Product gallery
MRP ৳ ১৫.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৩.৫০/piece
স্টকে নেই
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Heplol মূলত রক্তে অ্যামোনিয়ার মাত্রা কমাতে এবং লিভার রোগে এর জটিলতা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত/নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার

  • হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি (তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী, ল্যাটেন্ট/মিনিমাল হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথিসহ): Heplol ল্যাকটুলোজ, খাদ্যে প্রোটিন সমন্বয় এবং কারণ চিহ্নিত করে চিকিৎসার পাশাপাশি সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে রক্তে অ্যামোনিয়া কমাতে ও মানসিক অবস্থার উন্নতিতে সাহায্য করে।
  • লিভার রোগ সম্পর্কিত হাইপারঅ্যামোনেমিয়া: লিভারের ইউরিয়া-চক্র কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে বেড়ে যাওয়া অ্যামোনিয়ার মাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়।

সাধারণভাবে ব্যবহৃত সহায়ক নির্দেশনা (আঞ্চলিক প্রচলন, প্রমাণের মান পরিবর্তনশীল)

  • লিভার সিরোসিসে লিভারের কার্যক্ষমতা হ্রাস
  • ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও অ্যালকোহলজনিত লিভার ক্ষতিতে সহায়ক চিকিৎসা
  • তীব্র ভাইরাল হেপাটাইটিসের পরে সহায়ক পুনরুদ্ধার

Heplol মূল লিভার রোগের চিকিৎসার বিকল্প নয় এবং সিরোসিস বা হেপাটাইটিসের একক নিরাময়কারী চিকিৎসা হিসেবে অনুমোদিত নয়; এটি চিকিৎসকের পরামর্শে প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Heplol একটি অ্যামোনিয়া-নিষ্ক্রিয়কারী/হেপাটোপ্রোটেক্টিভ অ্যামিনো অ্যাসিড সমন্বয় শ্রেণির ঔষধ, যা হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি ও লিভার রোগ সম্পর্কিত হাইপারঅ্যামোনেমিয়া ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

L-Ornithine L-Aspartate শরীরে অ্যামোনিয়া নিষ্ক্রিয়করণের দুটি পরিপূরক বিপাকীয় পথে কাজ করে:

  • L-Ornithine অংশটি লিভারের ইউরিয়া-চক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ইউরিয়া-চক্রের এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করে অ্যামোনিয়াকে ইউরিয়াতে রূপান্তর বাড়ায়, যা পরবর্তীতে কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।
  • L-Aspartate অংশটি মূলত পেশি ও মস্তিষ্কের কোষে গৃহীত হয়ে গ্লুটামিন সিন্থেটেজ এনজাইমের মাধ্যমে অ্যামোনিয়া থেকে গ্লুটামিন তৈরিতে সহায়তা করে (অ্যামোনিয়া নিষ্ক্রিয়করণের বিকল্প পথ), এবং সাইট্রিক অ্যাসিড চক্রে প্রবেশ করে লিভার কোষের শক্তি (এটিপি) উৎপাদনে সহায়তা করে, যা ক্ষতিগ্রস্ত লিভার কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।

উভয় অ্যামিনো অ্যাসিডই দ্রুত শোষিত ও স্বাভাবিক অ্যামিনো অ্যাসিড বিপাকীয় পথে বিপাকিত হয়, যা লিভারের বিপাকীয় কার্যক্ষমতা কমে গেলেও L-Ornithine L-Aspartate-কে কার্যকর রাখে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মুখে সেবনযোগ্য (স্যাশে/পাউডার, ট্যাবলেট)

হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি/হাইপারঅ্যামোনেমিয়ার জন্য: প্রতিদিন ১-২টি স্যাশে (প্রতিটি ৩ গ্রাম) বা সমতুল্য ট্যাবলেট মাত্রা, এক গ্লাস পানি বা তরলে দ্রবীভূত করে দিনে ২-৩ বার, সাধারণত খাবারের সাথে বা পরে সেবন করতে হয়।

শিরায় ইনফিউশন (তীব্র/গুরুতর হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির জন্য)

স্বাভাবিক মাত্রা: প্রতিদিন ১-৪ অ্যাম্পুল (প্রতিটি ৫ গ্রাম/১০ মিলি), উপযুক্ত শিরায় তরলে মিশিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর ক্ষেত্রে (যেমন কোমা/প্রি-কোমা) সর্বোচ্চ ৪ অ্যাম্পুল পর্যন্ত ৫০০ মিলি শিরায় তরলে মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে ইনফিউশন দেওয়া হয়; মোট দৈনিক মাত্রা সাধারণত ২০ গ্রাম (৪ অ্যাম্পুল) অতিক্রম করা উচিত নয়, চিকিৎসক বিশেষভাবে নির্দেশ না দিলে।

