
Ranid150 mg
Ziska Pharmaceuticals Ltd.

Biotid একটি হিস্টামিন H2-রিসেপ্টর প্রতিরোধী ওষুধ, যা যেসব দেশে/বাজারে এখনও বৈধভাবে বিদ্যমান, সেখানে নিম্নলিখিত অবস্থার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে:
গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক তথ্য: বিভিন্ন দেশে (২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের FDA-এর অনুরোধে বাজার থেকে প্রত্যাহারসহ) Biotid-যুক্ত পণ্য প্রত্যাহার করা হয়েছে, কারণ পরীক্ষায় দেখা গেছে যে সংরক্ষণের সময়ের সাথে সাথে এতে সম্ভাব্য কারসিনোজেন N-নাইট্রোসোডাইমিথাইলামিন (NDMA)-এর মাত্রা বাড়তে পারে। বাংলাদেশেও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (DGDA) ২০১৯ সালে Biotid-এর আমদানি, উৎপাদন ও বিক্রয়ের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তাই Biotid বর্তমানে স্থানীয় নিয়ন্ত্রক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল একটি ওষুধ; ব্যবহারের আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের সাথে Biotid-এর বর্তমান প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা উচিত।
Biotid হিস্টামিন H2-রিসেপ্টর প্রতিরোধী (H2-ব্লকার) থেরাপিউটিক শ্রেণীর অন্তর্গত, যা পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমাতে ব্যবহৃত ওষুধের একটি গোষ্ঠী।
Ranitidine পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষের হিস্টামিন H2-রিসেপ্টরে প্রতিযোগিতামূলকভাবে ও বিপরীতমুখীভাবে আবদ্ধ হয়ে হিস্টামিন, গ্যাস্ট্রিন, খাদ্য ও ভেগাল উদ্দীপনার ফলে সৃষ্ট গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড ক্ষরণ হ্রাস করে। এর ফলে বেসাল ও রাত্রিকালীন গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমে, যা আলসার ও ইরোসিভ ইসোফ্যাজাইটিসের মতো অ্যাসিড-সংক্রান্ত ক্ষত সারাতে এবং GERD ও বুক জ্বালাপোড়ার উপসর্গ উপশমে সাহায্য করে। Ranitidine গ্যাস্ট্রিক খালিকরণ, অগ্ন্যাশয় ক্ষরণ বা নিম্ন ইসোফেজিয়াল স্ফিংটার চাপে সামান্যই প্রভাব ফেলে। সিমেটিডিনের তুলনায় Ranitidine-এর লিভারের সাইটোক্রোম P450 এনজাইম সিস্টেমের প্রতি সখ্যতা কম, ফলে ওষুধ বিপাকঘটিত মিথষ্ক্রিয়া তুলনামূলক কম হলেও, কিছু ওষুধের সাথে ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া এখনও স্বীকৃত (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা |
|---|---|---|
| সক্রিয় ডিওডেনাল বা গ্যাস্ট্রিক আলসার | দিনে দুইবার ১৫০ মি.গ্রা., অথবা রাতে একবার ৩০০ মি.গ্রা., ৪-৮ সপ্তাহ ধরে | ১ মাস-১৬ বছর: দৈনিক ২-৪ মি.গ্রা./কেজি, দুই ভাগে বিভক্ত (সর্বোচ্চ ৩০০ মি.গ্রা./দিন) |
| আলসার সেরে যাওয়ার পর রক্ষণাবেক্ষণ | রাতে একবার ১৫০ মি.গ্রা. | নিয়মিতভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত |
| GERD | দিনে দুইবার ১৫০ মি.গ্রা. | ১ মাস-১৬ বছর: দৈনিক ৫-১০ মি.গ্রা./কেজি, বিভক্ত মাত্রায় |
| ইরোসিভ ইসোফ্যাজাইটিস | দিনে চারবার ১৫০ মি.গ্রা. | GERD-এর অনুরূপ, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে |
| প্যাথলজিক্যাল হাইপারসিক্রেটরি অবস্থা (যেমন জলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম) | দিনে দুইবার ১৫০ মি.গ্রা., প্রয়োজনে দৈনিক ৬ গ্রাম পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে | প্রতিষ্ঠিত নয়; বিশেষজ্ঞ ব্যবস্থাপনা আবশ্যক |
| বুক জ্বালাপোড়া/অ্যাসিড ইনডাইজেশন (কম মাত্রায়, যেখানে বিদ্যমান) | প্রয়োজন অনুযায়ী ৭৫-১৫০ মি.গ্রা., নির্ধারিত সর্বোচ্চ মাত্রার বেশি নয় | চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সুপারিশকৃত নয় |
কিডনি সমস্যায়: ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৫০ মি.লি./মিনিটের কম হলে, Biotid-এর প্রস্তাবিত মাত্রা প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার ১৫০ মি.গ্রা., প্রয়োজন অনুযায়ী মাত্রার ব্যবধান সমন্বয় করা যেতে পারে। Biotid চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী এবং শুধুমাত্র স্থানীয় বাজারে বৈধভাবে বিদ্যমান থাকলেই গ্রহণ করা উচিত (নির্দেশনা অংশে নিয়ন্ত্রক পটভূমি দেখুন)।
Biotid-এর মিথষ্ক্রিয়ার সম্ভাবনা সিমেটিডিনের মতো পুরনো H2-ব্লকারের তুলনায় কম, তবে নিচের ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াগুলো স্বীকৃত:
যেসব রোগীর Ranitidine বা ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে Ranitidine ব্যবহার নিষিদ্ধ। অন্য H2-রিসেপ্টর প্রতিরোধী ওষুধের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলেও (ক্রস-সেনসিটিভিটির সম্ভাবনার কারণে) Ranitidine ব্যবহার করা উচিত নয়।
যেখানে এখনও বিদ্যমান, সেখানে Biotid সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়ে থাকে। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
অতি সংবেদনশীলতা, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে দাগ, জন্ডিস, বা দীর্ঘস্থায়ী বিভ্রান্তির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় Biotid-কে ঐতিহাসিকভাবে তুলনামূলক কম-ঝুঁকিসম্পন্ন H2-ব্লকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে, তবে অন্য সকল ওষুধের মতোই Biotid কেবল স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা যদি ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকিকে ছাড়িয়ে যায় তবেই ব্যবহার করা উচিত, এবং ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। Biotid মায়ের দুধে নিঃসৃত হয়; স্তন্যদানকালে এটি সতর্কতার সাথে এবং কেবলমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত, শিশুর ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের বিপরীতে উপকারিতা বিবেচনা করে। Biotid-এর নিয়ন্ত্রক ইতিহাসের কারণে (নির্দেশনা অংশ দেখুন), গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের ব্যবহারের আগে স্থানীয় প্রাপ্যতা ও চিকিৎসকের সুপারিশ নিশ্চিত করা উচিত।
Biotid শুরু করার আগে চিকিৎসকের সাথে নিচের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করুন:
Biotid-এর মাত্রাধিক্যতায় সাধারণত পরিচিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোই তীব্র আকারে দেখা দেয় (যেমন চলাফেরায় অসুবিধা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, CNS-সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া), তবে যেকোনো সন্দেহভাজন মাত্রাধিক্যতাকে জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। Biotid-এর মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক; প্রয়োজনে চিকিৎসক গ্যাস্ট্রিক ডিকন্টামিনেশন ও গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। সন্দেহভাজন Biotid মাত্রাধিক্যতায় নিজে থেকে বাড়িতে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
Biotid আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে) সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ Biotid ব্যবহার করবেন না, কারণ দীর্ঘ বা অনুপযুক্ত সংরক্ষণে ক্ষয়জাত পদার্থ (NDMA-সহ) বাড়তে পারে।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: Biotid সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; কিডনি সমস্যা থাকলে বিভ্রান্তি ও অন্যান্য CNS-সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি।
কিডনি সমস্যায়: Biotid-এর মাত্রা কমাতে হবে (মাত্রা ও সেবনবিধি দেখুন); সমন্বয় না করলে জমা হতে পারে।
লিভার সমস্যায়: সতর্কতার সাথে Biotid ব্যবহার করুন; ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ পরামর্শযোগ্য।
শিশুদের ক্ষেত্রে: ১ মাস থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের আলসার ও GERD/ইসোফ্যাজাইটিসের চিকিৎসায় Biotid-এর প্রতিষ্ঠিত মাত্রা রয়েছে (মাত্রা ও সেবনবিধি দেখুন); ১ মাসের কম বয়সী নবজাতকদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায়_ও_স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।
Q: Biotid 150 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Biotid 150 mg Tablet একটি হিস্টামিন H2-রিসেপ্টর প্রতিরোধী ওষুধ, যা যেখানে স্থানীয়ভাবে এখনও বিদ্যমান, সেখানে ডিওডেনাল ও গ্যাস্ট্রিক আলসার, গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD), ইরোসিভ ইসোফ্যাজাইটিস এবং বুক জ্বালাপোড়া/অ্যাসিড ইনডাইজেশনের মতো অবস্থায় পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে ব্যবহৃত হয়।
Q: Biotid 150 mg Tablet কি এখনও পাওয়া যায়, নাকি নিষিদ্ধ হয়েছে?
A: সংরক্ষণের সময়ের সাথে সাথে Biotid 150 mg Tablet পণ্যে সম্ভাব্য কারসিনোজেন NDMA-এর মাত্রা বাড়তে পারে বলে শনাক্ত হওয়ার পর, যুক্তরাষ্ট্রের FDA ২০২০ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে সকল Biotid 150 mg Tablet পণ্য প্রত্যাহারের অনুরোধ জানায়, এবং অন্যান্য বেশ কিছু দেশ একই ধরনের পদক্ষেপ নেয় বা সাময়িকভাবে বিক্রয় স্থগিত করে। তাই Biotid 150 mg Tablet-এর প্রাপ্যতা দেশভেদে এবং সময়ের সাথে ভিন্ন; ব্যবহারের আগে ফার্মাসিস্ট বা চিকিৎসকের কাছে বর্তমান স্থানীয় নিয়ন্ত্রক অবস্থা যাচাই করে নিন, এবং ধরে নেবেন না যে Biotid 150 mg Tablet সর্বত্র বা নিয়মিতভাবে পাওয়া যায়।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Biotid 150 mg Tablet নেওয়া যায়?
A: Biotid 150 mg Tablet-কে ঐতিহাসিকভাবে গর্ভাবস্থায় তুলনামূলক কম-ঝুঁকিসম্পন্ন H2-ব্লকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে, তবে এটি কেবল স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকিকে ছাড়িয়ে গেলেই এবং চিকিৎসকের পরামর্শের পরই ব্যবহার করা উচিত; Biotid 150 mg Tablet-এর নিয়ন্ত্রক ইতিহাসের কারণে বর্তমান স্থানীয় প্রাপ্যতাও নিশ্চিত করা উচিত।
Q: Biotid 150 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Biotid 150 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব এবং মাথা ঘোরা। বিরল কিন্তু আরও গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বিভ্রান্তি (বিশেষত বয়স্ক বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে), রক্তকণিকার পরিবর্তন, লিভার এনজাইমের পরিবর্তন এবং অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া; এসব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: কাদের Biotid 150 mg Tablet নেওয়া উচিত নয়?
A: Biotid 150 mg Tablet, ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদান, বা অন্য H2-রিসেপ্টর প্রতিরোধী ওষুধের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা থাকলে Biotid 150 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়।
Q: Biotid 150 mg Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী করা উচিত?
A: সন্দেহভাজন Biotid 150 mg Tablet মাত্রাধিক্যতা হলে বাড়িতে চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।