Product gallery
MRP ৳ ২৫.১০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২২.৫৯/10's Strip
স্টকে নেই
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Efol ER একটি সংমিশ্রিত হেমাটিনিক ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট, যেখানে ফেরাস সালফেট হিমোগ্লোবিন সংশ্লেষণের জন্য এলিমেন্টাল আয়রন সরবরাহ করে, ফলিক এসিড লোহিত রক্তকণিকার ডিএনএ সংশ্লেষণ ও পরিপক্বতায় সহায়তা করে, এবং জিংক সালফেট মনোহাইড্রেট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর ব্যবহারসমূহ:

প্রতিষ্ঠিত ও নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার

  • আয়রন এবং/অথবা ফোলেট ঘাটতিজনিত পুষ্টিজনিত রক্তস্বল্পতার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে, যার মধ্যে রয়েছে আয়রন-ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা এবং পুষ্টিজনিত মেগালোব্লাস্টিক রক্তস্বল্পতা, যেখানে একটি সংমিশ্রিত হেমাটিনিক উপযুক্ত।
  • খাদ্য থেকে বর্ধিত শারীরবৃত্তীয় চাহিদা পূরণ না হলে, চিকিৎসকের নির্দেশনায় গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে আয়রন, ফলিক এসিড ও জিংক ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় (দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে)।
  • প্রমাণিত বা সম্ভাব্য খাদ্যতালিকাগত ঘাটতিসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে (যেমন দুর্বল খাদ্যাভ্যাস, শোষণ সমস্যা, বা বর্ধিত চাহিদা) সাধারণ হেমাটিনিক ও মিনারেল সাপ্লিমেন্টেশন।

Efol ER নির্দিষ্ট পুষ্টিজনিত ঘাটতি সংশোধন বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত একটি সাপ্লিমেন্ট; এটি অন্যান্য কারণে (যেমন ভিটামিন বি১২ ঘাটতি, দীর্ঘস্থায়ী রোগ, হিমোগ্লোবিনোপ্যাথি) সৃষ্ট রক্তস্বল্পতার চিকিৎসা করে না এবং রক্তস্বল্পতার মূল কারণ অনুসন্ধানের বিকল্প নয়। ব্যবহার চিকিৎসকের নির্দেশনায় হওয়া উচিত, সম্ভব হলে ঘাটতি নিশ্চিত করে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Efol ER থেরাপিউটিক শ্রেণিতে আয়রন, ভিটামিন ও মিনারেল সমন্বিত প্রস্তুতি (হেমাটিনিক)-এর অন্তর্গত, যা আয়রন, ফোলেট ও জিংক ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Ferrous Sulfate + Folic Acid + Zinc Sulfate Monohydrate-এর তিনটি উপাদানের পরিপূরক কার্যপ্রণালী রয়েছে:

  • ফেরাস সালফেট ফেরাস (Fe2+) আয়রন সরবরাহ করে, যা মূলত ডিউডেনাম ও প্রক্সিমাল জেজুনামে শোষিত হয়, রক্তরসে ট্রান্সফেরিনের সাথে আবদ্ধ হয়ে পরিবাহিত হয়, এবং বিকাশমান লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনে এবং মায়োগ্লোবিন ও বিভিন্ন আয়রন-নির্ভর এনজাইমে অন্তর্ভুক্ত হয়। আয়রন ঘাটতি সংশোধন হিমোগ্লোবিন সংশ্লেষণ পুনরুদ্ধার করে এবং আয়রন-ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা নিরাময় করে।
  • ফলিক এসিড সক্রিয় বিপাক টেট্রাহাইড্রোফোলেটে রূপান্তরিত হয়, যা ডিএনএ সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়ান-কার্বন ট্রান্সফার বিক্রিয়ায় কোএনজাইম হিসেবে কাজ করে। স্বাভাবিক এরিথ্রোপয়েসিস ও দ্রুত কোষ বিভাজনের জন্য পর্যাপ্ত ফোলেট অপরিহার্য, এবং এর ঘাটতি মেগালোব্লাস্টিক রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি করে।
  • জিংক সালফেট মনোহাইড্রেট এলিমেন্টাল জিংক সরবরাহ করে, যা প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিড সংশ্লেষণ, ইমিউন কোষের কার্যকারিতা, ক্ষত নিরাময় এবং স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে জড়িত অসংখ্য মেটালোএনজাইমের কোফ্যাক্টর; জিংক ঘাটতি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বৃদ্ধি এবং স্বাদ/ক্ষুধাকে দুর্বল করে।

একত্রে, Ferrous Sulfate + Folic Acid + Zinc Sulfate Monohydrate-এর উপাদানগুলো একে অপরের সাথে সাধারণভাবে সহাবস্থানকারী পুষ্টিজনিত ঘাটতিগুলো মোকাবেলা করে, স্বাভাবিক হেমাটোপয়েসিস, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

নির্দেশনাসাধারণ মাত্রা
আয়রন, ফলিক এসিড ও জিংক ঘাটতি; পুষ্টিজনিত রক্তস্বল্পতাEfol ER-এর ১টি ক্যাপসুল/ট্যাবলেট দৈনিক একবার
গুরুতর ঘাটতি (চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী)সহনীয় হলে ভাগ করে Efol ER-এর দৈনিক সর্বোচ্চ ২টি ক্যাপসুল/ট্যাবলেট পর্যন্ত
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে (চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী)Efol ER-এর ১টি ক্যাপসুল/ট্যাবলেট দৈনিক, সাধারণত প্রথম ত্রৈমাসিকের পরে শুরু করা হয় যদি না প্রমাণিত ঘাটতির কারণে আগেই প্রয়োজন হয় (দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে)

শিশুদের মাত্রা

এক বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত Efol ER-এর ১টি ক্যাপসুল/ট্যাবলেট দৈনিক, বয়স-উপযোগী ফর্মুলেশন ব্যবহার করে দেওয়া হয়; শিশু পুরো ক্যাপসুল গিলতে না পারলে ক্যাপসুল খুলে পেলেটগুলো নরম খাবারের সাথে মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে, তবে চিবানো যাবে না। এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার শিশু বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় হওয়া উচিত। দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার।

রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট

কিডনি বৈকল্য বা কিডনি ফেইলিউর আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Efol ER সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ তাদের জিংক জমা হওয়ার ঝুঁকি বেশি; মাত্রা পৃথকভাবে নির্ধারণ করা উচিত এবং চিকিৎসক দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সেবনবিধি

Efol ER খালি পেটে (যেমন খাবারের এক ঘণ্টা আগে বা দুই ঘণ্টা পরে) গ্রহণ করলে সবচেয়ে ভালো শোষিত হয়, তবে পরিপাকতান্ত্রিক অস্বস্তি হলে খাবারের সাথেও নেওয়া যেতে পারে, যদিও এতে আয়রন শোষণ কিছুটা কমতে পারে। ক্যাপসুল/ট্যাবলেট পুরোটা পানির সাথে গিলে ফেলুন; টাইমড-রিলিজ ফর্মুলেশন চূর্ণ বা চিবানো যাবে না। চা, কফি, দুধ, বা ক্যালসিয়াম/অ্যান্টাসিড জাতীয় পণ্যের সাথে গ্রহণ এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো আয়রন ও জিংক শোষণ কমাতে পারে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Efol ER-এর নিম্নলিখিত সু-প্রতিষ্ঠিত, ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন টেট্রাসাইক্লিন, ডক্সিসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন): অন্ত্রে আয়রন ও জিংক উভয়ই এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর সাথে কিলেট তৈরি করে, অ্যান্টিবায়োটিক ও মিনারেল উভয়ের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টা ব্যবধানে সেবন করুন।
  • পেনিসিলামিন: আয়রন ও জিংক পেনিসিলামিনের শোষণ কমাতে পারে এবং পেনিসিলামিন আয়রন/জিংক শোষণ কমাতে পারে; একসাথে ব্যবহার প্রয়োজন হলে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • অ্যান্টাসিড এবং প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর/এইচ২-ব্লকার: আয়রন শোষণের জন্য প্রয়োজনীয় পাকস্থলীর অম্লতা কমায়, এবং ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম-সমৃদ্ধ অ্যান্টাসিড Efol ER-এর আয়রন ও জিংকের সাথেও কিলেট তৈরি করে শোষণ কমাতে পারে; যেখানে সম্ভব কমপক্ষে ২ ঘণ্টা ব্যবধানে সেবন করুন।
  • লেভোথাইরক্সিন: একসাথে গ্রহণ করলে আয়রন লেভোথাইরক্সিনের শোষণ কমাতে পারে; কমপক্ষে ৪ ঘণ্টা ব্যবধানে সেবন করুন।
  • ক্যালসিয়াম ও দুগ্ধজাত পণ্য: দুগ্ধজাত খাবার/পণ্যের ক্যালসিয়াম ও ফাইটেট আয়রন ও জিংক শোষণ কমাতে পারে; দুধ বা ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টের সাথে Efol ER গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।
  • কপার ও দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রায় ব্যবহার: পর্যাপ্ত খাদ্যতালিকাগত কপার ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী জিংক সাপ্লিমেন্টেশন কপার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে; দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে পর্যবেক্ষণ করুন।
  • অন্যান্য আয়রন- বা জিংক-সমৃদ্ধ পণ্য: অন্যান্য আয়রন বা জিংকযুক্ত সাপ্লিমেন্ট, মাল্টিভিটামিন, বা ফোর্টিফাইড খাবারের সাথে একত্রে ব্যবহার আয়রন/জিংক অতিরিক্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়; চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া দ্বৈত সাপ্লিমেন্টেশন এড়িয়ে চলুন।

প্রতিনির্দেশনা

Ferrous Sulfate + Folic Acid + Zinc Sulfate Monohydrate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত:

  • ফেরাস সালফেট, ফলিক এসিড, জিংক সালফেট, বা পণ্যের যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা।
  • হিমোক্রোমাটোসিস এবং অন্যান্য আয়রন-ওভারলোড ব্যাধি (যেমন হিমোসাইডেরোসিস)।
  • আয়রন, ফোলেট বা জিংক ঘাটতিজনিত নয় এমন হিমোলাইটিক রক্তস্বল্পতা, এবং আয়রন স্বাভাবিকভাবে ব্যবহৃত হয় না এমন অন্যান্য অবস্থা (যেমন পাইরিডক্সিন-প্রতিক্রিয়াশীল রক্তস্বল্পতা, প্রমাণিত আয়রন ঘাটতি ছাড়া থ্যালাসেমিয়া)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

প্রস্তাবিত মাত্রায় Efol ER সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়, যদিও আয়রন উপাদানের কারণে পরিপাকতান্ত্রিক প্রভাব সাধারণ। প্রতিবেদিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:

  • অতি সাধারণ: কালচে বা কালো রঙের মল (আয়রন উপাদানের একটি নিরীহ ও প্রত্যাশিত প্রভাব)।
  • সাধারণ: বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, পেটে অস্বস্তি, এবং ক্ষুধামন্দা।
  • কম সাধারণ: বমি, ধাতব স্বাদ (জিংক উপাদানের সাথে সম্পর্কিত), এবং বুক জ্বালাপোড়া।
  • বিরল: অ্যালার্জি/অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া (যেমন র‍্যাশ, চুলকানি)। দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রায় জিংক ব্যবহার বিরল ক্ষেত্রে কপার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে, যার সাথে রক্তস্বল্পতা বা স্নায়বিক লক্ষণ থাকতে পারে (দেখুন সতর্কতা)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা-সম্পর্কিত আয়রন, ফোলেট ও জিংক ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং ভ্রূণের নিউরাল টিউব বিকাশে সহায়তা করতে Efol ER গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে সাধারণভাবে সুপারিশকৃত ও উপকারী বলে বিবেচিত হয়। তবে, প্রথম ত্রৈমাসিকে নিয়মিত আয়রন সাপ্লিমেন্টেশন সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত যদি না ঘাটতি প্রমাণিত হয়, কারণ প্রাথমিক গর্ভাবস্থায় আয়রনের চাহিদা কম থাকে এবং পরিপাকতান্ত্রিক সহনশীলতা কম হতে পারে; ফলিক এসিড ও জিংক সাপ্লিমেন্টেশন চিকিৎসকের নির্দেশনায় সাধারণত পুরো গর্ভাবস্থাজুড়ে উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়। Efol ER শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, যেখানে মাত্রা গর্ভাবস্থার পর্যায় এবং নিশ্চিত বা সম্ভাব্য ঘাটতি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। প্রস্তাবিত সাপ্লিমেন্টাল মাত্রায় আয়রন, ফলিক এসিড ও জিংক সাধারণত স্তন্যদানের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, তবে স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

