Product gallery
MRP ১.০০১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ০.৯০/piece
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

মাত্রা ও সেবনবিধি

ট্রাইকোমোনিয়াসিস (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- ২০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার বা ৪০০ মিঃগ্রাঃ করে ২ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৭ দিন ৮০০ মিঃগ্রাঃ করে প্রতিদিন সকালে এবং ১-২ গ্রাম করে প্রতি রাতে। চিকিৎসার সময়কালঃ ২ দিন ২ গ্রাম, একক মাত্রা হিসেবে। চিকিৎসার সময়কালঃ ১ দিন ট্রাইকোমোনিয়াসিস (বাচ্চা)- ৭-১০ বৎসরঃ ১০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার ৩-৭ বৎসরঃ ১০০ মিঃগ্রাঃ করে ২ বার ১-৩ বৎসরঃ ৫০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার ইনটেস্টিনাল এ্যামেবিয়াসিস (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- ৮০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৫ দিন ইনটেস্টিনাল এ্যামেবিয়াসিস (বাচ্চা)- ৭-১০ বৎসরঃ ৪০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার ৩-৭ বৎসরঃ ২০০ মিঃগ্রাঃ করে ৪ বার ১-৩ বৎসরঃ ২০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার এক্সট্রা-ইনটেস্টিনাল এবং লক্ষণবিহীন এ্যামেবিয়াসিস (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- ৪০০- ৮০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৫-১০ দিন এক্সট্রা-ইনটেস্টিনাল এবং লক্ষণবিহীন এ্যামেবিয়াসিস (বাচ্চা)- ৭-১০ বৎসরঃ ২০০-৪০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার ৩-৭ বৎসরঃ ১০০-২০০ মিঃগ্রাঃ করে ৪ বার ১-৩ বৎসরঃ ১০০-২০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার জিয়ারডিয়াসিস (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- দৈনিক ২ গ্রাম করে ১ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৩ দিন জিয়ারডিয়াসিস (বাচ্চা)- ৭-১০ বৎসরঃ ১ গ্রাম করে ১ বার ৩-৭ বৎসরঃ ৬০০-৮০০ মিঃগ্রাঃ করে ১ বার ১-৩ বৎসরঃ ৫০০ মিঃগ্রাঃ করে ১ বার তীব্র আলসারেটিভ জিনজিভাইটিস (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- ২০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৩ দিন তীব্র আলসারেটিভ জিনজিভাইটিস (বাচ্চা)- ৭-১০ বৎসরঃ ১০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার ৩-৭ বৎসরঃ ১০০ মিঃগ্রাঃ করে ২ বার ১-৩ বৎসরঃ ৫০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার তীব্র দাঁতের সংক্রমণ (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- ২০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৩-৭ দিন ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- ৪০০ মিঃগ্রাঃ করে ২ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৭ দিন ২ গ্রাম, একক মাত্রা হিসেবে। চিকিৎসার সময়কালঃ ১ দিন পায়ের ঘা এবং প্রেসার সোরস্ (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- ৪০০ মিঃগ্রাঃ করে ৩ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৭ দিন এনারুবিক ইনফেকশন (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- প্রারম্ভিক অবস্থায় ৮০০ মিঃগ্রাঃ এবং পরবর্তীতে ৪০০ মিঃগ্রাঃ করে দিনে ৩ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৭ দিন এনারুবিক ইনফেকশন (বাচ্চা)- ১-১০ বৎসরঃ ৭.৫ মিঃগ্রাঃ/কেজি করে ৩ বার সার্জিক্যাল প্রোফাইলেক্সিস (প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১০ বৎসরের উপরের বাচ্চা)- সার্জারির ২৪ ঘন্টা পূর্বে ৪০০ মিঃগ্রাঃ করে দিনে ৩ বার। চিকিৎসার সময়কালঃ ৭ দিন সার্জিক্যাল প্রোফাইলেক্সিস (বাচ্চা)- ১-১০ বৎসরঃ ৭.৫ মিঃগ্রাঃ/কেজি করে ৩ বার

মাত্রাধিক্যতা

হত্যা ও দুর্ঘটনাজনিত ক্ষেত্রে, মেট্রোনিডজোল এর সর্বোচ্চ ১২ গ্রাম সেবন এর রিপোর্ট পাওয়া গেছে। লক্ষনসমূহ- বমি, অ্যাটাক্সিয়া, সামান্য বিভ্রান্তি বা হ্যালুসিনেশন। ব্যবস্থাপনা- মেট্রোনিডাজোলের বিষক্রিয়ার কোন প্রতিষেধক নাই। অতিরিক্ত পরিমানে সেবন করলে উপসর্গিক এবং সহায়ক চিকিৎসা দিতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ডাইসালফাইরাম: মেট্রোনিডাজল এবং ডাইসালফাইরাম এক সাথে ব্যবহার করলে মানসিক প্রতিক্রিয়ার উদ্ভব হতে পারে বলে রিপোর্ট পাওয়া গেছে।অ্যালকোহল: মেট্রোনিডাজল দ্বারা চিকিৎসা চলাকালীন সময় এবং শেষ হবার অন্তত ১ দিন পর পর্যন্ত রোগীদের অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় সেবন করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিতে হবে কারন সেটা ডাইসালফাইরাম প্রতিক্রিয়ার (অ্যানটাবউস ইফেক্ট- ত্বকে অত্যধিক রক্ত সরবরাহ, বমি, দ্রুত হৃদস্পন্দন) কারন হতে পারে।এন্টিকোয়াগুলেন্ট চিকিৎসা (ওয়ারফেরিন জাতীয়): হেপাটিক ক্যাটাবলিসম কমে যাওয়ার কারনে এন্টিকোয়াগুলেন্ট এর প্রভাব বৃদ্ধি পায় এবং রক্তক্ষরন এর সম্ভবনা বেড়ে যায়। মেট্রোনিডাজল এর সাথে দেওয়া হলে নিয়মিত প্রোথ্রম্বিন টাইম পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং এন্টিকোয়াগুলেন্ট-এর মাত্রা সমন্বয় করতে হবে।লিথিয়াম: মেট্রোনিডাজল দ্বারা রক্তের প্লাজমা তে লিথিয়াম এর মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।সাইক্লোস্পরিন: সেরাম এ সাইক্লোস্পরিন এবং ক্রিয়েটিনিন এর মাত্রা নিবির ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে যদি মেট্রোনিডাজল এর সাথে দেওয়া হয়।ফেনাইটয়েন অথবা ফেনোবারবিটাল: মেট্রোনিডাজল নিঃসরণ এর মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় প্লাজমাতে পরিমান কমে যায়। ৫-ফ্লুরোইউরাসিল: শরীর থেকে নিঃসরণ এর মাত্রা কমে যাওয়ায় ৫-ফ্লুরোইউরাসিল দ্বারা বিষক্রিয়ার সম্ভবনা বৃদ্ধি পায়।বিউসালফান: মেট্রোনিডাজল প্লাজমাতে বিউসালফান এর পরিমান বাড়িয়ে দেয় যা বিউসালফান জনিত বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

নির্দেশনা

মেট্রোনিডাজল নিম্নলিখিত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ঃ এনারুবিক ব্যাকটেরিয়া জনিত (বিশেষ করে ব্যাকটেরয়েড ও এনারুবিক স্ট্রেপটোকক্কি) অস্ত্রোপচার পরবর্তী সংক্রমণ প্রতিরোধে। এনারুবিক জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত সেপটিসেমিয়া, ব্যাকটেরেমিয়া, পেরিটোনাইটিস, ব্রেইন এব্সেস, পেলভিক এব্সেস, পেলভিক সেলুলাইটিস ও অস্ত্রোপচার পরবর্তী ক্ষতের সংক্রমণের চিকিৎসায়। ইউরোজেনিটাল ট্রাইকোমোনিয়াসিসের চিকিৎসায়। ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস (যা নন-স্পেসিফিক ভ্যাজিনোসিস হিসেবে পরিচিত)। সকল ধরনের এ্যামেবিয়াসিস (ইনটেস্টিনাল, এক্সট্রা-ইনটেস্টিনাল এবং রোগের লক্ষণবিহীন কিন্তু সিস্ট  বহনকারী অবস্থা)। জিয়ারডিয়াসিস। তীব্র আলসারেটিভ জিনজিভাইটিস। এনারুবিক জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত পায়ের ঘা এবং প্রেসার র্সোস। এনারুবিক জীবাণুজনিত দাঁতের তীব্র সংক্রমণ। এন্টিবায়োটিক ব্যবহারজনিত সিউডোমেমব্রেনাস কলাইটিস।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

চিকিৎসার সময় ধাতব স্বাদ, বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, তন্দ্রাচ্ছন্নতা, রেশ দেখা যেতে পারে।

সতর্কতা

যদি কোন কারনবশত নির্ধারিত সময়কালের অধিক সময় ধরে মেট্রোনিডাজল দ্বারা চিকিৎসা করতে হয় সেক্ষেত্রে সেবনকারীর রক্ত পরীক্ষা, বিশেষ করে শ্বেত রক্তকনিকার সংখ্যা, নিয়মিত পরীক্ষা করা এবং রোগীর বিরূপ প্রতিক্রিয়া, যেমন- প্রান্তিক ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুরোগ (পারেসথেশিয়া অ্যাটাকশিয়া, ঝিম ঝিম লাগা, খিঁচুনি), পর্যবেক্ষণ এর জন্য নজরদারিতে রাখতে হবে।মেট্রোনিডাজল হেপাটিক এনসেফেলোপ্যাথি রোগীদের সতর্কতার সাথে প্রয়োগ করা উচিত।রোগীদের সতর্ক করা উচিত যে মেট্রোনিডাজল মূত্রকে ডার্ক করতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

মেট্রোনিডাজল ও অন্যান্য নাইট্রোইমিডাজল জাতীয় ডেরিভেটিভের প্রতি অতিসংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে মেট্রোনিডাজল ব্যবহার প্রতিনির্দেশিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Amoebicides, Anti-diarrhoeal Antiprotozoal

ফার্মাকোলজি

মেট্রোনিডাজল ইমিডাজল জাতীয় একটি ব্যাকটেরিয়া বিরোধী ঔষধ এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে এটি প্রোটোজোয়া বিরোধী হিসেবে কাজ করে। এনারুবিক জীবাণু দ্বারা মেট্রোনিডাজলের ৫-নাইট্রো গ্রূপটি বিজারিত হয় এবং পরীক্ষণে দেখা যায় যে, এই বিজারিত মেট্রোনিডাজল এনারুবিক জীবাণুর DNA-এর উপর কাজ করে ব্যাকটেরিসাইডাল কার্যকারিতা দেয়।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

US FDA প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরী অনুযায়ী মেট্রোনিডাজল 'B' জাতীয় ঔষধ । অর্থাৎ, গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের সুনিয়ন্ত্রিত ও পর্যাপ্ত তথ্য নেই। যেহেতু প্রাণিজ প্রজনন গবেষণা সর্বদা মানবদেহে কার্যকারিতা সম্বন্ধে পূর্ব ধারণা দেয় না, সেহেতু এই ঔষধটি গর্ভাবস্থায় সুনির্দিষ্টভাবে প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত। মেট্রোনিডাজল স্তন্যদুগ্ধে নিঃসৃত হয়। সুতরাং, স্তন্যদাত্রী মায়েদের ক্ষেত্রে মেট্রোনিডাজল ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ।

সংরক্ষণ

৩০° সে তাপমাত্রার নিচে সংরক্ষন করতে হবে। আলো থেকে দূরে রাখতে হবে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে। মেয়াদউত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পর ব্যবহার করা যাবে না।
Disclaimer

The information provided is accurate to our best practices, but it does not replace professional medical advice. We cannot guarantee its completeness or accuracy. The absence of specific information about a drug should not be seen as an endorsement. We are not responsible for any consequences resulting from this information, so consult a healthcare professional for any concerns or questions.