Product gallery
MRP ৯৫.২৯১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮৫.৭৬/100 ml bottle
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Duolax মাঝে মাঝে দেখা দেওয়া কোষ্ঠকাঠিন্যের স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি একই সাথে অসমোটিক (স্যালাইন) ল্যাক্সেটিভ প্রভাব এবং লুব্রিক্যান্ট/মল নরমকারী প্রভাব প্রদান করে। প্রধান ব্যবহারক্ষেত্রগুলো হলো:

  • সাধারণ/মাঝে মাঝে কোষ্ঠকাঠিন্য: স্বল্পমেয়াদে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে Duolax প্রথম সারির প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা।
  • মলত্যাগে চাপ এড়ানো প্রয়োজন এমন ক্ষেত্রে: মলদ্বারে অস্ত্রোপচারের পর, পাইলস (হেমোরয়েড) বা এনাল ফিসারের ক্ষেত্রে মলত্যাগে অতিরিক্ত চাপ এড়াতে Duolax সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ এর লুব্রিক্যান্ট উপাদান মলত্যাগ সহজ করে।
  • বাওয়েল প্রস্তুতিতে সহায়ক ব্যবহার: চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে কখনো কখনো বাওয়েল ইভাকুয়েশন প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়; এটি একটি সহায়ক ব্যবহার, প্রধান নির্দেশনা নয়।

দীর্ঘমেয়াদী বা অভ্যাসগত কোষ্ঠকাঠিন্যে চিকিৎসকের মূল্যায়ন ছাড়া Duolax ব্যবহার করা উচিত নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Duolax একটি ল্যাক্সেটিভ (জোলাপ) শ্রেণির ঔষধ, যা অসমোটিক (স্যালাইন) ল্যাক্সেটিভ এবং লুব্রিক্যান্ট ল্যাক্সেটিভের সমন্বয়ে গঠিত এবং কোষ্ঠকাঠিন্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

ফার্মাকোডাইনামিক্স

Magnesium Hydroxide + Liquid Paraffin-এর দুটি সম্পূরক কার্যপ্রণালী রয়েছে। ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড পরিপাকতন্ত্র থেকে খুব সামান্যই শোষিত হয়; অশোষিত ম্যাগনেসিয়াম আয়ন অন্ত্রের ভেতরে একটি অসমোটিক গ্রেডিয়েন্ট তৈরি করে যা পানি টেনে এনে মলের পরিমাণ ও নরমতা বাড়ায় এবং অন্ত্রের সংকোচন (পেরিস্টালসিস) উদ্দীপিত করে, সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগ ঘটায়। অন্যদিকে লিকুইড প্যারাফিন একটি নিষ্ক্রিয় মিনারেল অয়েল, যা হজম বা শোষিত হয় না; এটি মল ও অন্ত্রের প্রাচীরে একটি প্রলেপ তৈরি করে, মল থেকে পানি শোষণ কমায় এবং মলত্যাগ সহজ করে, সাধারণত ৬-৮ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর হয়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সিস্টেমিক শোষণ খুবই কম (মুখে সেবিত মাত্রার প্রায় ৫-১০%), এবং শোষিত অংশ কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়; কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এই শোষণ ও নিঃসরণ প্রভাবিত হতে পারে, ফলে জমা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। লিকুইড প্যারাফিন মূলত অশোষিত থেকে মলের মাধ্যমে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়, যদিও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে সামান্য পরিমাণ অন্ত্রের টিস্যুতে জমা হতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Duolax-এর মাত্রা নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্যাকেজ লেবেল অনুযায়ী নির্ধারিত হওয়া উচিত এবং সাধারণত বয়স ও প্রতিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিভেদে নির্ধারিত হয়। নিচের সারণিতে সাধারণভাবে প্রচলিত মাত্রার একটি ধারণা দেওয়া হলো:

