
Brimopres0.2%+0.5%
Popular Pharmaceuticals Ltd.

Combigan একটি স্থির-মাত্রার সংমিশ্রণ চোখের ড্রপ, যা ওপেন-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা বা অকুলার হাইপারটেনশনরোগীদের চোখের ভেতরের বর্ধিত চাপ (ইন্ট্রাঅকুলার প্রেশার) কমাতে ব্যবহার করা হয়।
উল্লেখ্য: যারা আগে কখনো গ্লুকোমার কোনো টপিক্যাল ওষুধ ব্যবহার করেননি, তাদের ক্ষেত্রেপ্রাথমিক (first-line) একক চিকিৎসা হিসেবে Combigan সাধারণত সুপারিশ করা হয় না।
Combigan একটি চোখের গ্লুকোমা-বিরোধী ওষুধ (ophthalmic anti-glaucoma agent) শ্রেণিরওষুধ, যা নির্দিষ্টভাবে একটি আলফা-২ অ্যাড্রেনার্জিক অ্যাগোনিস্ট এবং নন-সিলেক্টিভবিটা-অ্যাড্রেনার্জিক ব্লকারের স্থির-মাত্রার সংমিশ্রণ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ, যা টপিক্যালি(চোখে দিয়ে) চোখের চাপ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
Brimonidine Tartrate + Timolol Maleate দুটি সম্পূরক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চোখের ভেতরের চাপ (IOP) কমায়।
ব্রিমোনিডিন উপাদানটি অ্যাকুয়াস হিউমার তৈরি কমায় এবং ইউভিওস্ক্লেরাল আউটফ্লো বাড়িয়ে দেয়, ফলেচোখের চাপ দীর্ঘস্থায়ীভাবে কমে।
টিমোলল উপাদানটি সিলিয়ারি এপিথেলিয়ামে বিটা-১ ও বিটা-২ রিসেপ্টর ব্লক করে অ্যাকুয়াস হিউমার তৈরিরহার কমায়, যার নিজস্ব উল্লেখযোগ্য সিমপ্যাথোমাইমেটিক বা মায়োকার্ডিয়াল ডিপ্রেসেন্ট কার্যকারিতা নেই।
Brimonidine Tartrate + Timolol Maleate চোখে ব্যবহারের পরেও দুটি উপাদানই কিছু পরিমাণে সিস্টেমিকভাবে (রক্তে) শোষিত হয়। ব্রিমোনিডিনেরপ্লাজমা অর্ধায়ু প্রায় ৩ ঘণ্টা এবং এটি মূলত যকৃতে বিপাকিত হয়ে কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়; টিমোললেরপ্লাজমা অর্ধায়ু প্রায় ৭ ঘণ্টা এবং এটিও আংশিকভাবে যকৃতে বিপাকিত হয়ে মূলত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।এই সিস্টেমিক শোষণের কারণেই চোখে ব্যবহার করা সত্ত্বেও Brimonidine Tartrate + Timolol Maleate এর সাথে সিস্টেমিক বিটা-ব্লকার ও আলফা-অ্যাগোনিস্টসংক্রান্ত সতর্কতাগুলো প্রাসঙ্গিক থেকে যায়।
| ইঙ্গিত | মাত্রা | সেবনের সময়সূচি |
|---|---|---|
| ওপেন-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা / অকুলার হাইপারটেনশন (চোখের চাপ কমানো) | আক্রান্ত চোখে এক ফোঁটা | দিনে দুইবার, প্রায় ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে |
নবজাতক ও ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Combigan সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ (contraindicated)। ২ বছর বাতার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হলে তা অবশ্যই চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে হতে হবে; বিস্তারিতজানতে দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার।
কিডনি বা যকৃতের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Combigan নিয়ে আলাদাভাবে গবেষণা করা হয়নি এবং নির্দিষ্টমাত্রা সমন্বয়ের সুপারিশও প্রতিষ্ঠিত নয়। যেহেতু চোখে দেওয়ার পরও উভয় উপাদান কিছুটা সিস্টেমিকভাবেশোষিত হয়, তাই এই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ও চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত।
Combigan চোখে দেওয়া হলেও তা রক্তে কিছুটা শোষিত হয় বলে এটি কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের সাথে মিথষ্ক্রিয়াকরতে পারে:
Combigan শুরু করার আগে বর্তমানে ব্যবহৃত অন্য সকল ওষুধ ও চোখের ড্রপের বিষয়ে চিকিৎসককে অবহিত করুন।
নিচের যেকোনো অবস্থায় Brimonidine Tartrate + Timolol Maleate ব্যবহার করা যাবে না:
Combigan ব্যবহারে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:
ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে ব্রিমোনিডিন উপাদানের কারণে মার্কেটিং-পরবর্তী রিপোর্টে গুরুতর কেন্দ্রীয়স্নায়ুতন্ত্র দমন, যেমন অ্যাপনিয়া, ব্র্যাডিকার্ডিয়া, হাইপোটেনশন, হাইপোথার্মিয়া, কোমা ও শ্বাসকষ্টেরকথা জানানো হয়েছে; দেখুন প্রতিনির্দেশনা।
Combigan ব্যবহারের সময় শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, হৃদস্পন্দনের তীব্র অনিয়ম বা খুব ধীরগতি, অজ্ঞান হয়েযাওয়া, বা তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Combigan ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য সীমিত এবং জন্মগত ত্রুটি বা গর্ভপাতের ঝুঁকিনিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করার মতো পর্যাপ্ত নয়। Combigan শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতাভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি বলে চিকিৎসক মনে করেন, এবং তা সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের সরাসরিপরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে হতে হবে।
টিমোলল মায়ের বুকের দুধে প্রবেশ করে বলে জানা যায়; ব্রিমোনিডিন বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তাসুনিশ্চিতভাবে জানা নেই। শিশুর ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ও শ্বাসকষ্ট সংক্রান্ত গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকায়, স্তন্যদানকালে Combigan ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। স্তন্যদান বন্ধরাখা বা Combigan বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত মায়ের জন্য ওষুধের গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং চিকিৎসকের পরামর্শক্রমেনেওয়া উচিত।
Combigan চোখে দেওয়া হলেও তা রক্তে শোষিত হয় এবং সিস্টেমিক বিটা-ব্লকার ও আলফা-২ অ্যাগোনিস্টের মতোইতীব্র ব্রঙ্কোস্পাজম, ব্র্যাডিকার্ডিয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া, হার্ট ব্লক বা হার্ট ফেইলিউরের মতো প্রতিক্রিয়াসৃষ্টি করতে পারে। তীব্র হৃদরোগ, সেরিব্রোভাসকুলার সমস্যা বা রেনড'স ফেনোমেননের ইতিহাস থাকা রোগীদেরক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, এবং প্রতিনির্দেশনা-এ উল্লেখিত হৃদরোগ ওশ্বাসতন্ত্রের অবস্থায় এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
টিমোলল উপাদানের বিটা-ব্লকিং প্রভাবের কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের হঠাৎ রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার(হাইপোগ্লাইসেমিয়া) লক্ষণ এবং হাইপারথাইরয়েডিজমের কিছু লক্ষণ (যেমন হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া) ঢাকা পড়েযেতে পারে। এসব রোগীর ক্ষেত্রে Combigan সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস বা অনুরূপ পেশি-দুর্বলতাজনিত রোগীদের ক্ষেত্রে টিমোলল উপাদান পেশিরদুর্বলতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
Combigan এর ব্রিমোনিডিন উপাদান কিছু রোগীর ক্ষেত্রে তন্দ্রাভাব বা ক্লান্তি সৃষ্টি করতে পারে। এই ওষুধকীভাবে সতর্কতা ও মনোযোগে প্রভাব ফেলে তা না জানা পর্যন্ত গাড়ি চালানো, ভারী যন্ত্রপাতি পরিচালনা বাঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
MAOI ব্যবহারকারী রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ এটি Combigan এর ব্রিমোনিডিন উপাদানের সাথেমিথষ্ক্রিয়া করতে পারে; দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া।
Combigan এ বেনজালকোনিয়াম ক্লোরাইড থাকে, যা সফট কন্টাক্ট লেন্সে শোষিত হতে পারে। ড্রপ দেওয়ার আগেকন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলতে হবে এবং ১৫ মিনিট পর তা আবার পরা যেতে পারে।
অ্যাটোপি বা তীব্র অ্যানাফাইল্যাক্সিসের ইতিহাস আছে এমন রোগীরা Combigan এর টিমোলল উপাদানের মতোবিটা-ব্লকার থেরাপির সময় অ্যালার্জেনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিসের চিকিৎসায়সাধারণ মাত্রার এপিনেফ্রিনে সাড়া নাও দিতে পারেন।
Combigan মূলত এমন রোগীদের জন্য যাদের উভয় সক্রিয় উপাদানের সম্মিলিত প্রভাব প্রয়োজন; যারা আগে কখনোটপিক্যাল গ্লুকোমার ওষুধ ব্যবহার করেননি তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে এটি সুপারিশ করা হয় না।
Combigan এর অতিরিক্ত সেবন বা প্রয়োগ সম্পর্কে মানব গবেষণার নির্দিষ্ট তথ্য সীমিত। টিমোলল উপাদানেরকারণে সিস্টেমিক ওভারডোজে ব্র্যাডিকার্ডিয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া, ব্রঙ্কোস্পাজম, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা,শ্বাসকষ্ট এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হার্ট ফেইলিউর বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে। বিশেষত ছোট শিশুদেরক্ষেত্রে ব্রিমোনিডিন উপাদানের ওভারডোজ তীব্র কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দমন - যেমন অলসতা, পেশি শিথিলতা,ব্র্যাডিকার্ডিয়া, হাইপোথার্মিয়া ও অ্যাপনিয়া - সৃষ্টি করতে পারে, যার জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
Combigan এর অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে, বা কোনো শিশু ভুলবশত এটি খেয়ে ফেললে, দেরি না করে দ্রুতনিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসা করার চেষ্টাকরবেন না; চিকিৎসা হতে হবে প্রশিক্ষিত চিকিৎসা কর্মীদের তত্ত্বাবধানে সহায়ক (supportive) চিকিৎসা।
Combigan ১৫°সে থেকে ২৫°সে (৫৯°ফা থেকে ৭৭°ফা) তাপমাত্রায়, সরাসরি আলো থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। বোতলের ঢাকনা প্রতিবার ব্যবহারের পর ভালোভাবে বন্ধ করুন এবং শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন।
নবজাতক ও ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Combigan সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, কারণ ব্রিমোনিডিন উপাদানেরকারণে তীব্র কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দমনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণিত ঝুঁকি রয়েছে (দেখুনপ্রতিনির্দেশনা)। ২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Combigan চোখের চাপ কমাতেকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে, তবে এই বয়সে তন্দ্রাভাব খুবই সাধারণভাবে দেখা যায় এবং চিকিৎসা শুধুমাত্রচিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে শুরু ও চালিয়ে যেতে হবে। ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ওকার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
বয়স্ক ও তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের মধ্যে Combigan এর নিরাপত্তা বা কার্যকারিতায় সামগ্রিক কোনো পার্থক্যদেখা যায়নি, তবে বয়সজনিত হৃদপিণ্ড, কিডনি বা যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাসের কারণে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণপ্রয়োজন হতে পারে।
কিডনি বা যকৃতের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Combigan নিয়ে নির্দিষ্ট গবেষণা নেই; উভয় উপাদান যেহেতুকিডনি ও যকৃতের মাধ্যমে বিপাকিত/নির্গত হয়, তাই এসব রোগীর ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার ও ঘনিষ্ঠপর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
Q: Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
A: Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution একটি চোখের ড্রপ যা ওপেন-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা বা অকুলার হাইপারটেনশন রোগীদের চোখের ভেতরের বর্ধিত চাপ কমাতে ব্যবহার করা হয়, সাধারণত যখন একা একটি চোখের চাপ কমানোর ওষুধ দিয়ে চাপ পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে না।
Q: Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution কীভাবে ব্যবহার করতে হয়?
A: Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution এর স্বাভাবিক মাত্রা হলো আক্রান্ত চোখে দিনে দুইবার এক ফোঁটা করে, প্রায় ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে। প্রথমে হাত ধুয়ে নিন, ড্রপারের ডগা চোখে স্পর্শ করাবেন না, এবং প্রতিটি ড্রপ দেওয়ার পর প্রায় এক মিনিট চোখের ভেতরের কোণায় আলতোভাবে চাপ দিন যাতে ওষুধ রক্তে কম শোষিত হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন করবেন না।
Q: কাদের Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা উচিত নয়?
A: Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution এর কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে, অ্যাজমা বা তীব্র COPD থাকলে, নির্দিষ্ট কিছু হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যা (যেমন খুব ধীর হৃদস্পন্দন বা উচ্চ মাত্রার এভি ব্লক), প্রকাশ্য হার্ট ফেইলিউর বা কার্ডিওজেনিক শক থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না, এবং নবজাতক বা ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, কারণ এই বয়সে শ্বাসকষ্ট ও হৃদস্পন্দন সংক্রান্ত গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা যাবে কি?
A: গর্ভাবস্থায় Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন চিকিৎসক মনে করেন যে উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি, কারণ মানব গবেষণার তথ্য সীমিত। স্তন্যদানকালে Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution সাধারণত সুপারিশ করা হয় না, কারণ এর একটি উপাদান বুকের দুধে প্রবেশ করে শিশুর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে; উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো চোখ লাল হওয়া, চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা কামড়ানো অনুভূতি এবং অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে ক্লান্তি, তন্দ্রাভাব, মাথাব্যথা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, বা হৃদস্পন্দন কমে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে, কারণ চোখে দেওয়া হলেও ওষুধের কিছু অংশ রক্তে শোষিত হয়।
Q: ভুলবশত বেশি মাত্রায় Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution ব্যবহার হয়ে গেলে বা শিশু খেয়ে ফেললে কী করবেন?
A: Combigan 0.2%+0.5% Ophthalmic Solution এর অতিরিক্ত ব্যবহারের সন্দেহ হলে, বা কোনো শিশু ভুলবশত তা খেয়ে ফেললে, লক্ষণের জন্য অপেক্ষা না করে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এটি শ্বাসকষ্ট ও হৃদস্পন্দনে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে, তাই বাড়িতে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।