
Dexon0.1%
Ibn-Sina Pharmaceuticals Ltd.

D-One একটি পানিতে দ্রবণীয় কর্টিকোস্টেরয়েড (গ্লুকোকর্টিকয়েড) ইনজেকশন, যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন রোগে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর ব্যবহার নিচে শ্রেণিবদ্ধ করা হলো।
D-One সিস্টেমিক ফাঙ্গাল সংক্রমণে কার্যকর নয় এবং এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়।
D-One কর্টিকোস্টেরয়েড (গ্লুকোকর্টিকয়েড) শ্রেণির ওষুধ — এটি একটি দীর্ঘ-কার্যকরী সিন্থেটিক গ্লুকোকর্টিকয়েড, যা সিস্টেমিক ও স্থানীয় প্রদাহনাশক/ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Dexamethasone Sodium Phosphate শরীরে হাইড্রোলাইসিসের মাধ্যমে সক্রিয় ডেক্সামেথাসোনে রূপান্তরিত হয়, যা কোষের অভ্যন্তরীণ গ্লুকোকর্টিকয়েড রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়। সক্রিয় রিসেপ্টর-স্টেরয়েড কমপ্লেক্স নিউক্লিয়াসে প্রবেশ করে জিন প্রতিলিপি নিয়ন্ত্রণ করে — প্রদাহনাশক প্রোটিন (যেমন lipocortin-1, যা phospholipase A2-কে বাধা দেয়) বৃদ্ধি করে এবং প্রদাহ সৃষ্টিকারী সাইটোকাইন, প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ও লিউকোট্রিয়েনের উৎপাদন হ্রাস করে।
এর ফলে প্রদাহকোষের স্থানান্তর হ্রাস পায়, কৈশিক ভেদ্যতা কমে এবং প্রদাহ ও প্রতিরোধতান্ত্রিক প্রতিক্রিয়া দমিত হয়। Dexamethasone Sodium Phosphate-এর সাধারণ মাত্রায় মিনারেলোকর্টিকয়েড (সোডিয়াম/পানি ধরে রাখার) কার্যকারিতা প্রায় নেই বললেই চলে, যা একে হাইড্রোকর্টিসোনের মতো অন্যান্য কর্টিকোস্টেরয়েড থেকে আলাদা করে। এর জৈবিক অর্ধায়ু দীর্ঘ (৩৬-৫৪ ঘণ্টা), যা দিনে একবার বা বিরতি দিয়ে মাত্রা প্রদানের সুযোগ দেয়।
D-One-এর মাত্রা রোগের ধরন, তীব্রতা এবং রোগীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, এবং সবসময় কাঙ্ক্ষিত ক্লিনিক্যাল ফলাফল অর্জনের জন্য সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করা উচিত।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| সাধারণ প্রদাহনাশক/ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসা | প্রতিদিন ০.৫-৯ মি.গ্রা. শিরায় বা মাংসপেশিতে, বিভক্ত মাত্রায়, রোগ ও তীব্রতা অনুযায়ী |
| মস্তিষ্কের ফোলা (cerebral edema) | প্রাথমিকভাবে ১০ মি.গ্রা. শিরায়, এরপর প্রতি ৬ ঘণ্টায় ৪ মি.গ্রা. মাংসপেশিতে, উপসর্গ কমে গেলে ৫-৭ দিনে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা |
| শক (সহায়ক চিকিৎসা) | একক মাত্রায় ১-৬ মি.গ্রা./কেজি শিরায়, প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ৪০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, প্রয়োজনে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তে পুনরাবৃত্তি |
| তীব্র অ্যালার্জি/status asthmaticus | ৪-২০ মি.গ্রা. শিরায় বা মাংসপেশিতে, এরপর উপসর্গ কমার সাথে সাথে সাধারণত ৫-৭ দিনে ধীরে কমানো |
| কেমোথেরাপির পার্শ্ববমি প্রতিরোধ | কেমোথেরাপির আগে একক মাত্রায় ১০-২০ মি.গ্রা. শিরায়, অনকোলজি প্রোটোকল অনুযায়ী |
| ইন্ট্রা-আর্টিকুলার/স্থানীয় ইনজেকশন | বড় জয়েন্ট: ২-৪ মি.গ্রা.; ছোট জয়েন্ট: ০.৮-১ মি.গ্রা.; নরম টিস্যু: ২-৬ মি.গ্রা., স্থান অনুযায়ী |
প্রায় ০.০২-০.৩ মি.গ্রা./কেজি/দিন (বা ০.৬-৯ মি.গ্রা./মি²/দিন) শিরায় বা মাংসপেশিতে বিভক্ত মাত্রায়, নির্দিষ্ট রোগ ও প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী সমন্বয় করে; দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি বিবেচনায় যতটা সম্ভব সর্বনিম্ন মাত্রা ব্যবহার করা উচিত।
নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠিত মাত্রা সমন্বয় নেই, তবে লিভারের সমস্যায় (বিপাক ধীর হওয়ায় প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে) এবং উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় (পানি/ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন) সতর্কতার সাথে ও সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় D-One ব্যবহার করা উচিত।
ধীর শিরায় ইনজেকশন/ইনফিউশন, মাংসপেশিতে ইনজেকশন, অথবা ইন্ট্রা-আর্টিকুলার, ইন্ট্রালিশনাল বা নরম টিস্যু ইনজেকশন হিসেবে কঠোর অ্যাসেপটিক পদ্ধতিতে D-One প্রয়োগ করতে হবে। এপিডুরাল পথে কখনও প্রয়োগ করা যাবে না (গুরুতর স্নায়ুতান্ত্রিক জটিলতার ঝুঁকি)। দীর্ঘমেয়াদী কোর্স হঠাৎ বন্ধ না করে ধীরে ধীরে কমাতে হবে (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
D-One-এর কিছু সুপ্রতিষ্ঠিত, ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:
Dexamethasone Sodium Phosphate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
D-One-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত মাত্রা ও চিকিৎসার সময়কালের সাথে সম্পর্কিত। স্বল্প মাত্রায় স্বল্পমেয়াদী ব্যবহার সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়।
অস্বাভাবিক কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে; বেশিরভাগ সিস্টেমিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া উচ্চ মাত্রায় বা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় বেশি দেখা যায়, স্বল্পমেয়াদী কোর্সে নয়।
গর্ভাবস্থায় D-One শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। কর্টিকোস্টেরয়েড প্লাসেন্টা অতিক্রম করে; প্রাণী গবেষণায় প্রজনন ঝুঁকি লক্ষ্য করা গেছে, এবং গর্ভাবস্থায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কর্টিকোস্টেরয়েড গ্রহণকারী মায়েদের নবজাতকদের অ্যাড্রেনাল অপ্রতুলতার লক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষণ করা উচিত। বিশেষজ্ঞের সতর্ক মূল্যায়ন ছাড়া গর্ভবতী রোগীদের দীর্ঘমেয়াদে D-One ব্যবহার করা উচিত নয়।
কর্টিকোস্টেরয়েড অল্প পরিমাণে বুকের দুধে নির্গত হয়। নবজাতকের বৃদ্ধিতে সম্ভাব্য প্রভাব ও অন্যান্য ঝুঁকির কারণে, মায়ের জন্য ওষুধের গুরুত্ব বিবেচনা করে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করা হবে নাকি D-One বন্ধ করা হবে তা সিদ্ধান্ত নিতে হবে; উচ্চ মাত্রায় বা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় থাকা মায়েদের সাধারণত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বুকের দুধ না খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
সব ক্ষেত্রেই গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে D-One ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
D-One ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সতর্কতা মেনে চলতে হবে:
D-One-এর তীব্র মাত্রাধিক্য প্রাণঘাতী প্রভাব সৃষ্টি করার সম্ভাবনা কম, তবে বারবার বা অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণে পরিচিত কর্টিকোস্টেরয়েড পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যেমন তীব্র পানি জমা, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে শর্করা বৃদ্ধি এবং মানসিক সমস্যা আরও খারাপ হতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই।
মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা রোগীর ক্লিনিক্যাল অবস্থার উপর ভিত্তি করে সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক হয়ে থাকে; নিজে থেকে বাড়িতে মাত্রাধিক্যের চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
৩০°সে তাপমাত্রার নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও জমাট বাঁধা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। অটোক্লেভ করবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বয়স্ক রোগী: বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে D-One সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ তাদের অস্টিওপোরোসিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাইপোক্যালেমিয়া, ডায়াবেটিস, সংক্রমণ ও ত্বক পাতলা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
শিশু রোগী: শিশুদের ক্ষেত্রে D-One সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে এবং দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে; প্রতিষ্ঠিত বয়স ও মাত্রার বাইরে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়, এবং শিশুদের মাত্রা ওজন/শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল অনুযায়ী পৃথকভাবে নির্ধারণ করা উচিত, প্রাপ্তবয়স্কদের নির্দিষ্ট মাত্রা অনুসরণ করে নয়।
লিভারের সমস্যা: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; লিভারের কার্যক্ষমতা কমে গেলে D-One-এর বিপাক ধীর হয়ে এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
কিডনির সমস্যা: সতর্কতার সাথে ও পানি/ইলেক্ট্রোলাইট অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যবহার করতে হবে, কারণ D-One সোডিয়াম/পানি জমা বাড়াতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগী: D-One রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ খারাপ করতে পারে; রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনে অ্যান্টিডায়াবেটিক চিকিৎসা সমন্বয় করতে হবে।
Q: D-One 0.1% Eye/Ear Drop কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: D-One 0.1% Eye/Ear Drop একটি কর্টিকোস্টেরয়েড ইনজেকশন যা তীব্র অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া, হাঁপানির তীব্রতা, মস্তিষ্কের ফোলা, নির্দিষ্ট রিউম্যাটিক ও চর্মরোগ, কিছু রক্তরোগ, এবং ক্যান্সার চিকিৎসা ও কেমোথেরাপি-জনিত বমি প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী।
Q: COVID-19-এর ক্ষেত্রে কি D-One 0.1% Eye/Ear Drop ব্যবহার করা যায়?
A: হাসপাতালে ভর্তি তীব্র COVID-19 রোগী যাদের অক্সিজেন বা ভেন্টিলেটর সহায়তা প্রয়োজন, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুযায়ী ডেক্সামেথাসোন-ভিত্তিক চিকিৎসা (যার মধ্যে D-One 0.1% Eye/Ear Drop অন্তর্ভুক্ত) ব্যবহৃত হয়; এটি একটি গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার, নিয়মিত নির্দেশনা নয়, এবং শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে বর্তমান প্রোটোকল অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
Q: গর্ভাবস্থায় D-One 0.1% Eye/Ear Drop কি নিরাপদ?
A: গর্ভাবস্থায় D-One 0.1% Eye/Ear Drop শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি এবং তা কেবল চিকিৎসকের নির্দেশনায়। এটি গর্ভাবস্থায় নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য নিরাপদ বলে বিবেচিত নয়, এবং যেকোনো ব্যবহার বিশেষজ্ঞের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত।
Q: ভালো লাগলে কি হঠাৎ D-One 0.1% Eye/Ear Drop বন্ধ করে দেওয়া যায়?
A: না। যদি আপনি স্বল্প সময়ের বেশি D-One 0.1% Eye/Ear Drop গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে তা হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের পর হঠাৎ বন্ধ করলে অ্যাড্রেনাল অপ্রতুলতা হতে পারে, যা একটি গুরুতর অবস্থা। আপনার চিকিৎসক ধীরে ধীরে মাত্রা কমিয়ে আনবেন।
Q: D-One 0.1% Eye/Ear Drop-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: D-One 0.1% Eye/Ear Drop-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ক্ষুধা বৃদ্ধি, পানি জমা, মেজাজ পরিবর্তন, অনিদ্রা, রক্তে শর্করা বৃদ্ধি, এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি, অস্টিওপোরোসিস, মাংসপেশির দুর্বলতা ও পাকস্থলীর আলসার (বিশেষত NSAIDs-এর সাথে)। বেশিরভাগ স্বল্পমেয়াদী, স্বল্প মাত্রার ব্যবহার ভালোভাবে সহ্য হয়, তবে অস্বাভাবিক কোনো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসককে জানানো উচিত।
Q: কাদের D-One 0.1% Eye/Ear Drop নেওয়া উচিত নয়?
A: যাদের ডেক্সামেথাসোন বা এর উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা আছে, যাদের সক্রিয় সিস্টেমিক ফাঙ্গাল সংক্রমণ আছে, অথবা যারা ইমিউনোসাপ্রেসিভ মাত্রায় এই ওষুধ গ্রহণকালে জীবন্ত ভ্যাকসিন নিতে যাচ্ছেন, তাদের D-One 0.1% Eye/Ear Drop দেওয়া উচিত নয়। এটি কখনও এপিডুরাল পথে দেওয়া উচিত নয়।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।