
Ispergul Orange120 gm
Square Pharmaceuticals PLC.

Ispergul Lemon একটি বাল্ক-ফর্মিং ফাইবার জাতীয় ল্যাক্সেটিভ, যা Plantago ovata নামক উদ্ভিদের বীজের খোসা থেকে প্রস্তুত করা হয়। এটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Ispergul Lemon-এর কার্যকারিতা দ্রুত নয়; সাধারণত ১২ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফল পাওয়া যায়।
Ispergul Lemon বাল্ক-ফর্মিং ল্যাক্সেটিভ (ডায়েটারি ফাইবার/হাইড্রোফিলিক মিউসিলয়েড ল্যাক্সেটিভ) শ্রেণীর ওষুধ।
Ispaghula Husk-এ থাকা মিউসিলেজ জাতীয় পলিস্যাকারাইড পানির সংস্পর্শে এসে অন্ত্রের মধ্যে ফুলে গিয়ে একটি নরম, আঠালো জেল তৈরি করে, যা মলের পরিমাণ ও আর্দ্রতা বৃদ্ধি করে।
Ispaghula Husk রক্তে শোষিত হয় না, তাই এর কোনো প্রথাগত ফার্মাকোকাইনেটিক (শোষণ/বিতরণ/বিপাক/নিঃসরণ) বৈশিষ্ট্য নেই - এর কার্যকারিতা সম্পূর্ণভাবে অন্ত্রের ভেতরে স্থানীয়ভাবে ঘটে।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা (৬ বছর বা তার বেশি) |
|---|---|---|
| কোষ্ঠকাঠিন্য | ১ স্যাশে/১-২ চা চামচ (প্রায় ৩.৫-৭ গ্রাম) এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে দিনে ১-৩ বার | প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রার অর্ধেক, দিনে ১-২ বার, শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে |
| IBS উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ | কোষ্ঠকাঠিন্যের মতোই মাত্রা; কম মাত্রা থেকে শুরু করে ১-২ সপ্তাহে ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে | চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সুপারিশ করা হয় না |
| হাইপারলিপিডেমিয়া/গ্লাইসেমিক নিয়ন্ত্রণে সহায়ক | খাবারের সাথে বা আগে ১ মাত্রা (প্রায় ৩.৫-৭ গ্রাম), দিনে ১-৩ বার, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী | প্রতিষ্ঠিত নয় |
Ispergul Lemon-এর প্রতিটি মাত্রা এক গ্লাস পানি বা অন্য উপযুক্ত তরলে ভালোভাবে মিশিয়ে, মিশ্রণ ঘন হওয়ার আগেই দ্রুত পান করতে হবে, এবং এরপর আরও এক গ্লাস তরল পান করতে হবে। পর্যাপ্ত দৈনিক তরল গ্রহণ বজায় রাখা জরুরি। সাধারণত ১২ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগে উন্নতি দেখা যায়; কয়েকদিন নিয়মিত ব্যবহারের পরও উন্নতি না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Ispergul Lemon একসাথে গ্রহণ করলে কিছু মুখে খাওয়া ওষুধের শোষণে বাধা দিতে পারে বা তা দেরি করাতে পারে, ফলে সেসব ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
Ispaghula Husk নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:
Ispergul Lemon সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। রিপোর্টকৃত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
Ispergul Lemon সেবনের পর বুকে ব্যথা, গিলতে অসুবিধা, বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
গর্ভাবস্থা: Ispergul Lemon রক্তে শোষিত হয় না এবং গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য ব্যবস্থাপনার জন্য সাধারণত পছন্দনীয় বিকল্পগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়; তবে এটি শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে।
স্তন্যদান: Ispergul Lemon অন্ত্রে স্থানীয়ভাবে কাজ করে এবং রক্তে শোষিত হয় না বলে বুকের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রবেশের সম্ভাবনা কম; তবুও স্তন্যদানকারী মায়েদের ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Ispergul Lemon সবসময় পর্যাপ্ত তরলসহ (প্রতি মাত্রায় কমপক্ষে এক গ্লাস পানি এবং পরে আরও এক গ্লাস) সেবন করতে হবে, যাতে খাদ্যনালী বা অন্ত্রে বাধা/দম আটকে যাওয়ার ঝুঁকি কমে - এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকা রোগীদের জন্য প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন (গিলতে অসুবিধা, স্ট্রিকচার, অন্ত্রের বাধা)।
পর্যাপ্ত তরল ছাড়া অতিরিক্ত মাত্রায় Ispergul Lemon সেবন করলে পেট ফুলে যাওয়া, তীব্র পেট ফাঁপা, বা অন্ত্র/খাদ্যনালীতে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। যদি প্রচুর পরিমাণে Ispergul Lemon সেবন করা হয়ে থাকে, বিশেষত পর্যাপ্ত পানি ছাড়া, অথবা তীব্র পেটে ব্যথা, বমি, বা মল/গ্যাস নির্গত করতে না পারার সমস্যা দেখা দিলে, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে বাধার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
Ispergul Lemon ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ভালোভাবে বন্ধ পাত্রে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Ispergul Lemon ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না। ৬-১২ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনায় উপযুক্ত কমানো মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে। ৬ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে Ispergul Lemon-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত Ispergul Lemon-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না; তবে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই বয়সীদের তৃষ্ণা অনুভূতি কম থাকতে পারে এবং গিলতে অসুবিধা বা অন্ত্রের গতিশীলতাজনিত সমস্যার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে।
Ispergul Lemon রক্তে শোষিত হয় না বলে কিডনি বা লিভারের সমস্যায় নির্দিষ্ট মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন প্রতিষ্ঠিত নয়; তবে সতর্কতা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, বিশেষত তরল সীমাবদ্ধতায় থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে।
Q: Ispergul Lemon 120 gm Powder কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Ispergul Lemon 120 gm Powder মূলত কোষ্ঠকাঠিন্য উপশমে এবং ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS)-এর উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ফাইবার সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, যা খাদ্যাভ্যাস ও অন্যান্য নির্ধারিত চিকিৎসার পাশাপাশি কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
Q: Ispergul Lemon 120 gm Powder কীভাবে সেবন করতে হয়?
A: Ispergul Lemon 120 gm Powder-এর প্রতিটি মাত্রা এক গ্লাস পানি বা অন্য উপযুক্ত তরলে ভালোভাবে মিশিয়ে সাথে সাথে পান করতে হবে, এবং এরপর আরও এক গ্লাস তরল পান করতে হবে। পর্যাপ্ত তরলসহ সেবন করা জরুরি, নাহলে দম আটকে যাওয়া বা অন্ত্রে বাধা সৃষ্টির ঝুঁকি থাকে।
Q: Ispergul Lemon 120 gm Powder কাজ করতে কতক্ষণ সময় লাগে?
A: সাধারণত নিয়মিত ব্যবহারে Ispergul Lemon 120 gm Powder ১২ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগ ঘটায়। এটি দ্রুত কাজ করা ল্যাক্সেটিভ নয়, তাই তাৎক্ষণিক উপশমের প্রয়োজন হলে এটি উপযুক্ত নয়।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Ispergul Lemon 120 gm Powder সেবন করা যায়?
A: Ispergul Lemon 120 gm Powder রক্তে শোষিত হয় না এবং গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য সাধারণত পছন্দনীয় বিকল্পগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়; তবে এটি শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শুরু করা উচিত।
Q: কাদের Ispergul Lemon 120 gm Powder সেবন করা উচিত নয়?
A: যাদের Ispergul Lemon 120 gm Powder-এর প্রতি পরিচিত অ্যালার্জি আছে, অথবা যাদের অন্ত্রের বাধা, মল আটকে থাকা, বা গিলতে অসুবিধা/খাদ্যনালী সংকীর্ণতা আছে, তাদের এটি সেবন করা উচিত নয়, কারণ এটি এসব সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এসব সমস্যা থাকলে নিজে থেকে চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Q: Ispergul Lemon 120 gm Powder কি অন্য ওষুধের সাথে একসাথে খাওয়া যায়?
A: Ispergul Lemon 120 gm Powder একসাথে খেলে ডিগক্সিন, লিথিয়াম, কিছু অ্যান্টিকনভালসেন্ট এবং ওয়ারফারিনের মতো কিছু ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। এটি এড়াতে, অন্যান্য মুখে খাওয়া ওষুধ সাধারণত Ispergul Lemon 120 gm Powder সেবনের অন্তত ১-২ ঘণ্টা আগে বা পরে নেওয়া উচিত।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।