
Medicine overview
নির্দেশনা
Erpen একটি কার্বাপেনেম গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট মাঝারি থেকে গুরুতর সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার (প্রাপ্তবয়স্ক ও ৩ মাসের বেশি বয়সী শিশু, বিশেষভাবে উল্লেখ না থাকলে)
- জটিল উদরগহ্বরের (intra-abdominal) সংক্রমণ
- জটিল ত্বক ও ত্বক-গঠন সংক্রমণ, ডায়াবেটিক ফুট ইনফেকশন সহ (অস্টিওমায়েলাইটিস ছাড়া)
- কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া
- জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ, পাইলোনেফ্রাইটিস সহ
- তীব্র পেলভিক সংক্রমণ
কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে
- কোলোরেক্টাল সার্জারির পূর্বে সংক্রমণ প্রতিরোধে একক মাত্রায় প্রয়োগ (সার্জিক্যাল প্রোফাইল্যাক্সিস)
বিঃদ্রঃ Erpen Pseudomonas aeruginosa, Acinetobacter প্রজাতি বা মেথিসিলিন-প্রতিরোধী স্ট্যাফাইলোকক্কাসের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়; এসব জীবাণুর সংক্রমণে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ও কালচার/সংবেদনশীলতা পরীক্ষার ভিত্তিতেই Erpen ব্যবহার করা উচিত।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Erpen কার্বাপেনেম শ্রেণির একটি বিস্তৃত-বর্ণালী বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক।
ফার্মাকোলজি
Ertapenem ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে জীবাণুনাশক প্রভাব ফেলে। এটি ব্যাকটেরিয়ার বাইরের ঝিল্লি ভেদ করে পেনিসিলিন-বাইন্ডিং প্রোটিন (PBP)-এর সাথে যুক্ত হয়ে পেপটিডোগ্লাইক্যানের ক্রস-লিংকিং বাধাগ্রস্ত করে, ফলে কোষপ্রাচীর দুর্বল হয়ে কোষ ভেঙে যায় এবং ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।
Ertapenem অধিকাংশ সাধারণ বিটা-ল্যাকটামেজ এনজাইম দ্বারা ভাঙনের বিরুদ্ধে স্থিতিশীল, তবে মেটালো-বিটা-ল্যাকটামেজ দ্বারা এটি ভেঙে যেতে পারে।
ফার্মাকোকাইনেটিক্স: Ertapenem প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতায় প্রায় ৪ ঘণ্টার প্লাজমা অর্ধায়ু নিয়ে দিনে একবার প্রয়োগের উপযোগী, এবং প্রধানত কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ীই Erpen গ্রহণ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ করবেন না, বাড়াবেন না, বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা | শিশু মাত্রা (৩ মাস–১২ বছর) | স্বাভাবিক মেয়াদ |
|---|---|---|---|
| জটিল উদরগহ্বরের সংক্রমণ | দিনে একবার ১ গ্রাম (শিরায় বা মাংসপেশিতে) | দিনে দুইবার ১৫ মিগ্রা/কেজি (সর্বোচ্চ ১ গ্রাম/দিন) | ৫–১৪ দিন |
| ত্বক/ত্বক-গঠন সংক্রমণ | দিনে একবার ১ গ্রাম | দিনে দুইবার ১৫ মিগ্রা/কেজি (সর্বোচ্চ ১ গ্রাম/দিন) | ৭–১৪ দিন |
| কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া | দিনে একবার ১ গ্রাম | দিনে দুইবার ১৫ মিগ্রা/কেজি (সর্বোচ্চ ১ গ্রাম/দিন) | ১০–১৪ দিন |
| জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণ | দিনে একবার ১ গ্রাম | দিনে দুইবার ১৫ মিগ্রা/কেজি (সর্বোচ্চ ১ গ্রাম/দিন) | ১০–১৪ দিন |
| তীব্র পেলভিক সংক্রমণ | দিনে একবার ১ গ্রাম | নির্ধারিত নয় | ৩–১০ দিন |
| সার্জিক্যাল প্রোফাইল্যাক্সিস (শুধু প্রাপ্তবয়স্ক) | অস্ত্রোপচারের ১ ঘণ্টা আগে একক ১ গ্রাম মাত্রা | প্রযোজ্য নয় | একক মাত্রা |
১৩ বছরের বেশি বয়সী কিশোর-কিশোরীরা প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা অনুসরণ করে। কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের জন্য নিচের অংশ ও "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার" দেখুন।
কিডনি অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয়
- ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স >৩০ মিলি/মিনিট/১.৭৩মি²: মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
- ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ≤৩০ মিলি/মিনিট/১.৭৩মি²: দিনে একবার ৫০০ মিগ্রায় কমাতে হবে; মাত্রার ৬ ঘণ্টার মধ্যে ডায়ালাইসিস হলে অতিরিক্ত ১৫০ মিগ্রা ডায়ালাইসিসের পরে দিতে হবে।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
ভ্যালপ্রোয়িক অ্যাসিড / ডাইভালপ্রোয়েক্স সোডিয়াম
Erpen-এর সাথে ভ্যালপ্রোয়িক অ্যাসিড বা ডাইভালপ্রোয়েক্স সোডিয়াম একসাথে ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না, কারণ এটি রক্তে ভ্যালপ্রোয়িক অ্যাসিডের মাত্রা কমিয়ে খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এড়ানো সম্ভব না হলে রক্তের মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং প্রয়োজনে বিকল্প খিঁচুনি-প্রতিরোধক চিকিৎসা বিবেচনা করা উচিত।
প্রোবেনিসিড
প্রোবেনিসিড কিডনির মাধ্যমে Erpen-এর নিষ্কাশন কমিয়ে এর রক্তমাত্রা ও অর্ধায়ু বাড়িয়ে দিতে পারে; এই সংমিশ্রণ সুপারিশ করা হয় না।
স্থানীয় অবেদনবিদ (লিডোকেইন)
মাংসপেশিতে প্রয়োগের জন্য Erpen লিডোকেইনের সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তাই এই পথে প্রয়োগের ক্ষেত্রে লিডোকেইন-জাতীয় স্থানীয় অবেদনবিদের প্রতি সংবেদনশীলতা সংক্রান্ত ঝুঁকি প্রযোজ্য (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
অন্যান্য বিস্তৃত-বর্ণালী অ্যান্টিবায়োটিকের মতো, Erpen জীবিত ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাকসিনের (যেমন মুখে খাওয়ার টাইফয়েড টিকা) কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে; চিকিৎসাকালীন এই ধরনের টিকা এড়িয়ে চলা উচিত।
প্রতিনির্দেশনা
- Ertapenem বা অন্য কোনো কার্বাপেনেম গোত্রের ঔষধে পরিচিত অ্যালার্জি থাকলে।
- পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন বা অন্য বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকে অ্যানাফাইল্যাক্সিসের (তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া) ইতিহাস থাকলে, কারণ ক্রস-রিঅ্যাকটিভিটির ঝুঁকি রয়েছে।
- শুধুমাত্র মাংসপেশিতে (IM) প্রয়োগের ক্ষেত্রে: লিডোকেইনের মতো অ্যামাইড-জাতীয় স্থানীয় অবেদনবিদে পরিচিত অ্যালার্জি থাকলে, কারণ IM প্রয়োগের জন্য Ertapenem লিডোকেইনের সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
Erpen ব্যবহারে নিচের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা দিতে পারে।
সাধারণ (প্রাপ্তবয়স্ক)
- ডায়রিয়া
- বমি বমি ভাব
- মাথাব্যথা
- ইনফিউশন-স্থানের সমস্যা (শিরাপ্রদাহ, ব্যথা বা ফোলাভাব)
সাধারণ (শিশু রোগী)
- ডায়রিয়া
- বমি
- ইনজেকশন/ইনফিউশন স্থানে ব্যথা
গুরুতর (কম দেখা যায় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ)
- অ্যানাফাইল্যাক্সিসসহ অতি-সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া (দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা)।
- খিঁচুনি ও অন্যান্য স্নায়বিক প্রভাব, বিশেষত কিডনি সমস্যা বা পূর্ব থেকে বিদ্যমান মস্তিষ্কজনিত রোগ থাকলে (দেখুন সতর্কতা)।
- Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া (CDAD), যা মৃদু থেকে গুরুতর কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে (দেখুন সতর্কতা)।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থা
গর্ভাবস্থায় Erpen কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত; সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পশুর উপর গবেষণায় বিকাশজনিত ত্রুটির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য সীমিত।
স্তন্যদান
Erpen অল্প পরিমাণে মায়ের বুকের দুধে প্রবেশ করে। স্তন্যদানকারী মায়ের উচিত চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে স্তন্যদান চালিয়ে যাওয়া বা Erpen গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া, যেখানে স্তন্যদানের উপকারিতা ও মায়ের চিকিৎসাগত প্রয়োজনীয়তা উভয়ই বিবেচনা করা হবে।
সতর্কতা
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ীই Erpen গ্রহণ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বন্ধ করবেন না, বাড়াবেন না, বাদ দেবেন না, বা অন্য কাউকে দেবেন না।
অতি-সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া
Erpenসহ বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকে গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী অ্যানাফাইল্যাক্টিক প্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া গেছে। চিকিৎসা শুরুর আগে পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন বা অন্য বিটা-ল্যাকটামে অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে চিকিৎসককে জানান। কোনো অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সাথে সাথে Erpen বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
খিঁচুনি ও স্নায়বিক প্রভাব
Erpen ব্যবহারকালে খিঁচুনি ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যা বা পূর্ব থেকে বিদ্যমান মস্তিষ্কজনিত/খিঁচুনির ইতিহাস থাকলে। খিঁচুনির ইতিহাস থাকা রোগীদের নিয়মিত খিঁচুনি-প্রতিরোধক ঔষধ চালিয়ে যাওয়া উচিত।
Clostridioides difficile-জনিত ডায়রিয়া (CDAD)
প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকের মতো Erpen-এর ক্ষেত্রেও CDAD-এর খবর পাওয়া গেছে, যা মৃদু ডায়রিয়া থেকে প্রাণঘাতী কোলাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। চিকিৎসাকালীন বা পরে ডায়রিয়া দেখা দিলে দ্রুত মূল্যায়ন করান।
প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি
প্রমাণিত বা প্রবলভাবে সন্দেহজনক ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ছাড়া Erpen ব্যবহার রোগীর উপকারে আসে না এবং প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরির ঝুঁকি বাড়ায়।
মাত্রাধিক্যতা
Erpen-এর অতিরিক্ত মাত্রা সংক্রান্ত তথ্য সীমিত; সুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মাত্রায় বমি বমি ভাব দেখা গেছে। Erpen-এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক (supportive) পদ্ধতিতে করা হয়; প্রয়োজনে হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে শরীর থেকে Erpen অপসারণ করা যায়।
সংরক্ষণ
Erpen-এর না-খোলা ভায়াল ৩০°C-এর নিচে স্বাভাবিক ঘরের তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। জমাট বাঁধাবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
মিশ্রণ তৈরির পর: শিরায় প্রয়োগের দ্রবণ ঘরের তাপমাত্রায় ৬ ঘণ্টার মধ্যে অথবা রেফ্রিজারেটরে রাখলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করুন; মাংসপেশিতে প্রয়োগের দ্রবণ প্রস্তুতির ১ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করুন। অব্যবহৃত দ্রবণ ফেলে দিন।
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার
কিডনি সমস্যা
ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ≤৩০ মিলি/মিনিট/১.৭৩মি² হলে মাত্রা কমাতে হবে (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি); ডায়ালাইসিসের পরে অতিরিক্ত মাত্রার প্রয়োজন হতে পারে।
লিভার সমস্যা
নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের তথ্য নেই; উল্লেখযোগ্য লিভার রোগে Erpen সতর্কতার সাথে ও পর্যবেক্ষণের অধীনে ব্যবহার করা উচিত।
বয়স্ক রোগী
শুধুমাত্র বয়সের কারণে মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে বয়স্ক রোগীদের কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
শিশু রোগী
Erpen ৩ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের নির্দিষ্ট সংক্রমণে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত; ৩ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শিশুদের সার্জিক্যাল প্রোফাইল্যাক্সিসের জন্য এটি অনুমোদিত নয়। বিস্তারিত জানতে "শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার" অংশ দেখুন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
বিস্তারিত জানতে গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
Q: Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection একটি ইনজেকশনযোগ্য অ্যান্টিবায়োটিক, যা জটিল উদরগহ্বর, ত্বক, মূত্রনালী ও পেলভিক সংক্রমণ, কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া এবং কোলোরেক্টাল সার্জারির পর সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এটি কেবল সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর, ঠান্ডা বা ফ্লুর মতো ভাইরাসজনিত রোগে কাজ করে না।
Q: Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection কীভাবে দেওয়া হয়?
A: Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection একজন স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা শিরায় (প্রায় ৩০ মিনিট ধরে) অথবা মাংসপেশিতে ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়, সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দিনে একবার। এটি বাড়িতে নিজে নিজে নেওয়ার ঔষধ নয়।
Q: কাদের Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection নেওয়া উচিত নয়?
A: যাদের Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection, অন্য কার্বাপেনেম বা পেনিসিলিনের মতো বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকে অ্যানাফাইল্যাক্সিসের ইতিহাস আছে, তাদের Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection নেওয়া উচিত নয়। মাংসপেশিতে প্রয়োগের ক্ষেত্রে Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection লিডোকেইনের সাথে মেশানো হয়, তাই লিডোকেইনে অ্যালার্জি থাকলে এই পথে এটি দেওয়া যাবে না।
Q: Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection কি খিঁচুনি ঘটাতে পারে?
A: হ্যাঁ, Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection ব্যবহারে খিঁচুনি ও স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যা বা পূর্ব থেকে খিঁচুনির ইতিহাস থাকলে। চিকিৎসা শুরুর আগে এসব বিষয়ে চিকিৎসককে জানান এবং খিঁচুনি বা অস্বাভাবিক স্নায়বিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection কি নিরাপদ?
A: গর্ভাবস্থায় Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা উচিত, কারণ গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে তথ্য সীমিত, যদিও পশুর গবেষণায় বিকাশজনিত ত্রুটি পাওয়া যায়নি। Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection অল্প পরিমাণে বুকের দুধে যায়, তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
Q: Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection গ্রহণকালে গুরুতর ডায়রিয়া হলে বা মাত্রা মিস হলে কী করব?
A: Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা প্রয়োগ করা হয় বলে নির্ধারিত মাত্রা মিস হলে দ্রুত হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যোগাযোগ করুন। Erpen 1 gm/vial IM/IV Injection গ্রহণকালে বা পরে পানির মতো বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন, কারণ এটি একটি গুরুতর অন্ত্রের সমস্যার (CDAD) লক্ষণ হতে পারে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।