Product gallery
MRP ১৯৫.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৮৫.২৫/10 ml vial
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Diasulin R একটি স্বল্প-কার্যকরী (রেগুলার) বায়োসিন্থেটিক হিউম্যান ইনসুলিন, যা ডায়াবেটিস মেলাইটাস রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • টাইপ ১ ডায়াবেটিস মেলাইটাস - সাধারণত ইন্টারমিডিয়েট বা লং-অ্যাক্টিং ইনসুলিনের সাথে একত্রে বেসাল-বোলাস পদ্ধতিতে Diasulin R ব্যবহার করা হয়।
  • টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস - যখন মুখে খাওয়ার ওষুধ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন যথেষ্ট না হয়, তখন এককভাবে বা অন্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধের সাথে Diasulin R ব্যবহার করা হয়।

নির্দেশিকা-সমর্থিত/হাসপাতাল-ভিত্তিক ব্যবহার

  • ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA) ও হাইপারঅসমোলার হাইপারগ্লাইসেমিক অবস্থা - হাসপাতালে চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে শিরাপথে (IV) Diasulin R প্রয়োগ করা হয়।
  • অস্ত্রোপচার পূর্ববর্তী/পরবর্তী ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ।
  • গর্ভাবস্থাজনিত ডায়াবেটিস (Gestational diabetes) - যখন শুধু ডায়েট ও ব্যায়ামে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয় না।

Diasulin R-এর মাত্রা সবসময় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষার ভিত্তিতে ব্যক্তিভেদে নির্ধারণ করতে হবে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধ - ইনসুলিন (স্বল্প-কার্যকরী/রেগুলার হিউম্যান ইনসুলিন)। Diasulin R এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, যা ডায়াবেটিস মেলাইটাসে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী: Insulin Human [Fast-Acting] শরীরের কোষে (প্রধানত মাংসপেশী ও ফ্যাট টিস্যুতে) ইনসুলিন রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে গ্লুকোজ গ্রহণ ও ব্যবহার বাড়ায়। এটি যকৃতে গ্লুকোজ উৎপাদন (গ্লুকোনিওজেনেসিস ও গ্লাইকোজেনোলাইসিস) কমায় এবং প্রোটিন ও গ্লাইকোজেন সংশ্লেষণ বাড়ায়। ফলাফল হিসেবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স (আনুমানিক, ত্বকের নিচে প্রয়োগের পর)

বৈশিষ্ট্যআনুমানিক মান
কার্যকারিতা শুরুপ্রায় ৩০ মিনিট
সর্বোচ্চ কার্যকারিতা২-৪ ঘণ্টা
কার্যকারিতার স্থায়িত্ব৬-৮ ঘণ্টা

Insulin Human [Fast-Acting]-এর কার্যকারিতার সময়সীমা ইনজেকশনের স্থান, মাত্রা, এবং রোগীভেদে ভিন্ন হতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Diasulin R-এর মাত্রা চিকিৎসক কর্তৃক রোগীর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা, খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক কার্যকলাপ বিবেচনা করে ব্যক্তিভেদে নির্ধারণ করা হয়। রোগী নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন করবেন না।

নির্দেশনাসাধারণ পদ্ধতি
টাইপ ১ ডায়াবেটিসত্বকের নিচে ইনজেকশন, সাধারণত ইন্টারমিডিয়েট/লং-অ্যাক্টিং ইনসুলিনের সাথে; মাত্রা চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।
টাইপ ২ ডায়াবেটিসব্যক্তিভেদে ত্বকের নিচে মাত্রা, একা বা অন্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধের সাথে।
ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসহাসপাতালে শিরাপথে (IV) প্রয়োগ, ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে।
শিশু রোগীব্যক্তিভেদে মাত্রা, ঘন ঘন গ্লুকোজ পরীক্ষাসহ।