সর্বোচ্চ ইনফিউশন হার প্রায় ৫ গ্রাম/ঘণ্টা, যাতে বমি বমি ভাব ও বমির ঝুঁকি কমানো যায়। দ্রুত শিরায় ইনজেকশন/বোলাস হিসেবে দেওয়া যাবে না।

Heplol-এর মাত্রা ও চিকিৎসার মেয়াদ সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর অবস্থা, অ্যামোনিয়ার মাত্রা ও হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির তীব্রতার উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Heplol-এর সাথে অন্য ঔষধের উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়ার তথ্য চিকিৎসাসাহিত্যে সুপ্রতিষ্ঠিত নয়। যেহেতু Heplol একটি অ্যামিনো অ্যাসিড প্রস্তুতি যা স্বাভাবিক অ্যামিনো অ্যাসিড ও অ্যামোনিয়া বিপাকীয় পথে প্রক্রিয়াজাত হয়, তাই এর অন্যান্য ঔষধের সাথে মিথষ্ক্রিয়ার সম্ভাবনা কম।

সতর্কতা হিসেবে, Heplol শুরু করার আগে ব্যবহৃত অন্যান্য সকল ঔষধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসককে জানান, বিশেষত অন্যান্য অ্যামোনিয়া-হ্রাসকারী ঔষধ (যেমন ল্যাকটুলোজ, রিফাক্সিমিন) এবং অ্যামিনো অ্যাসিড/প্রোটিনযুক্ত ইনফিউশন বা সাপ্লিমেন্ট, যাতে চিকিৎসা সমন্বয় করা যায়।

প্রতিনির্দেশনা

L-Ornithine L-Aspartate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • গুরুতর কিডনি সমস্যা বা কিডনি বিকল হয়ে যাওয়া — কারণ L-Ornithine L-Aspartate ইউরিয়া ও অন্যান্য নাইট্রোজেনযুক্ত বিপাকীয় পদার্থের উৎপাদন বাড়ায়, যা কিডনির মাধ্যমে নির্গত হতে হয়; গুরুতর কিডনি সমস্যায় এসব পদার্থ জমে অ্যাজোটেমিয়া আরও খারাপ হতে পারে।
  • L-Ornithine L-Aspartate বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অ্যালার্জি/অতি সংবেদনশীলতা।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Heplol সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। প্রতিবেদিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মৃদু ও সাময়িক:

  • সাধারণ: বমি বমি ভাব ও বমি, বিশেষত শিরায় ইনফিউশন দ্রুত দিলে — ইনফিউশনের হার কমালে সাধারণত এটি ঠিক হয়ে যায়।
  • কম সাধারণ: মুখে সেবনে হালকা পেটের অস্বস্তি, পেট ব্যথা বা ডায়রিয়া।
  • বিরল: অতি সংবেদনশীলতাজনিত ত্বকের প্রতিক্রিয়া (র‍্যাশ, চুলকানি)।

গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে Heplol বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে Heplol ব্যবহারের তথ্য সীমিত। সতর্কতা হিসেবে, গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে Heplol কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন এটি স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় এবং মায়ের জন্য সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণ বা শিশুর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে বিবেচিত হয়। এই পরিস্থিতিতে ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং সরাসরি চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে।

সতর্কতা

Heplol গ্রহণকারী রোগীদের, বিশেষত পূর্ব থেকে কিডনি সমস্যা থাকা রোগীদের নিয়মিত কিডনির কার্যক্ষমতা (সিরাম ইউরিয়া/ক্রিয়েটিনিন) পর্যবেক্ষণ করা উচিত, কারণ Heplol নাইট্রোজেনযুক্ত (ইউরিয়া) বোঝা বাড়ায় যা কিডনির মাধ্যমে নির্গত হতে হয় — গুরুতর কিডনি সমস্যায় বিস্তারিত জানতে প্রতিনির্দেশনা দেখুন।

শিরায় প্রয়োগের সময় বমি বমি ভাব বা বমি হলে ইনফিউশনের হার কমিয়ে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন (দেখুন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া)।

Heplol মূল লিভার রোগের প্রচলিত চিকিৎসার (যেমন ল্যাকটুলোজ, পরামর্শ অনুযায়ী প্রোটিন সীমিতকরণ এবং হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির কারণ যেমন সংক্রমণ, পাকস্থলী-অন্ত্রের রক্তক্ষরণ বা ইলেকট্রোলাইট সমস্যার চিকিৎসা) বিকল্প নয়, বরং সহায়ক চিকিৎসা।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে কেবল চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন (দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে)।

মাত্রাধিক্যতা

মানুষের ক্ষেত্রে Heplol-এর অতিরিক্ত মাত্রা সংক্রান্ত নির্দিষ্ট তথ্য সীমিত। অতিরিক্ত মাত্রা, বিশেষত দ্রুত শিরায় ইনফিউশনের মাধ্যমে, বমি বমি ভাব ও বমির মতো পাকস্থলী-অন্ত্রের উপসর্গ বাড়াতে পারে এবং কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাসপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে তাত্ত্বিকভাবে নাইট্রোজেনযুক্ত বোঝা বাড়াতে পারে।

Heplol-এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে ঔষধ/ইনফিউশন বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, অথবা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক ও উপসর্গ-নির্ভর, এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় পরিচালিত হওয়া উচিত।

সংরক্ষণ

রুম তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। রং পরিবর্তিত হয়েছে বা কণা দেখা যাচ্ছে এমন শিরায় প্রয়োগযোগ্য অ্যাম্পুল ব্যবহার করবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

শিশুদের ক্ষেত্রে Heplol-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রিত গবেষণার মাধ্যমে সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, এবং প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশিকায় কোনো নির্দিষ্ট শিশু মাত্রা নির্ধারিত নেই। শিশুদের ক্ষেত্রে Heplol কেবল চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত, যেমন বিশেষজ্ঞ পরিবেশে পরিচালিত শিশুদের হাইপারঅ্যামোনেমিয়া বা হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির ক্ষেত্রে।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

বয়স্ক রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নয়, তবে এই বয়সে কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাসের প্রবণতা বেশি থাকায় Heplol ব্যবহারের আগে ও চলাকালীন কিডনির কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করা উচিত।

কিডনি সমস্যা

গুরুতর কিডনি সমস্যা/কিডনি বিকলতায় Heplol প্রতিনির্দেশিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)। মৃদু কিডনি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং কিডনির কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করুন।

লিভার সমস্যা

Heplol মূলত লিভার সমস্যাযুক্ত (যেমন সিরোসিস, হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি) রোগীদের সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়; নির্দেশনা-ভিত্তিক স্বাভাবিক মাত্রার বাইরে অতিরিক্ত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন প্রতিষ্ঠিত নয়, তবে লিভার রোগ ব্যবস্থাপনাকারী চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Heplol 150 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Heplol 150 mg Tablet মূলত রক্তে অ্যামোনিয়ার বর্ধিত মাত্রা কমাতে এবং হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি (লিভার রোগের কারণে বিভ্রান্তি ও মানসিক অবস্থার পরিবর্তন) চিকিৎসা বা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এটি সিরোসিস, ফ্যাটি লিভার ও হাইপারঅ্যামোনেমিয়ায় সহায়ক চিকিৎসা হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

Q: কিডনি সমস্যা থাকলে কি Heplol 150 mg Tablet খাওয়া যাবে?

A: গুরুতর কিডনি সমস্যা বা কিডনি বিকল হয়ে যাওয়া রোগীদের Heplol 150 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এটি কিডনির মাধ্যমে নির্গত হওয়া প্রয়োজন এমন ইউরিয়া ও নাইট্রোজেন বর্জ্যের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা কিডনি সমস্যা আরও খারাপ করতে পারে। Heplol 150 mg Tablet শুরু করার আগে কিডনি রোগের কথা চিকিৎসককে জানান, এবং চিকিৎসাকালীন কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Heplol 150 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে Heplol 150 mg Tablet ব্যবহারের তথ্য সীমিত। চিকিৎসক যদি মনে করেন এটি স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তাহলেই কেবল গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে এটি ব্যবহার করা উচিত। এই পরিস্থিতিতে Heplol 150 mg Tablet ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Heplol 150 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Heplol 150 mg Tablet সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সবচেয়ে বেশি প্রতিবেদিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হালকা বমি বমি ভাব ও বমি, বিশেষত শিরায় ইনফিউশন খুব দ্রুত দেওয়া হলে। এই প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত সাময়িক এবং ইনফিউশনের হার কমালে উন্নতি হয়।

Q: Heplol 150 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: Heplol 150 mg Tablet-এর মুখে সেবনযোগ্য স্যাশে এক গ্লাস পানি বা অন্য তরলে দ্রবীভূত করে দিনে ২-৩ বার, সাধারণত খাবারের সাথে বা পরে সেবন করতে হয়। হাসপাতালে গুরুতর লিভার রোগের ক্ষেত্রে, Heplol 150 mg Tablet চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে ধীরগতির শিরায় ইনফিউশন হিসেবেও দেওয়া হতে পারে।

Q: Heplol 150 mg Tablet কি লিভারের রোগ পুরোপুরি সারিয়ে দেয়?

A: না। Heplol 150 mg Tablet মূল লিভার রোগ নিরাময় করে না। এটি চিকিৎসকের পরামর্শকৃত অন্যান্য প্রচলিত চিকিৎসার (যেমন ল্যাকটুলোজ ও মূল কারণের চিকিৎসা) পাশাপাশি অ্যামোনিয়া কমাতে ও হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির মতো উপসর্গ ব্যবস্থাপনায় সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor