
FizyCal-D1358.196 mg+600 mg+400 IU
Medicine overview
নির্দেশনা
FizyCal-D একটি সংমিশ্রণ খনিজ ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট, যা মূলত ক্যালসিয়াম ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার
- প্রাপ্তবয়স্ক, কিশোর-কিশোরী ও বয়স্কদের খাদ্যজনিত ক্যালসিয়াম ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।
- গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পাওয়া গেলে সম্পূরক হিসেবে।
- অস্টিওপোরোসিস, বিশেষত মেনোপজ-পরবর্তী ও কর্টিকোস্টেরয়েড-জনিত অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক থেরাপি (খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও নির্দিষ্ট অস্টিওপোরোসিস-বিরোধী ঔষধের পাশাপাশি)।
- পুষ্টিজনিত ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি ঘাটতির কারণে অস্টিওম্যালাসিয়া ও রিকেটসে সহায়ক চিকিৎসা।
সহায়ক ব্যবহার
- হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজমের প্রমিত চিকিৎসার সাথে সহায়ক হিসেবে, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে।
- শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের বৃদ্ধির সময় বর্ধিত ক্যালসিয়াম চাহিদায় সহায়ক সম্পূরক।
FizyCal-D অন্য কোনো নির্ধারিত অস্টিওপোরোসিস বা বিপাকীয় হাড়ের রোগের চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং তা পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি নিশ্চিত করতে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
থেরাপিউটিক ক্লাস
FizyCal-D ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ সংমিশ্রণ সাপ্লিমেন্ট শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত (খনিজ ও ভিটামিন - ক্যালসিয়াম লবণ এবং ভিটামিন ডি অ্যানালগের সমন্বয়)।
ফার্মাকোলজি
Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin D3 এর উপাদানগুলোর সম্মিলিত শারীরবৃত্তীয় কার্যকারিতার মাধ্যমে কাজ করে। Calcium Lactate Gluconate ও Calcium Carbonate পরিপাকতন্ত্রে বিয়োজিত হয়ে আয়নিত ক্যালসিয়াম নির্গত করে, যা মূলত ডিওডেনাম ও প্রক্সিমাল জেজুনামে শোষিত হয়। ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের শোষণ পাকস্থলীর অ্যাসিডের উপর নির্ভরশীল বলে এটি খাবারের সাথে গ্রহণ করাই উত্তম, অন্যদিকে Calcium Lactate Gluconate অধিক দ্রবণীয় এবং পাকস্থলীর pH-এর উপর কম নির্ভরশীল।
ভিটামিন ডি৩ (কোলেক্যালসিফেরল) যকৃতে ও কিডনিতে সক্রিয় বিপাকীয় রূপ ক্যালসিট্রিওলে রূপান্তরিত হয়, যা অন্ত্রে ক্যালসিয়াম-বাঁধাই প্রোটিন ও চ্যানেলের প্রকাশ বাড়িয়ে সক্রিয় ক্যালসিয়াম শোষণ বৃদ্ধি করে। এটি কিডনিতে ক্যালসিয়াম পুনঃশোষণ এবং হাড় গঠনেও সহায়তা করে, যা Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin D3 এর ক্যালসিয়াম উপাদানগুলোর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
FizyCal-D এর মাত্রা রোগীর বয়স, খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম গ্রহণের পরিমাণ এবং চিকিৎসার উদ্দেশ্য অনুযায়ী পৃথক হয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত।
| নির্দেশনা/গ্রুপ | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক - ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি৩ সম্পূরক | দিনে ১-২ বার ১টি চিবানো/এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট, বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী |
| গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা | খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম গ্রহণের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দিনে ১-২ বার ১টি ট্যাবলেট |
| বয়স্ক (অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক) | মূল অস্টিওপোরোসিস চিকিৎসার পাশাপাশি নির্দেশ অনুযায়ী দিনে ১-২ বার ১টি ট্যাবলেট |
| শিশু (বয়স-উপযোগী ফর্মুলেশন যেমন সিরাপ পাওয়া গেলে) | শিশু বিশেষজ্ঞের নির্দেশ অনুযায়ী ওজন/বয়স-ভিত্তিক মাত্রা; ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের চিবানো/এফারভেসেন্ট ফর্মের নিরাপত্তা ও মাত্রা প্রতিষ্ঠিত নয় |
চিবানো ট্যাবলেট ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে অথবা এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট এক গ্লাস পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত করে পান করতে হবে, সাধারণত খাবারের সাথে বা পরে গ্রহণ করলে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট উপাদানের শোষণ ভালো হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সুপারিশকৃত মাত্রার বেশি FizyCal-D গ্রহণ করা উচিত নয়।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
FizyCal-D এর সাথে কিছু ঔষধের ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:
- টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক: ক্যালসিয়াম এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর সাথে অদ্রবণীয় কমপ্লেক্স তৈরি করে শোষণ কমিয়ে দেয়। কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করতে হবে।
- লেভোথাইরক্সিন: ক্যালসিয়াম লবণ লেভোথাইরক্সিনের শোষণ কমায়; কমপক্ষে ৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখতে হবে।
- বিসফসফোনেট: ক্যালসিয়াম বিসফসফোনেটের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়; বিসফসফোনেট নিজস্ব নির্দেশনা অনুযায়ী FizyCal-D এর অনেক আগে গ্রহণ করতে হবে।
- থায়াজাইড মূত্রবর্ধক: একসাথে ব্যবহারে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; সিরাম ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
- ডিগক্সিন: অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণজনিত হাইপারক্যালসেমিয়া ডিগক্সিনের বিষক্রিয়া ও হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর ও H2-রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট: এগুলো পাকস্থলীর অ্যাসিড কমিয়ে ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের শোষণ কমাতে পারে।
- কর্টিকোস্টেরয়েড: দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে অন্ত্রের ক্যালসিয়াম শোষণ কমে যায় এবং ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি চাহিদা বাড়তে পারে।
- আয়রন, জিংক ও অন্যান্য খনিজ সম্পূরক: একসাথে গ্রহণ করলে ক্যালসিয়াম এই খনিজগুলোর শোষণ কমাতে পারে; সময়ের ব্যবধান রাখতে হবে।
প্রতিনির্দেশনা
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Calcium Lactate Gluconate + Calcium Carbonate + Vitamin D3 ব্যবহার নিষিদ্ধ:
- Calcium Lactate Gluconate, Calcium Carbonate, Vitamin D3 বা এর কোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা।
- হাইপারক্যালসেমিয়া বা হাইপারক্যালসেমিয়া সংশ্লিষ্ট অবস্থা (যেমন প্রাথমিক হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম, নির্দিষ্ট ম্যালিগন্যান্সি)।
- হাইপারভিটামিনোসিস ডি।
- মারাত্মক কিডনি বৈকল্য বা রেনাল ক্যালকুলি (কিডনিতে পাথর), কারণ এতে ক্যালসিয়াম জমা ও পাথর তৈরির ঝুঁকি বাড়ে।
- হাইপারক্যালসিউরিয়া।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সুপারিশকৃত মাত্রায় FizyCal-D সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত:
- কোষ্ঠকাঠিন্য
- পেট ফাঁপা
- গ্যাস
- মৃদু বমি বমি ভাব বা পেটে অস্বস্তি
সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে বেশি বা দীর্ঘমেয়াদী গ্রহণের সাথে সম্পর্কিত হাইপারক্যালসেমিয়া কম দেখা যায় (দেখুন মাত্রাধিক্যতা)। খুব কম ক্ষেত্রে চর্মে র্যাশ বা চুলকানির মতো অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকার ঘাটতি পূরণে FizyCal-D ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সুপারিশকৃত মাত্রার বেশি গ্রহণ এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ অতিরিক্ত মাতৃ ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি গ্রহণ হাইপারক্যালসেমিয়ার মতো ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত। গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের সময় যেকোনো সাপ্লিমেন্টের মতোই, FizyCal-D শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির তুলনায় বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত।
সতর্কতা
FizyCal-D ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সতর্কতা প্রযোজ্য:
- মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি বৈকল্য রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে নিয়মিত সিরাম ক্যালসিয়াম ও কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
- সারকয়ডোসিস, যক্ষ্মা বা অন্যান্য গ্র্যানুলোমাটাস রোগে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এসব অবস্থায় ভিটামিন ডি-এর প্রতি সংবেদনশীলতা ও হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
- সুপারিশকৃত দৈনিক মাত্রার বেশি গ্রহণ এড়িয়ে চলতে হবে; খাদ্য ও সম্পূরক থেকে মোট অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারক্যালসিউরিয়া ও কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়ায়।
- কিডনিতে পাথরের পূর্ব ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
- ঔষধের মিথষ্ক্রিয়ায় বর্ণিত ঔষধগুলোর সাথে সেবনের সময়ের ব্যবধান রাখতে হবে।
- দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ মাত্রার ব্যবহার চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত পর্যবেক্ষণসহ করা উচিত।
মাত্রাধিক্যতা
FizyCal-D এর অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী মাত্রাধিক গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া ও হাইপারভিটামিনোসিস ডি হতে পারে, যার লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, মাংসপেশির দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর, কিডনি বৈকল্য বা হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা। মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে সেবন বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
সংরক্ষণ
৩০°সে এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার
কিডনি বৈকল্য: মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি বৈকল্যে সিরাম ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণসহ সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; মারাত্মক কিডনি বৈকল্যে নিষিদ্ধ (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
যকৃত বৈকল্য: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নয়, তবে উল্লেখযোগ্য যকৃতের রোগে সতর্কতা প্রয়োজন কারণ ভিটামিন ডি সক্রিয়করণ প্রভাবিত হতে পারে।
বয়স্ক: অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি৩ সম্পূরক হিসেবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যবহৃত হয়; কিডনি কার্যক্ষমতা বিবেচনা করতে হবে।
শিশু: ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে FizyCal-D এর প্রাপ্তবয়স্ক চিবানো/এফারভেসেন্ট ফর্মুলেশনের ব্যবহার সুপ্রতিষ্ঠিত নয়; বৃদ্ধিজনিত ক্যালসিয়াম চাহিদায় বয়স-উপযোগী ফর্মুলেশন ও শিশু বিশেষজ্ঞের নির্দেশিত ওজন-ভিত্তিক মাত্রা ব্যবহার করা উচিত।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
Q: FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet ক্যালসিয়াম ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সম্পূরক হিসেবে, এবং চিকিৎসকের সামগ্রিক চিকিৎসা পরিকল্পনার পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিস ও সংশ্লিষ্ট হাড়ের সমস্যায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Q: FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet কীভাবে সেবন করব?
A: চিবানো ট্যাবলেট ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে এবং এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট এক গ্লাস পানিতে সম্পূর্ণ দ্রবীভূত করে খেতে হবে, সাধারণত খাবারের সাথে বা পরে গ্রহণ করলে শোষণ ভালো হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা দিনে ১-২ বার ১টি ট্যাবলেট, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী।
Q: টেট্রাসাইক্লিন বা সিপ্রোফ্লক্সাসিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে কি FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet নেওয়া যায়?
A: ক্যালসিয়াম টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে বেঁধে গিয়ে তাদের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। এই অ্যান্টিবায়োটিক নির্ধারিত হলে FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet এর সেবন কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টার ব্যবধানে করুন, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করুন।
Q: গর্ভাবস্থায় FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet কি নিরাপদ?
A: খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পাওয়া গেলে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে চিকিৎসকের সুপারিশকৃত মাত্রায় FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত গ্রহণে ঝুঁকি থাকতে পারে বলে শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত।
Q: কাদের FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet নেওয়া উচিত নয়?
A: হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারভিটামিনোসিস ডি, মারাত্মক কিডনি বৈকল্য, কিডনিতে পাথর, হাইপারক্যালসিউরিয়া বা এর কোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet নেওয়া উচিত নয়।
Q: FizyCal-D 1358.196 mg+600 mg+400 IU Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী হবে?
A: সুপারিশকৃত মাত্রার বেশি গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণ বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, বিভ্রান্তি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন। মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে সেবন বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।