সময়: ত্বকের নিচে প্রয়োগের ক্ষেত্রে Diasulin R সাধারণত খাবারের প্রায় ৩০ মিনিট আগে দেওয়া হয়।

গুরুত্বপূর্ণ: চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া Diasulin R-কে অন্য কোনো ইনসুলিন পণ্য, ব্র্যান্ড বা কনসেন্ট্রেশনের সাথে অদলবদল করা যাবে না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

কিছু ওষুধ Diasulin R-এর গ্লুকোজ-হ্রাসকারী কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে, তাই এগুলো শুরু বা বন্ধ করার সময় ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

যেসব ওষুধ Diasulin R-এর সাথে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে

  • অন্যান্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধ
  • ACE ইনহিবিটর ও অ্যাঞ্জিওটেনসিন II রিসেপ্টর ব্লকার
  • ফাইব্রেট, স্যালিসাইলেট, সালফোনামাইড অ্যান্টিবায়োটিক
  • মনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর (MAOI)
  • অ্যালকোহল

যেসব ওষুধ Diasulin R-এর গ্লুকোজ-হ্রাসকারী প্রভাব কমাতে পারে

  • কর্টিকোস্টেরয়েড, থায়াজাইড ডাইইউরেটিক, থাইরয়েড হরমোন
  • ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টোজেন (যেমন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি)
  • প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর, কিছু অ্যাটিপিক্যাল অ্যান্টিসাইকোটিক

বিটা-ব্লকার ও ক্লোনিডিন হাইপোগ্লাইসেমিয়ার সতর্কীকরণ লক্ষণ (কাঁপুনি, বুক ধড়ফড়) আড়াল করে দিতে পারে, ফলে Diasulin R গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে লো ব্লাড সুগার সনাক্ত করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Insulin Human [Fast-Acting] নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):

  • ইনসুলিন হিউম্যান বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকলে।
  • হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম) চলাকালীন সময়ে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Diasulin R ব্যবহারে সবচেয়ে সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া

সাধারণ

  • হাইপোগ্লাইসেমিয়া (ঘাম, কাঁপুনি, বুক ধড়ফড়, ক্ষুধা, বিভ্রান্তি; চিকিৎসা না করলে খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানো হতে পারে)
  • ইনজেকশনের স্থানে প্রতিক্রিয়া (লালচেভাব, ফোলাভাব, চুলকানি)
  • বারবার একই স্থানে ইনজেকশনের কারণে লাইপোডিসট্রফি
  • ওজন বৃদ্ধি, সামান্য পা ফোলা (এডিমা)

কম সাধারণ/গুরুতর

  • অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া, বিরল ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাক্সিস
  • হাইপোক্যালেমিয়া (রক্তে পটাসিয়াম কম)
  • বারবার একই স্থানে ইনজেকশনের কারণে স্থানীয় কিউটেনিয়াস অ্যামাইলয়ডোসিস

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Diasulin R-সহ হিউম্যান ইনসুলিন প্লাসেন্টা অতিক্রম করে না উল্লেখযোগ্য পরিমাণে, এবং গর্ভাবস্থায় ইনসুলিন থেরাপি প্রয়োজন হলে এটি একটি সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য বিকল্প, কারণ অনিয়ন্ত্রিত মাতৃ ডায়াবেটিস মা ও ভ্রূণ উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় ইনসুলিনের চাহিদা পরিবর্তিত হতে পারে, তাই Diasulin R শুধুমাত্র চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে, নিয়মিত গ্লুকোজ পরীক্ষার ভিত্তিতে মাত্রা সমন্বয় করে ব্যবহার করতে হবে।

স্তন্যদান: চিকিৎসকের পরামর্শে স্তন্যদানকালেও Diasulin R ব্যবহার করা যেতে পারে; এসময় ইনসুলিনের মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

