Product gallery
MRP ৯.৯৪১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮.৯৫/piece
স্টকে নেই
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Atocon নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি, প্রাথমিক হাইপারলিপিডেমিয়া (হেটেরোজাইগাস ফ্যামিলিয়াল ও নন-ফ্যামিলিয়াল হাইপারকোলেস্টেরলেমিয়া) এবং মিশ্র ডিসলিপিডেমিয়া রোগীদের মোট কোলেস্টেরল, LDL-কোলেস্টেরল, অ্যাপোলিপোপ্রোটিন B এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে Atocon ব্যবহৃত হয়।
  • হোমোজাইগাস ফ্যামিলিয়াল হাইপারকোলেস্টেরলেমিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে, অন্যান্য লিপিড-হ্রাসকারী চিকিৎসার (যেমন LDL অ্যাফেরেসিস) সহায়ক হিসেবে বা সেসব চিকিৎসা অনুপলব্ধ হলে Atocon ব্যবহার করা হয়।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি থাকা বা ইতিমধ্যে এথেরোস্ক্লেরোটিক কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, রিভাস্কুলারাইজেশন এবং এনজাইনার ঝুঁকি কমাতে Atocon ব্যবহৃত হয়।
  • ১০ বছর বা তার বেশি বয়সী হেটেরোজাইগাস ফ্যামিলিয়াল হাইপারকোলেস্টেরলেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ফল না পেলে Atocon সহায়ক থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Atocon উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডজনিত তীব্র প্যানক্রিয়াটাইটিসের তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত নয়, এবং এটি খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের বিকল্প নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Atocon HMG-CoA রিডাক্টেজ ইনহিবিটর (স্ট্যাটিন) শ্রেণীর ওষুধ, যা ডিসলিপিডেমিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Atorvastatin Calcium HMG-CoA রিডাক্টেজ এনজাইমকে বাধা দেয়, যা লিভারে কোলেস্টেরল তৈরির প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এই এনজাইম বাধাগ্রস্ত হলে লিভারে কোলেস্টেরল উৎপাদন কমে যায়, ফলে লিভারের কোষগুলো রক্ত থেকে বেশি LDL-কোলেস্টেরল শোষণ করে।

এর ফলে Atorvastatin Calcium মোট কোলেস্টেরল, LDL-কোলেস্টেরল, অ্যাপোলিপোপ্রোটিন B এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়, এবং HDL-কোলেস্টেরল (ভালো কোলেস্টেরল) কিছুটা বাড়ায়। Atorvastatin Calcium মূলত লিভারের CYP3A4 এনজাইম দ্বারা বিপাকিত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনা অনুযায়ী মাত্রা

  • প্রাথমিক হাইপারলিপিডেমিয়া/মিশ্র ডিসলিপিডেমিয়া: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য শুরুতে দিনে একবার ১০-২০ মি.গ্রা. (কারো কারো ক্ষেত্রে ৪০ মি.গ্রা. পর্যন্ত), প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ২-৪ সপ্তাহে সমন্বয় করে দিনে একবার ১০-৮০ মি.গ্রা. পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস: দিনে একবার ১০-৮০ মি.গ্রা়, রোগীর ঝুঁকি ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
  • হোমোজাইগাস ফ্যামিলিয়াল হাইপারকোলেস্টেরলেমিয়া: দিনে একবার ১০-৮০ মি.গ্রা., অন্যান্য চিকিৎসার সহায়ক হিসেবে।
  • শিশু (১০-১৭ বছর, হেটেরোজাইগাস ফ্যামিলিয়াল হাইপারকোলেস্টেরলেমিয়া): শুরুতে দিনে একবার ১০ মি.গ্রা., সর্বোচ্চ দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত।

কিডনির সমস্যায়

কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে Atocon-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।

লিভারের সমস্যায়

সক্রিয় লিভার রোগে Atocon নিষিদ্ধ (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)। লিভার রোগের পূর্ব ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সাথে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় এবং লিভার ফাংশন পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করা উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Atocon-এর সাথে নিম্নলিখিত ওষুধগুলোর গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর (যেমন ক্লারিথ্রোমাইসিন, ইট্রাকোনাজল, কিটোকোনাজল, সাইক্লোস্পোরিন, কিছু HIV প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর): Atocon-এর রক্তের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে এবং মায়োপ্যাথি/র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • জেমফাইব্রোজিল ও অন্যান্য ফাইব্রেট: Atocon-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে মাংসপেশির সমস্যা (মায়োপ্যাথি/র‍্যাবডোমায়োলাইসিস) হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • সাইক্লোস্পোরিন: Atocon-এর রক্তের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।
  • কলচিসিন: Atocon-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে মায়োপ্যাথি/র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের প্রতিবেদন রয়েছে।
  • রিফাম্পিন: সময়ের ব্যবধানে সেবন করলে Atocon-এর কার্যকারিতা কমাতে পারে; একসাথে সেবন করা উচিত।
  • ডিগক্সিন: Atocon ডিগক্সিনের রক্তের মাত্রা কিছুটা বাড়াতে পারে, তাই একসাথে ব্যবহারে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি: Atocon এসবের রক্তের মাত্রা কিছুটা বাড়াতে পারে।
  • আঙ্গুরের রস (গ্রেপফ্রুট জুস): অতিরিক্ত পরিমাণে (প্রতিদিন ১.২ লিটারের বেশি) সেবনে Atocon-এর রক্তের মাত্রা বাড়তে পারে, তাই এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Atorvastatin Calcium ব্যবহার করা যাবে না:

  • Atorvastatin Calcium বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকলে।
  • সক্রিয় লিভার রোগ থাকলে, যার মধ্যে অব্যাখ্যাত ও দীর্ঘস্থায়ী লিভার এনজাইম বৃদ্ধিও অন্তর্ভুক্ত।
  • গর্ভাবস্থায় (দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে)।
  • স্তন্যদানকালে (দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Atocon সেবনে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • নাক-গলার সংক্রমণ, গাঁটে ব্যথা
  • ডায়রিয়া, বদহজম, বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা
  • মাংসপেশিতে ব্যথা বা অস্বস্তি
  • মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা
  • লিভার এনজাইমের মাত্রা বৃদ্ধি

বিরল কিন্তু গুরুতর

  • মায়োপ্যাথি এবং বিরল ক্ষেত্রে র‍্যাবডোমায়োলাইসিস (মাংসপেশি ভেঙে যাওয়া, যা কিডনির ক্ষতি করতে পারে) — অব্যাখ্যাত মাংসপেশির ব্যথা, কোমলতা বা দুর্বলতা, বিশেষত জ্বর বা অস্বস্তির সাথে দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • লিভারের ক্ষতি, বিরল ক্ষেত্রে লিভার বিকল হয়ে যাওয়া।
  • অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া, যেমন এনজিওএডিমা এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর চর্মরোগ।
  • রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি এবং নতুন ডায়াবেটিস দেখা দেওয়ার সামান্য ঝুঁকি (তবে হৃদরোগ প্রতিরোধের সুবিধা সাধারণত এই ঝুঁকির চেয়ে বেশি)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় Atocon ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কোলেস্টেরল অপরিহার্য, এবং Atocon কোলেস্টেরল সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করার কারণে ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে। গর্ভধারণ শনাক্ত হওয়ার সাথে সাথে Atocon বন্ধ করতে হবে, এবং গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে আগে থেকেই এটি বন্ধ করা উচিত। প্রজনন-সক্ষম নারীদের চিকিৎসাকালীন কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান: স্তন্যদানকালেও Atocon ব্যবহার নিষিদ্ধ। শিশুর মধ্যে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনার কারণে, যেসব মায়ের Atocon প্রয়োজন তাদের স্তন্যপান করানো উচিত নয় এবং চিকিৎসকের সাথে বিকল্প পরামর্শ করা উচিত।

সতর্কতা

Atocon ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে:

  • মায়োপ্যাথি ও র‍্যাবডোমায়োলাইসিস: Atocon মাংসপেশির সমস্যা এবং বিরল ক্ষেত্রে জীবনসংশয়ী র‍্যাবডোমায়োলাইসিস ঘটাতে পারে। বয়স্ক রোগী, কিডনি সমস্যা, থাইরয়েডের কার্যক্ষমতা কম থাকা এবং নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের সাথে একত্রে ব্যবহারে এই ঝুঁকি বাড়ে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)। অব্যাখ্যাত মাংসপেশির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
  • লিভারের ক্ষতি: চিকিৎসা শুরুর আগে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতে লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা উচিত। লিভার রোগের ইতিহাস বা অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
  • রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ: Atocon রক্তে শর্করা কিছুটা বাড়াতে পারে এবং নতুন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সামান্য বাড়াতে পারে; নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • সক্রিয় লিভার রোগ, গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার নিষিদ্ধ — দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে।

মাত্রাধিক্যতা

Atocon-এর অতিরিক্ত সেবনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই। অতিরিক্ত মাত্রায় Atocon সেবন করা হলে বা সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত লক্ষণ অনুযায়ী সহায়ক পরিচর্যা এবং প্রয়োজনে লিভার ফাংশন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে করা হয়।

সংরক্ষণ

৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী হেটেরোজাইগাস ফ্যামিলিয়াল হাইপারকোলেস্টেরলেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে Atocon খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণের সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, শুরুতে দিনে একবার ১০ মি.গ্রা., সর্বোচ্চ ২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত। ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Atocon-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্ক: বয়স্ক ও কম বয়সী রোগীদের মধ্যে সামগ্রিক নিরাপত্তা বা কার্যকারিতায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি, তবে বয়স্ক রোগীদের (বিশেষত ৬৫ বছরের বেশি) মায়োপ্যাথির ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকতে পারে, তাই মাংসপেশির লক্ষণের দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Atocon 10 mg Tablet কীসের জন্য ব্যবহার করা হয়?

A: Atocon 10 mg Tablet রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে এবং হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ অন্যান্য হৃদযন্ত্র-সংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি কমাতে ব্যবহৃত হয়। বংশগত কোলেস্টেরল সমস্যাতেও এটি ব্যবহৃত হয়।

Q: Atocon 10 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: সাধারণত দিনে একবার, খাবারের আগে বা পরে যেকোনো সময়, প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে Atocon 10 mg Tablet সেবন করতে হয়। ট্যাবলেটটি পানির সাথে পুরোপুরি গিলে ফেলুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ বন্ধ করবেন না।

Q: Atocon 10 mg Tablet সেবনে কী কী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে?

A: বেশিরভাগ মানুষ Atocon 10 mg Tablet ভালোভাবে সহ্য করেন, তবে কারো কারো মাংসপেশিতে ব্যথা, গাঁটে ব্যথা, হজমের সমস্যা বা মাথাব্যথা হতে পারে। অব্যাখ্যাত মাংসপেশির ব্যথা, কোমলতা বা দুর্বলতা, বিশেষত জ্বর বা গাঢ় প্রস্রাবের সাথে দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এটি বিরল কিন্তু গুরুতর মাংসপেশি সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Atocon 10 mg Tablet সেবন করা যাবে?

A: না। গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে Atocon 10 mg Tablet সেবন নিষিদ্ধ, কারণ ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কোলেস্টেরল অপরিহার্য এবং Atocon 10 mg Tablet ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে। গর্ভধারণ হলে বা পরিকল্পনা থাকলে সাথে সাথে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

Q: Atocon 10 mg Tablet সেবনকালে কোন খাবার বা ওষুধ এড়িয়ে চলা উচিত?

A: অতিরিক্ত পরিমাণে আঙ্গুরের রস (গ্রেপফ্রুট জুস) এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি Atocon 10 mg Tablet-এর রক্তের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনার চিকিৎসককে সব ওষুধের কথা জানান, বিশেষত কিছু অ্যান্টিবায়োটিক/অ্যান্টিফাঙ্গাল, সাইক্লোস্পোরিন, জেমফাইব্রোজিলের মতো ফাইব্রেট এবং কলচিসিন, কারণ এগুলো মাংসপেশির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

Q: Atocon 10 mg Tablet-এর একটি মাত্রা ছুটে গেলে বা বেশি সেবন করলে কী করব?

A: একটি মাত্রা ছুটে গেলে মনে পড়ার সাথে সাথে সেবন করুন, তবে পরের মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে ছুটে যাওয়া মাত্রাটি বাদ দিন — দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না। কেউ অতিরিক্ত Atocon 10 mg Tablet সেবন করলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor