Product gallery
MRP ৬০০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৫৭০.০০/250 ml bottle
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Fatisol হলো প্যারেন্টেরাল (শিরাপথে প্রদত্ত) নিউট্রিশনের একটি লিপিড-ভিত্তিক উপাদান। এর ব্যবহারকে প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নিম্নরূপে ভাগ করা যায়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • যেসব রোগী মুখে খেয়ে বা টিউবের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পুষ্টি গ্রহণ করতে পারেন না, তাদের সম্পূর্ণ বা আংশিক প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশনের অংশ হিসেবে ক্যালরি ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডের উৎস হিসেবে Fatisol ব্যবহৃত হয়, সাধারণত দীর্ঘমেয়াদী (৫ দিনের বেশি) প্রয়োজনে। এর মধ্যে রয়েছে গুরুতর পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, দীর্ঘ সময় অজ্ঞান থাকা, ব্যাপক পোড়া রোগী, তীব্র কাশেক্সিয়া এবং অস্ত্রোপচারের আগে-পরে পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণে অক্ষম রোগী।
  • খাদ্যে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড না থাকলে এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় Fatisol ব্যবহৃত হয়।

নির্দেশিকা-সমর্থিত ও সহায়ক ব্যবহার

  • গুরুতর অসুস্থ রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের চাপ কমাতে সম্পূর্ণ প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে Fatisol একটি উচ্চ-ক্যালরি, নন-কার্বোহাইড্রেট শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সবসময় অ্যামিনো এসিড, ডেক্সট্রোজ, ইলেক্ট্রোলাইট, ভিটামিন ও ট্রেস উপাদানের সাথে একত্রে, কখনোই একক থেরাপি হিসেবে নয়।
  • কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীদের প্রোটিন/তরল সীমাবদ্ধ খাদ্যতালিকার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যক্তিগতকৃত প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে।

Fatisol কখনো একা দেওয়া হয় না; এটি সবসময় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং প্রয়োজনীয় ল্যাব পর্যবেক্ষণসহ দেওয়া হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Fatisol থেরাপিউটিক শ্রেণী হিসেবে প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশন প্রোডাক্ট (লিপিড/ফ্যাট ইমালশন)-এর অন্তর্গত, যা শিরাপথে পুষ্টি সহায়তায় শক্তি ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Intravenous Fat Emulsion একটি অয়েল-ইন-ওয়াটার ইমালশন, যেখানে ট্রাইগ্লিসারাইড কণাগুলো ফসফোলিপিড ইমালসিফায়ার দ্বারা স্থিতিশীল থাকে এবং শরীরে স্বাভাবিকভাবে তৈরি কাইলোমাইক্রনের মতো আকার ও গঠনবিশিষ্ট হয়।

কার্যপ্রণালী

শিরাপথে প্রবেশের পর, Intravenous Fat Emulsion-এর ট্রাইগ্লিসারাইড কৈশিক নালীতে লাইপোপ্রোটিন লাইপেজ নামক এনজাইম দ্বারা ভেঙে ফ্রি ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত হয়। ফ্রি ফ্যাটি এসিড শক্তি উৎপাদন, পুনঃএস্টারিফিকেশন বা সঞ্চয়ের জন্য দেহের বিভিন্ন কোষে ব্যবহৃত হয়, আর গ্লিসারল মূলত যকৃতে বিপাকিত হয়। সরবরাহকৃত প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড (বিশেষত লিনোলিক এসিড) শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না এবং কোষ ঝিল্লির গঠন ও অন্যান্য জৈবিক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

রক্ত থেকে Intravenous Fat Emulsion-এর ক্লিয়ারেন্স মাত্রা ও ইনফিউশনের গতির উপর নির্ভরশীল। অকাল শিশু, যকৃত বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগী এবং সেপসিসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই ক্লিয়ারেন্স ক্ষমতা কমে যেতে পারে, যে কারণে থেরাপির সময় ট্রাইগ্লিসারাইড পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন (দেখুন সতর্কতা অংশ)।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Fatisol শুধুমাত্র চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ, ব্যক্তিগতকৃত প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেওয়া উচিত।

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

  • প্রাথমিক মাত্রা: প্রায় ১ গ্রাম/কেজি/দিন (গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে কম)
  • সর্বোচ্চ মাত্রা: সাধারণত ২.৫ গ্রাম/কেজি/দিনের বেশি নয়
  • প্রাথমিক ইনফিউশন গতি: প্রথম ১৫-৩০ মিনিট ধীরে, পরে সহনশীলতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে বাড়ানো, সাধারণত ০.৫ মিলি/কেজি/ঘণ্টার বেশি নয়

শিশুদের মাত্রা

  • শিশু ও নবজাতক: প্রাথমিক মাত্রা প্রায় ০.৫-১ গ্রাম/কেজি/দিন, ধীরে ধীরে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ সাধারণত ৩ গ্রাম/কেজি/দিন পর্যন্ত
  • নবজাতক ও অকাল শিশু: অত্যন্ত ধীর গতিতে ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে শুরু করতে হয়; দ্রুত ইনফিউশনের ফলে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি থাকায় সর্বোচ্চ ঘণ্টাভিত্তিক গতিসীমা কঠোরভাবে মেনে চলা আবশ্যক

কিডনি/যকৃত সংক্রান্ত সমন্বয়

কোনো সুনির্দিষ্ট মাত্রা হ্রাসের নিয়ম প্রতিষ্ঠিত নেই; তবে যকৃতের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে যকৃতের কার্যকারিতা ও লিপিড ক্লিয়ারেন্স আরও ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হয় এবং মাত্রা/গতি রক্ষণশীলভাবে ব্যক্তিগতকৃত করতে হয়।

প্রয়োগ পদ্ধতির জন্য সেবনবিধি এবং পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তার জন্য সতর্কতা অংশ দেখুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Fatisol-এর একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ও ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া হলো:

  • ওয়ারফারিন ও অন্যান্য ভিটামিন কে-নির্ভর অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট: সয়াবিন তেল-ভিত্তিক Fatisol-এ ভিটামিন কে থাকে, যা ওয়ারফারিনের অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে। একই সাথে অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট গ্রহণকারী রোগীদের Fatisol শুরু, মাত্রা পরিবর্তন বা বন্ধ করার সময় INR আরও ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

যেহেতু Fatisol সাধারণত প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশনের অন্যান্য উপাদান (অ্যামিনো এসিড, ডেক্সট্রোজ, ইলেক্ট্রোলাইট, ভিটামিন, ট্রেস উপাদান, এবং কখনো কখনো একই লাইনে অন্যান্য ওষুধ) এর সাথে দেওয়া হয়, তাই একসাথে দেওয়ার আগে চিকিৎসক দল বা ফার্মাসিস্টের মাধ্যমে ভৌত ও রাসায়নিক সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা আবশ্যক, কারণ কিছু সংমিশ্রণে ইমালশন ভেঙে যেতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Intravenous Fat Emulsion নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (শুধুমাত্র প্রকৃত পরম প্রতিনির্দেশনাসমূহ):

  • ডিম, সয়াবিন, চিনাবাদাম প্রোটিন বা নির্দিষ্ট ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা।
  • গুরুতর লিপিড বিপাকজনিত সমস্যা যেমন প্যাথলজিক হাইপারট্রাইগ্লিসারাইডেমিয়া (সিরাম ট্রাইগ্লিসারাইড প্রায় ১,০০০ মিগ্রা/ডিএল-এর বেশি) বা অন্যান্য গুরুতর হাইপারলিপিডেমিয়া।
  • হাইপারলিপিডেমিয়াসহ তীব্র প্যানক্রিয়াটাইটিস।

যকৃতের সমস্যা, ফ্যাট ওভারলোড সিন্ড্রোমের ঝুঁকি, বা অকাল/কম ওজনের শিশুর মতো সতর্কতার প্রয়োজনীয় (কিন্তু পরম নয়) অবস্থাগুলো সতর্কতা অংশে আলোচনা করা হয়েছে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Fatisol-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত ইনফিউশনের গতি ও থেরাপির স্থায়িত্বের সাথে সম্পর্কিত।

সাধারণ

  • ইনফিউশনের সময় বা পরপরই জ্বর, কাঁপুনি বা শীত অনুভব
  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • মুখ লাল হয়ে যাওয়া, ঘাম হওয়া

কম সাধারণ / গুরুতর

  • অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া (র‍্যাশ, আর্টিকারিয়া, শ্বাসকষ্ট, বিরল ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাক্সিস)
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি ও কোলেস্টেসিস
  • থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া বা বিরল ক্ষেত্রে হিমোলাইসিস
  • পেরিফেরাল শিরাপথে দেওয়ার ক্ষেত্রে থ্রম্বোফ্লেবাইটিস
  • ফ্যাট ওভারলোড সিন্ড্রোম (দেখুন সতর্কতা অংশ)

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় Fatisol শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে ব্যবহার করা উচিত, যখন অন্য কোনো উপায়ে পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করা যায় না এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে বিবেচিত হয়; ব্যবহার চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ও প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণসহ হওয়া উচিত।

স্তন্যদানকালে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মায়ের পুষ্টি সহায়তার অংশ হিসেবে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে Fatisol সাধারণত শিশুর জন্য উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে না বলে মনে করা হয়, তবে এক্ষেত্রেও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন। গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

Fatisol ব্যবহারে নিম্নলিখিত সতর্কতা প্রয়োজন:

  • ফ্যাট ওভারলোড সিন্ড্রোম: লিপিড ক্লিয়ারেন্স ব্যাহত হওয়ার একটি বিরল কিন্তু গুরুতর জটিলতা, যা হঠাৎ জ্বর, রক্তস্বল্পতা, প্লেটলেট কমে যাওয়া, যকৃত-প্লীহা বড় হওয়া এবং যকৃতের কার্যকারিতায় পরিবর্তন হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে। সন্দেহ হলে অবিলম্বে ইনফিউশন বন্ধ করে রোগীকে মূল্যায়ন করতে হবে।
  • ট্রাইগ্লিসারাইড পর্যবেক্ষণ: থেরাপির সময় নিয়মিত সিরাম ট্রাইগ্লিসারাইড পর্যবেক্ষণ করা উচিত, বিশেষত যাদের লিপিড ক্লিয়ারেন্স ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, এবং হাইপারট্রাইগ্লিসারাইডেমিয়া দেখা দিলে ইনফিউশনের গতি কমাতে বা বন্ধ করতে হবে।
  • যকৃতের সমস্যা: পূর্ব থেকে যকৃত রোগ থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, কারণ দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে যকৃতের সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • অকাল ও কম ওজনের নবজাতক: এই রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতকৃত ও ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষিত মাত্রা প্রয়োজন; কম মাত্রা (এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড ঘাটতির ঝুঁকি) ও অতিরিক্ত/দ্রুত মাত্রা (ফ্যাট ওভারলোড ও নবজাতকে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি) উভয়ই এড়ানো উচিত।
  • সংক্রমণের ঝুঁকি: লিপিড ইমালশন জীবাণুর বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে; প্রস্তুতি ও প্রয়োগের সময় কঠোর অ্যাসেপটিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে এবং সুপারিশকৃত সময়ের মধ্যে ইনফিউশন সম্পন্ন করতে হবে।
  • ডিম/সয়া/চিনাবাদাম অ্যালার্জি: এসব প্রোটিনে পরিচিত অ্যালার্জি থাকা রোগীদের Fatisol দেওয়া উচিত নয় (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।

Fatisol শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেওয়া উচিত, যেখানে লিপিড প্যানেল, যকৃতের কার্যকারিতা এবং সামগ্রিক পুষ্টি অবস্থার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ থাকে।

মাত্রাধিক্যতা

Fatisol-এর অতিরিক্ত মাত্রা বা অতি দ্রুত ইনফিউশন তীব্র ফ্যাট ওভারলোড সিন্ড্রোম বা, বিশেষত নবজাতকে, তীব্র শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে উল্লেখযোগ্য হাইপারট্রাইগ্লিসারাইডেমিয়া, জ্বর, যকৃতের কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়া এবং গুরুতর ক্ষেত্রে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা বা শ্বাসকষ্ট।

অতিরিক্ত মাত্রা বা তীব্র প্রতিক্রিয়ার সন্দেহ হলে অবিলম্বে ইনফিউশন বন্ধ করে হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসা মূল্যায়ন ও সহায়ক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে; জরুরি সেবা বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ করুন। যেহেতু Fatisol শুধুমাত্র তত্ত্বাবধানে থাকা ক্লিনিক্যাল পরিবেশে দেওয়া হয়, বাড়িতে অতিরিক্ত মাত্রা নিজে সামলানোর চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

Fatisol ২৫°সে তাপমাত্রার নিচে সংরক্ষণ করুন; হিমায়িত করবেন না। আলো থেকে দূরে রাখুন এবং ব্যবহারের আগ পর্যন্ত বাইরের কার্টনে রাখুন। ইমালশনে বিচ্ছেদ (তেল আলাদা হয়ে যাওয়া) দেখা দিলে বা কনটেইনার ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা ব্যবহার করবেন না। একবার কনটেইনার খোলা বা ব্যবহার শুরু হলে প্রস্তুতকারকের নির্দেশিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করুন এবং অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু রোগী

প্যারেন্টেরাল নিউট্রিশনের প্রয়োজন হলে নবজাতকসহ শিশুদের ক্ষেত্রে Fatisol ব্যবহৃত হয়, প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম প্রাথমিক মাত্রা ও ধীর গতিতে (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি)। অকাল ও কম ওজনের নবজাতকদের ক্ষেত্রে সীমিত লিপিড ক্লিয়ারেন্স ক্ষমতার কারণে বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

বয়স্ক রোগী

বিশেষত যাদের যকৃত, কিডনি বা হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা কমে গেছে, এমন বয়স্ক রোগীদের সাধারণত মাত্রার সীমার নিম্ন প্রান্ত থেকে শুরু করে সতর্ক পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Fatisol 10% IV Infusion কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Fatisol 10% IV Infusion এমন রোগীদের ক্যালরি ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়, যারা খেয়ে বা টিউবের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পুষ্টি নিতে পারেন না, সম্পূর্ণ প্যারেন্টেরাল (শিরাপথে) নিউট্রিশন কর্মসূচির অংশ হিসেবে, এবং এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড ঘাটতি প্রতিরোধ বা চিকিৎসায়।

Q: Fatisol 10% IV Infusion কীভাবে দেওয়া হয়?

A: Fatisol 10% IV Infusion শুধুমাত্র হাসপাতাল বা তত্ত্বাবধানে থাকা ক্লিনিক্যাল পরিবেশে ধীর শিরায় ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়, সাধারণত অন্যান্য নিউট্রিশন সলিউশনের (অ্যামিনো এসিড, ডেক্সট্রোজ, ভিটামিন, ইলেক্ট্রোলাইট) সাথে একত্রে, কম গতিতে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়িয়ে, ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে।

Q: কাদের Fatisol 10% IV Infusion দেওয়া উচিত নয়?

A: ডিম, সয়াবিন বা চিনাবাদাম প্রোটিনে পরিচিত অ্যালার্জি থাকা রোগী, গুরুতর ফ্যাট বিপাক সমস্যাসহ অত্যন্ত উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড স্তরের রোগী, বা হাইপারলিপিডেমিয়াসহ তীব্র প্যানক্রিয়াটাইটিসে আক্রান্ত রোগীদের Fatisol 10% IV Infusion দেওয়া উচিত নয়।

Q: Fatisol 10% IV Infusion-এর প্রধান পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে ইনফিউশনের সময় জ্বর, কাঁপুনি, বমি বমি ভাব ও বমি অন্তর্ভুক্ত। কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে যকৃতের কার্যকারিতার পরিবর্তন, এবং ফ্যাট ওভারলোড সিন্ড্রোম নামক একটি বিরল জটিলতা, যা শরীর ফ্যাট সঠিকভাবে ক্লিয়ার করতে না পারলে হঠাৎ জ্বর, রক্তস্বল্পতা ও যকৃতের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Fatisol 10% IV Infusion কি নিরাপদ?

A: Fatisol 10% IV Infusion গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এটি শুধুমাত্র উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত। চিকিৎসাগতভাবে প্রয়োজন হলে স্তন্যদানকালেও সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়, তবে ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: Fatisol 10% IV Infusion বেশি মাত্রায় দিলে কী হতে পারে?

A: Fatisol 10% IV Infusion অতিরিক্ত মাত্রায় বা অতি দ্রুত দিলে ফ্যাট ওভারলোড সিন্ড্রোম বা নবজাতকের ক্ষেত্রে গুরুতর শ্বাসকষ্ট হতে পারে। সন্দেহ হলে অবিলম্বে ইনফিউশন বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসা মূল্যায়ন ও সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়; এ কারণেই Fatisol 10% IV Infusion সবসময় চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor