
Flamex400 mg
ACI Limited

Cpfen হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ব্যথা যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, কোমর ব্যথা এবং ছোটখাটো আঘাতজনিত ব্যথায় প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।
Cpfen প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর কমাতে প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।
Cpfen মাসিকের সময়কার ব্যথা (primary dysmenorrhea) উপশমে প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।
চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রেসক্রিপশন মাত্রায় Cpfen রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের উপসর্গ উপশমে গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার হিসেবে প্রযোজ্য; এটি নিজে থেকে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য নয়। এটি শুধু উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করে, রোগের মূল প্রক্রিয়া পরিবর্তন করে না; রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে এটি সাধারণত ডিজিজ-মডিফাইং থেরাপির সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এককভাবে নয়।
তীব্র মাইগ্রেন আক্রমণে প্রাপ্তবয়স্কদের সহায়ক/সেলফ-কেয়ার চিকিৎসা হিসেবে Cpfen ব্যবহৃত হতে পারে (প্রয়োজনে ৪০০ মি.গ্রা. একক মাত্রা); এটি মাইগ্রেন প্রতিরোধের প্রথম সারির চিকিৎসা নয়।
বর্তমান AAP-সমর্থিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথা উপশমে Cpfen গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার; ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কেবল চিকিৎসকের নির্দেশে ব্যবহার করা উচিত। বিস্তারিত জানতে "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার" ও "মাত্রা ও সেবনবিধি" অংশ দেখুন।
থেরাপিউটিক ক্লাস: Cpfen একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা প্রোপায়োনিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ শ্রেণির অন্তর্গত।
উপাদান: প্রতিটি ডোজে সক্রিয় উপাদান হিসেবে Cpfen থাকে। বাংলাদেশে Cpfen ২০০ মি.গ্রা. ও ৪০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট, ৩০০ মি.গ্রা. সাসটেইনড-রিলিজ ক্যাপসুল এবং ১০০ মি.গ্রা./৫ মি.লি. ওরাল সাসপেনশন আকারে পাওয়া যায়।
সংক্ষিপ্ত বিবরণ: Cpfen একটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত NSAID, যা ব্যথা উপশম, জ্বর কমানো এবং প্রদাহ (inflammation) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। মাথাব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাসিকের ব্যথা এবং জ্বরের মতো দৈনন্দিন সমস্যায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আর্থ্রাইটিসজনিত জয়েন্টের ব্যথায়ও ব্যবহৃত হয়। Cpfen শরীরে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন নামক রাসায়নিক পদার্থের উৎপাদন কমিয়ে কাজ করে, যা ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের জন্য দায়ী। কম মাত্রায় এটি ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য এবং বেশি মাত্রায় দীর্ঘমেয়াদী, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহারের জন্য পাওয়া যায়। বেশি মাত্রায় বা দীর্ঘদিন ব্যবহারে পাকস্থলী, হৃদযন্ত্র ও কিডনির ঝুঁকি থাকায়, Cpfen সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় এবং সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
ফার্মাকোলজি (শোষণ, বিপাক ও নিষ্কাশন): মুখে খাওয়ার পর Ibuprofen দ্রুত শোষিত হয় এবং সাধারণত ১-২ ঘণ্টার মধ্যে রক্তে সর্বোচ্চ ঘনত্বে পৌঁছায়। এটি যকৃতে ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয় এবং সিরাম হাফ-লাইফ প্রায় ১.৮-২.০ ঘণ্টা। Ibuprofen ও এর মেটাবোলাইট প্রধানত মূত্রের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়, এবং শেষ মাত্রা গ্রহণের প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় সম্পূর্ণরূপে নিষ্কাশিত হয়ে যায়। যেহেতু নিষ্কাশন মূলত কিডনির মাধ্যমে হয়, উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় Ibuprofen ও এর মেটাবোলাইটের নিষ্কাশন কমে যেতে পারে।
মোড অব অ্যাকশন (কার্যপ্রণালী): Ibuprofen সাইক্লো-অক্সিজিনেজ-১ (COX-1) ও সাইক্লো-অক্সিজিনেজ-২ (COX-2) উভয় এনজাইমকে নন-সিলেক্টিভভাবে বাধা দিয়ে কাজ করে, যার ফলে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন উৎপাদন কমে যায়। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন হলো সেই রাসায়নিক পদার্থ যা ব্যথার সংকেত, জ্বর সৃষ্টি এবং প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী। এই কারণেই Ibuprofen ব্যথানাশক, জ্বরনাশক ও প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে।
Cpfen-এর মাত্রা নির্ভর করে কোন সমস্যার জন্য এটি ব্যবহার করা হচ্ছে, রোগীর বয়স ও ওজন এবং এটি স্বল্পমেয়াদী সেলফ-কেয়ারে না দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হচ্ছে তার উপর। Cpfen-এর সঠিক মাত্রা সর্বদা একজন যোগ্য চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত এবং এটি সব ইন্ডিকেশনের জন্য এক নয়; নিচের সারণি সাধারণ নির্দেশনা মাত্র।
| নির্দেশনা | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা, মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, কোমর ব্যথা, মাসিকের ব্যথা (প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর বয়সী শিশু, সেলফ-কেয়ার/OTC ব্যবহার) | প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর ২০০-৪০০ মি.গ্রা. মুখে খেতে হবে, প্রয়োজন অনুযায়ী; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয় |
| জ্বর (প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর বয়সী শিশু, সেলফ-কেয়ার/OTC ব্যবহার) | প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পরপর ২০০-৪০০ মি.গ্রা.; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা.-এর বেশি নয় |
| রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস (প্রেসক্রিপশন মাত্রা, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে; নিয়মিত সেলফ-মেডিকেশন নয়) | সাধারণত দৈনিক ১২০০-৩২০০ মি.গ্রা. বিভক্ত মাত্রায় (যেমন দিনে ৩-৪ বার ৪০০, ৬০০ বা ৮০০ মি.গ্রা.); সর্বোচ্চ দৈনিক ৩২০০ মি.গ্রা. |
| মাইগ্রেন, তীব্র আক্রমণ (প্রাপ্তবয়স্ক, সেলফ-কেয়ার, প্রতিরোধমূলক থেরাপি নয়) | একক মাত্রা ৪০০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে প্রতি ৬ ঘণ্টায় পুনরায় নেওয়া যায় |
| ৬ মাস থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথা | প্রতি ৬-৮ ঘণ্টা পরপর শরীরের ওজন অনুযায়ী ৫-১০ মি.গ্রা./কেজি; সর্বোচ্চ দৈনিক ৪০ মি.গ্রা./কেজি অথবা ২৪ ঘণ্টায় ৪ মাত্রা, যেটি কম |
| ৬ মাসের কম বয়সী শিশু | সেলফ-কেয়ারের জন্য প্রযোজ্য নয়; শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশে ব্যবহার করা যাবে (দেখুন "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার") |
সেবনবিধি:
স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভাবস্থায় Cpfen ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (প্রায় ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত), চিকিৎসক স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় মনে না করলে Cpfen এড়িয়ে চলা উচিত, এবং ব্যবহার করলেও সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত। গর্ভাবস্থার প্রায় ২০ সপ্তাহ থেকে, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ Cpfen ও অন্যান্য NSAID এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়, কারণ এতে ভ্রূণের বিরল কিন্তু গুরুতর কিডনি সমস্যা হতে পারে, যার ফলে অ্যামনিওটিক ফ্লুইড (গর্ভফুলের পানি) কমে যেতে পারে (অলিগোহাইড্রামনিওস); মাত্র ৪৮ ঘণ্টা ব্যবহারেও এই প্রভাব দেখা গেছে। যদি চিকিৎসক প্রায় ২০ থেকে ৩০ সপ্তাহের মধ্যে Cpfen প্রয়োজনীয় মনে করেন, তাহলে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে, এবং ৪৮ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার চলতে থাকলে আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে অ্যামনিওটিক ফ্লুইড পর্যবেক্ষণ করা উচিত। গর্ভাবস্থার প্রায় ৩০ সপ্তাহ (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) থেকে Cpfen একেবারেই ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে সরু বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অতিরিক্ত ঝুঁকি থাকে (দেখুন "প্রতিনির্দেশনা")। এই নির্দেশনা FDA-এর একটি সাম্প্রতিক নিরাপত্তা সতর্কবার্তা থেকে নেওয়া, যা পুরনো, সাধারণ "শেষের দিকে গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলুন" ধরনের লেবেল নির্দেশনার চেয়ে বেশি নির্দিষ্ট; গর্ভবতী নারীদের নিজে থেকে Cpfen না খেয়ে ব্যথা বা জ্বরের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
স্বতন্ত্র ল্যাকটেশন তথ্যসূত্র অনুযায়ী, স্তন্যদানকালে Cpfen সাধারণত পছন্দসই ব্যথানাশক ও প্রদাহনাশক ওষুধ হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এটি খুব সামান্য পরিমাণে (শিশুর ওজনের তুলনায় মায়ের মাত্রার ১%-এরও অনেক কম) বুকের দুধে প্রবেশ করে এবং এর হাফ-লাইফ কম। প্রকাশিত প্রতিবেদনে মায়ের Cpfen ব্যবহারের সময় বুকের দুধ খাওয়ানো শিশুদের মধ্যে কোনো বিরূপ প্রভাব নথিভুক্ত হয়নি। তবে স্তন্যদানকালে যেকোনো ওষুধের মতোই, Cpfen সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত, এবং বিশেষত অপরিণত বা অসুস্থ শিশুর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Cpfen ওভারডোজের সবচেয়ে সাধারণ প্রভাব হলো বমি বমি ভাব, বমি, পেটব্যথা, ঝিমুনি, মাথা ঘোরা ও মাথাব্যথা; বেশি মাত্রায় কানে শোঁ শোঁ শব্দ (টিনিটাস) হতে পারে। কম ক্ষেত্রে, বেশি মাত্রায় ওভারডোজ হলে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ, রক্তচাপ কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, কিডনি সমস্যা, অথবা বিরল ক্ষেত্রে খিঁচুনি হতে পারে, বিশেষত ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে বা অনেক বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেললে। চিকিৎসক বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টার নির্দিষ্টভাবে না বলা পর্যন্ত জোর করে বমি করানো উচিত নয়। Cpfen-এর ওভারডোজ সন্দেহ হলে সাথে সাথে পয়জন কন্ট্রোল সেন্টারে যোগাযোগ করুন অথবা জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন; চিকিৎসা সাধারণত সহায়ক (সাপোর্টিভ) হয়ে থাকে, এবং সাম্প্রতিক সময়ে খেয়ে থাকলে চিকিৎসক অ্যাক্টিভেটেড চারকোলের মতো ব্যবস্থা নিতে বলতে পারেন।
Cpfen 400 mg Tablet হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা (যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা ও কোমর ব্যথা) উপশমে, জ্বর কমাতে, মাসিকের ব্যথা লাঘব করতে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
সেলফ-কেয়ারের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণ মাত্রা হলো প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় ২০০-৪০০ মি.গ্রা., সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টায় ১২০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, যদি না চিকিৎসক ভিন্ন নির্দেশ দেন। আর্থ্রাইটিসের মতো সমস্যায় বেশি, প্রেসক্রিপশন-মাত্রার Cpfen 400 mg Tablet শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়। সম্পূর্ণ ইন্ডিকেশন-ভিত্তিক মাত্রার জন্য "মাত্রা ও সেবনবিধি" অংশ দেখুন।
হ্যাঁ, ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জ্বর ও ব্যথায় Cpfen 400 mg Tablet দেওয়া যায়, যা শরীরের ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় (সাধারণত প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ৫-১০ মি.গ্রা./কেজি, দৈনিক সর্বোচ্চ ৪০ মি.গ্রা./কেজি)। চিকিৎসকের নির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের জন্য Cpfen 400 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না।
চিকিৎসক স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় মনে না করলে গর্ভাবস্থায় Cpfen 400 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়। অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে যাওয়ার ঝুঁকির কারণে গর্ভাবস্থার প্রায় ২০ সপ্তাহ থেকে এটি এড়িয়ে চলা উচিত, এবং শিশুর হৃদযন্ত্রের সংবহনতন্ত্রের ঝুঁকির কারণে প্রায় ৩০ সপ্তাহ (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) থেকে একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না। বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।
স্তন্যদানকালে Cpfen 400 mg Tablet সাধারণত পছন্দসই ব্যথানাশক হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এটি খুব সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে, তবে বিশেষত অপরিণত বা অসুস্থ শিশুর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।
হ্যাঁ, পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে দুধ, খাবার বা এক গ্লাস পানির সাথে Cpfen 400 mg Tablet খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
Cpfen 400 mg Tablet লো-ডোজ অ্যাসপিরিনের সাথে (এর হৃদরোগ প্রতিরোধী কার্যকারিতা কমিয়ে) এবং ওয়ারফারিনের মতো ব্লাড থিনারের সাথে (রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়িয়ে) মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে। হৃদরোগ প্রতিরোধে অ্যাসপিরিন খেয়ে থাকলে, অ্যাসপিরিনের অন্তত ৮ ঘণ্টা আগে বা অন্তত ৩০ মিনিট পরে Cpfen 400 mg Tablet খান, এবং Cpfen 400 mg Tablet খাওয়ার আগে কোনো অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ব্যবহারের কথা চিকিৎসককে জানান। বিস্তারিত জানতে "ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া" অংশ দেখুন।
Cpfen 400 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পাকস্থলীর অস্বস্তি, বুক জ্বালাপোড়া, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও ঝিমুনি। পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি সমস্যা বা তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার মতো গুরুতর প্রভাব বিরল হলেও দ্রুত চিকিৎসকের সহায়তা প্রয়োজন। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য "পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া" অংশ দেখুন।
Cpfen 400 mg Tablet-এর ওভারডোজ সন্দেহ হলে, চিকিৎসক বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টার নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জোর করে বমি করানো উচিত নয়, এবং সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টারে যোগাযোগ করুন। বিস্তারিত জানতে "মাত্রাধিক্যতা" অংশ দেখুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।