Efol ER ব্যবহারে নিম্নলিখিত সতর্কতা প্রযোজ্য:

  • শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। Efol ER-সহ আয়রনযুক্ত পণ্য শিশুদের দুর্ঘটনাজনিত বিষক্রিয়ার একটি গুরুতর কারণ; শিশুর ক্ষেত্রে আয়রনের দুর্ঘটনাজনিত মাত্রাধিক্যতা একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা (দেখুন মাত্রাধিক্যতা)।
  • হিমোক্রোমাটোসিসের পারিবারিক ইতিহাস, হিমোলাইটিক রক্তস্বল্পতা, রেড সেল অ্যাপ্লাসিয়া, বা বারবার রক্ত সঞ্চালন গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে আয়রন ওভারলোডের ঝুঁকি থাকায় সতর্কতার সাথে ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন।
  • ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্টেশন ভিটামিন বি১২ ঘাটতির রক্ত সংক্রান্ত (হেমাটোলজিক) লক্ষণ ঢেকে রাখতে পারে, অথচ বি১২ ঘাটতিজনিত অন্তর্নিহিত স্নায়বিক ক্ষতি অগ্রসর হতে থাকে; মেগালোব্লাস্টিক রক্তস্বল্পতা সন্দেহ হলে, বিশেষত বয়স্ক রোগী বা বি১২ ঘাটতির ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে, ব্যবহারের আগে বা সময়ে বি১২ ঘাটতির যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত।
  • পর্যাপ্ত খাদ্যতালিকাগত কপার ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রায় জিংক সাপ্লিমেন্টেশন কপার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে, যা রক্তস্বল্পতা বা স্নায়বিক লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে; তত্ত্বাবধান ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রায় ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • কিডনি বৈকল্য/কিডনি ফেইলিউরে জিংক জমা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ার কারণে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
  • চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া অন্যান্য আয়রন-, ফলিক এসিড-, বা জিংক-সমৃদ্ধ পণ্যের সাথে একত্রে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, যাতে অতিরিক্ত গ্রহণ না হয়।
  • Efol ER একটি অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং এর জন্য কোনো অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল স্টুয়ার্ডশিপ প্রয়োজন নেই, তবে এটি নির্দেশ অনুযায়ীই গ্রহণ করা উচিত এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্যের সাথে শেয়ার করা উচিত নয়, কারণ ব্যক্তিভেদে মাত্রার চাহিদা ভিন্ন হতে পারে।

মাত্রাধিক্যতা

Efol ER-এর মাত্রাধিক্যতা, বিশেষত এর আয়রন উপাদানের, সম্ভাব্যভাবে গুরুতর এবং প্রাণঘাতী হতে পারে, বিশেষত ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে যারা দুর্ঘটনাক্রমে ট্যাবলেট/ক্যাপসুল খেয়ে ফেলতে পারে। তীব্র আয়রন মাত্রাধিক্যতার লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে বমি বমি ভাব, বমি (কখনো রক্তসহ), পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, ঝিমুনি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে শক, মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস, লিভারের ক্ষতি এবং কার্ডিওভাসকুলার কোলাপ্স, যা কখনো কখনো আপাত উন্নতির একটি প্রতারণামূলক সময়কালের পরে দেখা দেয়। অতিরিক্ত জিংক গ্রহণ বমি বমি ভাব, বমি এবং দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত গ্রহণে কপার ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে, ব্যক্তি সুস্থ মনে হলেও, অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন বা পয়জন কন্ট্রোল সেন্টার/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন; নিজে থেকে নির্দিষ্ট কোনো ঘরোয়া চিকিৎসা করা বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বমি করানোর চেষ্টা করবেন না। চিকিৎসা দ্রুত এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর নির্দেশনায় হওয়া প্রয়োজন।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

এক বছরের বেশি বয়সী শিশুদের সংমিশ্রিত আয়রন, ফলিক এসিড ও জিংক ঘাটতির চিকিৎসা ও প্রতিরোধে Efol ER বয়স-উপযোগী মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে; শিশু পুরো ক্যাপসুল গিলতে না পারলে ক্যাপসুলের কন্টেন্ট নরম খাবারের সাথে মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে (চিবানো যাবে না)। এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার শিশু বিশেষজ্ঞ দ্বারা পৃথকভাবে নির্ধারণ করা উচিত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