জনগোষ্ঠীসাধারণ মাত্রাসেবনের ফ্রিকোয়েন্সি
প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি বয়সী শিশু১৫-৩০ মি.লি.দিনে একবার, সাধারণত সকালে বা খাবারের সাথে, প্রয়োজন অনুযায়ী
৬-১২ বছর বয়সী শিশু৫-১৫ মি.লি. (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)দিনে একবার, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে
৬ বছরের কম বয়সী শিশুচিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সুপারিশ করা হয় না-
বয়স্ক ব্যক্তিসর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা; সতর্কতার সাথে ব্যবহার্যচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Duolax একটানা ১ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। সেবনের ব্যবহারিক নির্দেশনার জন্য নিচের অংশ এবং লিকুইড প্যারাফিন উপাদান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসপিরেশন-ঝুঁকির সতর্কতার জন্য "সতর্কতা" অংশ দেখুন।

সেবনবিধি

  • প্রতিবার ব্যবহারের আগে বোতল ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন, কারণ Duolax একটি ইমালশন/সাসপেনশন।
  • Duolax মুখে সেবন করুন, উপযুক্ত মাপার কাপ বা চামচ দিয়ে মেপে নিন।
  • শোয়া অবস্থায় বা ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে Duolax সেবন করবেন না, কারণ লিকুইড প্যারাফিন উপাদানের কারণে ফুসফুসে চলে যাওয়ার (অ্যাসপিরেশন) এবং লিপয়েড নিউমোনিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • Duolax অন্যান্য মুখে খাওয়ার ঔষধ (যেমন টেট্রাসাইক্লিন, ফ্লুরোকুইনোলোন) থেকে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা ব্যবধানে সেবন করুন, কারণ এটি তাদের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে।
  • শুধুমাত্র মাঝে মাঝে দেখা দেওয়া কোষ্ঠকাঠিন্যের স্বল্পমেয়াদী উপশমের জন্য ব্যবহার করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ১ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (এ, ডি, ই, কে): Duolax-এর লিকুইড প্যারাফিন উপাদানের নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের শোষণ কমাতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ভিটামিনের ঘাটতি ঘটাতে পারে।
  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক: Duolax-এর ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড উপাদান এসব অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে বিক্রিয়া করে তাদের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে; তাই সেবনের মধ্যে অন্তত ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত।
  • ডকুসেট সোডিয়াম (স্টুল সফটেনার): ডকুসেট সোডিয়ামের সাথে একত্রে ব্যবহার সাধারণত এড়ানো উচিত, কারণ ডকুসেট লিকুইড প্যারাফিনের সিস্টেমিক শোষণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • মুখে সেবনযোগ্য অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন): দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে Duolax ভিটামিন কে-এর শোষণ কমিয়ে অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে; দীর্ঘমেয়াদী একত্রে ব্যবহারে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • অন্যান্য মুখে সেবনযোগ্য ঔষধ: ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অন্যান্য অ্যান্টাসিড/ল্যাক্সেটিভের মতোই, Duolax অন্যান্য মুখে সেবিত ঔষধের শোষণ কমাতে বা বিলম্বিত করতে পারে; সাধারণত ২ ঘণ্টা বা তার বেশি ব্যবধান রাখা ভালো।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Magnesium Hydroxide + Liquid Paraffin ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, লিকুইড প্যারাফিন বা এর কোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা।
  • অ্যাপেন্ডিসাইটিস বা তীব্র সার্জিক্যাল পেটের সমস্যার লক্ষণ (যেমন অজানা কারণের পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি), কারণ এমন অবস্থায় ল্যাক্সেটিভ ব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে এবং প্রকৃত সমস্যাকে ঢেকে দিতে বা আরও খারাপ করতে পারে।
  • নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন অন্ত্র বাধা (ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন) বা অন্ত্র ছিদ্র (পারফোরেশন)।
  • গুরুতর কিডনি জটিলতা, কারণ এতে ম্যাগনেসিয়াম জমা হয়ে হাইপারম্যাগনেসেমিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • যেসব রোগীর গিলতে সমস্যা (ডিসফ্যাজিয়া) আছে বা গ্যাগ রিফ্লেক্স দুর্বল, এবং যারা শয্যাশায়ী বা সেবনের পর সোজা হয়ে বসতে অক্ষম, কারণ লিকুইড প্যারাফিন উপাদানের কারণে ফুসফুসে চলে যাওয়া (অ্যাসপিরেশন) ও লিপয়েড নিউমোনিয়া হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি থাকে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Duolax সেবনে সাধারণত মাত্রা-নির্ভর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যেমন:

