Product gallery
MRP ৳ ২৫.১০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২২.৫৯/10's Strip
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Fast-M মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথা ও জ্বর উপশমে ব্যবহৃত হয়। এতে থাকা মিথিওনিন উপাদানটি বিশেষভাবে যুক্ত করা হয়েছে যাতে প্যারাসিটামলের মাত্রা-নির্ভর লিভার ক্ষতির ঝুঁকি কমানো যায়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • মাথাব্যথা, দাঁতব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা এবং ঋতুস্রাবজনিত ব্যথার মতো মৃদু থেকে মাঝারি ব্যথা উপশম।
  • সাধারণ ঠাণ্ডা ও ফ্লুর মতো সংক্রমণজনিত জ্বর কমানো।

সহায়ক (মিথিওনিন উপাদান) যুক্তি

মিথিওনিন হলো একটি অ্যামিনো অ্যাসিড, যা লিভারে গ্লুটাথায়ন তৈরির পূর্বসূরি হিসেবে কাজ করে। প্যারাসিটামলের একটি সামান্য বিষাক্ত উপজাত পদার্থ নিষ্ক্রিয় করতে গ্লুটাথায়নের প্রয়োজন হয়, তাই মিথিওনিন যোগ করলে দুর্ঘটনাক্রমে মাত্রা বেশি হয়ে গেলেও কিছুটা লিভার সুরক্ষা পাওয়া যায়। তবে এটি জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা প্রতিস্থাপন করে না (দেখুন মাত্রাধিক্যতা)।

Fast-M প্রতিষ্ঠিত প্যারাসিটামল ওভারডোজের চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত নয়; সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট অ্যান্টিডোট থেরাপি (যেমন এন-অ্যাসিটাইলসিস্টিন) প্রয়োজন হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Fast-M অ্যানালজেসিক ও অ্যান্টিপাইরেটিক (ব্যথানাশক ও জ্বরনাশক) থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত — এটি একটি নন-ওপিওয়েড ব্যথানাশক এবং লিভার-সুরক্ষাকারী অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বিত প্রস্তুতি।

ফার্মাকোলজি

Paracetamol + Methionine-এ দুটি উপাদানের পরিপূরক কার্যকারিতা রয়েছে:

  • প্যারাসিটামল: মূলত কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সংশ্লেষণ বাধা দিয়ে এবং হাইপোথ্যালামাসের তাপ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের ওপর প্রভাব ফেলে ব্যথানাশক ও জ্বরনাশক কার্যকারিতা প্রদর্শন করে। প্রস্তাবিত মাত্রায় এর তেমন কোনো পেরিফেরাল প্রদাহবিরোধী প্রভাব নেই।
  • মিথিওনিন: একটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড যা সিস্টাইন এবং পরবর্তীতে লিভারের গ্লুটাথায়নের পূর্বসূরি হিসেবে কাজ করে। প্যারাসিটামল বিপাকের সময় তৈরি হওয়া সামান্য বিষাক্ত উপজাত পদার্থ (NAPQI) নিষ্ক্রিয় করতে গ্লুটাথায়ন প্রয়োজন হয়, এবং মিথিওনিন এই মজুদ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

প্যারাসিটামল পরিপাকতন্ত্র থেকে দ্রুত ও প্রায় সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়, লিভারে ব্যাপকভাবে বিপাকিত হয় এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়। মিথিওনিন ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে শোষিত হয়ে ট্রান্স-সালফিউরেশন পথে বিপাকিত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি বয়সী শিশু

সাধারণত ১-২টি ট্যাবলেট (যেমন প্রতি ট্যাবলেটে প্যারাসিটামল ৫০০ মি.গ্রা. + মিথিওনিন ১০০ মি.গ্রা.), প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা অন্তর। ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪ গ্রাম প্যারাসিটামলের (৫০০ মি.গ্রা. মাত্রার ৮টি ট্যাবলেট) বেশি সেবন করা যাবে না; লিভার ক্ষতির ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক কম দৈনিক সীমা (যেমন ৩ গ্রাম/দিন) পরামর্শ দিতে পারেন।

১২ বছরের কম বয়সী শিশু

Fast-M-এর মতো নির্দিষ্ট মাত্রার সমন্বিত প্রস্তুতি সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সুপারিশ করা হয় না; চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া বয়স/ওজন অনুযায়ী মাত্রার শিশু প্যারাসিটামল প্রস্তুতি ব্যবহার করা উচিত।

বয়স্ক রোগী

সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না, তবে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।

লিভার/কিডনি সমস্যা

লিভারের সমস্যায় সতর্কতার সাথে কম মাত্রায়/কম ঘনঘন ব্যবহার করুন (দেখুন প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা); উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যায় মাত্রার ব্যবধান বাড়ানো উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Fast-M-এর প্যারাসিটামল উপাদানের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত ইন্টার‍্যাকশনগুলো ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ এবং সুপ্রমাণিত:

  • ওয়ারফারিন ও অন্যান্য মুখে খাওয়ার অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট: নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদী প্যারাসিটামল ব্যবহারে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়িয়ে অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট প্রভাব বৃদ্ধি করতে পারে; নিয়মিত একসাথে ব্যবহারে INR পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • লিভার এনজাইম উদ্দীপক ওষুধ (যেমন ফেনিটয়িন, কার্বামাজেপিন, রিফাম্পিসিন, দীর্ঘমেয়াদী মদ্যপান): প্যারাসিটামলের বিষাক্ত উপজাত পদার্থ (NAPQI) উৎপাদন বাড়িয়ে স্বাভাবিক মাত্রায়ও লিভার ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
  • কোলেস্টাইরামিন: প্যারাসিটামল সেবনের ১ ঘণ্টার মধ্যে গ্রহণ করলে এর শোষণ কমিয়ে দেয়; পৃথকভাবে সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • মেটোক্লোপ্রামাইড/ডমপেরিডোন: প্যারাসিটামলের শোষণের হার বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • অন্যান্য প্যারাসিটামলযুক্ত পণ্য: একসাথে ব্যবহার করলে দৈনিক সর্বোচ্চ নিরাপদ মাত্রা অতিক্রম হওয়ার এবং লিভার ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে; এটি এড়িয়ে চলতে হবে।

প্রতিনির্দেশনা

Paracetamol + Methionine নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ:

  • প্যারাসিটামল, মিথিওনিন বা প্রস্তুতির অন্য কোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা।
  • গুরুতর হেপাটোসেলুলার অপ্রতুলতা/গুরুতর সক্রিয় লিভার রোগ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

প্রস্তাবিত মাত্রায় Fast-M সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। প্রতিবেদিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • সাধারণ/অস্বাভাবিক: বমি বমি ভাব, হালকা পেটের অস্বস্তি (বেশি মাত্রায় মিথিওনিনের কারণে বেশি হতে পারে)।
  • বিরল: ত্বকে র‍্যাশ, আর্টিকেরিয়া, অ্যাঞ্জিওএডিমাসহ অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া, এবং অত্যন্ত বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া বা অ্যানাফাইল্যাক্সিস।
  • বিরল: দীর্ঘমেয়াদী প্যারাসিটামল ব্যবহারে রক্তের কোষের সংখ্যা কমে যাওয়া (থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, লিউকোপেনিয়া, অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস)।
  • বিরল: লিভার ক্ষতি, যা মূলত ওভারডোজ বা দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘটে, প্রস্তাবিত থেরাপিউটিক মাত্রায় নয় (দেখুন মাত্রাধিক্যতা)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Fast-M-এর প্রধান উপাদান প্যারাসিটামল প্রয়োজন হলে প্রস্তাবিত মাত্রায় গর্ভাবস্থায় স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়; তবে যেকোনো ওষুধের মতোই, Fast-M শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ও স্বল্পতম সময়ের জন্য এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত, কারণ মিথিওনিনসহ সমন্বিত প্রস্তুতির নিজস্ব তথ্য সীমিত।

স্তন্যদান: প্রস্তাবিত মাত্রায় প্যারাসিটামল অল্প পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে এবং সাধারণত স্তন্যদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। স্তন্যদানকালে মিথিওনিন সাপ্লিমেন্টের তথ্য সীমিত। সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে Fast-M ব্যবহার করা উচিত।

সতর্কতা

Fast-M ব্যবহারে নিম্নলিখিত সতর্কতাগুলো প্রযোজ্য:

  • প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত দৈনিক মাত্রা অতিক্রম করবেন না; এতে গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী লিভার ক্ষতির ঝুঁকি থাকে। মিথিওনিন এই ঝুঁকি দূর করে না এবং এটিকে অজুহাত করে প্রস্তাবিত মাত্রার বেশি সেবন করা উচিত নয়।
  • দুর্ঘটনাক্রমে অতিরিক্ত মাত্রা এড়াতে অন্য কোনো প্যারাসিটামলযুক্ত পণ্য (সর্দি-কাশির ওষুধসহ) একসাথে ব্যবহার করবেন না।
  • পূর্ব থেকে লিভারের সমস্যা, দীর্ঘমেয়াদী মদ্যপান/নির্ভরতা, অপুষ্টি বা পানিশূন্যতা থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ এগুলো লিভার ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায় (গুরুতর লিভার সমস্যার ক্ষেত্রে দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
  • কিডনি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; মাত্রার ব্যবধান বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
  • ব্যথা কয়েক দিনের বেশি বা জ্বর ৩ দিনের বেশি স্থায়ী হলে, বা লক্ষণ খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • এটি অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিরাময়ে এর কোনো ভূমিকা নেই।

মাত্রাধিক্যতা

Fast-M-এর অতিরিক্ত মাত্রা একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা, যা মূলত প্যারাসিটামল উপাদানের কারণে হয় এবং গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী লিভার ক্ষতি (এবং কম ক্ষেত্রে কিডনি সমস্যা) সৃষ্টি করতে পারে — যদিও মিথিওনিন কিছুটা সুরক্ষা দেওয়ার জন্য যুক্ত করা হয়েছে, ওভারডোজে এই সুরক্ষা সীমিত ও অনির্ভরযোগ্য।

প্রাথমিক লক্ষণ (প্রথম ২৪ ঘণ্টায়) সামান্য হতে পারে বা বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা ও ফ্যাকাশে ভাব অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে; লিভারের ক্ষতি ১-৪ দিন পর্যন্ত স্পষ্ট নাও হতে পারে।

রোগী ভালো বোধ করলেও অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যান বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ দ্রুত চিকিৎসা (যেমন প্যারাসিটামলের রক্তমাত্রা ও সময় অনুযায়ী এন-অ্যাসিটাইলসিস্টিন প্রয়োগ) ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে। সন্দেহজনক ওভারডোজের ক্ষেত্রে বাড়িতে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগী: সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ব্যবহার করুন; লিভার/কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাসের জন্য পর্যবেক্ষণ করুন।

শিশু: ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Fast-M-এর সুরক্ষা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয় এবং এটি সাধারণত সুপারিশ করা হয় না; বয়স/ওজন অনুযায়ী শিশু প্যারাসিটামল প্রস্তুতি ব্যবহার করা উচিত। ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মতো একই সতর্কতাসহ মাত্রা প্রযোজ্য।

লিভার/কিডনি সমস্যা ও দীর্ঘমেয়াদী মদ্যপানকারী: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কম মাত্রা বা দীর্ঘ ব্যবধান বিবেচনা করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Fast-M 500 mg+100 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Fast-M 500 mg+100 mg Tablet মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথা উপশম এবং জ্বর কমাতে ব্যবহৃত হয়। এতে থাকা মিথিওনিন উপাদানটি প্যারাসিটামল অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনের ফলে হতে পারা ক্ষতিকর প্রভাব থেকে লিভারকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে।

Q: Fast-M 500 mg+100 mg Tablet-এ মিথিওনিন থাকার মানে কি আমি প্রস্তাবিত মাত্রার বেশি নিরাপদে সেবন করতে পারি?

A: না। মিথিওনিন শুধুমাত্র সীমিত পরিমাণে লিভার সুরক্ষা দেয় এবং প্যারাসিটামল ওভারডোজ থেকে গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী লিভার ক্ষতির ঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে দূর করে না। ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত মাত্রা (সাধারণত ৪ গ্রাম প্যারাসিটামল, অর্থাৎ ৫০০ মি.গ্রা. মাত্রার ৮টি ট্যাবলেট) কখনোই অতিক্রম করা উচিত নয়, এবং এটিকে বেশি সেবনের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

Q: Fast-M 500 mg+100 mg Tablet-এর সাথে অন্য সর্দি-কাশির ওষুধ খাওয়া যাবে কি?

A: প্রথমে উপাদানগুলো ভালোভাবে যাচাই করুন। অনেক সর্দি-কাশির ওষুধেও প্যারাসিটামল থাকে, এবং Fast-M 500 mg+100 mg Tablet-এর সাথে একসাথে সেবন করলে দৈনিক নিরাপদ প্যারাসিটামল সীমা অতিক্রম হয়ে গুরুতর লিভার ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। অন্য কোনো প্যারাসিটামলযুক্ত পণ্যের সাথে এটি একসাথে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Fast-M 500 mg+100 mg Tablet নিরাপদ কি?

A: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Fast-M 500 mg+100 mg Tablet শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, স্বল্পতম সময়ের জন্য এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত, কারণ যদিও প্যারাসিটামল একা গর্ভাবস্থায় প্রস্তাবিত মাত্রায় সাধারণত ব্যবহৃত হয়, তবে সমন্বিত প্রস্তুতির নিজস্ব সুরক্ষা তথ্য সীমিত।

Q: কাদের Fast-M 500 mg+100 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?

A: প্যারাসিটামল, মিথিওনিন বা প্রস্তুতির অন্য কোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা থাকলে, অথবা গুরুতর সক্রিয় লিভার রোগ থাকলে Fast-M 500 mg+100 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়। দীর্ঘমেয়াদী মদ্যপান বা পূর্ব থেকে লিভারের সমস্যা থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।

Q: Fast-M 500 mg+100 mg Tablet-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবন করলে কী করা উচিত?

A: ভালো বোধ করলেও অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যান বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, কারণ প্যারাসিটামল ওভারডোজ থেকে গুরুতর লিভার ক্ষতির লক্ষণ এক দিন বা তার বেশি সময় পরে দেখা দিতে পারে। লক্ষণের জন্য অপেক্ষা করবেন না এবং বাড়িতে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor