Product gallery
MRP ৳ ৪০.০২১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৩৬.০২/100's strip
স্টকে নেই
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

G-Calcium Lactate ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, অপর্যাপ্ত খাদ্যাভ্যাসের কারণে সৃষ্ট ক্যালসিয়াম স্বল্পতায়, এবং হালকা মাত্রার দীর্ঘস্থায়ী হাইপোক্যালসেমিয়া (রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কম) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ভিটামিন ডি ও অন্যান্য হাড়-সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক (adjunct) হিসেবে G-Calcium Lactate ব্যবহার করা হয়। গর্ভাবস্থা, স্তন্যদান, বৃদ্ধির সময় এবং বয়স্কদের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এটি ব্যবহৃত হয়। জরুরি বা তীব্র হাইপোক্যালসেমিয়ার চিকিৎসার জন্য G-Calcium Lactate উপযুক্ত নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

G-Calcium Lactate একটি ক্যালসিয়াম লবণ/খনিজ (ইলেক্ট্রোলাইট) সাপ্লিমেন্ট শ্রেণির ওষুধ, যা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ বা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Calcium Lactate পরিপাকতন্ত্রে দ্রবীভূত হয়ে ক্যালসিয়াম আয়ন নির্গত করে, যা প্রধানত ক্ষুদ্রান্ত্রে সক্রিয় (ভিটামিন ডি-নির্ভর) ও নিষ্ক্রিয় প্রক্রিয়ায় শোষিত হয়। ক্যালসিয়াম হাড় গঠন, স্নায়ু-পেশি সঞ্চালন, রক্ত জমাট বাঁধা, হৃদক্রিয়া এবং বিভিন্ন এনজাইম কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য।

শোষণ ও নিঃসরণ

Calcium Lactate-এর শোষণ পাকস্থলীর অ্যাসিডের ওপর তুলনামূলকভাবে কম নির্ভরশীল, তাই এটি খাবারসহ বা খাবার ছাড়াই সেবন করা যায়। শোষিত ক্যালসিয়ামের অধিকাংশ হাড় ও দাঁতে জমা হয় এবং অতিরিক্ত অংশ মূলত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মাত্রা

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
ক্যালসিয়ামের ঘাটতি/সাপ্লিমেন্টেশন৩২৫–৬৫০ মি.গ্রা. G-Calcium Lactate দিনে ২-৩ বার মুখে সেবন, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় মৌলিক ক্যালসিয়াম গ্রহণ (সাধারণত খাদ্য ও সাপ্লিমেন্ট মিলিয়ে দৈনিক ১০০০-১২০০ মি.গ্রা.) অনুযায়ী সমন্বয় করে, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
হালকা দীর্ঘস্থায়ী হাইপোক্যালসেমিয়ারক্তের ক্যালসিয়াম মাত্রা ও রোগীর সাড়া অনুযায়ী চিকিৎসক দ্বারা নির্ধারিত পৃথক মাত্রা, শোষণ উন্নত করতে দিনে ভাগ ভাগ করে সেবন করা হয়।
অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ/ব্যবস্থাপনায় সহায়কচিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী, সাধারণত ভিটামিন ডি এবং প্রয়োজনে হাড়-সক্রিয় ওষুধের সাথে।

সেবনবিধি

G-Calcium Lactate পূর্ণ এক গ্লাস পানির সাথে সেবন করুন। এটি খাবারসহ বা খাবার ছাড়াই সেবন করা যায়। একবারে বড় মাত্রার পরিবর্তে দৈনিক মোট মাত্রা ২-৩ ভাগে ভাগ করে সেবন করলে শোষণ ভালো হয় এবং পাকস্থলীর অস্বস্তি কম হয়। এফারভেসেন্ট বা দ্রবণীয় ফর্ম ব্যবহার করলে পানিতে সম্পূর্ণ দ্রবীভূত করে সেবন করুন। সর্বদা চিকিৎসক বা পণ্যের লেবেলে নির্দেশিত মাত্রা ও সময়সূচি অনুসরণ করুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক: ক্যালসিয়াম এসব অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে অদ্রবণীয় কমপ্লেক্স তৈরি করে এদের শোষণ ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। G-Calcium Lactate এবং এসব অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের মাঝে কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • থায়াজাইড মূত্রবর্ধক (Diuretics): প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম নিঃসরণ কমিয়ে G-Calcium Lactate-এর সাথে একত্রে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে; একত্রে ব্যবহারে রক্তের ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • ডিগক্সিন: হাইপারক্যালসেমিয়া ডিগক্সিনের বিষক্রিয়া ও হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়; ডিগক্সিন সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে G-Calcium Lactate সতর্কতার সাথে ব্যবহার ও পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • লেভোথাইরক্সিন ও বিসফসফোনেট: ক্যালসিয়াম এসব ওষুধের শোষণ কমাতে পারে; G-Calcium Lactate সেবনের সময় লেভোথাইরক্সিন থেকে কমপক্ষে ৪ ঘণ্টা এবং বিসফসফোনেটের লেবেলে নির্দেশিত ব্যবধান বজায় রাখুন।
  • আয়রন সাপ্লিমেন্ট: ক্যালসিয়াম আয়রনের শোষণ কমাতে পারে; সম্ভব হলে পৃথকভাবে সেবন করুন।

প্রতিনির্দেশনা

Calcium Lactate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • Calcium Lactate বা এর উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা।
  • হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেশি)।
  • হাইপারক্যালসেমিয়া সৃষ্টিকারী অবস্থা, যেমন প্রাইমারি হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম বা হাড়ে ছড়িয়ে পড়া নির্দিষ্ট ম্যালিগন্যান্সি।
  • মারাত্মক হাইপারক্যালসিউরিয়া বা কিডনিতে পাথর সংক্রান্ত অবস্থা, যেখানে চিকিৎসক অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ নিষেধ করেছেন।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

প্রস্তাবিত মাত্রায় সেবন করলে G-Calcium Lactate সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

সাধারণ

  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • পেট ফাঁপা বা গ্যাস
  • হালকা পেটের অস্বস্তি

কম দেখা যায় (সাধারণত অতিরিক্ত সেবনে)

  • হাইপারক্যালসেমিয়া — বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধামন্দা, অতিরিক্ত পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব, বিভ্রান্তি বা দুর্বলতা।
  • দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত সেবনে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি, বিশেষত যাদের প্রবণতা আছে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ক্যালসিয়াম একটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান, এবং এই সময়ে বর্ধিত ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে প্রস্তাবিত মাত্রায় G-Calcium Lactate সাধারণত উপযুক্ত ও প্রায়ই পরামর্শকৃত। তবে G-Calcium Lactate শুধুমাত্র নির্দেশিত মাত্রায় ব্যবহার করা উচিত এবং অতিরিক্ত সেবন এড়িয়ে চলা উচিত। গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে G-Calcium Lactate চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন, যিনি খাদ্যাভ্যাস ও ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করতে পারবেন।

সতর্কতা

কিডনিতে পাথরের ইতিহাস বা কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে G-Calcium Lactate সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ পাথর তৈরি বা হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সারকয়ডোসিস বা অন্যান্য গ্র্যানুলোমাটাস রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ এসব রোগে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের প্রতি সংবেদনশীলতা বেড়ে যেতে পারে। খাদ্য ও সাপ্লিমেন্ট মিলিয়ে অতিরিক্ত মোট ক্যালসিয়াম গ্রহণ এড়িয়ে চলুন। দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চ মাত্রায় সেবনকারী রোগীদের বা মিথষ্ক্রিয়াযুক্ত ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্তের ক্যালসিয়াম পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। টেট্রাসাইক্লিন, ফ্লুরোকুইনোলোন, লেভোথাইরক্সিন, বিসফসফোনেট ও আয়রন সাপ্লিমেন্ট থেকে যথাযথ ব্যবধান বজায় রেখে G-Calcium Lactate সেবন করুন।

মাত্রাধিক্যতা

অতিরিক্ত মাত্রায় G-Calcium Lactate সেবনে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা, পেশি দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, অতিরিক্ত পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যা বা কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে ওষুধ সেবন বন্ধ করুন এবং অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। সন্দেহজনক গুরুতর অতিরিক্ত মাত্রার ক্ষেত্রে বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

বয়স অনুযায়ী ক্যালসিয়ামের চাহিদা ভিন্ন হয়, এবং খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পেলে চিকিৎসক বা শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের ক্ষেত্রে G-Calcium Lactate ব্যবহার করা যেতে পারে, বয়স-উপযোগী মৌলিক ক্যালসিয়াম চাহিদা অনুযায়ী। প্রতিটি বাণিজ্যিক ফর্মুলেশনের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা পৃথকভাবে প্রতিষ্ঠিত নাও হতে পারে; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত মাত্রায় ব্যবহার করুন।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য বর্ধিত ক্যালসিয়াম চাহিদা পূরণে বয়স্কদের ক্ষেত্রে G-Calcium Lactate সাধারণত ব্যবহৃত হয়; কিডনির কার্যক্ষমতা ও সহ-ব্যবহৃত অন্যান্য ওষুধ বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: G-Calcium Lactate 300 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: G-Calcium Lactate 300 mg Tablet ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায়, এবং সাধারণত ভিটামিন ডি-এর সাথে অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Q: অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে কি G-Calcium Lactate 300 mg Tablet সেবন করা যায়?

A: G-Calcium Lactate 300 mg Tablet টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিকের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। এই মিথষ্ক্রিয়া এড়াতে দুটি ওষুধ সেবনের মাঝে কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।

Q: গর্ভাবস্থায় G-Calcium Lactate 300 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: প্রস্তাবিত মাত্রায় G-Calcium Lactate 300 mg Tablet সহ ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টেশন গর্ভাবস্থায় বর্ধিত ক্যালসিয়াম চাহিদা পূরণে সাধারণত উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়, তবে এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করা উচিত, যিনি সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করবেন।

Q: অতিরিক্ত মাত্রায় G-Calcium Lactate 300 mg Tablet সেবন করলে কী হতে পারে?

A: অতিরিক্ত মাত্রায় G-Calcium Lactate 300 mg Tablet সেবনে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, বিভ্রান্তি ও অতিরিক্ত পিপাসা। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

Q: কাদের G-Calcium Lactate 300 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম, ক্যালসিয়াম বৃদ্ধিসংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট ম্যালিগন্যান্সি, বা G-Calcium Lactate 300 mg Tablet-এর প্রতি অতি সংবেদনশীলতা আছে, তাদের এটি সেবন করা উচিত নয়।

Q: G-Calcium Lactate 300 mg Tablet কি কোষ্ঠকাঠিন্য সৃষ্টি করতে পারে?

A: হ্যাঁ, কোষ্ঠকাঠিন্য ও হালকা পেটের অস্বস্তি G-Calcium Lactate 300 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে অন্যতম, বিশেষত উচ্চ মাত্রায়। ভাগ ভাগ করে সেবন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করলে এটি কমানো যায়।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor