Product gallery

Bleocin15 unit/vial


MRP ১১২১.৭৫% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১০৬৫.৬৬/15 unit vial
স্টকে নেই
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Bleocin একটি অ্যান্টিটিউমার অ্যান্টিবায়োটিক, যা সাধারণত সংমিশ্রণ কেমোথেরাপি পদ্ধতির অংশ হিসেবে নিম্নলিখিত প্রতিষ্ঠিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহারসমূহ

  • হজকিন লিম্ফোমানন-হজকিন লিম্ফোমা (ডক্সোরুবিসিন, ভিনব্লাস্টিন ও ড্যাকারবাজিনের সাথে সংমিশ্রণে)
  • মাথা ও ঘাড়, ত্বক, সার্ভিক্স এবং ভালভার স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা
  • টেস্টিকুলার কার্সিনোমা (এমব্রায়োনাল সেল কার্সিনোমা, কোরিওকার্সিনোমা, টেরাটোকার্সিনোমা), সাধারণত অন্যান্য কেমোথেরাপি ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে
  • ম্যালিগন্যান্ট প্লুরাল ইফিউশন — প্লুরার মধ্যে তরল পুনরায় জমা হওয়া রোধে স্ক্লেরোজিং এজেন্ট হিসেবে

Bleocin শুধুমাত্র একজন অভিজ্ঞ অনকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট কেমোথেরাপি প্রোটোকলের অংশ হিসেবে প্রয়োগ করতে হয়; এককভাবে ব্যবহারের ওষুধ নয় এবং সঞ্চিত মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক অ্যান্টিবায়োটিক (গ্লাইকোপেপটাইড) — Bleocin একটি সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি এজেন্ট

ফার্মাকোলজি

Bleomycin Sulfate ডিএনএ-র সাথে যুক্ত হয়ে এবং অক্সিজেন ও ধাতব আয়ন (বিশেষত আয়রন) উপস্থিতিতে বিক্রিয়াশীল অক্সিজেন ফ্রি র‍্যাডিক্যাল তৈরি করে, যা ডিএনএ-তে একক ও দ্বৈত স্ট্র্যান্ড ভাঙন সৃষ্টি করে। এর ফলে ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতা ও ডিএনএ সংশ্লেষণ-মেরামত বাধাগ্রস্ত হয়।

Bleomycin Sulfate কোষচক্রের G2 ও M পর্যায়ে সর্বাধিক সক্রিয়, যা একে কোষচক্র-নিরপেক্ষ ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে বিশেষভাবে কার্যকর করে তোলে।

প্যারেন্টেরাল প্রয়োগের পর Bleomycin Sulfate ত্বক ও ফুসফুসের টিস্যুতে সর্বাধিক ঘনত্বে পৌঁছায় (যেখানে নিষ্ক্রিয়কারী এনজাইম ব্লিওমাইসিন হাইড্রোলেজের মাত্রা কম থাকে), যা এই ওষুধের ত্বক ও ফুসফুস-সম্পর্কিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মূল কারণ বলে মনে করা হয়। এটি প্রধানত কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Bleocin-এর মাত্রা ইউনিটে নির্ধারিত হয় এবং রোগের ধরন, সংমিশ্রণ পদ্ধতি ও আজীবন সঞ্চিত মাত্রার ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক দ্বারা পৃথকভাবে নির্ধারণ করতে হয়।

রোগBleocin-এর সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা
হজকিন/নন-হজকিন লিম্ফোমা০.২৫–০.৫ ইউনিট/কেজি (১০–২০ ইউনিট/মি²), সপ্তাহে এক বা দুইবার, সংমিশ্রণ কেমোথেরাপির অংশ হিসেবে
স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা০.২৫–০.৫ ইউনিট/কেজি (১০–২০ ইউনিট/মি²), সপ্তাহে এক বা দুইবার
টেস্টিকুলার কার্সিনোমা০.২৫–০.৫ ইউনিট/কেজি (১০–২০ ইউনিট/মি²), সপ্তাহে এক বা দুইবার, সংমিশ্রণ পদ্ধতিতে
ম্যালিগন্যান্ট প্লুরাল ইফিউশনএকক ইন্ট্রাপ্লুরাল ডোজ হিসেবে ৬০ ইউনিট

টেস্ট ডোজ: লিম্ফোমা রোগীদের ক্ষেত্রে Bleocin-এর প্রতি তীব্র অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকায়, প্রথম এক-দুই ডোজের আগে সাধারণত ১-২ ইউনিটের টেস্ট ডোজ দিয়ে রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সঞ্চিত মাত্রার সীমা: মোট সঞ্চিত মাত্রা প্রায় ৪০০ ইউনিট অতিক্রম করলে Bleocin-জনিত পালমোনারি ফাইব্রোসিসের ঝুঁকি দ্রুত বৃদ্ধি পায়; উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি না হলে এই সীমা অতিক্রম করা এড়ানো হয়।

কিডনি সমস্যা: Bleocin মূলত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হওয়ায়, কিডনি কার্যক্ষমতা কম থাকলে মাত্রায় উল্লেখযোগ্য হ্রাস প্রয়োজন হয়।

এই ওষুধ শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর দ্বারা, কেমোথেরাপি সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা সামলাতে সক্ষম কেন্দ্রে প্রস্তুত ও প্রয়োগ করতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Bleocin-এর সাথে ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:

  • বাড়তি অক্সিজেন/জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়া: উচ্চ মাত্রার অক্সিজেন Bleocin গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে মারাত্মক ফুসফুসের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়; অ্যানেস্থেসিয়া দলকে অবশ্যই আগেই জানাতে হবে যাতে সর্বনিম্ন নিরাপদ অক্সিজেন মাত্রা ব্যবহার করা হয়।
  • সিসপ্ল্যাটিন: সিসপ্ল্যাটিন-জনিত কিডনির ক্ষতি Bleocin-এর নিঃসরণ কমিয়ে দিতে পারে, যা এর মাত্রা ও বিষক্রিয়া বাড়াতে পারে।
  • অন্যান্য ফুসফুস-ক্ষতিকর ওষুধ বা বুকের রেডিওথেরাপি: একসাথে বা পূর্বে ব্যবহারে Bleocin-জনিত ফুসফুসের ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • গ্রানুলোসাইট কলোনি-স্টিমুলেটিং ফ্যাক্টর (যেমন ফিলগ্রাস্টিম): Bleocin-এর সাথে ব্যবহারে ফুসফুসের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • জীবন্ত টিকা: Bleocin সংমিশ্রণ কেমোথেরাপির অংশ হিসেবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় বলে, চিকিৎসাকালীন জীবন্ত টিকা সাধারণত এড়িয়ে চলতে হয়।

প্রতিনির্দেশনা

ব্লিওমাইসিন বা এর ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত তীব্র অতি-সংবেদনশীলতার ইতিহাস থাকলে Bleomycin Sulfate ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Bleocin-এর সাথে সম্পর্কিত সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:

  • ত্বক ও শ্লেষ্মাঝিল্লিজনিত প্রতিক্রিয়া (অত্যন্ত সাধারণ): ত্বকের কালচেভাব, লালচেভাব, ত্বক পুরু হওয়া, স্ট্রায়া, নখের পরিবর্তন, চুল পড়া
  • ফুসফুসের ক্ষতি: নিউমোনাইটিস থেকে পালমোনারি ফাইব্রোসিস পর্যন্ত, মাত্রা ও বয়স-নির্ভর (দেখুন সতর্কতা)
  • প্রয়োগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জ্বর ও কাঁপুনি
  • আকস্মিক (অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড) প্রতিক্রিয়া: রক্তচাপ কমে যাওয়া, বিভ্রান্তি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর — প্রধানত লিম্ফোমা রোগীদের ক্ষেত্রে (দেখুন সতর্কতা)
  • মুখের ঘা, বমি বমি ভাব, বমি ও ক্ষুধামান্দ্য
  • দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় ওজন হ্রাস
  • টিউমার বা ইনজেকশন স্থানে ব্যথা; শিরাপ্রদাহ
  • বিরল: রেনড'স ফেনোমেনন

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

এর কার্যপ্রণালী ও প্রাণী গবেষণার তথ্যের ভিত্তিতে, গর্ভবতী নারীকে দেওয়া হলে Bleocin ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে। প্রকৃত প্রয়োজন হলে এবং মায়ের জন্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল গর্ভাবস্থায় Bleocin ব্যবহার করা উচিত; প্রজনন-সক্ষম নারীদের চিকিৎসাকালীন কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Bleocin মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই; শিশুর মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনার কারণে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসাকালীন স্তন্যদান বন্ধ রাখা উচিত।

সতর্কতা

বক্সড ওয়ার্নিং

  • ফুসফুসের ক্ষতি: Bleocin সম্ভাব্য প্রাণঘাতী পালমোনারি ফাইব্রোসিস সৃষ্টি করতে পারে। সঞ্চিত মাত্রা (বিশেষত প্রায় ৪০০ ইউনিটের বেশি), বেশি বয়স, বুকে রেডিওথেরাপি ও অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের সাথে ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসাকালীন ও পরবর্তীতে নিয়মিত ফুসফুস কার্যক্ষমতা পরীক্ষা ও ইমেজিং করা উচিত, এবং ফুসফুসের ক্ষতির প্রথম লক্ষণেই ওষুধ বন্ধ করতে হবে।
  • আকস্মিক (অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড) প্রতিক্রিয়া: বিশেষত লিম্ফোমা রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে যাওয়া, বিভ্রান্তি, জ্বর, কাঁপুনি ও শ্বাসকষ্টসহ আকস্মিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। প্রথম এক-দুই ডোজের আগে টেস্ট ডোজ এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ সুপারিশ করা হয়।
  • ত্বক ও শ্লেষ্মাঝিল্লির বিষক্রিয়া: মোট পরিকল্পিত মাত্রার ৫০% প্রয়োগের পর সাধারণত দেখা দেয়, মাত্রা-নির্ভর।

অন্যান্য সতর্কতা

  • Bleocin শুধুমাত্র কেমোথেরাপিতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, জরুরি অবস্থা সামলাতে সক্ষম কেন্দ্রে প্রয়োগ করতে হবে; এটি বহির্বিভাগে রোগীর নিজে ব্যবহারের ওষুধ নয়।
  • চিকিৎসার আগে ও চলাকালীন কিডনি কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করা উচিত, কারণ নিঃসরণ কমে গেলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • কোনো অ্যানেস্থেসিয়া প্রদানকারী বা সার্জিক্যাল দলকে অবশ্যই পূর্বে Bleocin গ্রহণের কথা জানাতে হবে, যাতে অক্সিজেন মাত্রা কম রাখা যায়।
  • চিকিৎসাকালীন ফুসফুস, ত্বক ও কিডনি কার্যক্ষমতা এবং সম্পূর্ণ রক্ত পরীক্ষা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

মাত্রাধিক্যতা

Bleocin-এর মাত্রাধিক্যের কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। মাত্রাধিক্য বা অতিরিক্ত সঞ্চিত মাত্রা মারাত্মক ফুসফুস ও ত্বকজনিত বিষক্রিয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। সন্দেহজনক মাত্রাধিক্যকে জরুরি চিকিৎসা অবস্থা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে — রোগীকে অবিলম্বে হাসপাতাল বা অনকোলজি বিভাগে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে সহায়ক চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ দেওয়া সম্ভব। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি সেবা বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা ভিন্ন না হলে, Bleocin-এর অব্যবহৃত ভায়াল আলো থেকে সুরক্ষিত রেখে রেফ্রিজারেটরে (২°সে থেকে ৮°সে) সংরক্ষণ করুন। পুনর্গঠনের পর প্রস্তুতকারকের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে ব্যবহার করুন এবং অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশনা অনুযায়ী সাইটোটক্সিক ওষুধ হিসেবে পরিচালনা করুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগী (বিশেষত ৭০ বছরের বেশি): Bleocin-জনিত ফুসফুসের ক্ষতির ঝুঁকি বেশি থাকে; কম সঞ্চিত মাত্রা সীমা ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ সাধারণত সুপারিশ করা হয়।

কিডনি সমস্যা: Bleocin মূলত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হওয়ায়, কিডনি কার্যক্ষমতা কম থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য মাত্রা হ্রাস ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

লিভার সমস্যা: লিভার সমস্যায় Bleocin-এর জন্য সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নয়; সাধারণ সতর্কতা ও ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

শিশু রোগী: বিশেষজ্ঞ অনকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে শিশু ক্যান্সার চিকিৎসা প্রোটোকলে (যেমন হজকিন লিম্ফোমা, জার্ম সেল টিউমার) ব্যবহৃত হয়, শরীরের ক্ষেত্রফল অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Bleocin 15 unit/vial Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Bleocin 15 unit/vial Injection একটি কেমোথেরাপি ওষুধ, যা হজকিন ও নন-হজকিন লিম্ফোমা, মাথা-ঘাড়, ত্বক, সার্ভিক্স ও ভালভার স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা, টেস্টিকুলার ক্যান্সার এবং ফুসফুসের চারপাশে তরল জমা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

Q: Bleocin 15 unit/vial Injection শুরু করার আগে কেন টেস্ট ডোজ প্রয়োজন?

A: কিছু রোগী, বিশেষত লিম্ফোমা আক্রান্তদের, Bleocin 15 unit/vial Injection-এর প্রতি হঠাৎ তীব্র অ্যালার্জি-জাতীয় প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যাতে রক্তচাপ কমে যাওয়া, জ্বর, বিভ্রান্তি ও শ্বাসকষ্ট থাকে। তাই সম্পূর্ণ মাত্রা দেওয়ার আগে একটি ছোট টেস্ট ডোজ দিয়ে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

Q: আমার চিকিৎসক কেন মোট Bleocin 15 unit/vial Injection-এর পরিমাণ সীমিত রাখেন?

A: Bleocin 15 unit/vial Injection ফুসফুসে ক্ষত (পালমোনারি ফাইব্রোসিস) সৃষ্টি করতে পারে, এবং আজীবন প্রাপ্ত মোট পরিমাণ প্রায় ৪০০ ইউনিট অতিক্রম করলে এই ঝুঁকি দ্রুত বাড়ে। আপনার অনকোলজিস্ট এই ঝুঁকি কমাতে সঞ্চিত মাত্রা সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Bleocin 15 unit/vial Injection ব্যবহার করা যায়?

A: Bleocin 15 unit/vial Injection অনাগত শিশুর ক্ষতি করতে পারে এবং শুধুমাত্র সত্যিকার প্রয়োজন হলে ও চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত। বুকের দুধে এটি নির্গত হয় কিনা তা জানা না থাকায়, চিকিৎসাকালীন স্তন্যদান বন্ধ রাখা উচিত।

Q: অস্ত্রোপচারের আগে অ্যানেস্থেসিয়া দলকে কেন Bleocin 15 unit/vial Injection গ্রহণের কথা জানাতে হবে?

A: চিকিৎসার বছরের পরও, যারা Bleocin 15 unit/vial Injection নিয়েছেন তাদের অস্ত্রোপচার বা অ্যানেস্থেসিয়ার সময় বেশি মাত্রার অক্সিজেন দিলে মারাত্মক ফুসফুসের ক্ষতির ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই প্রতিটি অ্যানেস্থেসিয়া প্রদানকারী ও সার্জিক্যাল দলকে পূর্বের Bleocin 15 unit/vial Injection চিকিৎসার কথা জানানো জরুরি।

Q: Bleocin 15 unit/vial Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Bleocin 15 unit/vial Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ত্বক কালচে হওয়া, র‍্যাশ, ত্বক পুরু হওয়া, নখের পরিবর্তন, চুল পড়া, ডোজের পর জ্বর ও কাঁপুনি, মুখের ঘা, বমি বমি ভাব ও ওজন হ্রাস। গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ফুসফুসের ক্ষত ও অ্যালার্জি-জাতীয় প্রতিক্রিয়া, যা চিকিৎসক দল ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor
Cart
Account