Product gallery
MRP ০.৬০১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ০.৫৪/piece
স্টকে নেই
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

DCF একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) যা বিভিন্ন পেশি-অস্থি ও স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত সমস্যায় ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

স্বীকৃত ব্যবহার

  • অস্টিওআর্থ্রাইটিস-এর উপসর্গ উপশমে
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস-এর উপসর্গ উপশমে
  • অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস-এর উপসর্গ উপশমে

নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার

  • তীব্র পেশি-অস্থি সংক্রান্ত ব্যথা (মচকে যাওয়া, আঘাতজনিত ব্যথা ও ফোলাভাব)
  • প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া (মাসিকের যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা)
  • অস্ত্রোপচার-পরবর্তী স্বল্পমেয়াদী ব্যথা ও প্রদাহ

DCF কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সংক্রমণ নিরাময়ে এর কোনো ভূমিকা নেই।

থেরাপিউটিক ক্লাস

DCF নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) শ্রেণির, বিশেষত ফেনাইলঅ্যাসেটিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ গোত্রের ওষুধ। এটি একটি নন-সিলেক্টিভ সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 ও COX-2) ইনহিবিটর।

ফার্মাকোলজি

Diclofenac Sodium সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 ও COX-2) এনজাইমকে নন-সিলেক্টিভভাবে বাধা দিয়ে কাজ করে, যা অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড থেকে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ও থ্রম্বোক্সেন তৈরি হওয়া বন্ধ করে। এর ফলে ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের জন্য দায়ী মধ্যস্থতাকারী পদার্থ কমে যায়।

মুখে খাওয়ার পর Diclofenac Sodium সহজেই পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয়, প্লাজমা প্রোটিনের সাথে অত্যধিক (৯৯%-এর বেশি) মাত্রায় আবদ্ধ হয়, যকৃতে বিপাকিত হয় (প্রধানত CYP2C9-এর মাধ্যমে), এবং মূলত কিডনি ও পিত্তের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে নির্দেশনা অনুযায়ী মাত্রা

নির্দেশনাসাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা
অস্টিওআর্থ্রাইটিসদৈনিক ১০০-১৫০ মি.গ্রা., ২-৩ ভাগে বিভক্ত
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসদৈনিক ১৫০-২০০ মি.গ্রা., ৩-৪ ভাগে বিভক্ত
অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিসদৈনিক ১০০-১২৫ মি.গ্রা., বিভক্ত মাত্রায়
তীব্র পেশি-অস্থি ব্যথাদৈনিক ২-৩ বার ৫০ মি.গ্রা., স্বল্পমেয়াদী
প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়াশুরুতে ৫০-১০০ মি.গ্রা., পরে প্রতি ৮ ঘণ্টায় ৫০ মি.গ্রা. (প্রয়োজন অনুযায়ী)

হৃদযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত ঝুঁকির কারণে চিকিৎসার লক্ষ্য অনুযায়ী সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় স্বল্পতম সময়ের জন্য DCF ব্যবহার করা উচিত। সাসটেইন্ড-রিলিজ/এন্টেরিক-কোটেড ট্যাবলেট পুরোটা গিলে ফেলতে হবে, ভাঙা বা চিবানো যাবে না, এবং পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া কমাতে খাবার বা দুধের সাথে খাওয়া ভালো।

শিশুদের মাত্রা

জুভেনাইল রিউমাটয়েড/ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিসের ক্ষেত্রে (স্থানীয়ভাবে অনুমোদিত হলে) বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে দৈনিক প্রায় ১-৩ মি.গ্রা./কেজি (বিভক্ত মাত্রায়) ব্যবহার করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ শিশুদের ক্ষেত্রে মুখে খাওয়া DCF-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়; কেবল শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

কিডনি/যকৃতের সমস্যায় সমন্বয়

মৃদু-থেকে-মাঝারি কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় সতর্কতার সাথে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ব্যবহার করুন; গুরুতর কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় কিডনি ও যকৃতের কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

DCF-এর সাথে ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন) ও অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ: গুরুতর রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়; একসাথে ব্যবহারে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • অ্যাসপিরিন ও অন্যান্য NSAID: কোনো অতিরিক্ত উপকার ছাড়াই পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ ও আলসারের ঝুঁকি বাড়ায়; একসাথে ব্যবহার সাধারণত এড়ানো উচিত।
  • ACE ইনহিবিটর, ARB ও মূত্রবর্ধক ওষুধ: DCF এদের রক্তচাপ কমানোর প্রভাব হ্রাস করতে পারে এবং কিডনির কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষত শরীরে পানিশূন্যতা থাকলে।
  • লিথিয়াম: DCF লিথিয়ামের ক্লিয়ারেন্স কমিয়ে দিতে পারে, ফলে লিথিয়ামের মাত্রা বিষাক্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে; লিথিয়ামের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন।
  • মেথোট্রেক্সেট: DCF মেথোট্রেক্সেটের বিষক্রিয়া বাড়াতে পারে, বিশেষত উচ্চ মাত্রায়।
  • ডিগক্সিন: DCF সিরাম ডিগক্সিনের মাত্রা বাড়াতে পারে।
  • সাইক্লোস্পোরিন: কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।
  • CYP2C9 ইনহিবিটর (যেমন ভরিকোনাজল, ফ্লুকোনাজল): DCF-এর রক্তের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Diclofenac Sodium সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ:

  • ডাইক্লোফেনাক বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস
  • অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID সেবনের পর হাঁপানি, আমবাত বা অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস (NSAID-জনিত ব্রঙ্কোস্পাজমসহ)
  • সক্রিয় পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ বা সক্রিয় পেপটিক আলসার
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) অস্ত্রোপচারের সময়
  • গুরুতর (ডিকম্পেনসেটেড) হার্ট ফেইলিউর
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিক

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

DCF-এর বেশিরভাগ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু ও সাময়িক, তবে কিছু গুরুতর হতে পারে। সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • পরিপাকতন্ত্র: পেটে ব্যথা, বদহজম, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা
  • মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা
  • যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি
  • শরীরে পানি জমা ও ফোলাভাব
  • ত্বকে র‍্যাশ

কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পরিপাকতন্ত্রে আলসার/রক্তক্ষরণ/ছিদ্র, হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত থ্রম্বোটিক সমস্যা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক), যকৃতের ক্ষতি, কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যানাফাইল্যাক্সিস, এবং গুরুতর ত্বকীয় প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিন্ড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস)। বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশ দেখুন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে গর্ভাবস্থায় DCF এড়িয়ে চলা উচিত। প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে কেবল তখনই ব্যবহার করা যেতে পারে যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে বিবেচিত হয়, এবং তা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে DCF সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কারণ এটি ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ কিডনি সংক্রান্ত সমস্যা ঘটাতে পারে।

স্তন্যদান: DCF অল্প পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে। স্তন্যদানকালে কেবল স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত, মায়ের উপকারিতা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে।

সতর্কতা

DCF-এর ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন:

  • হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত ঝুঁকি: DCF-সহ NSAID জাতীয় ওষুধ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো গুরুতর থ্রম্বোটিক ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে এবং হৃদরোগ বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি। সাম্প্রতিক হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস থাকলে DCF এড়িয়ে চলা উচিত, যদি না উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে বিবেচিত হয়।
  • পরিপাকতন্ত্রের ঝুঁকি: পাকস্থলী বা অন্ত্রে রক্তক্ষরণ, আলসার বা ছিদ্র হওয়ার মতো গুরুতর ঘটনা কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই যেকোনো সময় ঘটতে পারে, এবং বয়স্ক রোগী ও পূর্বে পেপটিক আলসারের ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়।
  • যকৃতের ক্ষতি: যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি এবং, বিরল ক্ষেত্রে, গুরুতর যকৃতের প্রতিক্রিয়া (যকৃত বিকল হওয়াসহ) দেখা গেছে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় যকৃতের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • কিডনির প্রভাব: বিশেষত পূর্ব থেকে কিডনি রোগ, হার্ট ফেইলিউর, যকৃতের সমস্যা, পানিশূন্যতা বা বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে DCF কিডনির কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান বজায় রাখা উচিত।
  • পানি জমা ও উচ্চ রক্তচাপ: DCF নতুন করে উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করতে পারে বা বিদ্যমান উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে, এবং শরীরে পানি জমা/ফোলাভাব ঘটাতে পারে, এবং কিছু উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের কার্যকারিতা কমাতে পারে।
  • পরিপাকতন্ত্রের রোগ, রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা, হাঁপানি বা হৃদরোগের ঝুঁকি থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে DCF সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

DCF-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে ক্লান্তি, ঝিমুনি, বমি বমি ভাব, বমি এবং পেটে ব্যথা হতে পারে, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ, উচ্চ রক্তচাপ, তীব্র কিডনি বিকল হওয়া, শ্বাসকষ্ট বা কোমা দেখা দিতে পারে। DCF-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই।

অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সাধারণত উপসর্গ অনুযায়ী সহায়ক পদ্ধতিতে করা হয়; ঘরোয়া উপায়ে অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

৩০°C তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, সাধারণ কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগী: বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে DCF ব্যবহারে গুরুতর পরিপাকতন্ত্র, হৃদযন্ত্র ও কিডনি সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত এবং নিবিড় ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

শিশু: সাধারণ শিশুদের ক্ষেত্রে মুখে খাওয়া DCF-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়। জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিসের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় (প্রায় ১-৩ মি.গ্রা./কেজি/দিন) বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে DCF ব্যবহার করা উচিত নয়।

কিডনি/যকৃতের সমস্যা: মৃদু-থেকে-মাঝারি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; গুরুতর সমস্যায় এড়িয়ে চলুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: DCF 50 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: DCF 50 mg Tablet একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস, তীব্র পেশি-অস্থি সংক্রান্ত আঘাত এবং মাসিকের যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা (ডিসমেনোরিয়া) উপশমে ব্যবহৃত হয়।

Q: গর্ভাবস্থায় কি DCF 50 mg Tablet সেবন করা যায়?

A: স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে গর্ভাবস্থায় DCF 50 mg Tablet এড়িয়ে চলা উচিত, এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ কারণ এটি ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে বন্ধ করে দিতে পারে। আপনি গর্ভবতী হলে বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে DCF 50 mg Tablet ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: DCF 50 mg Tablet-এর গুরুতর ঝুঁকি কী কী?

A: অন্যান্য NSAID-এর মতো DCF 50 mg Tablet-ও হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো গুরুতর হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যা এবং পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ, আলসার বা ছিদ্রের মতো গুরুতর সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়, যা কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই ঘটতে পারে। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত, এবং বুকে ব্যথা, কালো পায়খানা বা তীব্র পেটে ব্যথা দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কাদের DCF 50 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের ডাইক্লোফেনাক বা অন্য NSAID/অ্যাসপিরিনের প্রতি পরিচিত অ্যালার্জি রয়েছে (হাঁপানি বা আমবাত হওয়ার ইতিহাসসহ), যাদের সক্রিয় পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ বা আলসার আছে, সম্প্রতি করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) অস্ত্রোপচার হয়েছে, গুরুতর হার্ট ফেইলিউর আছে, বা গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে আছেন, তাদের DCF 50 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।

Q: DCF 50 mg Tablet কি অন্য ব্যথানাশক ওষুধের সাথে খাওয়া যায়?

A: DCF 50 mg Tablet-কে অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID-এর সাথে একসাথে খাওয়া সাধারণত সুপারিশ করা হয় না, কারণ এতে কোনো অতিরিক্ত উপকার ছাড়াই পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। DCF 50 mg Tablet শুরু করার আগে আপনি যেসব ওষুধ সেবন করছেন, বিশেষত রক্ত পাতলাকারী ওষুধ, সেগুলোর কথা চিকিৎসককে জানান।

Q: DCF 50 mg Tablet বেশি মাত্রায় সেবন করে ফেললে কী করা উচিত?

A: DCF 50 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। ঘরোয়া উপায়ে অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor