয়াদী সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে।
  • প্রোক্টাইটিস ও অন্যান্য সামান্য প্রদাহজনিত পায়ুপথের সমস্যা যেখানে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।

Ariproct কেবল স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত; এটি উপসর্গ উপশম করে কিন্তু হেমোরয়েডের মূল কারণ নিরাময় করে না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Ariproct একটি সম্মিলিত পায়ুপথ প্রস্তুতি, যাতে রয়েছে একটি স্থানীয় অবেদনিক (লোকাল অ্যানেস্থেটিক), একটি কর্টিকোস্টেরয়েড, একটি টপিক্যাল অ্যান্টিবায়োটিক এবং একটি ভেনোটনিক (রক্তনালী-সুরক্ষাকারী) উপাদান। এটি অ্যান্টি-হেমোরয়েডাল কম্বিনেশন প্রোডাক্ট হিসেবে শ্রেণীভুক্ত।

ফার্মাকোলজি

Cinchocaine + Hydrocortisone + Neomycin + Esculin-এ চারটি উপাদান প্রতিটি ভিন্ন ভিন্নভাবে কাজ করে:

  • সিনকোকেইন একটি অ্যামাইড-জাতীয় স্থানীয় অবেদনিক, যা স্নায়ু কোষের ভোল্টেজ-নির্ভর সোডিয়াম চ্যানেল বন্ধ করে ব্যথার সংকেত প্রেরণ বাধা দেয়, ফলে স্থানীয় ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও চুলকানি কমে।
  • হাইড্রোকর্টিসোন একটি কর্টিকোস্টেরয়েড, যা প্রদাহজনক মধ্যস্থতাকারী পদার্থের নিঃসরণ ও কৈশিক নালীর ভেদ্যতা কমিয়ে স্থানীয় প্রদাহ, ফোলাভাব ও চুলকানি হ্রাস করে।
  • নিওমাইসিন একটি অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক, যা ব্যাকটেরিয়ার ৩০এস রাইবোজোমাল সাবইউনিটের সাথে যুক্ত হয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ বাধা দেয়, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পায়ুপথের টিস্যুতে সেকেন্ডারি সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
  • এসকুলিন (হর্স চেস্টনাট থেকে প্রাপ্ত) একটি ভেনোটনিক/রক্তনালী-সুরক্ষাকারী উপাদান, যা কৈশিক নালীর ভঙ্গুরতা ও ভেদ্যতা কমায় এবং শিরার স্বাভাবিক স্বর বজায় রাখতে সাহায্য করে, ফলে স্থানীয় জমাট ও ফোলাভাব কমে।

সঠিকভাবে টপিক্যাল/রেকটাল প্রয়োগের ক্ষেত্রে সিস্টেমিক শোষণ সাধারণত কম হলেও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে বা ক্ষতিগ্রস্ত মিউকোসায় প্রয়োগে তা বাড়তে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে

মলম/ক্রিম: আক্রান্ত স্থানে দিনে ২-৩ বার এবং প্রতিটি মলত্যাগের পর সামান্য পরিমাণে প্রয়োগ করুন। অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য সরবরাহকৃত অ্যাপ্লিকেটর ব্যবহার করে সকালে ও রাতে, এবং প্রয়োজনে মলত্যাগের পর প্রয়োগ করুন; উপসর্গ কমে এলে প্রয়োগের সংখ্যা কমিয়ে আনুন।

সাপোজিটরি: দিনে দুইবার (সকাল ও রাতে) এবং প্রয়োজনে প্রতিটি মলত্যাগের পর একটি করে সাপোজিটরি মলদ্বারে প্রবেশ করান; তীব্র উপসর্গ কমে এলে প্রয়োগ কমিয়ে আনুন বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী চালিয়ে যান।

চিকিৎসার মেয়াদ

কর্টিকোস্টেরয়েড ও অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানের কারণে Ariproct সাধারণত ৭ দিনের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। এক সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ না কমলে বা খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শিশুদের ক্ষেত্রে

শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত সুপারিশ করা হয় না; বিস্তারিত জানতে বিশেষ জনগোষ্ঠীতে ব্যবহার অংশ দেখুন।

প্রয়োগের নির্দেশনা

  • প্রয়োগের আগে পায়ুপথের স্থান আলতোভাবে পরিষ্কার ও শুকিয়ে নিন।
  • প্রয়োগের আগে ও পরে হাত ধুয়ে নিন।
  • চোখের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
  • চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Ariproct ব্যবহার করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