পুষ্টিজনিত রক্তস্বল্পতা বা খাদ্যতালিকাগত ঘাটতি থাকা বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Efol ER সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়; এই গ্রুপে ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্টেশন অন্তর্নিহিত ভিটামিন বি১২ ঘাটতি ঢেকে রাখতে পারে, যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে বেশি দেখা যায়, তাই রক্তস্বল্পতা থাকলে বি১২ ঘাটতির মূল্যায়ন করা উচিত (দেখুন সতর্কতা)।

কিডনি বৈকল্য

কিডনি বৈকল্য জিংক জমা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় বলে সতর্কতার সাথে ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন; মাত্রা সমন্বয় বা ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: আয়রন এবং/অথবা ফোলেট ঘাটতিজনিত পুষ্টিজনিত রক্তস্বল্পতার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে এবং বিশেষত গর্ভাবস্থা, স্তন্যদানকালে ও খাদ্যতালিকাগত ঘাটতিসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আয়রন, ফলিক এসিড ও জিংক সাপ্লিমেন্ট হিসেবে Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule ব্যবহৃত হয়।

Q: Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule কীভাবে সেবন করব?

A: সবচেয়ে ভালো শোষণের জন্য Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule খালি পেটে (খাবারের এক ঘণ্টা আগে বা দুই ঘণ্টা পরে) দিনে একবার গ্রহণ করুন, অথবা পেট খারাপ লাগলে সামান্য খাবারের সাথে নিন। ক্যাপসুল/ট্যাবলেট পুরোটা পানির সাথে গিলে ফেলুন; চা, কফি, দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে গ্রহণ এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শোষণ কমাতে পারে। আপনার চিকিৎসকের পরামর্শকৃত মাত্রা ও মেয়াদ অনুসরণ করুন।

Q: গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule সেবন করা যাবে কি?

A: গর্ভাবস্থা-সম্পর্কিত আয়রন, ফোলেট ও জিংক ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং ভ্রূণের নিউরাল টিউব বিকাশে সহায়তা করতে Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule গর্ভাবস্থায় সাধারণভাবে সুপারিশকৃত ও উপকারী বলে বিবেচিত হয়, তবে ঘাটতি প্রমাণিত না হলে প্রথম ত্রৈমাসিকে নিয়মিত আয়রন সাপ্লিমেন্টেশন সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত। প্রস্তাবিত মাত্রায় এটি স্তন্যদানের সাথেও সাধারণত সামঞ্জস্যপূর্ণ। চিকিৎসক আপনার গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের পর্যায় অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করবেন, তাই শুধুমাত্র তার নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

Q: কাদের Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule সেবন করা উচিত নয়?

A: হিমোক্রোমাটোসিস বা অন্যান্য আয়রন-ওভারলোড ব্যাধি, আয়রন/ফোলেট/জিংক ঘাটতিজনিত নয় এমন হিমোলাইটিক রক্তস্বল্পতা, বা ফেরাস সালফেট, ফলিক এসিড বা জিংক সালফেটের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা থাকা ব্যক্তিদের Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule সেবন করা উচিত নয়।

Q: Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule সেবনের পর মল কালচে হয় কেন?

A: কালচে বা কালো রঙের মল Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule-এর আয়রন উপাদানের একটি অত্যন্ত সাধারণ ও নিরীহ প্রভাব। অন্যান্য সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া এবং পেটে অস্বস্তি। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: বেশি মাত্রায়, বিশেষত শিশুর ক্ষেত্রে, Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule সেবন করলে কী হতে পারে?

A: Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule-এর মাত্রাধিক্যতা, বিশেষত এর আয়রন উপাদানের, গুরুতর এমনকি প্রাণঘাতী হতে পারে, বিশেষত ছোট শিশুরা দুর্ঘটনাক্রমে ট্যাবলেট/ক্যাপসুল খেয়ে ফেললে। লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে বমি, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে শক বা অঙ্গের ক্ষতি, যা কখনো আপাত উন্নতির পরও দেখা দিতে পারে। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে, ব্যক্তি সুস্থ মনে হলেও, অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন বা জরুরি/পয়জন কন্ট্রোল সেবায় যোগাযোগ করুন, এবং Efol ER 150 mg+0.5 mg+61.8 mg Capsule সবসময় শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor