
T-Cef100 mg/5 m
Drug International Ltd.

D-Fix একটি তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী ব্যবহারসমূহ নিচে শ্রেণিবদ্ধ করা হলো:
D-Fix-এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা এড়াতে যথাসম্ভব কালচার ও সংবেদনশীলতা পরীক্ষা এবং স্থানীয় প্রতিরোধ ধরন অনুসরণ করা উচিত।
D-Fix একটি তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন (Third-generation Cephalosporin) গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক।
Cefixime Trihydrate একটি তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন, যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিন (PBP)-এর সাথে যুক্ত হয়ে পেপটিডোগ্লাইকান সংশ্লেষণের চূড়ান্ত ধাপ (transpeptidation) বাধাগ্রস্ত করে ব্যাকটেরিয়াঘাতী (bactericidal) প্রভাব ফেলে। এর ফলে কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে যায়, ব্যাকটেরিয়া কোষ ফেটে গিয়ে মারা যায়।
Cefixime Trihydrate অনেক সাধারণ ব্যাকটেরিয়াল বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইমের বিরুদ্ধে অত্যন্ত স্থিতিশীল, যা Escherichia coli, Proteus mirabilis, Haemophilus influenzae, Moraxella catarrhalis, Neisseria gonorrhoeae-এর মতো গ্রাম-নেগেটিভ এবং Streptococcus pyogenes, Streptococcus pneumoniae-এর মতো কিছু গ্রাম-পজিটিভ জীবাণুর বিরুদ্ধে এর কার্যকারিতা প্রসারিত করে। মুখে সেবনের পর প্রায় ৪০-৫০% জৈব-উপলভ্যতা পাওয়া যায়, যা খাবারের দ্বারা তেমন প্রভাবিত হয় না, এবং একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রস্রাবের মাধ্যমে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়।
| নির্দেশনা | মাত্রা |
|---|---|
| জটিলতাবিহীন মূত্রনালীর সংক্রমণ, গলা ব্যথা/টনসিলাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস, কানের প্রদাহ (সাধারণ ব্যবহার) | D-Fix ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার অথবা ৪০০ মি.গ্রা. দিনে একবার, তীব্রতা অনুযায়ী ৭-১৪ দিন (স্ট্রেপ্টোকক্কাল গলা সংক্রমণে অন্তত ১০ দিন প্রয়োজন) |
| জটিলতাবিহীন গনোরিয়া | D-Fix ৪০০ মি.গ্রা. একক মাত্রায় |
| টাইফয়েড জ্বর | D-Fix ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার, ১০-১৪ দিন (শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক উচ্চতর মাত্রা ব্যবহৃত হয়, নিচে দেখুন) |
| নির্দেশনা | মাত্রা |
|---|---|
| সাধারণ সংবেদনশীল সংক্রমণ (মূত্রনালী, কানের প্রদাহ, গলা ব্যথা/টনসিলাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস) | D-Fix ৮ মি.গ্রা./কেজি/দিন, দিনে একবার অথবা প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৪ মি.গ্রা./কেজি করে বিভক্ত মাত্রায় |
| টাইফয়েড জ্বর | D-Fix ১০-১৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন, দুই ভাগে বিভক্ত মাত্রায়, ১০-১৪ দিন, বিশেষত মাল্টিড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট টাইফয়েডে নির্দেশনা-সমর্থিত মাত্রা হিসেবে |
৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে D-Fix-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
| ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স | মাত্রা সমন্বয় |
|---|---|
| ≥ ৬০ মি.লি./মিনিট (অথবা হেমোডায়ালাইসিসে থাকা রোগী) | মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই |
| ২০-৫৯ মি.লি./মিনিট | মাত্রা প্রায় ২৫% কমাতে হবে |
| < ২০ মি.লি./মিনিট | মাত্রা প্রায় ৫০% কমাতে হবে (যেমন সর্বোচ্চ ২০০ মি.গ্রা. দিনে একবার) |
সেবনবিধি: D-Fix খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়। সাসপেনশন প্রতিবার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিয়ে সঠিক মাপার যন্ত্র দিয়ে মাপতে হবে। D-Fix অবশ্যই চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করতে হবে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করা, মাত্রা বাড়ানো/কমানো, ডোজ বাদ দেওয়া বা অন্য কাউকে দেওয়া যাবে না, এবং লক্ষণ কমে গেলেও নির্ধারিত সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করতে হবে।
Warfarin ও অন্যান্য মুখে খাওয়ার অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট: D-Fix প্রোথ্রম্বিন সময় বাড়িয়ে অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে; একসাথে সেবনের ক্ষেত্রে জমাট বাঁধার অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
Carbamazepine: D-Fix-এর সাথে একসাথে সেবনে carbamazepine-এর রক্তমাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, যা এর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
Probenecid: D-Fix-এর কিডনি দিয়ে নির্গমন বাধাগ্রস্ত করে এর রক্তমাত্রা বাড়িয়ে ও দীর্ঘায়িত করে দেয়।
ইস্ট্রোজেনযুক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি: D-Fix-সহ অ্যান্টিবায়োটিক তাত্ত্বিকভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কার্যকারিতা কমাতে পারে; চিকিৎসাকালে অতিরিক্ত অ-হরমোনাল জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা বিবেচনা করা উচিত।
ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় প্রভাব: D-Fix কপার-রিডাকশন পদ্ধতির প্রস্রাব গ্লুকোজ পরীক্ষায় (যেমন Clinitest) মিথ্যা-পজিটিভ ফলাফল এবং মিথ্যা-পজিটিভ ডাইরেক্ট Coombs' পরীক্ষার ফলাফল দিতে পারে।
Cefixime Trihydrate, অন্যান্য সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক, অথবা এর ফর্মুলেশনের কোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা (যেমন অ্যানাফাইল্যাক্সিস, গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Cefixime Trihydrate প্রতিনির্দেশিত। ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটির সম্ভাবনার কারণে, পেনিসিলিনের প্রতি গুরুতর (যেমন অ্যানাফাইল্যাকটিক) প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকা রোগীদেরও Cefixime Trihydrate দেওয়া উচিত নয়।
D-Fix-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত:
কম দেখা যায় এমন প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং র্যাশ, চুলকানি, urticaria-এর মতো ত্বকের প্রতিক্রিয়া। বিপরীতমুখী রক্তকণিকা সংক্রান্ত পরিবর্তন (eosinophilia, thrombocytopenia, leukopenia) দেখা যেতে পারে। বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অতিসংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিস ও গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়াসহ), Clostridioides difficile-সম্পর্কিত ডায়রিয়া/pseudomembranous colitis (সতর্কতা অংশ দেখুন), এবং বিপরীতমুখী লিভার এনজাইম বৃদ্ধি।
গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে D-Fix-এর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। তাই গর্ভাবস্থায় D-Fix কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত, যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি বিবেচিত হয়; গর্ভাবস্থায় বা গর্ভাবস্থার সন্দেহ থাকলে সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদান: D-Fix উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা স্পষ্টভাবে জানা নেই। সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, এবং চিকিৎসক প্রয়োজনীয় মনে করলেই কেবল স্তন্যদানকালে D-Fix ব্যবহার করা উচিত, মায়ের উপকারিতা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি (যেমন শিশুর পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যে ব্যাঘাত) বিবেচনা করে।
অতিসংবেদনশীলতা ও পেনিসিলিনের সাথে ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটি: D-Fix-সহ সেফালোস্পোরিন গোত্রের ঔষধে গুরুতর, কদাচিৎ মারাত্মক, অতিসংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়ার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিনের মধ্যে আংশিক ক্রস-অ্যালার্জি থাকার প্রমাণ রয়েছে; পেনিসিলিন অ্যালার্জির (গুরুতর নয় এমন) ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে D-Fix সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং অতিসংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সাথে সাথে বন্ধ করুন (প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন)।
Clostridioides difficile-সম্পর্কিত ডায়রিয়া (CDAD): অন্যান্য ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের মতো D-Fix-ও C. difficile-এর অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটাতে পারে, যা হালকা ডায়রিয়া থেকে শুরু করে মারাত্মক কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। D-Fix সেবনের সময় বা পরে ডায়রিয়া হলে এই সম্ভাবনা বিবেচনা করা উচিত।
কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস: উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় D-Fix-এর মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন (মাত্রা ও সেবনবিধি অংশ দেখুন)।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: D-Fix অবশ্যই চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করা, মাত্রা বাড়ানো/কমানো, ডোজ বাদ দেওয়া বা অন্য কাউকে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। প্রমাণিত বা সন্দেহভাজন ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ছাড়া D-Fix ব্যবহার করা, বা নির্ধারিত কোর্স সম্পূর্ণ না করা, ঔষধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরির ঝুঁকি বাড়ায় এবং ভবিষ্যতে D-Fix ও অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।
আরও তথ্যের জন্য ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া, গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে, এবং শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ দেখুন।
D-Fix-এর মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। D-Fix-এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও উপসর্গ অনুযায়ী; প্রয়োজনে চিকিৎসক প্রাথমিক পর্যায়ে পাকস্থলী পরিষ্কারের ব্যবস্থা বিবেচনা করতে পারেন। D-Fix হেমোডায়ালাইসিস বা পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অপসারিত হয় না।
রুম তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। সাসপেনশন তৈরি করা হলে লেবেলে নির্দেশিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করুন (সাধারণত রুম তাপমাত্রায়) এবং তৈরির ১৪ দিন পর অবশিষ্টাংশ ফেলে দিন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
D-Fix ৬ মাস ও তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কানের প্রদাহ, গলা ব্যথা/টনসিলাইটিস, ও মূত্রনালীর সংক্রমণের মতো সংবেদনশীল সংক্রমণে অনুমোদিত এবং ব্যবহৃত হয়, যা সাসপেনশন ফর্মুলেশন ব্যবহার করে ৮ মি.গ্রা./কেজি/দিন মাত্রায়, দিনে একবার অথবা প্রতি ১২ ঘণ্টায় বিভক্ত করে দেওয়া হয়। টাইফয়েড জ্বরের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় D-Fix শিশুদের মধ্যে নির্দেশনা-সমর্থিত চিকিৎসা হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে D-Fix-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়; বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া এই বয়সে ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না। বয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত কিডনির কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন ছাড়া বিশেষ মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিডনির কার্যক্ষমতা সাধারণত হ্রাস পায়।
Q: D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
A: D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা মূত্রনালীর সংক্রমণ, গলা সংক্রমণ (pharyngitis/tonsillitis), কানের প্রদাহ (otitis media), ব্রঙ্কাইটিস, জটিলতাবিহীন গনোরিয়া এবং টাইফয়েড জ্বরের মতো সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Q: D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension কীভাবে সেবন করব?
A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension খাবারের সাথে বা ছাড়া, নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে সেবন করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করা, মাত্রা বাড়ানো/কমানো, ডোজ বাদ দেওয়া বা অন্য কাউকে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, এবং লক্ষণ কমে গেলেও নির্ধারিত সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করুন, যাতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা ও পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো যায়।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension ব্যবহার করা যাবে?
A: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension-এর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই, তাই এটি গর্ভাবস্থায় কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত, যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি বিবেচিত হয়। D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension বুকের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নির্গত হয় কিনা তা স্পষ্ট নয়, তাই চিকিৎসক প্রয়োজনীয় মনে করলেই কেবল স্তন্যদানকালে এটি ব্যবহার করা উচিত। গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত, যেমন ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, ডিসপেপসিয়া ও পাতলা পায়খানা। কম ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা ত্বকে র্যাশ দেখা দিতে পারে। তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, অ্যালার্জিজনিত লক্ষণ (র্যাশ, ফোলাভাব, শ্বাসকষ্ট), বা অস্বাভাবিক অসুস্থতা দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: কাদের D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করা উচিত নয়?
A: D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension, অন্যান্য সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক, বা পেনিসিলিন গোত্রের ঔষধে গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকা কারো ক্ষেত্রে D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করা উচিত নয়, কারণ পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিনের মধ্যে ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটির সম্ভাবনা রয়েছে।
Q: ডোজ মিস হলে বা বেশি মাত্রায় D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করে ফেললে কী করব?
A: ডোজ মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী ডোজের সময় ঘনিয়ে এলে মিসড ডোজ বাদ দিন এবং দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। D-Fix 100 mg/5 ml Powder for Suspension-এর মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই এবং চিকিৎসা মূলত সহায়ক।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।