হাইপোগ্লাইসেমিয়া: Diasulin R থেরাপির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হাইপোগ্লাইসেমিয়া (দেখুন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া)। রোগী ও পরিচর্যাকারীদের প্রাথমিক লক্ষণ (ঘাম, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি, বুক ধড়ফড়) চেনা এবং দ্রুত দ্রুতক্রিয় শর্করা দিয়ে চিকিৎসা করা শেখানো উচিত।

ইনসুলিন অদলবদল করবেন না: চিকিৎসকের সুস্পষ্ট নির্দেশ ছাড়া Diasulin R-কে অন্য কোনো ইনসুলিন পণ্য, ব্র্যান্ড বা কনসেন্ট্রেশনের সাথে প্রতিস্থাপন করা যাবে না।

চিকিৎসক-নির্ধারিত মাত্রা: Diasulin R-এর মাত্রা নিয়মিত গ্লুকোজ পরীক্ষার ভিত্তিতে চিকিৎসক দ্বারা নির্ধারিত ও সমন্বয় করতে হবে; রোগী নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন করবেন না।

ইনজেকশনের স্থান পরিবর্তন: লাইপোডিসট্রফি ও অনিয়মিত শোষণ এড়াতে প্রতিবার ইনজেকশনের স্থান একই অঞ্চলের মধ্যে পরিবর্তন করুন।

হাইপোক্যালেমিয়া: বিশেষত শিরাপথে প্রয়োগের সময় Diasulin R রক্তে পটাসিয়ামের মাত্রা কমাতে পারে; হাসপাতালে এটি পর্যবেক্ষণ ও সংশোধন করা হয়।

প্রভাবক বিষয়সমূহ: অসুস্থতা, শারীরিক পরিশ্রম, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং অ্যালকোহল গ্রহণ - এসবই Diasulin R-এর প্রয়োজনীয় মাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করতে পারে; এসব পরিস্থিতিতে নিজে মাত্রা পরিবর্তন না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাত্রাধিক্যতা

খাবার গ্রহণ, শারীরিক কার্যকলাপ বা বিপাকীয় প্রয়োজনের তুলনায় Diasulin R-এর অতিরিক্ত মাত্রা হাইপোগ্লাইসেমিয়া এবং উল্লেখযোগ্য মাত্রাধিক্যের ক্ষেত্রে হাইপোক্যালেমিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

  • মৃদু থেকে মাঝারি হাইপোগ্লাইসেমিয়া সাধারণত মুখে গ্লুকোজ বা দ্রুতক্রিয় শর্করা গ্রহণে সামলানো যায়।
  • গুরুতর হাইপোগ্লাইসেমিয়া (বিভ্রান্তি, খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানোসহ) একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা - অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন; এক্ষেত্রে সাধারণত গ্লুকাগন ইনজেকশন বা প্রশিক্ষিত ব্যক্তি দ্বারা শিরাপথে গ্লুকোজ প্রয়োগ প্রয়োজন হয়।

বাড়িতে গুরুতর মাত্রাধিক্য বা অজ্ঞান অবস্থা নিজে সামলানোর চেষ্টা করবেন না; সবসময় দ্রুত পেশাদার চিকিৎসা সহায়তা নিন।

সংরক্ষণ

না খোলা Diasulin R (ভায়াল/কার্টিজ/পেন): ফ্রিজে ২-৮°C তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন। জমাট বাঁধাবেন না; জমে গেলে তা ফেলে দিন।

খোলার পর Diasulin R: সাধারণত ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও তাপ থেকে দূরে রেখে, লেবেলে উল্লিখিত সময়সীমার (সাধারণত প্রায় ৪ সপ্তাহ) মধ্যে ব্যবহার করতে হবে, এরপর অবশিষ্ট থাকলেও ফেলে দিতে হবে।

শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। দ্রবণ ঘোলাটে, রঙ পরিবর্তিত বা কণাযুক্ত দেখালে ব্যবহার করবেন না - এটি স্বচ্ছ ও বর্ণহীন হওয়া উচিত।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: Diasulin R ডায়াবেটিস মেলাইটাসে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত। মাত্রা শিশুর বিপাকীয় চাহিদা, ওজন, খাদ্যাভ্যাস ও কার্যকলাপ অনুসারে ব্যক্তিভেদে নির্ধারণ করতে হবে এবং ঘন ঘন গ্লুকোজ পরীক্ষা প্রয়োজন। শিশু ও তাদের পরিচর্যাকারীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া চেনা ও চিকিৎসা করা সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে শিক্ষিত করতে হবে।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: কিডনি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, একাধিক রোগ থাকা, বা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ কম বোঝার কারণে বয়স্ক রোগীদের Diasulin R ব্যবহারে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে; সতর্কভাবে মাত্রা নির্ধারণ ও ঘন ঘন পর্যবেক্ষণ সুপারিশ করা হয়।

কিডনি/যকৃতের সমস্যা থাকলে: এসব রোগীদের Diasulin R-এর ক্লিয়ারেন্স কমে যেতে পারে ও হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে ঘন ঘন পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Diasulin R 40 IU/ml Vial কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?

A: Diasulin R 40 IU/ml Vial একটি স্বল্প-কার্যকরী (রেগুলার) হিউম্যান ইনসুলিন, যা টাইপ ১ বা টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস এবং ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসের মতো হাসপাতাল-ভিত্তিক পরিস্থিতিতে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

Q: খাবারের কতক্ষণ আগে Diasulin R 40 IU/ml Vial ইনজেকশন নিতে হবে?

A: Diasulin R 40 IU/ml Vial সাধারণত খাবারের প্রায় ৩০ মিনিট আগে ত্বকের নিচে ইনজেকশন দেওয়া হয়, যাতে এর কার্যকারিতা খাবারের পর রক্তে গ্লুকোজ বৃদ্ধির সাথে মিলে যায়। সবসময় চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনে চলুন।

Q: Diasulin R 40 IU/ml Vial-এর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি কী?

A: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়া), যা ঘাম, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি এবং গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানোর কারণ হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণ চিনুন এবং সবসময় দ্রুতক্রিয় শর্করা সাথে রাখুন। গুরুতর হাইপোগ্লাইসেমিয়া একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা।

Q: আমি কি নিজে থেকে Diasulin R 40 IU/ml Vial থেকে অন্য কোনো ইনসুলিন ব্র্যান্ডে পরিবর্তন করতে পারি?

A: না। চিকিৎসকের সুস্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া Diasulin R 40 IU/ml Vial-কে অন্য কোনো ইনসুলিন পণ্য, ব্র্যান্ড বা কনসেন্ট্রেশনের সাথে অদলবদল করা যাবে না, কারণ এতে মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

Q: Diasulin R 40 IU/ml Vial কীভাবে সংরক্ষণ করব?

A: না খোলা Diasulin R 40 IU/ml Vial ফ্রিজে (২-৮°C) সংরক্ষণ করুন, জমাট বাঁধাবেন না। ব্যবহার শুরুর পর সাধারণত ঘরের তাপমাত্রায়, আলো ও তাপ থেকে দূরে রেখে লেবেলে উল্লিখিত সময়সীমার (সাধারণত প্রায় ৪ সপ্তাহ) মধ্যে ব্যবহার করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

Q: অসুস্থতা, ব্যায়াম বা অ্যালকোহল গ্রহণের সময় কি আমি নিজে Diasulin R 40 IU/ml Vial-এর মাত্রা পরিবর্তন করব?

A: না, নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন করবেন না। অসুস্থতা, ব্যায়াম ও অ্যালকোহল ইনসুলিনের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করতে পারে, তাই এসব পরিস্থিতিতে রক্তে গ্লুকোজ ঘন ঘন পরীক্ষা করুন এবং Diasulin R 40 IU/ml Vial-এর মাত্রা সমন্বয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor