
Maltofer1 gm/20 ml
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Ferisen একটি শিরাপথে (ইন্ট্রাভেনাস) প্রদত্ত আয়রন প্রস্তুতি, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার (iron deficiency anemia) চিকিৎসায় নির্দেশিত—
আয়রন ঘাটতি নিশ্চিত না হলে বা রক্তস্বল্পতার কারণ আয়রন ঘাটতি না হলে Ferisen ব্যবহার করা উচিত নয়।
Ferisen শিরাপথে প্রদত্ত (parenteral) আয়রন প্রতিস্থাপন ওষুধ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যা আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।
Ferric Carboxymaltose একটি জটিল যৌগ, যা আয়রনকে হিমোগ্লোবিন ও আয়রন সঞ্চয়কারী প্রোটিনে যুক্ত হওয়ার উপযোগী করে তোলে। শিরাপথে প্রয়োগের পর এর কার্বোহাইড্রেট আবরণটি রেটিকুলোএন্ডোথেলিয়াল সিস্টেমের কোষ (মূলত যকৃত, প্লীহা ও অস্থিমজ্জা) গ্রহণ করে, যেখান থেকে আয়রন নির্গত হয়।
নির্গত আয়রন ট্রান্সফেরিনের সাথে যুক্ত হয়ে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিকারী কোষে পৌঁছায় এবং হিমোগ্লোবিনে যুক্ত হয়, অথবা মূলত যকৃতে ফেরিটিন হিসেবে সঞ্চিত থাকে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে Ferric Carboxymaltose মুখে খাওয়ার আয়রন সহ্য করতে বা শোষণ করতে না পারা রোগীদের ক্ষেত্রে আয়রন ঘাটতি দ্রুত সংশোধন করে ও লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে।
Ferisen কেবল একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের মাধ্যমে শিরাপথে ইনজেকশন বা ইনফিউশন হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। দেহের ওজন এবং কিছু ক্ষেত্রে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয়।
| নির্দেশনা | রোগীগোষ্ঠী | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|---|
| আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা | প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১ বছর বয়সী শিশু, ওজন ≥৫০ কেজি | প্রতি মাত্রায় ৭৫০ মি.গ্রা. শিরাপথে, কমপক্ষে ৭ দিনের ব্যবধানে ২টি মাত্রা (মোট ১৫০০ মি.গ্রা.); কিছু ক্ষেত্রে একক ১০০০ মি.গ্রা. মাত্রাও অনুমোদিত |
| আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা | ওজন <৫০ কেজি | প্রতি মাত্রায় ১৫ মি.গ্রা./কেজি শিরাপথে, কমপক্ষে ৭ দিনের ব্যবধানে ২টি মাত্রা |
| ডায়ালাইসিস-নির্ভর নয় এমন CKD | প্রাপ্তবয়স্ক | উপরের ওজন-ভিত্তিক মাত্রা অনুযায়ী |
| হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা (NYHA II/III) সহ আয়রন ঘাটতি | প্রাপ্তবয়স্ক | প্রাথমিক হিমোগ্লোবিন ও ওজন অনুযায়ী পৃথকভাবে নির্ধারিত মাত্রা; আয়রন কম থাকলে নির্দিষ্ট বিরতিতে রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা |
অনুমোদিত সর্বোচ্চ একক বা সর্বমোট মাত্রা অতিক্রম করা উচিত নয়। কেবল আয়রন ঘাটতি পুনরায় দেখা দিলেই পুনরায় কোর্স দেওয়া উচিত, এবং পুনরায় মাত্রার আগে ফসফেট মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।
প্রয়োগ পদ্ধতি: Ferisen ধীরে শিরায় ইনজেকশন (আনুমানিক ১০০ মি.গ্রা./মিনিট হারে ৭৫০ মি.গ্রা. পর্যন্ত মাত্রায়) অথবা স্বাভাবিক স্যালাইনে মিশিয়ে কমপক্ষে ১৫ মিনিট ধরে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া যায়। কেবলমাত্র প্রশিক্ষিত জনবল ও পুনরুজ্জীবন সরঞ্জাম প্রস্তুত থাকা স্থানেই প্রয়োগ করা উচিত, এবং প্রতিটি প্রয়োগের সময় ও পরবর্তী অন্তত ৩০ মিনিট রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
মুখে খাওয়ার আয়রন: Ferisen-এর সাথে একই সময়ে মুখে খাওয়ার আয়রন গ্রহণ করলে মুখে খাওয়া আয়রনের শোষণ কমে যেতে পারে। সাধারণত Ferisen-এর সর্বশেষ মাত্রার কয়েকদিন পর থেকেই মুখে খাওয়ার আয়রন পুনরায় শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
MRI (ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং): Ferisen সাময়িকভাবে যকৃত, প্লীহা, কিডনি ও লসিকা গ্রন্থির MRI চিত্রে বিকৃতি সৃষ্টি করতে পারে, যা প্রয়োগের পর কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। MRI পরীক্ষার পরিকল্পনা থাকলে সাম্প্রতিক Ferisen প্রয়োগের বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো উচিত।
উপরোক্ত ছাড়া Ferisen-এর সাথে অন্য কোনো ওষুধের সুপ্রতিষ্ঠিত, উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া নেই।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Ferric Carboxymaltose ব্যবহার করা উচিত নয়—
আয়রন ঘাটতি ছাড়া অন্য কারণে সৃষ্ট রক্তস্বল্পতায় Ferric Carboxymaltose ব্যবহার করা উচিত নয়।
Ferisen প্রয়োগের সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে—
কম দেখা যায় এমন প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে স্বাদের পরিবর্তন, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, রক্তচাপ কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, র্যাশ ও মাংসপেশিতে ব্যথা।
বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া, এমনকি অ্যানাফাইল্যাক্সিস পর্যন্ত (প্রতিনির্দেশনা ও সতর্কতা অংশে দেখুন), এবং বারবার উচ্চমাত্রায় প্রয়োগের ফলে ফসফেট-জনিত হাড়ের সমস্যা (osteomalacia)।
গর্ভাবস্থা: সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল গর্ভাবস্থায় Ferisen ব্যবহার করা উচিত, এবং সাধারণত প্রথম ত্রৈমাসিকে এড়িয়ে চলা উচিত। প্রয়োগের সময় অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তা ভ্রূণের জন্য গুরুতর হতে পারে, বিশেষত দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভ্রূণের হৃদস্পন্দন কমে যাওয়ার (fetal bradycardia) ঝুঁকি থাকে। চিকিৎসা না করা আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতারও নিজস্ব ঝুঁকি রয়েছে (যেমন অকাল প্রসব, কম ওজনের নবজাতক), তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
স্তন্যদান: Ferisen-এর সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যেতে পারে। স্তন্যপান করা শিশুর ক্ষতির স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে স্তন্যদানের উপকারিতা ও Ferisen প্রয়োজনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য বিবেচনা করা উচিত এবং শিশুকে পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত।
Ferisen গুরুতর অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া, এমনকি প্রাণঘাতী অ্যানাফাইল্যাক্সিস পর্যন্ত ঘটাতে পারে। তাই কেবল সেসব স্থানেই Ferisen প্রয়োগ করা উচিত যেখানে প্রশিক্ষিত জনবল ও পুনরুজ্জীবন সরঞ্জাম তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত থাকে। প্রতিটি প্রয়োগের সময় ও পরবর্তী অন্তত ৩০ মিনিট রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত।
Ferisen লক্ষণযুক্ত hypophosphatemia ঘটাতে পারে, যা কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষত বারবার ও দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োগে, হাড় নরম হয়ে যাওয়া (osteomalacia) ও ফ্র্যাকচার পর্যন্ত সৃষ্টি করেছে। ম্যালঅ্যাবজর্পশন সমস্যা, প্রদাহজনিত অন্ত্রের রোগ, ভিটামিন ডি ঘাটতি বা হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম থাকা রোগীদের ঝুঁকি বেশি। বারবার কোর্স নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে, বিশেষত ৩ মাসের মধ্যে পুনরায় মাত্রা দেওয়ার আগে, রক্তের ফসফেট মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।
Ferisen প্রয়োগের পর সাময়িকভাবে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে, কখনো মুখ লালচে হওয়া, মাথা ঘোরা বা বমি বমি ভাবের সাথে, যা সাধারণত ৩০ মিনিটের মধ্যে সেরে যায়। প্রতিটি প্রয়োগের পর রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
শরীরে আয়রনের আধিক্যের প্রমাণ থাকা রোগীদের Ferisen দেওয়া উচিত নয় (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)। প্রয়োজনের অতিরিক্ত মাত্রায় প্রয়োগ করলে টিস্যুতে আয়রন জমা হতে পারে (hemosiderosis)।
Ferisen প্রয়োগের পর কিছু সময়ের জন্য সিরাম আয়রন ও ট্রান্সফেরিন-ভিত্তিক পরীক্ষার ফলাফলে এবং MRI ইমেজিং-এ প্রভাব ফেলতে পারে (মিথষ্ক্রিয়া অংশ দেখুন)।
প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাত্রায় Ferisen প্রয়োগ করলে শরীরে আয়রন জমা হয়ে আয়রনের আধিক্য (hemosiderosis) হতে পারে, এবং বারবার অতিরিক্ত মাত্রায় প্রয়োগে ফসফেট-জনিত হাড়ের সমস্যা (osteomalacia) দেখা দিতে পারে। Ferisen-এর মাত্রাধিক্যের জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক (antidote) নেই।
মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে বা গুরুতর প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা হবে উপসর্গ-নির্ভর ও সহায়ক, এবং তা রোগীর ক্লিনিক্যাল অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকের নির্দেশনায় পরিচালিত হবে।
২০°সে থেকে ২৫°সে তাপমাত্রায় (সাময়িকভাবে ১৫°সে থেকে ৩০°সে পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য), আলো থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। হিমায়িত করবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। একক-মাত্রার ভায়ালের অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন।
মুখে খাওয়ার আয়রন সহ্য করতে না পারা বা তাতে পর্যাপ্ত সাড়া না পাওয়া ১ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতায় Ferisen-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত, এবং মাত্রা ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এবং হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতার নির্দেশনায় শিশুদের ক্ষেত্রে Ferisen-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই এসব ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
বয়স্ক ও অপেক্ষাকৃত কম বয়সী রোগীদের মধ্যে Ferisen-এর নিরাপত্তা বা কার্যকারিতায় সামগ্রিক কোনো পার্থক্য পাওয়া যায়নি, তবে কিছু বয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতা বেশি হতে পারে বলে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
ডায়ালাইসিস-নির্ভর নয় এমন দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে Ferisen নির্দেশিত এবং কিডনির কার্যক্ষমতার ভিত্তিতে মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। উল্লেখযোগ্য যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাসে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ আয়রন জমা হয়ে যকৃতের ক্ষতি বাড়াতে পারে।
Q: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection একটি শিরাপথে প্রদত্ত আয়রন ওষুধ, যা মুখে খাওয়ার আয়রন সহ্য করতে না পারা বা তাতে ভালো সাড়া না পাওয়া মানুষের আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা, নির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে, এবং কিছু হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতার রোগীর ক্ষেত্রে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Q: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection কীভাবে দেওয়া হয়?
A: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection কেবল একজন চিকিৎসক বা নার্স শিরাপথে ধীরে ইনজেকশন বা স্যালাইনে মিশিয়ে ইনফিউশন (ড্রিপ) হিসেবে প্রয়োগ করেন। এটি ট্যাবলেট নয়, এবং বাড়িতে নিজে নিজে দেওয়ার ইনজেকশনও নয়; এলার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া সামলানোর ব্যবস্থা আছে এমন ক্লিনিক্যাল পরিবেশেই এটি দিতে হয়।
Q: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection-এর সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকি কী?
A: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection-এর সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকি হলো গুরুতর অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া, এমনকি অ্যানাফাইল্যাক্সিস পর্যন্ত, যে কারণে এটি কেবল পুনরুজ্জীবন সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত জনবল থাকা স্থানেই দেওয়া হয় এবং প্রতিটি মাত্রার পর অন্তত ৩০ মিনিট রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection রক্তের ফসফেট মাত্রাও কমিয়ে দিতে পারে (hypophosphatemia), যা বিরল ক্ষেত্রে বারবার প্রয়োগে হাড় নরম হয়ে যাওয়া ও ফ্র্যাকচার ঘটাতে পারে, তাই পুনরায় মাত্রার আগে চিকিৎসক রক্তের ফসফেট পরীক্ষা করতে পারেন।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection ব্যবহার করা যায়?
A: গর্ভাবস্থায় Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection কেবল স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত, এবং সাধারণত প্রথম ত্রৈমাসিকে এড়িয়ে চলা হয়। প্রয়োগের সময় এলার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া বিরল ক্ষেত্রে ভ্রূণকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষত গর্ভাবস্থার পরের দিকে। সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যেতে পারে; স্তন্যদানের উপকারিতা ও Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection-এর প্রয়োজনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য বিবেচনা করতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection নেওয়ার পর কী কী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য রাখতে হবে?
A: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection নেওয়ার পর বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, সাময়িক রক্তচাপ বৃদ্ধির সাথে মুখ লালচে হওয়া, বা ইনজেকশনের স্থানে রং পরিবর্তন/অস্বস্তি দেখা দিতে পারে, যা সাধারণত হালকা ও সাময়িক। শ্বাসকষ্ট, মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, তীব্র র্যাশ বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো গুরুতর এলার্জিজনিত লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection বেশি মাত্রায় দেওয়া হলে বা মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে কী করণীয়?
A: Ferisen 1 gm/20 ml IV Injection-এর মাত্রাধিক্যে শরীরে আয়রনের আধিক্য (iron overload) হতে পারে এবং বারবার অতিরিক্ত মাত্রায় ফসফেট-জনিত হাড়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মাত্রাধিক্য বা গুরুতর প্রতিক্রিয়া সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবায় যোগাযোগ করুন; চিকিৎসা হবে চিকিৎসকের নির্দেশনায় সহায়ক ও উপসর্গ-নির্ভর।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।