  • ডায়রিয়া ও পেটে খিঁচুনি, বিশেষত বেশি মাত্রায় সেবনে।
  • বমি বমি ভাব।
  • মলদ্বার দিয়ে তেল চুইয়ে পড়া এবং অন্তর্বাস নোংরা হওয়া - এটি লিকুইড প্যারাফিন উপাদানের একটি সুপরিচিত অস্বস্তিকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, বিশেষত অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী সেবনে।
  • তেল চুইয়ে পড়ার কারণে মলদ্বারে চুলকানি (প্রুরাইটাস অ্যানি)।
  • অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে, অথবা কিডনি জটিলতাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হাইপারম্যাগনেসেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত ম্যাগনেসিয়াম) হতে পারে; লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে ক্লান্তি, দুর্বলতা, বমি বমি ভাব, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে যাওয়া বা হৃদযন্ত্রের সমস্যা।
  • লিপয়েড নিউমোনিয়া (বিরল, মূলত লিকুইড প্যারাফিন ফুসফুসে চলে গেলে দেখা দেয় - বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশ দেখুন)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় Duolax শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মাঝে মাঝে স্বল্পমেয়াদী ব্যবহার সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, তবে গর্ভাবস্থায় লিকুইড প্যারাফিন উপাদানের নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার সাধারণত নিরুৎসাহিত করা হয়, কারণ এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের (বিশেষত ভিটামিন কে) শোষণ কমিয়ে দিতে পারে, যা মা ও নবজাতকের রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে - প্রসবের সময়ের কাছাকাছি এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

স্তন্যদান: বুকের দুধে নিঃসরণ সম্পর্কে তথ্য সীমিত। ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড সিস্টেমিকভাবে খুব কম শোষিত হয় বলে মাঝে মাঝে ব্যবহার সাধারণত স্তন্যদানকালে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়; লিকুইড প্যারাফিনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে শোষিত হয় না বলে ধারণা করা হয়। তবুও, স্তন্যদানকালে Duolax শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে ব্যবহার করা উচিত এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • অ্যাসপিরেশন/লিপয়েড নিউমোনিয়ার ঝুঁকি: Duolax-এ লিকুইড প্যারাফিন থাকায়, ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে বা শোয়া অবস্থায় এটি সেবন করা উচিত নয়, কারণ লিকুইড প্যারাফিন ফুসফুসে চলে গেলে লিপয়েড নিউমোনিয়া হতে পারে। বয়স্ক, দুর্বল বা শয্যাশায়ী রোগী এবং গিলতে সমস্যাযুক্ত (ডিসফ্যাজিয়া) বা দুর্বল গ্যাগ রিফ্লেক্সযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য; এমন রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত এটি ব্যবহার এড়ানো উচিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
  • ব্যবহারের সময়সীমা: Duolax শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একটানা ১ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়; দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
  • কিডনি জটিলতা: কিডনি কার্যকারিতা কম থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত/দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, কারণ ম্যাগনেসিয়াম জমা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • দীর্ঘমেয়াদী/নিয়মিত ব্যবহার: Duolax-এর দীর্ঘমেয়াদী নিয়মিত ব্যবহার চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (এ, ডি, ই, কে) শোষণ কমাতে পারে - বিস্তারিত জানতে "ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া" দেখুন।
  • বয়স্ক রোগী: এই জনগোষ্ঠীতে অ্যাসপিরেশন ও কিডনি জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

মাত্রাধিক্যতা

Duolax-এর মাত্রাধিক্য সেবনে তীব্র ডায়রিয়া, পেটে খিঁচুনি এবং তরল ঘাটতি ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। কিডনি জটিলতাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বা অনেক বেশি/বারবার মাত্রাধিক্য সেবনে হাইপারম্যাগনেসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে বমি বমি ভাব, বমি, মুখ লাল হয়ে যাওয়া, ক্লান্তি, মাংসপেশির দুর্বলতা, নিম্ন রক্তচাপ, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা বা শ্বাসকষ্ট। প্রচুর পরিমাণে লিকুইড প্যারাফিন ফুসফুসে চলে গেলে লিপয়েড নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। Duolax-এর মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে বিশেষ কোনো ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না।

