
Xitabin500 mg
Beacon Pharmaceuticals PLC

Capecitin একটি সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ এবং এটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞ অনকোলজিস্ট বা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
Capecitin একটি অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক (ক্যান্সার-বিরোধী) ওষুধ, যা ফ্লুরোপাইরিমিডিন কার্বামেট শ্রেণির অন্তর্গত এবং অ্যান্টিমেটাবোলাইট গোত্রের কেমোথেরাপি ওষুধ হিসেবে বিবেচিত।
Capecitabine নিজে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে এবং শরীরে তিনটি ধাপে এনজাইমেটিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সক্রিয় হয়। প্রথমে যকৃতে কার্বক্সিলএস্টারেজ এনজাইম দ্বারা এটি 5'-DFCR-এ রূপান্তরিত হয়, এরপর সাইটিডিন ডিঅ্যামিনেজ এনজাইম (যকৃত ও টিউমার কোষে বেশি পরিমাণে থাকে) দ্বারা 5'-DFUR-এ পরিণত হয়। সবশেষে থাইমিডিন ফসফোরাইলেজ এনজাইম (স্বাভাবিক কোষের তুলনায় টিউমার কোষে বেশি সক্রিয়) দ্বারা এটি সক্রিয় উপাদান 5-ফ্লুরোইউরাসিল (5-FU)-এ রূপান্তরিত হয়। এই নির্বাচনমূলক সক্রিয়করণ প্রক্রিয়া টিউমার কোষে ওষুধের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে। 5-FU থাইমিডাইলেট সিন্থেজ এনজাইম প্রতিরোধ করে ডিএনএ সংশ্লেষণ ও মেরামত ব্যাহত করে এবং আরএনএ প্রক্রিয়াকরণে হস্তক্ষেপ করে, ফলে দ্রুত বিভাজিত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস হয়।
শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল অনুযায়ী ১২৫০ mg/m² মাত্রায় দিনে দুইবার (সকাল ও সন্ধ্যা) মুখে সেবন, ১৪ দিন ধরে, এরপর ৭ দিনের বিরতি — মোট ২১ দিনের চক্র হিসেবে, রোগের অগ্রগতি বা অসহনীয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া হয়।
২১ দিনের চক্রের ১ম থেকে ১৪তম দিন পর্যন্ত Capecitin ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার, একই চক্রের ১ম দিনে শিরাপথে ডোসিট্যাক্সেল ৭৫ mg/m² প্রয়োগের সাথে সংযুক্তভাবে।
১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার, ১৪ দিন, পরে ৭ দিনের বিরতি — ২১ দিনের চক্র হিসেবে, মোট ৮টি চক্র (২৪ সপ্তাহ)।
১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার, ১৪ দিন, পরে ৭ দিনের বিরতি — ২১ দিনের চক্র হিসেবে, একক অথবা অনকোলজিস্ট নির্দেশিত অন্যান্য কেমোথেরাপির সাথে সংযুক্তভাবে।
| নির্দেশনা | মাত্রা | সময়সূচি |
|---|---|---|
| মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যান্সার (একক) | ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার | ২১ দিনের চক্রের ১-১৪ দিন |
| মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যান্সার (ডোসিট্যাক্সেলসহ) | ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার | ২১ দিনের চক্রের ১-১৪ দিন |
| সহায়ক কোলন ক্যান্সার (Dukes' C) | ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার | ২১ দিনের চক্র, ৮টি চক্র |
| মেটাস্ট্যাটিক কোলোরেক্টাল ক্যান্সার | ১২৫০ mg/m² দিনে দুইবার | ২১ দিনের চক্রের ১-১৪ দিন |
মৃদু কিডনি সমস্যায় (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৫১-৮০ mL/min) মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। মাঝারি মাত্রার কিডনি সমস্যায় (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৩০-৫০ mL/min) মাত্রা কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রার ৭৫%-এ আনার পরামর্শ দেওয়া হয়। গুরুতর কিডনি সমস্যায় (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৩০ mL/min-এর কম) Capecitin ব্যবহার নিষিদ্ধ।
যকৃতে মেটাস্ট্যাসিসজনিত মৃদু থেকে মাঝারি যকৃত কার্যক্ষমতা হ্রাসের ক্ষেত্রে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন; গুরুতর যকৃত সমস্যায় Capecitin-এর ব্যবহার নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।
রক্তকণিকা, পরিপাকতন্ত্র, ত্বক (যেমন হ্যান্ড-ফুট সিনড্রোম) বা অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে চিকিৎসকের নির্দেশে মাত্রা পরিবর্তন বা সাময়িক বন্ধ রাখা প্রয়োজন হতে পারে।
Capecitin-এর সাথে ওয়ারফারিন বা অন্যান্য কুমারিন-জাতীয় অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট একসাথে ব্যবহার করলে রক্ত পাতলাকারী ওষুধের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে, যা INR বৃদ্ধি ও গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী রক্তক্ষরণের কারণ হতে পারে। এই প্রতিক্রিয়া Capecitin শুরু করার কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস পর, এমনকি বন্ধ করার পরেও দেখা দিতে পারে। উভয় ওষুধ একসাথে সেবনকারী রোগীদের নিয়মিত INR/প্রোথ্রম্বিন টাইম পর্যবেক্ষণ ও মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন।
Capecitin ফেনিটয়িনের রক্তে ঘনত্ব বাড়িয়ে দিতে পারে, যার ফলে ফেনিটয়িন বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; একসাথে ব্যবহারের সময় ফেনিটয়িনের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
লিউকোভোরিন Capecitin-এর সক্রিয় উপাদান 5-ফ্লুরোইউরাসিলের কার্যকারিতা ও বিষক্রিয়া উভয়ই বাড়িয়ে দিতে পারে; একসাথে ব্যবহারে সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
সোরিভুডিন এবং এর সাথে সম্পর্কিত অ্যানালগ (যেমন ব্রিভুডিন) ফ্লুরোপাইরিমিডিনের বিষক্রিয়া মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয় এবং Capecitin-এর সাথে কখনোই একসাথে ব্যবহার করা উচিত নয় (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
Capecitin CYP2C9 এনজাইম দ্বারা বিপাকিত অন্যান্য ওষুধের রক্তে ঘনত্ব বাড়িয়ে দিতে পারে; এসব ওষুধ একসাথে ব্যবহারের সময় সতর্কতা ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, জ্বর, সংক্রমণের লক্ষণ, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে দাগ, বা গুরুতর হ্যান্ড-ফুট উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Capecitin গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ। এটি একটি সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ হওয়ায় এর কার্যপ্রণালী ও প্রাণীদেহে গবেষণার তথ্য অনুযায়ী ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে। সন্তান ধারণে সক্ষম নারীদের চিকিৎসাকালীন এবং বন্ধ করার পরও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিৎসাকালে গর্ভধারণ ঘটলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
Capecitin স্তন্যদানকালেও নিষিদ্ধ; শিশুর ওপর গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকায় চিকিৎসাকালে স্তন্যদান বন্ধ রাখতে হবে।
দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া — ওয়ারফারিন বা অন্যান্য কুমারিন-জাতীয় ওষুধের সাথে একসাথে ব্যবহারে নিয়মিত রক্ত জমাট বাঁধার পরীক্ষা প্রয়োজন, কারণ গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী রক্তক্ষরণের ঝুঁকি থাকে।
DPD ঘাটতিযুক্ত রোগীদের Capecitin থেকে গুরুতর, প্রাণঘাতী বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। চিকিৎসা শুরুর আগে DPD ঘাটতি পরীক্ষা বিবেচনা করা যেতে পারে; কোনো রোগীর মধ্যে আকস্মিক, প্রাথমিক পর্যায়ে বা অস্বাভাবিকভাবে গুরুতর বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে তা DPD ঘাটতির ইঙ্গিত হতে পারে এবং তৎক্ষণাৎ Capecitin বন্ধ করতে হবে।
গুরুতর ডায়রিয়া হতে পারে, যার জন্য চিকিৎসা সাময়িক বন্ধ, মাত্রা হ্রাস, ও পর্যাপ্ত তরল প্রতিস্থাপন প্রয়োজন হতে পারে; ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসককে জানানো উচিত।
পালমার-প্ল্যান্টার এরিথ্রোডিসেসথেসিয়ার লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত; মাঝারি থেকে গুরুতর ক্ষেত্রে মাত্রা সাময়িক বন্ধ বা হ্রাস প্রয়োজন হতে পারে (দেখুন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া)।
নিয়মিত সম্পূর্ণ রক্ত পরীক্ষা (CBC) পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়; উল্লেখযোগ্য রক্তকণিকা সংক্রান্ত বিষক্রিয়া দেখা দিলে চিকিৎসা সাময়িক বন্ধ রাখতে হবে।
করোনারি ধমনী রোগের ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Capecitin সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এনজাইনা, হৃদস্পন্দনের অনিয়ম ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে।
মাঝারি কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন, এবং গুরুতর কিডনি সমস্যায় Capecitin ব্যবহার নিষিদ্ধ। যকৃত সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি)।
বয়স্ক রোগীরা Capecitin-এর পরিপাকতন্ত্রীয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন এবং তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার)।
Capecitin একটি সাইটোটক্সিক ওষুধ; এটি প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা অনুযায়ী পরিচালনা ও নিষ্পত্তি করা উচিত এবং চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী হুবহু সেবন করা উচিত — চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা পরিবর্তন, চিকিৎসা বন্ধ, অথবা অন্য কারো সাথে এই ওষুধ ভাগ করা উচিত নয়।
Capecitin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, পরিপাকতন্ত্রে জ্বালাপোড়া ও রক্তক্ষরণ, অস্থিমজ্জা দমন এবং মিউকোসাইটিসের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। Capecitin-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই। অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সহায়ক চিকিৎসা, চিকিৎসা সাময়িক বন্ধ রাখা এবং প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করা হতে পারে।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, মূল প্যাকেজিংয়ে ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ রেখে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। Capecitin একটি সাইটোটক্সিক ওষুধ হওয়ায় সাবধানতার সাথে ব্যবহার করুন।
শিশুদের ক্ষেত্রে Capecitin-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ব্যতীত শিশু বা কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে Capecitin ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে, বিশেষত সংযুক্ত থেরাপির ক্ষেত্রে, Capecitin-এর কারণে পরিপাকতন্ত্রীয় গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হার বেশি দেখা গেছে; বয়সের কারণে নির্দিষ্ট প্রাথমিক মাত্রা হ্রাসের প্রয়োজন না হলেও, নিবিড় পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
Q: Capecitin 500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Capecitin 500 mg Tablet একটি মুখে খাওয়ার কেমোথেরাপি ওষুধ, যা মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যান্সার (একক অথবা ডোসিট্যাক্সেলের সাথে সংযুক্তভাবে) এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সার — যার মধ্যে ডিউকস সি কোলন ক্যান্সারের সহায়ক চিকিৎসা ও মেটাস্ট্যাটিক কোলোরেক্টাল ক্যান্সারও রয়েছে — চিকিৎসায় অনকোলজিস্টের নির্দেশনায় ব্যবহৃত হয়।
Q: Capecitin 500 mg Tablet ট্যাবলেট কীভাবে সেবন করতে হয়?
A: Capecitin 500 mg Tablet ট্যাবলেট খাবার গ্রহণের ৩০ মিনিটের মধ্যে পানিসহ পুরোটা গিলে খেতে হয়, দিনে দুইবার প্রায় ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে, ১৪ দিন ধরে, এরপর ৭ দিনের বিরতি — সম্পূর্ণভাবে অনকোলজিস্টের নির্দেশ অনুযায়ী। নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন বা চিকিৎসা বন্ধ করা উচিত নয়।
Q: Capecitin 500 mg Tablet-এর সাথে ওয়ারফারিন (রক্ত পাতলাকারী ওষুধ) সেবন করা যাবে কি?
A: Capecitin 500 mg Tablet-এর সাথে ওয়ারফারিন বা অন্যান্য কুমারিন-জাতীয় রক্ত পাতলাকারী ওষুধ একসাথে সেবন করলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে, কখনো কখনো তা প্রাণঘাতীও হতে পারে, কারণ Capecitin 500 mg Tablet রক্ত পাতলাকারী ওষুধের প্রভাব বাড়িয়ে দেয়। আপনি যদি ওয়ারফারিন সেবন করেন, তাহলে অবিলম্বে আপনার চিকিৎসককে জানান; চিকিৎসাকালীন নিয়মিত রক্ত জমাট বাঁধার (INR) পরীক্ষা প্রয়োজন হবে।
Q: হ্যান্ড-ফুট সিনড্রোম কী, এবং এটি কি Capecitin 500 mg Tablet-এর সাথে সম্পর্কিত?
A: হ্যান্ড-ফুট সিনড্রোম (পালমার-প্ল্যান্টার এরিথ্রোডিসেসথেসিয়া) Capecitin 500 mg Tablet-এর একটি সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যাতে হাতের তালু ও পায়ের তলায় লালচেভাব, ফোলা, ব্যথা ও চামড়া উঠে যায়। এমন হলে চিকিৎসককে জানান, কারণ এক্ষেত্রে আপনার Capecitin 500 mg Tablet-এর মাত্রা সমন্বয় করা বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন হতে পারে।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Capecitin 500 mg Tablet সেবন করা কি নিরাপদ?
A: না। Capecitin 500 mg Tablet গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ, কারণ এটি বিকাশমান ভ্রূণের গুরুতর ক্ষতি করতে পারে, এবং স্তন্যদানকালেও এটি নিষিদ্ধ। চিকিৎসাকালীন কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়; Capecitin 500 mg Tablet শুরু করার আগে আপনার অনকোলজিস্টের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করুন।
Q: যদি Capecitin 500 mg Tablet-এর একটি মাত্রা সেবন করতে ভুলে যাই অথবা বেশি মাত্রায় সেবন করে ফেলি, তাহলে কী করব?
A: ভুলে যাওয়া মাত্রা পূরণ করতে দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না — ভুলে যাওয়া মাত্রা সম্পর্কে নির্দেশনার জন্য আপনার অনকোলজিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন। যদি আপনি সন্দেহ করেন যে Capecitin 500 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবন করে ফেলেছেন, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ অতিরিক্ত মাত্রা গুরুতর বিষক্রিয়া যেমন তীব্র ডায়রিয়া, অস্থিমজ্জা দমন ও রক্তক্ষরণের কারণ হতে পারে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।