
Antanil(200 mg+12
Ibn-Sina Pharmaceuticals Ltd.

G-Antacid একটি অ্যান্টাসিড যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিডের কারণে হওয়া বুক জ্বালাপোড়া (heartburn), অ্যাসিডিটি, টক ঢেকুর এবং পেটের অস্বস্তি দূর করতে ব্যবহৃত হয়। এটি শুধু উপসর্গ উপশম করে; G-Antacid এসব উপসর্গের মূল কারণ নিরাময় করে না।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী G-Antacid হাইপারঅ্যাসিডিটি, গ্যাস্ট্রাইটিস, ডিসপেপসিয়ার অস্বস্তি কমাতে এবং পেপটিক আলসারের চিকিৎসার পাশাপাশি সহায়ক (adjunct) হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এক্ষেত্রে G-Antacid অ্যাসিডজনিত অস্বস্তি কমায়, কিন্তু আলসারের মূল চিকিৎসা নয়।
থেরাপিউটিক ক্লাস: অ্যান্টাসিড (অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড / ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড কম্বিনেশন)।
উপাদান ও শক্তিমাত্রা: বাজারে বিভিন্ন ফর্মুলেশন ও শক্তিমাত্রায় G-Antacid পাওয়া যায়। সাধারণত চিবানো ট্যাবলেটে প্রতি ট্যাবলেটে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ২৫০ মিলিগ্রাম ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ৪০০ মিলিগ্রাম থাকে; আবার সাসপেনশনে প্রতি ৫ মিলিলিটারে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড হিসেবে) ১৭৫ মিলিগ্রাম ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ২২৫ মিলিগ্রাম, অথবা কোনো কোনো ব্র্যান্ডে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ২০০ মিলিগ্রাম ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ২০০ মিলিগ্রাম থাকতে পারে। সঠিক শক্তিমাত্রা জানতে নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেল দেখা উচিত।
সংক্ষিপ্ত বিবরণ: G-Antacid একটি কম্বিনেশন অ্যান্টাসিড, যা বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিডিটি ও পেটের অস্বস্তির দ্রুত, স্বল্পমেয়াদী উপশমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি রক্তে শোষিত না হয়ে সরাসরি পাকস্থলীতে কাজ করে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে। অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য সৃষ্টি করে, আর ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড পাতলা পায়খানার প্রবণতা তৈরি করে—দুটি একসঙ্গে থাকায় অন্ত্রের ওপর প্রভাব অনেকটা ভারসাম্যপূর্ণ থাকে। G-Antacid চিবানো ট্যাবলেট ও সাসপেনশন—উভয় আকারেই পাওয়া যায় এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী রোগের চিকিৎসার জন্য নয়, বরং মাঝে মাঝে বা স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের জন্য তৈরি।
Aluminium Hydroxide + Magnesium Hydroxide মূলত পাকস্থলীর ভেতরে স্থানীয়ভাবে কাজ করে, শরীরে শোষিত হয়ে নয়। উভয় উপাদান পাকস্থলীর হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে তা প্রশমিত করে, পাকস্থলীর pH বাড়িয়ে দেয় এবং এর ফলে পেপসিন এনজাইমের কার্যকারিতা কমে যায়, যা অ্যাসিডজনিত অস্বস্তি উপশম করে। অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের ক্রিয়া কিছুটা ধীর কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী এবং এটি পাকস্থলীর প্রদাহযুক্ত স্তরে একধরনের প্রশান্তিদায়ক আবরণ তৈরি করতে পারে, অন্যদিকে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রুত অ্যাসিড প্রশমিত করে। স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতার ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ব্যবহারে অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সামান্য অংশই রক্তে শোষিত হয়; অশোষিত অংশ মলের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়, আর শোষিত অংশ মূলত কিডনির মাধ্যমে দেহ থেকে বের হয়। যেহেতু নিষ্কাশন কিডনির কার্যক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল, তাই কিডনি সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম জমতে পারে (বিস্তারিত দেখুন সতর্কতা অংশে)।
ক্রিয়া-প্রক্রিয়া (মোড অফ অ্যাকশন): অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড পাকস্থলীর হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করে অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ও পানি তৈরি করে, আর ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড একই অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করে ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড ও পানি তৈরি করে—উভয় বিক্রিয়াই পাকস্থলীর অ্যাসিড প্রশমিত করে ও pH বাড়ায়। অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড অন্ত্রে কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা তৈরি করে, আর ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড রেচক (ল্যাক্সেটিভ) প্রভাব ফেলে; Aluminium Hydroxide + Magnesium Hydroxide-এ এই দুটিকে একত্র করার উদ্দেশ্য হলো কার্যকর অ্যাসিড প্রশমনের পাশাপাশি অন্ত্রের ওপর বিপরীতমুখী প্রভাবগুলোর ভারসাম্য রক্ষা করা।
G-Antacid-এর মাত্রা চিকিৎসক অথবা নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেলে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, এবং এটি সব ধরনের উপসর্গ, ফর্মুলেশন বা বয়সের জন্য একই রকম নয়। নিচের সারণিতে সাধারণ নির্দেশিকা দেওয়া হলো; সবসময় চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট বা পণ্যের প্যাকেজিং-এ দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
| ব্যবহারের কারণ | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| মাঝে মাঝে বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিডিটি বা পেটের অস্বস্তি (১২ বছর বা তার বেশি বয়সীদের স্বল্পমেয়াদী, স্ব-নির্দেশিত ব্যবহার) | সাসপেনশন: প্রয়োজন অনুযায়ী ২-৪ চা চামচ (১০-২০ মিলি), দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার। ট্যাবলেট: প্রয়োজন অনুযায়ী ২টি ট্যাবলেট চিবিয়ে, দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার। চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া লেবেলে উল্লিখিত সর্বোচ্চ মাত্রার বেশি বা টানা ২ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। |
| হাইপারঅ্যাসিডিটি, গ্যাস্ট্রাইটিস, ডিসপেপসিয়া (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী) | সাধারণত ২টি ট্যাবলেট অথবা ২ চা চামচ (১০ মিলি) সাসপেনশন, খাবারের ১-৩ ঘণ্টা পর এবং ঘুমানোর আগে, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী। |
| পেপটিক আলসারের চিকিৎসার পাশাপাশি উপসর্গ উপশমে (চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে) | মাত্রা, সময় ও মেয়াদ রোগীর উপসর্গের তীব্রতা এবং সহগামী আলসার চিকিৎসার ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক নির্ধারণ করেন। |
| ১২ বছরের কম বয়সী শিশু | স্ব-নির্দেশিত ব্যবহারের জন্য নয়; ব্যবহার উপযুক্ত কিনা এবং হলে কী মাত্রায়, তা চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন (দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ)। |
সেবনবিধি:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Aluminium Hydroxide + Magnesium Hydroxide ব্যবহার করা যাবে না:
কোষ্ঠকাঠিন্য (মূলত অ্যালুমিনিয়াম উপাদানের কারণে), পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া (মূলত ম্যাগনেসিয়াম উপাদানের কারণে), সামান্য পেট কামড়ানো এবং মুখে খড়ির মতো স্বাদ। অন্ত্রের অভ্যাসে এই প্রভাবগুলো সাধারণত মৃদু ও মাত্রা-নির্ভর।
নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন: অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (র্যাশ, চুলকানি, মুখ/ঠোঁট/জিহ্বা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট); দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া; ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ যেমন অস্বাভাবিক দুর্বলতা, মাংসপেশির দুর্বলতা, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা বিভ্রান্তি, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী বা অতিরিক্ত ব্যবহারে অথবা কিডনি সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে (বিস্তারিত দেখুন সতর্কতা অংশে); অথবা ২ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে উপসর্গ থেকে যাওয়া।
G-Antacid-এর জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক গর্ভাবস্থা ঝুঁকি বিভাগ (pregnancy category) নির্ধারিত নেই। নিয়ন্ত্রিত মানব গবেষণার তথ্য সীমিত হলেও, ওষুধ ছাড়া ব্যবস্থাপনা যথেষ্ট না হলে গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়ার জন্য G-Antacid-এর মতো অ্যান্টাসিড সাধারণত ব্যবহৃত হয়। সতর্কতা হিসেবে কিছু বিশেষজ্ঞ প্রথম ত্রৈমাসিকে নিয়মিত ব্যবহার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন, তাই গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে সম্ভাব্য উপকারিতা ও ঝুঁকি বিবেচনা করে G-Antacid ব্যবহার করা উচিত।
ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সামান্য অংশ বুকের দুধে যেতে পারে বলে জানা যায়; অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড সম্পর্কে বুকের দুধে যাওয়ার তথ্য সীমিত। স্তন্যদানকালে সাধারণত G-Antacid ব্যবহার গ্রহণযোগ্য মনে করা হয়, তবে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং শিশুর পায়খানার ধরনে কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিচ্ছে কিনা তা লক্ষ্য রাখা উচিত।
নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি G-Antacid সেবনে সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রভাবগুলো পরিপাকতন্ত্র-সংক্রান্ত—ডায়রিয়া, অথবা বিকল্পভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা এবং পেট কামড়ানো। বড় মাত্রায় বা দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত সেবনে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়া অন্তর্ভুক্ত (কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে এই ঝুঁকি বেশি), যা রক্তচাপ কমে যাওয়া, মাংসপেশির দুর্বলতা, ঝিমুনি বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের মতো লক্ষণ সৃষ্টি করতে পারে; আর দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত ব্যবহারে বিরল ক্ষেত্রে অ্যালুমিনিয়াম জমতে পারে। চিকিৎসক বা বিষক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের নির্দিষ্ট নির্দেশ ছাড়া বমি করানো উচিত নয়। G-Antacid-এর মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসক, নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, অথবা বিষক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করা উচিত।
G-Antacid নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেলে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করা উচিত, কারণ প্রস্তাবিত সংরক্ষণ শর্ত ব্র্যান্ড ও ফর্মুলেশন (ট্যাবলেট বনাম সাসপেনশন) ভেদে ভিন্ন হতে পারে। লেবেলে অন্য কিছু উল্লেখ না থাকলে, সাধারণত ৩০°C-এর নিচে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে, সরাসরি আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করতে হবে, এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে। প্যাকেটের গায়ে লেখা মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের পর ব্যবহার করা যাবে না।
G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension একটি অ্যান্টাসিড, যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিডের কারণে হওয়া বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিডিটি, টক ঢেকুর ও পেটের অস্বস্তি দূর করতে ব্যবহৃত হয়, এবং চিকিৎসকের পরামর্শে হাইপারঅ্যাসিডিটি, গ্যাস্ট্রাইটিস ও ডিসপেপসিয়ার উপসর্গ উপশমেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি মূল কারণের চিকিৎসা নয়, শুধু উপসর্গ উপশম করে।
সাধারণত খাবারের ১-৩ ঘণ্টা পর এবং ঘুমানোর আগে, অথবা উপসর্গ অনুযায়ী প্রয়োজনমতো, নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেল বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension সেবন করা হয়। সাসপেনশন ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে, আর চিবানো ট্যাবলেট গেলার আগে ভালোভাবে চিবিয়ে নিতে হবে। নির্দিষ্ট উপসর্গ অনুযায়ী মাত্রার জন্য দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি অংশ।
মাত্রা নির্ভর করে ফর্মুলেশন, ব্র্যান্ড এবং ব্যবহারের কারণের ওপর, এবং তা একক নির্দিষ্ট পরিমাণের বদলে পণ্যের লেবেল বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী হওয়া উচিত। সাধারণ মাত্রা ও নির্দেশনা ওপরের মাত্রা সারণিতে দেওয়া আছে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সর্বোচ্চ লেবেল-নির্দেশিত মাত্রা টানা ২ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।
G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension বেশ কিছু মুখে খাওয়ার ওষুধের শোষণ কমাতে পারে, যেমন টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক, আয়রন সাপ্লিমেন্ট, অ্যাজোল গ্রুপের অ্যান্টিফাঙ্গাল, লেভোথাইরক্সিন, ডিগক্সিন, গ্যাবাপেন্টিন এবং বিসফসফোনেট। সাধারণত এগুলো G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension থেকে কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করা উচিত, কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে আরও বেশি ব্যবধান প্রয়োজন (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া অংশ)। ব্যবহারের আগে সব ওষুধের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানানো উচিত।
G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension দুধের সাথে খাওয়া নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা সমস্যার তথ্য নেই, তবে দুধ ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবারও পাকস্থলীর pH-এ কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে, তাই এটিকে পণ্যের নির্দেশিত মাত্রার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। দুধ বা অন্য খাবারের সাথে G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension একত্রে খাওয়া নিয়ে সন্দেহ থাকলে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension-এর জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক গর্ভাবস্থা ঝুঁকি বিভাগ নেই, তবে এই ধরনের অ্যান্টাসিড গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়ার জন্য প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। কিছু বিশেষজ্ঞ প্রথম ত্রৈমাসিকে নিয়মিত ব্যবহার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন, তাই গর্ভবতী নারীদের G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের সাথে কথা বলা উচিত। বিস্তারিত দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশে।
১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে স্ব-নির্দেশিত ব্যবহারের জন্য G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension সুপারিশ করা হয় না; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসক বড় শিশুদের নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য কমমাত্রায় ব্যবহারের নির্দেশ দিতে পারেন, তবে তা সবসময় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত। বিস্তারিত দেখুন শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশে।
G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension-এর সবচেয়ে সাধারণ প্রভাব হলো কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া, কারণ দুটি উপাদানের অন্ত্রের ওপর বিপরীত প্রভাব রয়েছে, পাশাপাশি মাঝে মাঝে সামান্য পেট কামড়ানো হতে পারে। গুরুতর প্রতিক্রিয়া কম দেখা যায়, তবে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বা ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা হতে পারে, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী বা অতিরিক্ত ব্যবহারে অথবা কিডনি সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য দেখুন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অংশ।
নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension সেবনে সাধারণত ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেটের অস্বস্তি হয়; বড় মাত্রায় বা দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত সেবনে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা হতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। চিকিৎসক বা বিষক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের নির্দেশ ছাড়া বমি করানো উচিত নয়, এবং G-Antacid (200 mg+125 mg)/5 ml Oral Suspension-এর মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে বা বিষক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।