সংরক্ষণ

রুম তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • কিডনি জটিলতা: Duolax সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; ম্যাগনেসিয়াম জমা হওয়া ও হাইপারম্যাগনেসেমিয়ার ঝুঁকির কারণে নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন (দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা)।
  • লিভার জটিলতা: সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের তথ্য প্রতিষ্ঠিত নয়; অন্যান্য ল্যাক্সেটিভের মতোই সাধারণ সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
  • বয়স্ক ব্যক্তি: অ্যাসপিরেশন/লিপয়েড নিউমোনিয়া ও কিডনি জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করুন এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা শোয়া অবস্থায় সেবন এড়িয়ে চলুন (দেখুন সতর্কতা)।
  • শিশু: ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সুপারিশ করা হয় না; বড় শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: বিস্তারিত নির্দেশনার জন্য "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Duolax 100 ml Oral Emulsion কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Duolax 100 ml Oral Emulsion মাঝে মাঝে দেখা দেওয়া কোষ্ঠকাঠিন্যের স্বল্পমেয়াদী উপশমের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের অসমোটিক ল্যাক্সেটিভ প্রভাব এবং লিকুইড প্যারাফিনের লুব্রিক্যান্ট প্রভাবের সমন্বয়ে মল নরম করে এবং মলত্যাগ সহজ করে।

Q: ঘুমাতে যাওয়ার আগে কি Duolax 100 ml Oral Emulsion খাওয়া যাবে?

A: না। ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে বা শোয়া অবস্থায় Duolax 100 ml Oral Emulsion সেবন করা উচিত নয়। এতে লিকুইড প্যারাফিন থাকায়, শোয়া অবস্থায় সেবন করলে এটি ফুসফুসে চলে যাওয়ার (অ্যাসপিরেশন) ঝুঁকি বাড়ে, যা লিপয়েড নিউমোনিয়া নামক গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সোজা হয়ে বসে, সাধারণত সকালে বা খাবারের সাথে এটি সেবন করুন।

Q: কতদিন পর্যন্ত Duolax 100 ml Oral Emulsion ব্যবহার করা যায়?

A: Duolax 100 ml Oral Emulsion শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদী, মাঝে মাঝে ব্যবহারের জন্য এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একটানা ১ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। কোষ্ঠকাঠিন্য চলতে থাকলে বা বারবার ফিরে আসলে, নিজে থেকে চিকিৎসা চালিয়ে না গিয়ে প্রকৃত কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: গর্ভাবস্থায় Duolax 100 ml Oral Emulsion কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Duolax 100 ml Oral Emulsion শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত। মাঝে মাঝে স্বল্পমেয়াদী ব্যবহার সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, তবে নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার সাধারণত নিরুৎসাহিত করা হয়, কারণ এর লিকুইড প্যারাফিন উপাদান চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন কে-এর শোষণ কমিয়ে দিতে পারে, যা স্বাভাবিক রক্ত জমাট বাঁধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত প্রসবের কাছাকাছি সময়ে।

Q: কাদের Duolax 100 ml Oral Emulsion সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের এর উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা আছে, যাদের অ্যাপেন্ডিসাইটিস বা অজানা কারণের পেট ব্যথা আছে, যাদের নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন অন্ত্র বাধা আছে, যাদের গুরুতর কিডনি জটিলতা আছে, অথবা যাদের গিলতে সমস্যা আছে বা যারা শয্যাশায়ী, তাদের Duolax 100 ml Oral Emulsion সেবন করা উচিত নয়, কারণ এতে অ্যাসপিরেশন ও লিপয়েড নিউমোনিয়ার ঝুঁকি থাকে।

Q: Duolax 100 ml Oral Emulsion-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Duolax 100 ml Oral Emulsion-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, পেটে খিঁচুনি, বমি বমি ভাব, এবং মাত্রা বেশি হলে মলদ্বার দিয়ে তেল চুইয়ে পড়া বা অন্তর্বাস নোংরা হওয়া। অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হাইপারম্যাগনেসেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত ম্যাগনেসিয়াম) হতে পারে, বিশেষত কিডনি জটিলতাযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor