Product gallery

Dexagen G0.3%+0.1%

Ophthalmic Solution

Gatifloxacin + Dexamethasone

MRP ৳ ১২০.৩৭১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১০৮.৩৩/5 ml drop
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Dexagen G হলো একটি চোখের ব্যবহারের ওষুধ, যা একটি ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক এবং একটি কর্টিকোস্টেরয়েডের সমন্বয়ে তৈরি। এটি এমন প্রদাহজনিত চোখের অবস্থায় ব্যবহৃত হয় যেখানে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ উপস্থিত থাকে বা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

প্রতিষ্ঠিত/নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার

  • ব্লেফারাইটিস, ব্লেফারোকনজাংটিভাইটিস, কনজাংটিভাইটিস, কেরাটাইটিস এবং কেরাটোকনজাংটিভাইটিস যেখানে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ও প্রদাহ উভয়ই উপস্থিত
  • আইরাইটিস, ইরিডোসাইক্লাইটিস, সাইক্লাইটিসের মতো অগ্র ইউভাইটিস-সম্পর্কিত অবস্থা যেখানে সংক্রমণের ঝুঁকির সাথে প্রদাহও রয়েছে
  • ব্যাকটেরিয়া সংশ্লিষ্টতার সন্দেহযুক্ত স্ক্লেরাইটিস ও এপিস্ক্লেরাইটিস
  • রাসায়নিক, বিকিরণ বা তাপজনিত পোড়া, অথবা বিদেশী বস্তুর অনুপ্রবেশজনিত কর্নিয়ার আঘাত, যেখানে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে
  • চোখের অস্ত্রোপচারের পরবর্তী প্রদাহ, যেখানে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ উভয়ই কাম্য

সহায়ক ব্যবহার

অধিক গুরুতর প্রদাহজনিত বা সংক্রামক চোখের সমস্যায় চিকিৎসক-নির্ধারিত সিস্টেমিক থেরাপির পাশাপাশি সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

এই সংমিশ্রণটি শুধুমাত্র সেসব ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য যেখানে অ্যান্টিবায়োটিক এবং কর্টিকোস্টেরয়েড উভয়ই একসাথে প্রয়োজনীয়; সংক্রমণের ঝুঁকি ছাড়া শুধুমাত্র প্রদাহজনিত অবস্থায়, বা উল্লেখযোগ্য প্রদাহ ছাড়া শুধুমাত্র সংক্রমণে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Dexagen G একটি চোখের অ্যান্টি-ইনফেক্টিভ ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি সংমিশ্রণ, যা একটি ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং একটি কর্টিকোস্টেরয়েডকে সাময়িক চোখের ব্যবহারের জন্য একত্রিত করে।

ফার্মাকোলজি

Gatifloxacin + Dexamethasone দুটি পরিপূরক কার্যপ্রণালী-সম্পন্ন উপাদানের সমন্বয়:

গ্যাটিফ্লক্সাসিন (অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান)

এটি একটি চতুর্থ প্রজন্মের ফ্লুরোকুইনোলোন যা ব্যাকটেরিয়াল ডিএনএ গাইরেজ (টপোইসোমারেজ II) এবং টপোইসোমারেজ IV-কে বাধা দেয়, যা ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ প্রতিলিপি, ট্রান্সক্রিপশন, মেরামত এবং পুনর্বিন্যাসের জন্য প্রয়োজনীয়। এর ফলে এটি বিভিন্ন গ্রাম-পজিটিভ (যেমন Staphylococcus aureus, Streptococcus pneumoniae) এবং গ্রাম-নেগেটিভ (যেমন Haemophilus influenzae, Pseudomonas aeruginosa) জীবাণুর বিরুদ্ধে ব্যাকটেরিসাইডাল কার্যকারিতা প্রদর্শন করে।

ডেক্সামেথাসোন (কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদান)

এটি ফসফোলাইপেজ A2-কে বাধা দিয়ে প্রদাহ প্রতিক্রিয়া দমন করে, আরাকিডোনিক অ্যাসিড থেকে প্রাপ্ত পদার্থ (প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ও লিউকোট্রাইন) নিঃসরণ কমায়, কৈশিক নালীর ভেদ্যতা হ্রাস করে এবং প্রদাহজনক কোষের স্থানান্তর দমন করে, ফলে চোখের টিস্যুতে ফোলা, লালচেভাব এবং ফাইব্রিন জমা হওয়া কমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য

আক্রান্ত চোখে দিনে ৩-৪ বার ১-২ ফোঁটা Dexagen G কনজাংটিভাল থলিতে প্রয়োগ করুন, অথবা চক্ষু বিশেষজ্ঞের নির্দেশ অনুযায়ী। গুরুতর সংক্রমণে প্রাথমিকভাবে বেশি ঘন ঘন প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে, যা ক্লিনিক্যাল উন্নতির সাথে ধীরে ধীরে কমানো হয়।

প্রয়োগ পদ্ধতি

  • ব্যবহারের আগে হাত ধুয়ে নিন; ড্রপারের মুখ চোখ, চোখের পাতা বা অন্য কোনো পৃষ্ঠে স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন
  • মাথা পেছনে হেলিয়ে, নিচের পাতা টেনে একটি ছোট থলি তৈরি করুন এবং নির্ধারিত সংখ্যক ফোঁটা প্রয়োগ করুন
  • প্রয়োগের পর ১-২ মিনিট চোখ আলতোভাবে বন্ধ রাখুন; চোখের ভেতরের কোণে হালকা চাপ দিলে সিস্টেমিক শোষণ কমতে পারে
  • অন্য কোনো চোখের ড্রপের সাথে ব্যবহার করলে কমপক্ষে ৫-১০ মিনিটের ব্যবধান রাখুন
  • বোতল প্রথম খোলার পর নির্দিষ্ট সময় (সাধারণত ৪ সপ্তাহ) পরে অবশিষ্ট ওষুধ ফেলে দিন

চিকিৎসার মেয়াদ

চিকিৎসার মেয়াদ চিকিৎসকের দ্বারা ব্যক্তিভিত্তিক নির্ধারণ করা উচিত, সাধারণত পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া ৭-১০ দিনের বেশি নয়, কারণ দীর্ঘমেয়াদী কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহার চোখের চাপ বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ায়।

চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Dexagen G-এর সম্পূর্ণ কোর্স সম্পন্ন করুন; উপসর্গ কমে গেলেও নিজে থেকে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না, যাতে অসম্পূর্ণ চিকিৎসা ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতার ঝুঁকি কমে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

সাময়িক চোখের ব্যবহারের কারণে সিস্টেমিক শোষণ সীমিত থাকায় Dexagen G-এর আনুষ্ঠানিক সিস্টেমিক মিথষ্ক্রিয়া গবেষণা সীমিত। তবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো ক্লিনিক্যালি প্রাসঙ্গিক:

  • অন্যান্য চোখের ড্রপ: একাধিক চোখের ড্রপ একসাথে ব্যবহার করলে একটির প্রভাব যাতে অন্যটির দ্বারা মিশ্রিত বা ধুয়ে না যায়, তার জন্য কমপক্ষে ৫-১০ মিনিটের ব্যবধানে প্রয়োগ করা উচিত।
  • অন্যান্য কর্টিকোস্টেরয়েডযুক্ত পণ্য (চোখের বা সিস্টেমিক): একসাথে ব্যবহারে চোখের চাপ বৃদ্ধি ও অন্যান্য স্টেরয়েড-সম্পর্কিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্মিলিত ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • টপিক্যাল NSAID চোখের ড্রপ: একসাথে ব্যবহারে কর্নিয়ার নিরাময় সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Gatifloxacin + Dexamethasone নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • গ্যাটিফ্লক্সাসিন, অন্যান্য ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, ডেক্সামেথাসোন, অথবা ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা
  • কর্নিয়া ও কনজাংটিভার অধিকাংশ ভাইরাসজনিত রোগ, যার মধ্যে রয়েছে এপিথেলিয়াল হারপিস সিমপ্লেক্স কেরাটাইটিস (ডেনড্রাইটিক কেরাটাইটিস), ভ্যাকসিনিয়া এবং ভ্যারিসেলা
  • চোখের মাইকোব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
  • চোখের গঠনতন্ত্রের ছত্রাকজনিত রোগ

এই অবস্থাগুলো সম্পূর্ণ প্রতিনির্দেশনার আওতাভুক্ত, কারণ কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদানটি এই সংক্রমণগুলোকে আড়াল করতে, নির্ণয় বিলম্বিত করতে, অথবা আরও খারাপ করে দিতে পারে যখন অন্তর্নিহিত জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান দ্বারা যথাযথভাবে আচ্ছাদিত নয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Dexagen G ব্যবহারে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • প্রয়োগের সময় চোখে জ্বালাপোড়া বা কামড়ানো ভাব
  • লালচেভাব (কনজাংটিভাল হাইপারেমিয়া)
  • চুলকানি
  • কেমোসিস (কনজাংটিভা ফুলে যাওয়া)
  • চোখ শুষ্ক অনুভূতি
  • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া
  • ঝাপসা বা সাময়িকভাবে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া
  • চোখে কিছু আটকে থাকার অনুভূতি

কম সাধারণ কিন্তু উল্লেখযোগ্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে চোখের চাপ বৃদ্ধি/গ্লুকোমা - সতর্কতা অংশ দেখুন
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে পোস্টেরিয়র সাবক্যাপসুলার ছানি
  • কর্নিয়া বা ক্ষত নিরাময়ে বিলম্ব
  • হোস্টের প্রদাহ/রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া দমনের কারণে সেকেন্ডারি ছত্রাক বা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ
  • অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া (চোখের পাতা ফুলে যাওয়া, চুলকানি, র‍্যাশ)

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে Dexagen G-এর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। যদিও সাময়িক চোখের ব্যবহার থেকে সিস্টেমিক শোষণ খুবই সীমিত, তবুও গর্ভাবস্থায় এটি তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হয়। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: সাময়িকভাবে প্রয়োগকৃত গ্যাটিফ্লক্সাসিন মায়ের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা নেই; তবে সিস্টেমিকভাবে প্রয়োগকৃত ডেক্সামেথাসোন মায়ের দুধে নিঃসৃত হয়। স্তন্যদানকারী মায়ের জন্য Dexagen G বিবেচনা করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার সংক্রান্ত সতর্কতা: Dexagen G-এর দীর্ঘায়িত ব্যবহার (সাধারণত ১০ দিনের বেশি) চোখের চাপ বৃদ্ধি/গ্লুকোমা, অপটিক নার্ভের সম্ভাব্য ক্ষতি, দৃষ্টিশক্তি বা দৃষ্টিক্ষেত্রের ত্রুটি, পোস্টেরিয়র সাবক্যাপসুলার ছানি এবং ক্ষত নিরাময়ে বিলম্ব ঘটাতে পারে। চিকিৎসা ১০ দিনের বেশি চলতে থাকলে নিয়মিত চোখের চাপ পরীক্ষা করা উচিত।

সেকেন্ডারি সংক্রমণের ঝুঁকি: কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহার হোস্টের রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া দমন করতে পারে এবং ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা ভাইরাসজনিত সেকেন্ডারি চোখের সংক্রমণের সুযোগ দিতে পারে; দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার এই ঝুঁকি বাড়ায়। যথাযথ ব্যবহারের পরও সংক্রমণের লক্ষণ অব্যাহত থাকলে বা খারাপ হলে, ব্যবহার বন্ধ করে পুনর্মূল্যায়ন করুন।

হারপেটিক রোগ: হারপিস সিমপ্লেক্স কেরাটাইটিসের ইতিহাসযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ কর্টিকোস্টেরয়েড অনেক ভাইরাসজনিত চোখের সংক্রমণের সময়কাল দীর্ঘায়িত ও তীব্রতা বাড়াতে পারে।

ইনজেকশনের জন্য নয়: এই পণ্যটি শুধুমাত্র সাময়িক চোখের ব্যবহারের জন্য এবং চোখে ইনজেকশন দেওয়া বা সিস্টেমিকভাবে ব্যবহার করা যাবে না।

কন্টাক্ট লেন্স: সক্রিয় চোখের সংক্রমণের সময় কন্টাক্ট লেন্স পরা এড়িয়ে চলুন।

অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক ব্যবহার: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে Dexagen G ব্যবহার করুন; উপসর্গ কমে গেলেও নিজে থেকে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না, যাতে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও অসম্পূর্ণ চিকিৎসার ঝুঁকি কমে।

মাত্রাধিক্যতা

Dexagen G-এর সাময়িক চোখের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য সিস্টেমিক বিষক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার চোখের চাপ বৃদ্ধির মতো স্থানীয় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ভুলবশত গিলে ফেললে বা অতিরিক্ত পরিমাণে চোখে প্রয়োগ করার পর জ্বালাপোড়া, দৃষ্টি পরিবর্তন বা অন্য কোনো উদ্বেগজনক লক্ষণ দেখা দিলে, ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। ব্যবহার না করলে বোতলের মুখ শক্তভাবে বন্ধ রাখুন। হিমায়িত করবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। প্রথম খোলার পর প্রস্তুতকারকের নির্দিষ্ট সময়সীমা (সাধারণত ৪ সপ্তাহ) পরে অবশিষ্ট দ্রবণ ফেলে দিন, বোতল খালি না হলেও।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

গর্ভবতী নারী

শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করুন যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হয়; চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।

স্তন্যদানকারী নারী

সতর্কতার সাথে ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করুন। গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।

শিশু রোগী

প্রোডাক্ট লেবেলিং-এ নির্ধারিত বয়সসীমার নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে Dexagen G-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি; শিশুর জন্য নির্ধারিত হলে চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন, এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একই সতর্কতা (চোখের চাপ, সেকেন্ডারি সংক্রমণ, বিলম্বিত নিরাময়) মেনে চলুন।

বয়স্ক রোগী

বয়স্ক এবং কম বয়সী প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের মধ্যে নিরাপত্তা বা কার্যকারিতার সামগ্রিক পার্থক্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি; সাধারণত প্রমিত প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা প্রযোজ্য।

রেনাল/হেপাটিক দুর্বলতা

সাময়িক চোখের ব্যবহার থেকে সিস্টেমিক শোষণ ন্যূনতম হওয়ায়, রেনাল বা হেপাটিক দুর্বলতার ক্ষেত্রে সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; তবে সতর্কতা ও চিকিৎসকের বিচার-বিবেচনা প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Dexagen G 0.3%+0.1% Ophthalmic Solution কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Dexagen G 0.3%+0.1% Ophthalmic Solution একটি চোখের ড্রপ যা উল্লেখযোগ্য প্রদাহসহ ব্যাকটেরিয়াল চোখের সংক্রমণ, যেমন নির্দিষ্ট ধরনের কনজাংটিভাইটিস, ব্লেফারাইটিস, কেরাটাইটিস এবং অস্ত্রোপচার-পরবর্তী প্রদাহে ব্যবহৃত হয়, যেখানে অ্যান্টিবায়োটিক ও প্রদাহনাশক উভয় কার্যকারিতা একসাথে প্রয়োজন।

Q: Dexagen G 0.3%+0.1% Ophthalmic Solution চোখের ড্রপ কীভাবে ব্যবহার করব?

A: সাধারণত আক্রান্ত চোখে দিনে ৩-৪ বার ১-২ ফোঁটা প্রয়োগ করা হয়, অথবা আপনার চক্ষু বিশেষজ্ঞের নির্দেশ অনুযায়ী। প্রথমে হাত ধুয়ে নিন, ড্রপারের মুখ চোখে স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন, এবং উপসর্গ কমে গেলেও পুরো নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন করুন - নিজে থেকে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্য কাউকে দেবেন না।

Q: আমি কি দীর্ঘদিন ধরে Dexagen G 0.3%+0.1% Ophthalmic Solution ব্যবহার করতে পারি?

A: না, চক্ষু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধান ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার (সাধারণত ৭-১০ দিনের বেশি) সুপারিশ করা হয় না, কারণ দীর্ঘায়িত কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহারে চোখের চাপ বাড়তে পারে (গ্লুকোমার ঝুঁকি), ছানি হতে পারে, ক্ষত নিরাময়ে বিলম্ব হতে পারে এবং সেকেন্ডারি ছত্রাক বা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ হতে পারে। দীর্ঘ চিকিৎসার প্রয়োজন হলে চিকিৎসক আপনার চোখের চাপ পরীক্ষা করতে পারেন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Dexagen G 0.3%+0.1% Ophthalmic Solution কি নিরাপদ?

A: গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীদের ক্ষেত্রে Dexagen G 0.3%+0.1% Ophthalmic Solution ব্যবহারের তথ্য সীমিত। গর্ভাবস্থায় এটি তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হয়, এবং স্তন্যদানকালে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। এসব ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কাদের Dexagen G 0.3%+0.1% Ophthalmic Solution ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: গ্যাটিফ্লক্সাসিন, অন্যান্য ফ্লুরোকুইনোলোন, বা ডেক্সামেথাসোনের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা রয়েছে এমন ব্যক্তি; হারপিস সিমপ্লেক্স কেরাটাইটিস, ভ্যাকসিনিয়া বা ভ্যারিসেলার মতো অধিকাংশ ভাইরাসজনিত চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত ব্যক্তি; মাইকোব্যাকটেরিয়াল (যেমন টিউবারকুলার) চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত ব্যক্তি; বা ছত্রাকজনিত চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত ব্যক্তির এই ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ স্টেরয়েড উপাদানটি এই অবস্থাগুলো আরও খারাপ করতে পারে।

Q: ভুলবশত বেশি পরিমাণে Dexagen G 0.3%+0.1% Ophthalmic Solution ব্যবহার করলে বা গিলে ফেললে কী করব?

A: চোখে অতিরিক্ত পরিমাণে প্রয়োগ করা হলে বা ভুলবশত গিলে ফেললে, অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে থেকে অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor