
Lacticon10 gm/sach
ACI Limited

Fibolac একটি অসমোটিক ল্যাক্সেটিভ (জোলাপ), যার প্রমাণ-ভিত্তিক ব্যবহার নিম্নরূপ:
সাধারণ, স্বল্পমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্যে যেখানে সাধারণ ব্যবস্থাপনা (খাদ্যাভ্যাস, তরল, শরীরচর্চা) যথেষ্ট, সেখানে Fibolac ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
Fibolac অসমোটিক ল্যাক্সেটিভ শ্রেণির ওষুধ, বিশেষত নন-অ্যাবজর্বেবল ডাইস্যাকারাইড/সুগার-অ্যালকোহল উপশ্রেণির, যা ল্যাকটুলোজের মতো কার্যপ্রণালী অনুসরণ করে।
Lactitol Monohydrate ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রায় অশোষিত ও অপরিবর্তিত অবস্থায় অতিক্রম করে বৃহদন্ত্রে পৌঁছায়। সেখানে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া একে বিপাক করে জৈব অ্যাসিড (যেমন অ্যাসিটিক, ল্যাকটিক, প্রোপিওনিক অ্যাসিড) তৈরি করে। এর ফলে দুটি প্রধান প্রভাব দেখা যায়:
Lactitol Monohydrate নিয়মিত ব্যবহারে সাধারণত ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে জোলাপ প্রভাব শুরু হয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য | সাধারণত দিনে একবার ১০-২০ গ্রাম, খাবারের সাথে (যেমন সকালের নাস্তা) সেবন করতে হয় | প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করা যায়; মল পাতলা হলে মাত্রা কমাতে হবে |
| হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি | সাধারণত দিনে দুই থেকে তিনবার ২০-৩০ গ্রাম দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে সমন্বয় করা হয় | দিনে ২-৩টি নরম, গঠিত মলত্যাগ নিশ্চিত করার জন্য মাত্রা সমন্বয় করা হয়; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান আবশ্যক |
Fibolac পাউডার এক গ্লাস পানি, জুস বা অনুরূপ পানীয়তে সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত করে, অথবা নরম খাবারের সাথে মিশিয়ে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করতে হবে। সাধারণত অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধ Fibolac সেবনের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে বা পরে গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এটি অন্যান্য ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে।
Fibolac এর অন্ত্রের গতিপথ ও অসমোটিক প্রভাবের কারণে একসাথে সেবন করা অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে; তাই সেবনের মাঝে কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
অন্যান্য জোলাপের সাথে একত্রে ব্যবহার করলে অতিরিক্ত মলত্যাগ, পানিশূন্যতা এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। যেসব ওষুধ ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যকে প্রভাবিত করে (যেমন ডাই-ইউরেটিক, কর্টিকোস্টেরয়েড) সেগুলোর সাথে Fibolac ব্যবহারে সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ অতিরিক্ত ব্যবহারে অতিরিক্ত তরল/ইলেক্ট্রোলাইট ক্ষয়ের তাত্ত্বিক ঝুঁকি রয়েছে।
Lactitol Monohydrate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
Fibolac-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো, বিশেষত চিকিৎসা শুরুর সময়, নিম্নরূপ:
এই প্রভাবগুলো সাধারণত মৃদু এবং ধারাবাহিক ব্যবহার বা মাত্রা হ্রাসে উন্নতি হয়। কম ক্ষেত্রে, অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া (যেমন র্যাশ বা চুলকানি) রিপোর্ট করা হয়েছে। অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা হতে পারে (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
Fibolac সিস্টেমিকভাবে খুবই সামান্য শোষিত হয়। প্রাণী গবেষণায় ভ্রূণের ক্ষতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি; তবে গর্ভবতী নারীদের উপর পর্যাপ্ত ও নিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থায় Fibolac শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সিস্টেমিক শোষণ ন্যূনতম হওয়ায়, স্তন্যপান করানো শিশুর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাবের সম্ভাবনা কম বলে মনে করা হয়, তবে তথ্য সীমিত। স্তন্যদানকালে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।
Fibolac নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে:
Fibolac-এর অতিরিক্ত মাত্রায় গুরুতর ডায়রিয়া, পেটে খিঁচুনি এবং এর ফলে পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে Fibolac বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক প্রকৃতির, মূলত তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে করা হয়; এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
শিশুদের ক্ষেত্রে: দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য শিশুদের ক্ষেত্রে Fibolac-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি; নির্ধারিত হলে শুধুমাত্র সরাসরি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এই জনগোষ্ঠী অসমোটিক ডায়রিয়ার কারণে তরল ক্ষয়ের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারে; পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার জন্য পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
কিডনি সমস্যায়: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই, তবে অতিরিক্ত ব্যবহারে তরল/ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্কতা প্রয়োজন।
লিভার সমস্যায়: হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির জন্য Fibolac সাধারণত লিভারের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পৃথকভাবে মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
Q: Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসায় এবং লিভারের রোগজনিত হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি ব্যবস্থাপনায় রক্তে অ্যামোনিয়ার মাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়।
Q: Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder কত দ্রুত কাজ করে?
A: কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রে, নিয়মিত ব্যবহারে Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder সাধারণত ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে মলত্যাগ ঘটায়। হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির ক্ষেত্রে, দিনে ২-৩টি নরম মলত্যাগ নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসক মাত্রা সমন্বয় করেন।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder সেবন করা যাবে?
A: Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder রক্তপ্রবাহে খুব সামান্য শোষিত হয়, এবং প্রাণী গবেষণায় ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলে গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহার করা উচিত।
Q: Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পেট ফাঁপা, ফোলাভাব এবং পেটে খিঁচুনি, বিশেষত চিকিৎসা শুরুর সময়। শরীর মানিয়ে নিলে বা মাত্রা কমালে এগুলো সাধারণত কমে যায়। বেশি মাত্রায় ডায়রিয়া হতে পারে।
Q: কাদের Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder সেবন করা উচিত নয়?
A: গ্যালাক্টোসেমিয়া, পরিচিত বা সন্দেহভাজন অন্ত্র প্রতিবন্ধকতা, অথবা ল্যাকটিটল বা এর কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকা ব্যক্তিদের Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder ব্যবহার করা উচিত নয়।
Q: Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder কি অন্য ওষুধের সাথে সেবন করা যায়?
A: Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে, তাই সাধারণত অন্য ওষুধ Fibolac 10 gm/sachet Oral Powder সেবনের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা পরে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আপনার সেবন করা সব ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।