Product gallery

Cynomin-H1000 mcg/ml

IM Injection

Hydroxocobalamin

MRP ৳ ৩০.০৯৫% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৮.৫৯/1 ml ampoule
স্টকে নেই
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Cynomin-H একটি ভিটামিন বি১২ জাতীয় ওষুধ, যা দুটি ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়:

১. ভিটামিন বি১২ ঘাটতির চিকিৎসা ও প্রতিরোধ (প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার)

  • পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়া (ইন্ট্রিনসিক ফ্যাক্টরের অভাবজনিত)
  • ম্যালঅ্যাবজরপশন, পাকস্থলী অস্ত্রোপচার (যেমন গ্যাস্ট্রেক্টমি), বা অন্ত্রের রোগজনিত ভিটামিন বি১২ ঘাটতি
  • খাদ্যাভ্যাসজনিত ভিটামিন বি১২ ঘাটতি (যেমন কঠোর নিরামিষভোজী) এবং বি১২ ঘাটতিজনিত ম্যাক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়া
  • চাহিদা বৃদ্ধিজনিত ঘাটতি (যেমন থাইরোটক্সিকোসিস, গর্ভাবস্থা) যেখানে ঘাটতি প্রমাণিত

২. রোগনির্ণয়ে ব্যবহার (প্রতিষ্ঠিত, তবে বর্তমানে কম প্রচলিত)

  • ভিটামিন বি১২ শোষণ পরীক্ষার (Schilling test) অংশ হিসেবে

৩. সায়ানাইড বিষক্রিয়া - প্রতিষেধক (উচ্চ মাত্রার শিরাপথের সংস্করণ, প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার)

অনেক বেশি মাত্রায় শিরাপথে দিলে, Cynomin-H নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন সায়ানাইড বিষক্রিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অন্যান্য সহায়ক চিকিৎসার সাথে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রয়োগ করা হয়।

উল্লেখ্য: বাংলাদেশে Cynomin-H মূলত কম মাত্রার মাংসপেশিতে (ইন্ট্রামাসকুলার) প্রদেয় ইনজেকশন হিসেবে ভিটামিন বি১২ ঘাটতির জন্য ব্যবহৃত হয়; উচ্চ মাত্রার শিরাপথের সায়ানাইড-প্রতিষেধক সংস্করণটি বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ব্যবহৃত হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Cynomin-H ভিটামিন বি১২ জাতীয় ওষুধ (হেমাটিনিক) শ্রেণিভুক্ত। উচ্চ মাত্রায় শিরাপথে দিলে এটি আলাদাভাবে সায়ানাইড প্রতিষেধক হিসেবেও শ্রেণিভুক্ত।

ফার্মাকোলজি

ভিটামিন বি১২ প্রতিস্থাপন

Hydroxocobalamin দেহে রূপান্তরিত হয়ে ভিটামিন বি১২-এর সক্রিয় কো-এনজাইম ফর্মে পরিণত হয়, যা মিথিওনিন সিন্থেজ এবং এল-মিথাইলম্যালোনাইল-কোএ মিউটেজ এনজাইমের জন্য প্রয়োজনীয় সহঘটক। এই বিক্রিয়াগুলো ডিএনএ সংশ্লেষণ, লোহিত রক্তকণিকা পরিপক্বতা এবং স্নায়ুর মায়েলিন আবরণ বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।

সায়ানাইড প্রতিষেধক হিসেবে কার্যপ্রণালী

উচ্চ মাত্রায় শিরাপথে দিলে, Hydroxocobalamin অণুর কোবাল্ট আয়ন সরাসরি সায়ানাইড আয়নের সাথে যুক্ত হয়ে সায়ানোকোবালামিন (ভিটামিন বি১২) তৈরি করে, যা পানিতে দ্রবণীয় এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে দেহ থেকে বের হয়ে যায়। এভাবে এটি রক্তে সায়ানাইডের মাত্রা দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Cynomin-H-এর মাত্রা নির্দেশনা অনুযায়ী ভিন্ন হয়:

ক. ভিটামিন বি১২ ঘাটতি (Cynomin-H, মাংসপেশিতে ইনজেকশন)

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
স্নায়বিক জটিলতা ছাড়া বি১২ ঘাটতিপ্রাথমিকভাবে ২৫০-১০০০ মাইক্রোগ্রাম একদিন পরপর ১-২ সপ্তাহ, এরপর সাপ্তাহিক ২৫০ মাইক্রোগ্রাম রক্তের গণনা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত; রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা প্রতি ১-৩ মাসে ১০০০ মাইক্রোগ্রাম
স্নায়বিক জটিলতাসহ বি১২ ঘাটতিউন্নতি চলাকালীন একদিন পরপর ১০০০ মাইক্রোগ্রাম, এরপর মাসিক ১০০০ মাইক্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ
প্রতিরোধমূলক ব্যবহার (গ্যাস্ট্রেক্টমি-পরবর্তী, ম্যালঅ্যাবজরপশন, কঠোর নিরামিষভোজী)প্রতি ১-৩ মাসে ২৫০-১০০০ মাইক্রোগ্রাম
Schilling test (রোগনির্ণয়ের একক মাত্রা)একবার ১০০০ মাইক্রোগ্রাম মাংসপেশিতে ইনজেকশন

শিশুদের মাত্রা (বি১২ ঘাটতি): বয়স, ওজন ও ঘাটতির তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসক কর্তৃক নির্ধারিত হয়; সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম মাত্রায় মাংসপেশিতে দেওয়া হয়।

খ. সায়ানাইড বিষক্রিয়া (শিরাপথে, শুধুমাত্র হাসপাতালের জরুরি ব্যবহারের জন্য)

রোগীর ধরনমাত্রা
প্রাপ্তবয়স্কপ্রাথমিকভাবে ৫ গ্রাম শিরাপথে ১৫ মিনিটে ইনফিউশন; তীব্রতা ও প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনে দ্বিতীয় ৫ গ্রাম মাত্রা (সর্বোচ্চ মোট ১০ গ্রাম)
শিশু৭০ মিলিগ্রাম/কেজি শিরাপথে (একক সর্বোচ্চ মাত্রা ৫ গ্রাম); প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় দ্বিতীয় মাত্রা

শিরাপথে প্রয়োগের জন্য প্রস্তুতপ্রণালী দেখুন "সংরক্ষণ ও প্রস্তুতপ্রণালী" অংশে (Reconstitution)। এই সংস্করণ শুধুমাত্র সায়ানাইড বিষক্রিয়া ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ চিকিৎসা কর্মীদের তত্ত্বাবধানে প্রয়োগ করতে হবে।

কিডনি/লিভার সমন্বয়: বি১২ ঘাটতির মাত্রার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই; সায়ানাইড-প্রতিষেধক সংস্করণে কিডনি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে (সতর্কতা অংশ দেখুন)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • সোডিয়াম থায়োসালফেট ও অন্যান্য সায়ানাইড-প্রতিষেধক উপাদান: Cynomin-H অন্য কোনো ওষুধের সাথে একই শিরাপথের লাইনে মিশিয়ে দেওয়া উচিত নয়, সোডিয়াম থায়োসালফেট সহ; একসাথে প্রয়োজন হলে পৃথক লাইন বা পৃথক স্থানে ধারাবাহিকভাবে দিতে হবে, চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী।
  • ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় হস্তক্ষেপ: Cynomin-H ও এর বিপাকজাত পদার্থের গাঢ় লাল রঙ কয়েকদিন পর্যন্ত কালারিমেট্রিক ল্যাব পরীক্ষা (রক্তরসায়ন, জমাট বাঁধা পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা ইত্যাদি) এবং কো-অক্সিমেট্রি পরিমাপে (যেমন মিথ্যা উচ্চ কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন/মেথিমোগ্লোবিন) ভুল ফলাফল দিতে পারে। ল্যাব কর্মীদের জানিয়ে দিন যে Cynomin-H প্রয়োগ করা হয়েছে।
  • সায়ানাইড বিষক্রিয়ায় ব্যবহৃত অন্যান্য ওষুধ (যেমন নাইট্রাইট): সাধারণত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা একসাথে না দিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করেন; চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

প্রতিনির্দেশনা

Hydroxocobalamin, কোবালামিন, অথবা কোবাল্টের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকলে Hydroxocobalamin ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Cynomin-H ব্যবহারে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাত্রা ও ব্যবহারের ধরনের উপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে:

ভিটামিন বি১২ প্রতিস্থাপন মাত্রায় (মাংসপেশিতে)

সাধারণত খুব ভালোভাবে সহনীয়। মৃদু ইনজেকশন স্থানে ব্যথা বা লালচেভাব, সাময়িক চুলকানি বা র‍্যাশ, এবং কদাচিৎ মৃদু অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উচ্চ মাত্রার শিরাপথের সায়ানাইড-প্রতিষেধক ব্যবহারে

  • খুব সাধারণ (প্রত্যাশিত, ক্ষতিহীন): ত্বক, মিউকাস মেমব্রেন ও প্রস্রাবের সাময়িক লালচে-কমলা রঙ পরিবর্তন, যা কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে; রোগী ও পরিবারকে জানিয়ে রাখা উচিত যে এটি একটি প্রত্যাশিত ও নিজে থেকে সেরে যাওয়া প্রতিক্রিয়া, চিন্তার কারণ নয়।
  • সাধারণ: রক্তচাপ সাময়িক বৃদ্ধি, ব্রণসদৃশ র‍্যাশ, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, ইনজেকশন/ইনফিউশন স্থানে প্রতিক্রিয়া, লিম্ফোসাইট সংখ্যা হ্রাস।
  • বিরল কিন্তু গুরুতর: অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া, এমনকি অ্যানাফাইল্যাক্সিসের খবরও পাওয়া গেছে; মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা তীব্র র‍্যাশ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

ভিটামিন বি১২-প্রতিস্থাপন মাত্রায়: প্রকৃত ঘাটতি থাকলে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে সাধারণ মাত্রায় Cynomin-H গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, কারণ চিকিৎসা না করলে ঘাটতি নিজেই ঝুঁকিপূর্ণ; তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

উচ্চ মাত্রার শিরাপথের (সায়ানাইড-প্রতিষেধক) ব্যবহারে: মানব গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের তথ্য সীমিত। যেহেতু চিকিৎসা না করা সায়ানাইড বিষক্রিয়া মা ও ভ্রূণ উভয়ের জন্যই প্রাণঘাতী হতে পারে, তাই প্রয়োজন হলে গর্ভবতী রোগীর ক্ষেত্রেও Cynomin-H প্রয়োগ আটকানো উচিত নয়; শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। উচ্চ মাত্রায় Cynomin-H স্তন্যদুগ্ধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে যায় কিনা তা জানা নেই; উচ্চ-মাত্রার চিকিৎসার পর স্তন্যদান বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

  • অতি সংবেদনশীলতা/অ্যানাফাইল্যাক্সিস: Cynomin-H প্রয়োগের সময় ও পরে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করুন; অ্যানাফাইল্যাক্সিস হলে প্রয়োগ বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
  • ত্বক/প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন: উচ্চ মাত্রার শিরাপথে Cynomin-H গ্রহণকারী রোগীদের জানিয়ে রাখুন যে ত্বক, মিউকাস মেমব্রেন ও প্রস্রাবের লালচে রঙ পরিবর্তন প্রত্যাশিত ও ক্ষতিহীন (পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখুন), যা কয়েক সপ্তাহ থাকতে পারে।
  • ল্যাব ও রোগনির্ণয় পরীক্ষায় হস্তক্ষেপ: ল্যাব কর্মীদের জানান যে Cynomin-H প্রয়োগ করা হয়েছে, কারণ এটি প্রয়োগের পর কিছুদিন পর্যন্ত কালারিমেট্রিক রক্ত/প্রস্রাব পরীক্ষা ও কো-অক্সিমেট্রি ফলাফল বিকৃত করতে পারে (মিথষ্ক্রিয়া দেখুন)।
  • রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ: উচ্চ মাত্রার শিরাপথের ব্যবহারে সাময়িক উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে; ইনফিউশন চলাকালীন রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করুন।
  • কিডনি সমস্যা: কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে উচ্চ মাত্রার শিরাপথের সংস্করণ সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; কিডনিতে অক্সালেট স্ফটিক জমার খবর পাওয়া গেছে, তাই কিডনির কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • অন্যান্য জরুরি ব্যবস্থা বিলম্বিত করবেন না: সায়ানাইড বিষক্রিয়ায় Cynomin-H প্রয়োগের কারণে শ্বাসনালী সহায়তা, অক্সিজেন, বিষমুক্তকরণ ও সঞ্চালন সহায়তার মতো জরুরি ব্যবস্থা বিলম্বিত করা উচিত নয়।
  • অন্যান্য ঘাটতি বাদ দিন: ম্যাক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়ার জন্য Cynomin-H শুরু করার আগে ফোলেট ঘাটতিও মূল্যায়ন করা উচিত, কারণ শুধু বি১২ ঘাটতির চিকিৎসা করলে ফোলেট-ঘাটতিজনিত অ্যানিমিয়া সারবে না এবং এর রক্তচিত্র ঢেকে দিতে পারে।
  • প্রাথমিক চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ: তীব্র মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়ায় Cynomin-H দিয়ে চিকিৎসার প্রথম কয়েকদিনে সিরাম পটাশিয়াম পর্যবেক্ষণ করা উচিত, কারণ লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদন পুনরায় শুরু হলে হাইপোক্যালেমিয়ার ঝুঁকি থাকে।

মাত্রাধিক্যতা

নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি Cynomin-H ইচ্ছাকৃত বা দুর্ঘটনাক্রমে গ্রহণ করা হলে তা একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা হবে উপসর্গ-ভিত্তিক ও সহায়ক, এবং শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত চিকিৎসা কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত; বাড়িতে নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

Cynomin-H ইনজেকশন আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে) সংরক্ষণ করুন। হিমায়িত করবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। শিরাপথে প্রয়োগের জন্য প্রস্তুতকৃত (পুনর্গঠিত) সায়ানাইড-প্রতিষেধক দ্রবণ স্থানীয় লেবেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে এবং দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা উচিত নয়; হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী অব্যবহৃত দ্রবণ ফেলে দিন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

সায়ানাইড বিষক্রিয়া: Cynomin-H-এর উচ্চ মাত্রার শিরাপথের সংস্করণ নবজাতক সহ শিশুদের মধ্যে নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন সায়ানাইড বিষক্রিয়ায় ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় (৭০ মিলিগ্রাম/কেজি, একক সর্বোচ্চ মাত্রা ৫ গ্রাম) ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে; তীব্রতা অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ জরুরি চিকিৎসার আওতায় দ্বিতীয় মাত্রা দেওয়া যেতে পারে।

ভিটামিন বি১২ ঘাটতি: নিশ্চিত বি১২ ঘাটতিযুক্ত শিশুদের ক্ষেত্রে Cynomin-H ব্যবহার করা যেতে পারে; মাত্রা চিকিৎসক কর্তৃক শিশুর বয়স, ওজন ও ঘাটতির তীব্রতা অনুযায়ী নির্ধারিত হওয়া উচিত। শিশুদের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রাপ্তবয়স্কদের মতো ব্যাপকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই ব্যবহার চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত।

বয়স্ক রোগী: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই বলে জানা যায়; স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রায় নিয়মিত পর্যবেক্ষণসহ Cynomin-H ব্যবহার করা হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection ভিটামিন বি১২-এর একটি রূপ, যা মূলত ভিটামিন বি১২ ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়া এবং ম্যালঅ্যাবজরপশন বা খাদ্যাভ্যাসজনিত ঘাটতি। হাসপাতালে অনেক বেশি মাত্রায় শিরাপথে দিলে Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন সায়ানাইড বিষক্রিয়ার জরুরি প্রতিষেধক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

Q: Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection নেওয়ার পর ত্বক বা প্রস্রাবের রঙ লাল হয়ে যায় কেন?

A: এই লালচে-কমলা রঙ পরিবর্তন Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection-এর একটি সুপরিচিত, প্রত্যাশিত ও ক্ষতিহীন প্রতিক্রিয়া, বিশেষ করে সায়ানাইড বিষক্রিয়ায় ব্যবহৃত উচ্চ মাত্রায়। এটি কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে এবং কোনো সমস্যার লক্ষণ নয়।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection দেওয়া যায়?

A: স্বাভাবিক ভিটামিন বি১২-প্রতিস্থাপন মাত্রায়, প্রকৃত ঘাটতি থাকলে গর্ভাবস্থায় Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, কারণ চিকিৎসা না করা ঘাটতি নিজেই ঝুঁকিপূর্ণ। সায়ানাইড বিষক্রিয়ায় ব্যবহৃত উচ্চ মাত্রার শিরাপথের সংস্করণ গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজনে ব্যবহার করা উচিত, কারণ চিকিৎসা না করা সায়ানাইড বিষক্রিয়া প্রাণঘাতী হতে পারে; চিকিৎসক উপকারিতা ও ঝুঁকি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।

Q: কাদের Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection নেওয়া উচিত নয়?

A: Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection, কোবালামিন, অথবা কোবাল্টের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি) থাকলে Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection নেওয়া উচিত নয়। Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection নেওয়ার আগে ভিটামিন বি১২ ইনজেকশনে পূর্বের কোনো প্রতিক্রিয়ার কথা চিকিৎসককে জানান।

Q: Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection কি আমার রক্ত পরীক্ষার ফলাফলে প্রভাব ফেলবে?

A: হ্যাঁ, বিশেষ করে উচ্চ মাত্রায় শিরাপথে ব্যবহারের পর। Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection-এর গাঢ় লাল রঙ কয়েকদিন পর্যন্ত কিছু ল্যাব পরীক্ষা (রক্তরসায়ন, জমাট বাঁধা পরীক্ষা এবং কিছু প্রস্রাব পরীক্ষা) এবং কিছু অক্সিজেন-পর্যবেক্ষণ পরীক্ষায় হস্তক্ষেপ করতে পারে। সম্প্রতি Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection নেওয়া থাকলে তা সবসময় ল্যাব কর্মী ও চিকিৎসককে জানান।

Q: Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection-এর মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে কী করব?

A: অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। Cynomin-H 1000 mcg/ml IM Injection-এর মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না; চিকিৎসা প্রশিক্ষিত চিকিৎসা কর্মীদের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor