Product gallery
MRP ৳ ২.০০৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১.৮৪/piece
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Diaplus একটি মুখে খাওয়ার ডায়াবেটিস-বিরোধী ওষুধ, যা প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

  • প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার: শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ না হলে একক থেরাপি হিসেবে Diaplus ব্যবহার করা হয়।
  • সংযুক্ত থেরাপি: একক ওষুধে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে Diaplus মেটফরমিন বা অন্যান্য ডায়াবেটিস-বিরোধী ওষুধ কিংবা ইনসুলিনের সাথে একত্রে ব্যবহার করা হতে পারে।
  • Diaplus টাইপ ১ ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসে নির্দেশিত নয়; এসব ক্ষেত্রে ইনসুলিন প্রয়োজন হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

সেকেন্ড-জেনারেশন সালফোনিলইউরিয়া; মুখে খাওয়ার ডায়াবেটিস-বিরোধী (হাইপোগ্লাইসেমিক) ওষুধ। Diaplus এই শ্রেণীর একটি ইনসুলিন-নিঃসারক ওষুধ, যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Glipizide অগ্ন্যাশয়ের কার্যকরী বিটা-কোষ থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়িয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। এটি বিটা-কোষের ঝিল্লিতে থাকা সালফোনিলইউরিয়া রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে ATP-নির্ভর পটাশিয়াম চ্যানেল বন্ধ করে দেয়, যার ফলে ঝিল্লির ডিপোলারাইজেশন ঘটে, ক্যালসিয়াম চ্যানেল খুলে যায় এবং ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে Glipizide শরীরের কোষগুলোর ইনসুলিন সংবেদনশীলতাও কিছুটা বাড়াতে পারে।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

Glipizide পরিপাকতন্ত্র থেকে দ্রুত শোষিত হয় এবং সাধারণ (ইমিডিয়েট-রিলিজ) ট্যাবলেটে ১-৩ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছায়। এটি প্রায় সম্পূর্ণভাবে (৯৮%-এর বেশি) প্লাজমা প্রোটিনের সাথে যুক্ত থাকে, লিভারে বিপাক হয়ে মূলত নিষ্ক্রিয় উপজাত তৈরি করে এবং প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়। এর অর্ধায়ু প্রায় ২-৫ ঘণ্টা হলেও এর রক্তে শর্করা কমানোর কার্যকারিতা দিনে একবার বা দুইবার সেবনে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Diaplus এর মাত্রা রক্তে শর্করার প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী চিকিৎসক ব্যক্তিভেদে নির্ধারণ করেন। সাধারণত কম মাত্রায় শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়।

রোগী/অবস্থাসাধারণ মাত্রা
প্রাপ্তবয়স্ক, সাধারণ (ইমিডিয়েট-রিলিজ) ট্যাবলেটশুরুতে সকালের নাস্তার আগে দিনে একবার ৫ মিগ্রা; প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকদিন পরপর ২.৫-৫ মিগ্রা করে বাড়ানো যায়; সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা ৫-২০ মিগ্রা/দিন; দৈনিক ১৫ মিগ্রার বেশি মাত্রা সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়; সর্বোচ্চ ৪০ মিগ্রা/দিন।
প্রাপ্তবয়স্ক, এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেটশুরুতে নাস্তার সাথে দিনে একবার ৫ মিগ্রা; সাড়া অনুযায়ী ধাপে ধাপে ৫ মিগ্রা করে বাড়ানো যায়; সর্বোচ্চ ২০ মিগ্রা/দিন।
বয়স্ক রোগী বা লিভারের সমস্যাহাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমাতে শুরুতে দিনে একবার ২.৫ মিগ্রা।
কিডনি সমস্যাসতর্কতার সাথে শুরুতে দিনে একবার ২.৫ মিগ্রা এবং ধীরে মাত্রা বাড়ানো।
শিশুনিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়; সুপারিশ করা হয় না।

Diaplus ইমিডিয়েট-রিলিজ ট্যাবলেট সাধারণত নাস্তার প্রায় ৩০ মিনিট আগে খেতে হয়, যাতে খাবারের পর রক্তে শর্করা বৃদ্ধির সাথে ওষুধের কার্যকারিতার সময় মিলে যায়। এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট নাস্তার সাথে সম্পূর্ণ গিলে খেতে হয়, ভাঙা, চিবানো বা ভাগ করা যাবে না। চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া মাত্রা পরিবর্তন বা ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Diaplus এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়: NSAIDs, স্যালিসাইলেট, সালফোনামাইড অ্যান্টিবায়োটিক এবং কিছু অ্যান্টিফাংগাল (ফ্লুকোনাজোল, মাইকোনাজোল) ওষুধ Diaplus এর রক্তে শর্করা কমানোর কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • বিটা-ব্লকার: হাইপোগ্লাইসেমিয়ার সতর্কতামূলক লক্ষণ (যেমন কাঁপুনি, বুক ধড়ফড়ানি) আড়াল করতে পারে এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়ার স্থায়িত্ব বাড়াতে পারে।
  • অ্যালকোহল: Diaplus এর সাথে অ্যালকোহল সেবনে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং কারো কারো ক্ষেত্রে মুখ লাল হয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, বমিভাব হতে পারে।
  • কোলেসেভেলাম: এই ওষুধ Diaplus এর শোষণ কমিয়ে দেয়; তাই Diaplus কোলেসেভেলাম সেবনের অন্তত ৪ ঘণ্টা আগে খেতে হয়।
  • রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে এমন ওষুধ: থায়াজাইড মূত্রবর্ধক, স্টেরয়েড, ইস্ট্রোজেন/জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ইত্যাদি Diaplus এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।

Diaplus এর সাথে ব্যবহৃত সকল প্রেসক্রিপশন, ওভার-দ্য-কাউন্টার এবং ভেষজ ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানানো উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Glipizide ব্যবহার করা যাবে না:

  • Glipizide বা অন্য কোনো সালফোনিলইউরিয়া জাতীয় ওষুধের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা।
  • ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (কোমাসহ বা ছাড়া) - এক্ষেত্রে ইনসুলিন প্রয়োজন, Glipizide নয়।
  • টাইপ ১ ডায়াবেটিস মেলাইটাস, কারণ Glipizide কার্যকরী অগ্ন্যাশয় বিটা-কোষের উপর নির্ভরশীল এবং এই অবস্থায় একক চিকিৎসা হিসেবে কার্যকর বা নিরাপদ নয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Diaplus এর অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মাত্রা-সম্পর্কিত এবং মাত্রা সমন্বয়ে ঠিক হয়ে যায়।

  • সাধারণ: হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া), বমিভাব, ডায়রিয়া, পেটে অস্বস্তি, চর্মে র‍্যাশ, মাথা ঘোরা।
  • কম সাধারণ: লিভার এনজাইম বৃদ্ধি, কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিস (বিরল), সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীলতা।
  • বিরল কিন্তু গুরুতর: তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হাইপোগ্লাইসেমিয়া, হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া (বিশেষত G6PD ঘাটতিযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে - সতর্কতা অংশ দেখুন), বুলাস পেমফিগয়েড (চামড়ায় ফোসকা), তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া এবং রক্তকণিকা সংক্রান্ত সমস্যা (লিউকোপেনিয়া, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস) সালফোনিলইউরিয়া জাতীয় ওষুধ যেমন Diaplus এর সাথে বিরলভাবে রিপোর্ট হয়েছে।

Diaplus সেবনকালে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ (ঘাম, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন), তীব্র চর্ম প্রতিক্রিয়া, জন্ডিস বা অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় Diaplus ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না। গর্ভাবস্থায় রক্তে শর্করার ভালো নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ, এবং সাধারণত ইনসুলিনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। চিকিৎসক যদি মনে করেন যে সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির (যেমন প্রসবের কাছাকাছি সময়ে নবজাতকের দীর্ঘস্থায়ী হাইপোগ্লাইসেমিয়া) চেয়ে বেশি, কেবল তখনই Diaplus ব্যবহার করা যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে Diaplus ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: Diaplus মাতৃদুগ্ধে নির্গত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই; শিশুর হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকির কারণে স্তন্যদানকালে Diaplus সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। এসময় চিকিৎসক ইনসুলিন বা অন্য বিকল্প বিবেচনা করতে পারেন। স্তন্যদানকালে Diaplus ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

  • হাইপোগ্লাইসেমিয়া: Diaplus এর প্রধান ঝুঁকি, বিশেষত বয়স্ক রোগী, কিডনি বা লিভার সমস্যাযুক্ত রোগী, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত পরিশ্রম বা অ্যালকোহল সেবনকারীদের ক্ষেত্রে। রোগী ও পরিচর্যাকারীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ চিনতে ও সামলাতে জানা প্রয়োজন।
  • হৃদরোগ ঝুঁকি: সালফোনিলইউরিয়া শ্রেণীর ওষুধ নিয়ে কিছু পুরনো গবেষণায় হৃদরোগজনিত মৃত্যুহার বৃদ্ধির সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উঠে এসেছে। হৃদরোগ থাকলে Diaplus ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত।
  • G6PD ঘাটতি: Diaplus সহ সালফোনিলইউরিয়া জাতীয় ওষুধ G6PD ঘাটতিযুক্ত রোগীদের হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া ঘটাতে পারে; সম্ভব হলে বিকল্প ওষুধ বিবেচনা করা উচিত।
  • অ্যাড্রেনাল, পিটুইটারি বা লিভার/কিডনি সমস্যা: এসব ক্ষেত্রে Diaplus এর কারণে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, তাই কম মাত্রায় শুরু করে সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • মানসিক/শারীরিক চাপে নিয়ন্ত্রণ হারানো: জ্বর, আঘাত, সংক্রমণ বা অস্ত্রোপচারের সময় রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হতে পারে; সাময়িকভাবে ইনসুলিন প্রয়োজন হতে পারে এবং Diaplus সাময়িক বন্ধ রাখতে হতে পারে।
  • চর্মপ্রতিক্রিয়া: Diaplus সহ সালফোনিলইউরিয়া জাতীয় ওষুধে বিরলভাবে বুলাস পেমফিগয়েড হওয়ার খবর পাওয়া গেছে; ফোসকাযুক্ত চর্মপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাত্রাধিক্যতা

Diaplus এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে, যা জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে অতিরিক্ত ঘাম, বিভ্রান্তি, কাঁপুনি, খিঁচুনি এবং জ্ঞান হারানো।

Diaplus এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে তা একটি জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি। দেরি না করে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি সেবা বা নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। Diaplus এর প্রভাব প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে বলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সাধারণত অন্তত ২৪-৪৮ ঘণ্টা ঘনিষ্ঠ চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন হয়।

সংরক্ষণ

৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • বয়স্ক রোগী: Diaplus এর রক্তে শর্করা কমানোর কার্যকারিতার প্রতি সংবেদনশীলতা বেশি থাকে; কম মাত্রা (২.৫ মিগ্রা/দিন) দিয়ে শুরু করে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার জন্য সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • শিশু: শিশুদের ক্ষেত্রে Diaplus এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়; শিশুদের ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করা হয় না।
  • কিডনি বা লিভার সমস্যা: কম মাত্রায় শুরু করে সতর্কতার সাথে Diaplus ব্যবহার করতে হয়, কারণ ক্লিয়ারেন্স কমে গেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Diaplus 5 mg Tablet কী কাজে ব্যবহার করা হয়?

A: প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে Diaplus 5 mg Tablet ব্যবহার করা হয়। এটি টাইপ ১ ডায়াবেটিসে ব্যবহৃত হয় না।

Q: Diaplus 5 mg Tablet কখন খেতে হয়?

A: সাধারণ (ইমিডিয়েট-রিলিজ) Diaplus 5 mg Tablet ট্যাবলেট সাধারণত নাস্তার প্রায় ৩০ মিনিট আগে খেতে হয়। এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট নাস্তার সাথে সম্পূর্ণ গিলে খেতে হয়। চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

Q: Diaplus 5 mg Tablet এর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি কী?

A: প্রধান ঝুঁকি হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া), যাতে ঘাম, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি ও দ্রুত হৃদস্পন্দন হতে পারে। বয়স্ক রোগী, কিডনি বা লিভার সমস্যাযুক্ত, খাবার বাদ দেওয়া বা অ্যালকোহল সেবনকারীদের ঝুঁকি বেশি। Diaplus 5 mg Tablet সেবনকালে লক্ষণ চিনে রাখুন এবং দ্রুত-কার্যকর শর্করা সাথে রাখুন।

Q: Diaplus 5 mg Tablet খাওয়ার সময় কি অ্যালকোহল পান করা যাবে?

A: অ্যালকোহল Diaplus 5 mg Tablet এর সাথে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং কারো কারো ক্ষেত্রে মুখ লাল হয়ে যাওয়া, বমিভাব বা মাথাব্যথা হতে পারে। অ্যালকোহল সীমিত বা এড়িয়ে চলা ভালো এবং বিষয়টি চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Diaplus 5 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে সাধারণত Diaplus 5 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না, কারণ এসময় রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন অগ্রাধিকার পায় এবং নবজাতক বা শিশুর হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি থাকে। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে তবেই এসময় Diaplus 5 mg Tablet ব্যবহার করা যেতে পারে।

Q: Diaplus 5 mg Tablet এর একটি ডোজ মিস হলে কী করব?

A: মিস হওয়া ডোজ মনে পড়ামাত্র খেয়ে নিন, তবে পরবর্তী খাবার বা ডোজের সময় কাছাকাছি হলে বাদ দিয়ে দিন - দুইটি ডোজ একসাথে খাবেন না। নিশ্চিত না হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Diaplus 5 mg Tablet বন্ধ করবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor