Product gallery
MRP ১.৩১১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১.১৮/piece
স্টকে নেই
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

ব্যথা উপশম

Cpfen হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ব্যথা যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, কোমর ব্যথা এবং ছোটখাটো আঘাতজনিত ব্যথায় প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।

জ্বর কমানো

Cpfen প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর কমাতে প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।

মাসিকের ব্যথা (Primary Dysmenorrhea)

Cpfen মাসিকের সময়কার ব্যথা (primary dysmenorrhea) উপশমে প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস

চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রেসক্রিপশন মাত্রায় Cpfen রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের উপসর্গ উপশমে গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার হিসেবে প্রযোজ্য; এটি নিজে থেকে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য নয়। এটি শুধু উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করে, রোগের মূল প্রক্রিয়া পরিবর্তন করে না; রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে এটি সাধারণত ডিজিজ-মডিফাইং থেরাপির সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এককভাবে নয়।

মাইগ্রেন

তীব্র মাইগ্রেন আক্রমণে প্রাপ্তবয়স্কদের সহায়ক/সেলফ-কেয়ার চিকিৎসা হিসেবে Cpfen ব্যবহৃত হতে পারে (প্রয়োজনে ৪০০ মি.গ্রা. একক মাত্রা); এটি মাইগ্রেন প্রতিরোধের প্রথম সারির চিকিৎসা নয়।

শিশুদের জ্বর ও ব্যথা

বর্তমান AAP-সমর্থিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথা উপশমে Cpfen গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার; ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কেবল চিকিৎসকের নির্দেশে ব্যবহার করা উচিত। বিস্তারিত জানতে "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার" ও "মাত্রা ও সেবনবিধি" অংশ দেখুন।

থেরাপিউটিক ক্লাস

থেরাপিউটিক ক্লাস: Cpfen একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা প্রোপায়োনিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ শ্রেণির অন্তর্গত।

উপাদান: প্রতিটি ডোজে সক্রিয় উপাদান হিসেবে Cpfen থাকে। বাংলাদেশে Cpfen ২০০ মি.গ্রা. ও ৪০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট, ৩০০ মি.গ্রা. সাসটেইনড-রিলিজ ক্যাপসুল এবং ১০০ মি.গ্রা./৫ মি.লি. ওরাল সাসপেনশন আকারে পাওয়া যায়।

সংক্ষিপ্ত বিবরণ: Cpfen একটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত NSAID, যা ব্যথা উপশম, জ্বর কমানো এবং প্রদাহ (inflammation) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। মাথাব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাসিকের ব্যথা এবং জ্বরের মতো দৈনন্দিন সমস্যায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আর্থ্রাইটিসজনিত জয়েন্টের ব্যথায়ও ব্যবহৃত হয়। Cpfen শরীরে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন নামক রাসায়নিক পদার্থের উৎপাদন কমিয়ে কাজ করে, যা ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের জন্য দায়ী। কম মাত্রায় এটি ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য এবং বেশি মাত্রায় দীর্ঘমেয়াদী, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহারের জন্য পাওয়া যায়। বেশি মাত্রায় বা দীর্ঘদিন ব্যবহারে পাকস্থলী, হৃদযন্ত্র ও কিডনির ঝুঁকি থাকায়, Cpfen সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় এবং সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

ফার্মাকোলজি

ফার্মাকোলজি (শোষণ, বিপাক ও নিষ্কাশন): মুখে খাওয়ার পর Ibuprofen দ্রুত শোষিত হয় এবং সাধারণত ১-২ ঘণ্টার মধ্যে রক্তে সর্বোচ্চ ঘনত্বে পৌঁছায়। এটি যকৃতে ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয় এবং সিরাম হাফ-লাইফ প্রায় ১.৮-২.০ ঘণ্টা। Ibuprofen ও এর মেটাবোলাইট প্রধানত মূত্রের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়, এবং শেষ মাত্রা গ্রহণের প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় সম্পূর্ণরূপে নিষ্কাশিত হয়ে যায়। যেহেতু নিষ্কাশন মূলত কিডনির মাধ্যমে হয়, উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় Ibuprofen ও এর মেটাবোলাইটের নিষ্কাশন কমে যেতে পারে।

মোড অব অ্যাকশন (কার্যপ্রণালী): Ibuprofen সাইক্লো-অক্সিজিনেজ-১ (COX-1) ও সাইক্লো-অক্সিজিনেজ-২ (COX-2) উভয় এনজাইমকে নন-সিলেক্টিভভাবে বাধা দিয়ে কাজ করে, যার ফলে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন উৎপাদন কমে যায়। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন হলো সেই রাসায়নিক পদার্থ যা ব্যথার সংকেত, জ্বর সৃষ্টি এবং প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী। এই কারণেই Ibuprofen ব্যথানাশক, জ্বরনাশক ও প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Cpfen-এর মাত্রা নির্ভর করে কোন সমস্যার জন্য এটি ব্যবহার করা হচ্ছে, রোগীর বয়স ও ওজন এবং এটি স্বল্পমেয়াদী সেলফ-কেয়ারে না দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হচ্ছে তার উপর। Cpfen-এর সঠিক মাত্রা সর্বদা একজন যোগ্য চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত এবং এটি সব ইন্ডিকেশনের জন্য এক নয়; নিচের সারণি সাধারণ নির্দেশনা মাত্র।

নির্দেশনাসাধারণ মাত্রা
হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা, মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, কোমর ব্যথা, মাসিকের ব্যথা (প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর বয়সী শিশু, সেলফ-কেয়ার/OTC ব্যবহার)প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর ২০০-৪০০ মি.গ্রা. মুখে খেতে হবে, প্রয়োজন অনুযায়ী; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয়
জ্বর (প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর বয়সী শিশু, সেলফ-কেয়ার/OTC ব্যবহার)প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর ২০০-৪০০ মি.গ্রা.; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয়
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস (প্রেসক্রিপশন মাত্রা, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে; নিয়মিত সেলফ-মেডিকেশন নয়)সাধারণত দৈনিক ১২০০-৩২০০ মি.গ্রা. বিভক্ত মাত্রায় (যেমন দিনে ৩-৪ বার ৪০০, ৬০০ বা ৮০০ মি.গ্রা.); সর্বোচ্চ দৈনিক ৩২০০ মি.গ্রা.
মাইগ্রেন, তীব্র আক্রমণ (প্রাপ্তবয়স্ক, সেলফ-কেয়ার, প্রতিরোধমূলক থেরাপি নয়)একক মাত্রা ৪০০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে প্রতি ৬ ঘণ্টায় পুনরায় নেওয়া যায়
৬ মাস থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথাপ্রতি ৬-৮ ঘণ্টা পরপর শরীরের ওজন অনুযায়ী ৫-১০ মি.গ্রা./কেজি; সর্বোচ্চ দৈনিক ৪০ মি.গ্রা./কেজি অথবা ২৪ ঘণ্টায় ৪ মাত্রা, যেটি কম
৬ মাসের কম বয়সী শিশুসেলফ-কেয়ারের জন্য প্রযোজ্য নয়; শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশে ব্যবহার করা যাবে (দেখুন "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার")

সেবনবিধি:

  • পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে Cpfen খাবার, দুধ অথবা এক গ্লাস পানির সাথে খাওয়া উচিত।
  • ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল পানির সাথে গোটা গিলে খেতে হবে; সাসটেইনড-রিলিজ ক্যাপসুল গুঁড়ো করা যাবে না।
  • ওরাল সাসপেনশন প্রতিবার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে এবং সঠিক মাত্রা মাপার জন্য নির্ধারিত মেজারিং ডিভাইস ব্যবহার করতে হবে, বাসার সাধারণ চামচ নয়।
  • Cpfen খাওয়ার পর প্রায় ১০ মিনিট শুয়ে না পড়াই ভালো।
  • নির্দেশিত মাত্রার বেশি Cpfen খাওয়া উচিত নয়, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Cpfen বা অন্য কোনো NSAID-যুক্ত পণ্যের সাথে একসাথে খাওয়া উচিত নয়।
  • কোনো মাত্রা মিস হলে মনে পড়ামাত্র তা খেয়ে নিতে হবে, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করতে হবে; একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা খাওয়া যাবে না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • লো-ডোজ অ্যাসপিরিন (হৃদরোগ প্রতিরোধী ব্যবহার): Cpfen প্লেটলেটের সাইক্লো-অক্সিজিনেজ এনজাইমে অ্যাসপিরিনের বাইন্ডিং সাইট প্রতিযোগিতামূলকভাবে বন্ধ করে দিতে পারে, ফলে অ্যাসপিরিনের অ্যান্টি-প্লেটলেট (হৃদরোগ প্রতিরোধী) কার্যকারিতা কমে যায়; দুটি একসাথে প্রয়োজন হলে, লো-ডোজ (৮১ মি.গ্রা.) ইমিডিয়েট-রিলিজ অ্যাসপিরিন খাওয়ার অন্তত ৮ ঘণ্টা আগে অথবা অন্তত ৩০ মিনিট পরে Cpfen খাওয়া উচিত।
  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন): Cpfen-এর সাথে একসাথে ব্যবহারে প্লেটলেট কার্যকারিতা ও পাকস্থলীর মিউকোসার উপর সম্মিলিত প্রভাবের কারণে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • ACE ইনহিবিটর ও অ্যাঞ্জিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন বাধা দিয়ে Cpfen এসব ওষুধের রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে, এবং একসাথে ব্যবহারে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • ডাই ইউরেটিক (মূত্রবর্ধক ওষুধ): Cpfen ডাই ইউরেটিকের নেট্রিউরেটিক ও রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে, এবং বিশেষত ACE ইনহিবিটরের সাথে একত্রে ব্যবহারে কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাসের ঝুঁকি বাড়ে।
  • লিথিয়াম: Cpfen লিথিয়ামের রেনাল ক্লিয়ারেন্স কমিয়ে রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে টক্সিসিটির ঝুঁকি বাড়ে।
  • মেথোট্রেক্সেট: Cpfen মেথোট্রেক্সেটের রেনাল ক্লিয়ারেন্স কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে মেথোট্রেক্সেট টক্সিসিটির ঝুঁকি বাড়ে।
  • অন্যান্য NSAID বা নিয়মিত অ্যাসপিরিন: Cpfen-এর সাথে অন্য কোনো NSAID বা নিয়মিত অ্যাসপিরিন একত্রে ব্যবহার করলে অতিরিক্ত উপকারিতা ছাড়াই গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল আলসার ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • SSRI (সিলেক্টিভ সেরোটোনিন রিআপটেক ইনহিবিটর): Cpfen-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে প্লেটলেট কার্যকারিতা ও পাকস্থলীর মিউকোসার উপর সম্মিলিত প্রভাবের কারণে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।

প্রতিনির্দেশনা

  • Ibuprofen-এর প্রতি জ্ঞাত অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity), অথবা অ্যাসপিরিন বা অন্য কোনো NSAID গ্রহণের পর হাঁপানি, আর্টিকেরিয়া বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস।
  • সক্রিয় গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ অথবা সক্রিয় পেপটিক আলসার ডিজিজ।
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) সার্জারির পেরিঅপারেটিভ ব্যথায় ব্যবহার।
  • গর্ভাবস্থার প্রায় ৩০ সপ্তাহ থেকে শেষ পর্যন্ত (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) ব্যবহার, কারণ এতে ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে (আগের সময়ের গর্ভাবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • পাকস্থলীর অস্বস্তি, বুক জ্বালাপোড়া বা বমি বমি ভাব
  • মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
  • ঝিমুনি বা ক্লান্তি
  • সামান্য পানি জমা বা ফোলাভাব
  • ত্বকে র‍্যাশ

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন)

  • পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের লক্ষণ: কালো বা রক্তমিশ্রিত মল, রক্ত বমি বা কফি-গ্রাউন্ডের মতো বমি, অথবা তীব্র পেটব্যথা যা কমছে না (বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ঝুঁকি দেখুন)
  • হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের লক্ষণ: বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, শরীরের একপাশে হঠাৎ দুর্বলতা, বা কথা জড়িয়ে যাওয়া (বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশে কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকি দেখুন)
  • কিডনি সমস্যার লক্ষণ: প্রস্রাব কমে যাওয়া, পা/গোড়ালিতে ফোলাভাব, বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি (বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশে রেনাল ঝুঁকি দেখুন)
  • তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ: চুলকানি সহ চাকা চাকা দাগ, মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা শাঁ শাঁ শব্দে শ্বাস নেওয়া
  • গুরুতর ত্বক প্রতিক্রিয়া: ফোসকা পড়া, ত্বক খোসা ছাড়ানো, বা ব্যাপক র‍্যাশ
  • ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, অথবা প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যাওয়া, যা যকৃতের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা

স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভাবস্থায় Cpfen ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (প্রায় ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত), চিকিৎসক স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় মনে না করলে Cpfen এড়িয়ে চলা উচিত, এবং ব্যবহার করলেও সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত। গর্ভাবস্থার প্রায় ২০ সপ্তাহ থেকে, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ Cpfen ও অন্যান্য NSAID এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়, কারণ এতে ভ্রূণের বিরল কিন্তু গুরুতর কিডনি সমস্যা হতে পারে, যার ফলে অ্যামনিওটিক ফ্লুইড (গর্ভফুলের পানি) কমে যেতে পারে (অলিগোহাইড্রামনিওস); মাত্র ৪৮ ঘণ্টা ব্যবহারেও এই প্রভাব দেখা গেছে। যদি চিকিৎসক প্রায় ২০ থেকে ৩০ সপ্তাহের মধ্যে Cpfen প্রয়োজনীয় মনে করেন, তাহলে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে, এবং ৪৮ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার চলতে থাকলে আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে অ্যামনিওটিক ফ্লুইড পর্যবেক্ষণ করা উচিত। গর্ভাবস্থার প্রায় ৩০ সপ্তাহ (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) থেকে Cpfen একেবারেই ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে সরু বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অতিরিক্ত ঝুঁকি থাকে (দেখুন "প্রতিনির্দেশনা")। এই নির্দেশনা FDA-এর একটি সাম্প্রতিক নিরাপত্তা সতর্কবার্তা থেকে নেওয়া, যা পুরনো, সাধারণ "শেষের দিকে গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলুন" ধরনের লেবেল নির্দেশনার চেয়ে বেশি নির্দিষ্ট; গর্ভবতী নারীদের নিজে থেকে Cpfen না খেয়ে ব্যথা বা জ্বরের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

স্তন্যদান

স্বতন্ত্র ল্যাকটেশন তথ্যসূত্র অনুযায়ী, স্তন্যদানকালে Cpfen সাধারণত পছন্দসই ব্যথানাশক ও প্রদাহনাশক ওষুধ হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এটি খুব সামান্য পরিমাণে (শিশুর ওজনের তুলনায় মায়ের মাত্রার ১%-এরও অনেক কম) বুকের দুধে প্রবেশ করে এবং এর হাফ-লাইফ কম। প্রকাশিত প্রতিবেদনে মায়ের Cpfen ব্যবহারের সময় বুকের দুধ খাওয়ানো শিশুদের মধ্যে কোনো বিরূপ প্রভাব নথিভুক্ত হয়নি। তবে স্তন্যদানকালে যেকোনো ওষুধের মতোই, Cpfen সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত, এবং বিশেষত অপরিণত বা অসুস্থ শিশুর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণের ঝুঁকি: Cpfen ও অন্যান্য NSAID ব্যবহারের যেকোনো সময়ে, পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই, পাকস্থলী বা অন্ত্রে রক্তক্ষরণ, আলসার বা ছিদ্র হতে পারে; ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের, পূর্বে আলসার বা GI রক্তক্ষরণের ইতিহাস থাকা ব্যক্তিদের, কর্টিকোস্টেরয়েড/অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট/অন্য NSAID বা অ্যাসপিরিন গ্রহণকারীদের, দৈনিক ৩ বা তার বেশি অ্যালকোহল পানকারীদের এবং বেশি মাত্রা বা দীর্ঘ সময় ব্যবহারে এই ঝুঁকি বেশি।
  • কার্ডিওভাসকুলার (হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত) ঝুঁকি: Cpfenসহ NSAID-জাতীয় ওষুধ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো গুরুতর থ্রম্বোটিক ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা চিকিৎসার শুরুতেই ঘটতে পারে এবং দীর্ঘ ব্যবহার বা বেশি মাত্রায় ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে; করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) সার্জারির ঠিক আগে বা পরে Cpfen এড়িয়ে চলতে হবে।
  • কিডনি (রেনাল) সতর্কতা: Cpfen কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে কিডনির প্যাপিলারি নেক্রোসিস ও অন্যান্য রেনাল ক্ষতির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে; পানিশূন্যতায় ভুগছেন এমন ব্যক্তি, বয়স্ক ব্যক্তি, পূর্ব থেকে কিডনি রোগ, হার্ট ফেইলিউর বা লিভারের সমস্যা থাকা ব্যক্তি, অথবা ডাই ইউরেটিক/ACE ইনহিবিটর-ARB একসাথে Cpfen গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।
  • লো-ডোজ অ্যাসপিরিনের সাথে মিথষ্ক্রিয়া: খুব কাছাকাছি সময়ে খেলে Cpfen লো-ডোজ অ্যাসপিরিনের হৃদরোগ প্রতিরোধী কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে; সঠিক সময়সূচির জন্য "ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া" অংশ দেখুন।
  • হাঁপানি ও অ্যাসপিরিন/NSAID সংবেদনশীলতা: হাঁপানি, নাকের পলিপ, বা অ্যাসপিরিন/অন্য NSAID-এর প্রতি পূর্বে প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Cpfen তীব্র ব্রঙ্কোস্পাজম বা গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে; এই ধরনের রোগীদের Cpfen ব্যবহার করা উচিত নয় (দেখুন "প্রতিনির্দেশনা")।
  • পানি জমা, উচ্চ রক্তচাপ ও হার্ট ফেইলিউর: Cpfen শরীরে পানি জমা ও ফোলাভাব সৃষ্টি করতে পারে এবং উচ্চ রক্তচাপ বা বিদ্যমান হার্ট ফেইলিউরকে আরও খারাপ করতে পারে; বিশেষত চিকিৎসা শুরুর সময় রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • লিভার সতর্কতা: বিরল ক্ষেত্রে Cpfen লিভারের এনজাইম পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা বা লিভারের ক্ষতি করতে পারে; লিভারের সমস্যা থাকা রোগীদের সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে লিভার ফাংশন পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার ও চোখ পর্যবেক্ষণ: দীর্ঘমেয়াদী Cpfen থেরাপি নেওয়া রোগীদের নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো উপকারী হতে পারে, কারণ দীর্ঘ সময় NSAID ব্যবহারে দৃষ্টিজনিত সমস্যার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে।
  • সিস্টেমিক লুপাস এরিথেমাটোসাস ও মিক্সড কানেক্টিভ টিস্যু ডিজিজ: এসব রোগীদের ক্ষেত্রে Cpfenসহ NSAID ব্যবহারে অ্যাসেপটিক মেনিনজাইটিসের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে; চিকিৎসাকালীন নতুন তীব্র মাথাব্যথা, জ্বর বা ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসককে জানাতে হবে।

মাত্রাধিক্যতা

Cpfen ওভারডোজের সবচেয়ে সাধারণ প্রভাব হলো বমি বমি ভাব, বমি, পেটব্যথা, ঝিমুনি, মাথা ঘোরা ও মাথাব্যথা; বেশি মাত্রায় কানে শোঁ শোঁ শব্দ (টিনিটাস) হতে পারে। কম ক্ষেত্রে, বেশি মাত্রায় ওভারডোজ হলে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ, রক্তচাপ কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, কিডনি সমস্যা, অথবা বিরল ক্ষেত্রে খিঁচুনি হতে পারে, বিশেষত ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে বা অনেক বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেললে। চিকিৎসক বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টার নির্দিষ্টভাবে না বলা পর্যন্ত জোর করে বমি করানো উচিত নয়। Cpfen-এর ওভারডোজ সন্দেহ হলে সাথে সাথে পয়জন কন্ট্রোল সেন্টারে যোগাযোগ করুন অথবা জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন; চিকিৎসা সাধারণত সহায়ক (সাপোর্টিভ) হয়ে থাকে, এবং সাম্প্রতিক সময়ে খেয়ে থাকলে চিকিৎসক অ্যাক্টিভেটেড চারকোলের মতো ব্যবস্থা নিতে বলতে পারেন।

সংরক্ষণ

পণ্যের লেবেল ও বাইরের প্যাকেজিংয়ে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী Cpfen সংরক্ষণ করুন, এবং সবসময় শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। সাধারণত NSAID ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তাপমাত্রায়, অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করা হয়; ওরাল সাসপেনশনের ক্ষেত্রে প্যাকেজে নির্দিষ্ট সংরক্ষণ ও ব্যবহারের মেয়াদ সংক্রান্ত নির্দেশনা থাকতে পারে, তাই যে নির্দিষ্ট Cpfen পণ্যটি ব্যবহার করা হচ্ছে তার লেবেল দেখে নেওয়া উচিত।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • শিশু: চিকিৎসকের নির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Cpfen সুপারিশ করা হয় না। ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয়; বর্তমান AAP-সমর্থিত নির্দেশিকা অনুযায়ী সাধারণ মাত্রা প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ৫-১০ মি.গ্রা./কেজি, সর্বোচ্চ দৈনিক ৪০ মি.গ্রা./কেজি বা ২৪ ঘণ্টায় ৪ মাত্রা, যেটি কম; সঠিক মাত্রা শিশুর বর্তমান ওজন ও ব্যবহৃত পণ্যের কনসেন্ট্রেশন অনুযায়ী চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট নিশ্চিত করবেন। ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের সেলফ-কেয়ার মাত্রা অনুসরণ করতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই, পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে শিশুদেরও খাবার বা দুধের সাথে Cpfen দেওয়া উচিত, এবং Cpfen বা অন্য NSAID-যুক্ত কাশি/সর্দির কম্বিনেশন পণ্যের উপর আলাদাভাবে Cpfen যোগ করা উচিত নয়।
  • বয়স্ক রোগী: বয়স্কদের ক্ষেত্রে Cpfen ব্যবহারে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ, কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বেশি থাকে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।
  • রেনাল (কিডনি) দুর্বলতা: কিডনি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে Cpfen সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এটি কিডনিতে রক্ত প্রবাহ আরও কমিয়ে দিতে পারে; গুরুতর রেনাল দুর্বলতায় সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত, এবং ব্যবহারকালে কিডনি ফাংশন পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • হেপাটিক (লিভার) দুর্বলতা: লিভারের সমস্যা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Cpfen সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; গুরুতর হেপাটিক দুর্বলতায় সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত, এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে পর্যায়ক্রমে লিভার ফাংশন পরীক্ষা করানো উচিত।
  • কার্ডিওভাসকুলার রোগ: হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা স্ট্রোকের ইতিহাস থাকা রোগীদের "সতর্কতা" অংশে বর্ণিত কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে শুধুমাত্র প্রয়োজনে এবং সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় Cpfen ব্যবহার করা উচিত।
  • গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারী: ত্রৈমাসিক-ভিত্তিক বিস্তারিত নির্দেশনার জন্য "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Cpfen 400 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

Cpfen 400 mg Tablet হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা (যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা ও কোমর ব্যথা) উপশমে, জ্বর কমাতে, মাসিকের ব্যথা লাঘব করতে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

আমি কতটা Cpfen 400 mg Tablet খেতে পারি এবং কতবার?

সেলফ-কেয়ারের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণ মাত্রা হলো প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় ২০০-৪০০ মি.গ্রা., সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, যদি না চিকিৎসক ভিন্ন নির্দেশ দেন। আর্থ্রাইটিসের মতো সমস্যায় বেশি, প্রেসক্রিপশন-মাত্রার Cpfen 400 mg Tablet শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়। সম্পূর্ণ ইন্ডিকেশন-ভিত্তিক মাত্রার জন্য "মাত্রা ও সেবনবিধি" অংশ দেখুন।

শিশুরা কি Cpfen 400 mg Tablet খেতে পারে?

হ্যাঁ, ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথায় Cpfen 400 mg Tablet দেওয়া যায়, যা শরীরের ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় (সাধারণত প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ৫-১০ মি.গ্রা./কেজি, দৈনিক সর্বোচ্চ ৪০ মি.গ্রা./কেজি)। চিকিৎসকের নির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের জন্য Cpfen 400 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না।

গর্ভাবস্থায় Cpfen 400 mg Tablet খাওয়া কি নিরাপদ?

চিকিৎসক স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় মনে না করলে গর্ভাবস্থায় Cpfen 400 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়। অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে যাওয়ার ঝুঁকির কারণে গর্ভাবস্থার প্রায় ২০ সপ্তাহ থেকে এটি এড়িয়ে চলা উচিত, এবং শিশুর হৃদযন্ত্রের সংবহনতন্ত্রের ঝুঁকির কারণে প্রায় ৩০ সপ্তাহ (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) থেকে একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না। বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।

স্তন্যদানকালে কি আমি Cpfen 400 mg Tablet খেতে পারি?

স্তন্যদানকালে Cpfen 400 mg Tablet সাধারণত পছন্দসই ব্যথানাশক হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এটি খুব সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে, তবে বিশেষত অপরিণত বা অসুস্থ শিশুর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।

Cpfen 400 mg Tablet কি দুধ বা খাবারের সাথে খাওয়া যায়?

হ্যাঁ, পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে দুধ, খাবার বা এক গ্লাস পানির সাথে Cpfen 400 mg Tablet খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আমি কি অ্যাসপিরিন বা ব্লাড থিনারের সাথে Cpfen 400 mg Tablet একসাথে খেতে পারি?

Cpfen 400 mg Tablet লো-ডোজ অ্যাসপিরিনের সাথে (এর হৃদরোগ প্রতিরোধী কার্যকারিতা কমিয়ে) এবং ওয়ারফারিনের মতো ব্লাড থিনারের সাথে (রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়িয়ে) মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে। হৃদরোগ প্রতিরোধে অ্যাসপিরিন খেয়ে থাকলে, অ্যাসপিরিনের অন্তত ৮ ঘণ্টা আগে বা অন্তত ৩০ মিনিট পরে Cpfen 400 mg Tablet খান, এবং Cpfen 400 mg Tablet খাওয়ার আগে কোনো অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ব্যবহারের কথা চিকিৎসককে জানান। বিস্তারিত জানতে "ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া" অংশ দেখুন।

Cpfen 400 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

Cpfen 400 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পাকস্থলীর অস্বস্তি, বুক জ্বালাপোড়া, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও ঝিমুনি। পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি সমস্যা বা তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার মতো গুরুতর প্রভাব বিরল হলেও দ্রুত চিকিৎসকের সহায়তা প্রয়োজন। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য "পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া" অংশ দেখুন।

Cpfen 400 mg Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী করব?

Cpfen 400 mg Tablet-এর ওভারডোজ সন্দেহ হলে, চিকিৎসক বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টার নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জোর করে বমি করানো উচিত নয়, এবং সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টারে যোগাযোগ করুন। বিস্তারিত জানতে "মাত্রাধিক্যতা" অংশ দেখুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor
Cart
Account