স্বাভাবিক ব্যবহারে সিস্টেমিক শোষণ কম হওয়ায় Ariproct-এর ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া বিরল, তবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো লক্ষণীয়:

  • অন্যান্য স্থানীয় অবেদনিক: অন্য টপিক্যাল বা সিস্টেমিক লোকাল অ্যানেস্থেটিকের সাথে একযোগে ব্যবহারে সংযোজিত টক্সিসিটির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • অন্যান্য ওটোটক্সিক/নেফ্রোটক্সিক ওষুধ (যেমন সিস্টেমিক অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড): দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে বা ক্ষতিগ্রস্ত মিউকোসায় নিওমাইসিনের উল্লেখযোগ্য শোষণ ঘটলে অন্যান্য অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডের সাথে সম্মিলিত ব্যবহারে ঝুঁকি তাত্ত্বিকভাবে বাড়তে পারে।
  • অন্যান্য কর্টিকোস্টেরয়েডযুক্ত পণ্য: ব্যাপকভাবে অন্য কর্টিকোস্টেরয়েডযুক্ত পণ্যের সাথে একযোগে ব্যবহারে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে, সিস্টেমিক কর্টিকোস্টেরয়েড প্রভাবের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

Ariproct শুরু করার আগে অন্য যেকোনো ওষুধ বা টপিক্যাল পণ্য ব্যবহারের বিষয়ে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

Cinchocaine + Hydrocortisone + Neomycin + Esculin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • সিনকোকেইন, হাইড্রোকর্টিসোন, নিওমাইসিন, এসকুলিন, অন্যান্য অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক, অথবা প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা।
  • প্রয়োগস্থলে অচিকিৎসিত ব্যাকটেরিয়াল, ফাঙ্গাল, ভাইরাল (হারপিস সিমপ্লেক্স ও ভ্যারিসেলাসহ), অথবা যক্ষ্মাজনিত সংক্রমণ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারে Ariproct-এর অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া স্থানীয় ও মৃদু:

  • সাধারণ: প্রয়োগস্থলে জ্বালাপোড়া, চিনচিন করা বা চুলকানি; স্থানীয় জ্বালা।
  • অপেক্ষাকৃত কম সাধারণ: অ্যালার্জিক কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস বা অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া (বিশেষত নিওমাইসিন উপাদানের কারণে, যা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে সংবেদনশীলতা সৃষ্টির জন্য পরিচিত)।
  • দীর্ঘমেয়াদী বা অতিরিক্ত ব্যবহারে: ত্বক বা মিউকোসা পাতলা হয়ে যাওয়া (অ্যাট্রোফি), টেলাঞ্জিয়েক্টাসিয়া, এবং বিরল ক্ষেত্রে সিস্টেমিক কর্টিকোস্টেরয়েড প্রভাব (যেমন অ্যাড্রিনাল দমন) বা উল্লেখযোগ্য শোষণ ঘটলে নিওমাইসিন-সম্পর্কিত ওটোটক্সিসিটি/নেফ্রোটক্সিসিটির লক্ষণ।

অতি সংবেদনশীলতার লক্ষণ (র‍্যাশ, ফোলাভাব, তীব্র জ্বালা) দেখা দিলে Ariproct ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় Ariproct ব্যবহারের বিষয়ে সীমিত নিয়ন্ত্রিত তথ্য রয়েছে। শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই এবং সর্বনিম্ন কার্যকর মেয়াদে ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রথম ত্রৈমাসিকে বা দীর্ঘমেয়াদী/ব্যাপক ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত, চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া।

স্তন্যদান: স্তন্যদানকালে Ariproct-এর উপাদান মায়ের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নির্গত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই। সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং ব্যবহারের আগে, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

Ariproct শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত। সতর্কতাসমূহ:

  • ব্যবহারের মেয়াদ: একটানা বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন; প্রায় ৭ দিনের মধ্যে উপসর্গ না কমলে বা রক্তক্ষরণ, তীব্র ব্যথা বা নতুন কোনো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে পুনর্মূল্যায়ন করুন, যাতে ফিসার, সংক্রমণ বা ম্যালিগন্যান্সির মতো অন্য কারণ বাদ দেওয়া যায়।
  • ত্বক/মিউকোসা পাতলা হওয়া: কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদানের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে স্থানীয় অ্যাট্রোফি, পাতলা হয়ে যাওয়া বা টেলাঞ্জিয়েক্টাসিয়া হতে পারে।
  • সংবেদনশীলতা: নিওমাইসিন উপাদান দীর্ঘমেয়াদী বা বারবার ব্যবহারে কনট্যাক্ট সংবেদনশীলতার ঝুঁকি বহন করে; অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
  • সংক্রমণ আড়াল হওয়া: কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদান সংক্রমণের লক্ষণ আড়াল করতে পারে বা বিদ্যমান সংক্রমণ খারাপ করতে পারে; অচিকিৎসিত সংক্রমিত স্থানে ব্যবহার করবেন না।
  • সিস্টেমিক শোষণ: ক্ষতিগ্রস্ত, ক্ষতযুক্ত বা ব্যাপক প্রদাহযুক্ত মিউকোসায় ব্যবহার এড়িয়ে চলুন এবং অক্লুসিভ ড্রেসিং ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে হাইড্রোকর্টিসোন ও নিওমাইসিনের সিস্টেমিক শোষণ বাড়তে পারে।
  • চোখের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
  • চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী বা প্রতিরোধমূলক ব্যবহার করবেন না।
  • অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Ariproct ঠিকভাবে ব্যবহার করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না, কারণ এতে অ্যান্টিবায়োটিক (নিওমাইসিন) উপাদান রয়েছে।

মাত্রাধিক্যতা

স্বাভাবিক ব্যবহারে Ariproct-এর মাত্রাধিক্যতার সম্ভাবনা কম, তবে অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী প্রয়োগে সিস্টেমিক শোষণ ও এর সাথে সম্পর্কিত প্রভাব (যেমন সিস্টেমিক কর্টিকোস্টেরয়েড প্রভাব, বা বিরল ক্ষেত্রে নিওমাইসিন-সম্পর্কিত ওটোটক্সিসিটি বা নেফ্রোটক্সিসিটি) বাড়তে পারে। ভুলবশত মুখে খেয়ে ফেললে বা মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা নিকটস্থ হাসপাতালে/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে থেকে কোনো চিকিৎসা নেবেন না।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। হিমায়িত করবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: শিশু, বিশেষত নবজাতক ও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে Ariproct-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়। এই বয়সে ত্বক/মিউকোসা তুলনামূলক পাতলা ও ভেদ্য হওয়ায় কর্টিকোস্টেরয়েড ও অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানের সিস্টেমিক শোষণের ঝুঁকি বেশি থাকায় সাধারণত ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না। বয়স্ক শিশু/কিশোরদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন মনে হলে চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

বয়স্ক ব্যক্তি: সাধারণত বিশেষ মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; নির্দেশিতভাবে ব্যবহার করুন এবং ত্বক/মিউকোসার অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রাখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Ariproct Ointment কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Ariproct Ointment পাইলস (হেমোরয়েড) ও পায়ুপথের অন্যান্য সমস্যায় ব্যথা, চুলকানি, ফোলাভাব ও প্রদাহ স্বল্পমেয়াদে উপশমের পাশাপাশি সংক্রমণ প্রতিরোধ ও রক্তনালী সুরক্ষায় সহায়তা করে।

Q: Ariproct Ointment কতদিন ব্যবহার করা যাবে?

A: সাধারণত ৭ দিনের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়, যদি না চিকিৎসক ভিন্ন নির্দেশ দেন। এই সময়ের মধ্যে উপসর্গ না কমলে বা খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ত্বক/মিউকোসা পাতলা হয়ে যাওয়া ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Ariproct Ointment ব্যবহার করা যাবে?

A: Ariproct Ointment গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: শিশুদের ক্ষেত্রে Ariproct Ointment কি নিরাপদ?

A: শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়, এবং সাধারণত এই বয়সে ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Ariproct Ointment-এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী?

A: সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে প্রয়োগস্থলে জ্বালাপোড়া, চিনচিন করা বা চুলকানি। কম ক্ষেত্রে, বিশেষত নিওমাইসিন উপাদানের কারণে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। র‍্যাশ, ফোলাভাব বা তীব্র জ্বালা দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কাদের Ariproct Ointment ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: সিনকোকেইন, হাইড্রোকর্টিসোন, নিওমাইসিন, এসকুলিন বা সম্পর্কিত অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা থাকলে, অথবা প্রয়োগস্থলে অচিকিৎসিত ব্যাকটেরিয়াল, ফাঙ্গাল, ভাইরাল বা যক্ষ্মাজনিত সংক্রমণ থাকলে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor