
Clindax150 mg
Opsonin Pharma Ltd.

Asiclin একটি লিনকোসামাইড শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল অ্যানএরোবিক ব্যাকটেরিয়া এবং নির্দিষ্ট কিছু গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Asiclin মেনিনজাইটিসের চিকিৎসায় কার্যকর নয়, কারণ এটি রক্ত-মস্তিষ্ক বাধা পর্যাপ্তভাবে অতিক্রম করতে পারে না।
Asiclin একটি লিনকোসামাইড শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক।
Clindamycin [Oral/Injection] ব্যাকটেরিয়ার ৫০এস রাইবোজোমাল সাবইউনিটের সাথে যুক্ত হয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রতিরোধ করে, ফলে পেপটাইড চেইন দীর্ঘায়ন বাধাগ্রস্ত হয়। জীবাণুর প্রকার, ওষুধের ঘনত্ব এবং সংক্রমণস্থলের ওপর নির্ভর করে এর প্রভাব ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিক অথবা ব্যাকটেরিসাইডাল হতে পারে।
মুখে সেবনের পর ক্লিন্ডামাইসিন হাইড্রোক্লোরাইড ভালোভাবে শোষিত হয়, এবং ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া ক্লিন্ডামাইসিন ফসফেট দ্রুত সক্রিয় ক্লিন্ডামাইসিনে রূপান্তরিত হয়ে শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে, তবে সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডে পর্যাপ্ত ঘনত্বে পৌঁছাতে পারে না। Clindamycin [Oral/Injection] যকৃতে বিপাকিত হয় এবং মূলত পিত্ত ও মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।
Asiclin-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন, তীব্রতা এবং রোগীর বয়স, ওজন ও কিডনি/যকৃতের কার্যক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
মাঝারি থেকে গুরুতর সংক্রমণে প্রতি ৬ ঘণ্টায় ১৫০-৩০০ মিগ্রা; অধিক গুরুতর সংক্রমণে প্রতি ৬ ঘণ্টায় ৩০০-৪৫০ মিগ্রা।
গুরুতর সংক্রমণে দৈনিক ৬০০-১২০০ মিগ্রা, ২-৪টি বিভক্ত মাত্রায়; অধিক গুরুতর সংক্রমণে দৈনিক ১২০০-২৭০০ মিগ্রা পর্যন্ত, ২-৪টি বিভক্ত মাত্রায়, চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে।
১ মাস থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য দৈনিক ২০-৪০ মিগ্রা/কেজি শিরায়/মাংসপেশিতে (৩-৪টি বিভক্ত মাত্রায়) অথবা প্রায় ৮-২৫ মিগ্রা/কেজি মুখে সেবনযোগ্য (৩-৪টি বিভক্ত মাত্রায়), সংক্রমণের তীব্রতা অনুযায়ী। নবজাতকদের (১ মাসের কম) জন্য দৈনিক ১৫-২০ মিগ্রা/কেজি, ৩-৪টি বিভক্ত মাত্রায়।
ক্যাপসুল পূর্ণ এক গ্লাস পানির সাথে গিলে খেতে হবে, যাতে খাদ্যনালীতে জ্বালাপোড়া না হয়। ইনজেকশন অবশ্যই পাতলা করে ধীরে ধীরে শিরাপথে (প্রতি মিনিটে ৩০ মিগ্রার বেশি নয়) অথবা গভীর মাংসপেশিতে দিতে হবে; দ্রুত শিরায় বোলাস হিসেবে দেওয়া যাবে না।
Asiclin ঠিক চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে এই ওষুধ শেয়ার করবেন না।
Asiclin-এর সাথে নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত:
Clindamycin [Oral/Injection] ক্লিন্ডামাইসিন, লিনকোমাইসিন বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত।
Asiclin-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, খাদ্যনালীতে জ্বালাপোড়া (ক্যাপসুল), ত্বকে র্যাশ, চুলকানি এবং ইনজেকশনস্থলে ব্যথা বা প্রদাহ।
কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিস সহ), গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া, যকৃতের ক্ষতি এবং Clostridioides difficile সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়া/কোলাইটিস - বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন।
গর্ভাবস্থা: Asiclin গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদান: Asiclin মায়ের দুধে নির্গত হয়, তাই স্তন্যপান করানো শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া বা পরিপাকতন্ত্রের অন্যান্য প্রভাবের জন্য পর্যবেক্ষণ করা উচিত। চিকিৎসক মায়ের প্রয়োজনীয়তা এবং শিশুর ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।
Asiclin ব্যবহারে হালকা ডায়রিয়া থেকে শুরু করে মারাত্মক সিউডোমেমব্রেনাস কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে, যা চিকিৎসার সময় বা চিকিৎসা শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরেও দেখা দিতে পারে। তীব্র, দীর্ঘস্থায়ী বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এর জন্য Asiclin বন্ধ করে C. difficile-এর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া এবং গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (যেমন স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম) দেখা দিলে সাথে সাথে Asiclin বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে যকৃতের ক্ষতি (বিরল) এবং কিডনির কার্যকারিতা পরিবর্তনের ঝুঁকি থাকতে পারে; নিয়মিত যকৃত ও কিডনির পরীক্ষা করা উচিত।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে Asiclin সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ, বৃদ্ধি, বাদ বা অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না।
Asiclin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই এবং হেমোডায়ালাইসিস বা পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস রক্ত থেকে এটি অপসারণে কার্যকর নয়। অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যান বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসা মূলত উপসর্গ অনুযায়ী সহায়ক হয়ে থাকে।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। Asiclin-এর ইনজেকশন সলিউশন হিমায়িত করবেন না।
Asiclin শিশুদের ক্ষেত্রে (নবজাতক সহ) বয়স ও ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করে ব্যবহার করা যেতে পারে - নবজাতকদের (১ মাসের কম বয়সী) জন্য দৈনিক ১৫-২০ মিগ্রা/কেজি, ৩-৪টি বিভক্ত মাত্রায়; বড় শিশুদের জন্য ২০-৪০ মিগ্রা/কেজি (শিরায়/মাংসপেশিতে) বা প্রায় ৮-২৫ মিগ্রা/কেজি (মুখে সেবন)।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে বয়সভিত্তিক আলাদা মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে তীব্র ডায়রিয়া/CDAD-এর ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে বলে তাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। কিডনি বৈকল্যে সাধারণত Asiclin-এর মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে গুরুতর যকৃত বৈকল্যে সতর্কতা প্রয়োজন।
Q: Asiclin 150 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Asiclin 150 mg Capsule একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা ত্বক, হাড়-জয়েন্ট, উদর এবং স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত গুরুতর সংক্রমণসহ বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Q: ভালো বোধ করলে কি Asiclin 150 mg Capsule বন্ধ করে দেওয়া যাবে?
A: না। চিকিৎসকের নির্ধারিত পূর্ণ কোর্স শেষ না করে Asiclin 150 mg Capsule বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে সংক্রমণ ফিরে আসতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে পারে।
Q: Asiclin 150 mg Capsule-এর সবচেয়ে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী?
A: সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকি হলো Clostridioides difficile সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়া, যা হালকা থেকে প্রাণঘাতী কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে এবং Asiclin 150 mg Capsule বন্ধ করার পরেও দেখা দিতে পারে। তীব্র বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া হলে সাথে সাথে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
Q: গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে কি Asiclin 150 mg Capsule নিরাপদ?
A: Asiclin 150 mg Capsule গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত। এটি বুকের দুধে নির্গত হয়, তাই স্তন্যপান করানো শিশুকে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
Q: শিশুদের কি Asiclin 150 mg Capsule দেওয়া যায়?
A: হ্যাঁ, চিকিৎসকের নির্দেশনায় বয়স ও ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করে শিশুদের (নবজাতক সহ) Asiclin 150 mg Capsule দেওয়া যেতে পারে।
Q: একটি মাত্রা মিস হয়ে গেলে কী করব?
A: মনে পড়ার সাথে সাথে মিসড মাত্রা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড মাত্রা বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করুন। একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Asiclin 150 mg Capsule বন্ধ করবেন না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।