Product gallery

Ispergul Lemon120 gm


MRP ৪৫০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৪০৫.০০/120 gm container
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Ispergul Lemon একটি বাল্ক-ফর্মিং ফাইবার জাতীয় ল্যাক্সেটিভ, যা Plantago ovata নামক উদ্ভিদের বীজের খোসা থেকে প্রস্তুত করা হয়। এটি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • কোষ্ঠকাঠিন্য: মাঝে মাঝে বা দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য উপশমে এবং নিয়মিত মলত্যাগ বজায় রাখতে (যেমন পাইলস বা মলদ্বারের অস্ত্রোপচারের পর, বা গর্ভাবস্থায় চাপ এড়াতে) Ispergul Lemon ব্যবহার করা হয়।
  • ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS): IBS-এর উপসর্গ, বিশেষত কোষ্ঠকাঠিন্য-প্রধান IBS নিয়ন্ত্রণে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে Ispergul Lemon ব্যবহৃত হয়।

সহায়ক ব্যবহার

  • হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার উচ্চ কোলেস্টেরল (হাইপারলিপিডেমিয়া) নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি সহায়ক ফাইবার হিসেবে Ispergul Lemon ব্যবহৃত হতে পারে।
  • টাইপ ২ ডায়াবেটিসে খাবারের পর রক্তে গ্লুকোজ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে Ispergul Lemon ব্যবহৃত হতে পারে, তবে এটি নির্ধারিত ডায়াবেটিস চিকিৎসার বিকল্প নয়।

Ispergul Lemon-এর কার্যকারিতা দ্রুত নয়; সাধারণত ১২ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফল পাওয়া যায়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Ispergul Lemon বাল্ক-ফর্মিং ল্যাক্সেটিভ (ডায়েটারি ফাইবার/হাইড্রোফিলিক মিউসিলয়েড ল্যাক্সেটিভ) শ্রেণীর ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Ispaghula Husk-এ থাকা মিউসিলেজ জাতীয় পলিস্যাকারাইড পানির সংস্পর্শে এসে অন্ত্রের মধ্যে ফুলে গিয়ে একটি নরম, আঠালো জেল তৈরি করে, যা মলের পরিমাণ ও আর্দ্রতা বৃদ্ধি করে।

কার্যপদ্ধতি

  • মলের বর্ধিত আয়তন ও পানির উপস্থিতি যান্ত্রিকভাবে অন্ত্রের পেরিস্টালসিসকে উদ্দীপিত করে এবং কোলনে চলাচলের সময় কমায়।
  • Ispaghula Husk-এর দ্রবণীয় ফাইবার আংশিকভাবে কোলনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ফার্মেন্ট হয়ে শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড উৎপন্ন করে, যা মলের আয়তনে আরও অবদান রাখে।
  • অন্ত্রে জেল-গঠনকারী ফাইবার পিত্ত অ্যাসিড বাঁধতে পারে এবং গ্লুকোজ শোষণ ধীর করতে পারে, যা কোলেস্টেরল ও গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকার ভিত্তি।

Ispaghula Husk রক্তে শোষিত হয় না, তাই এর কোনো প্রথাগত ফার্মাকোকাইনেটিক (শোষণ/বিতরণ/বিপাক/নিঃসরণ) বৈশিষ্ট্য নেই - এর কার্যকারিতা সম্পূর্ণভাবে অন্ত্রের ভেতরে স্থানীয়ভাবে ঘটে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাশিশুদের মাত্রা (৬ বছর বা তার বেশি)
কোষ্ঠকাঠিন্য১ স্যাশে/১-২ চা চামচ (প্রায় ৩.৫-৭ গ্রাম) এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে দিনে ১-৩ বারপ্রাপ্তবয়স্ক মাত্রার অর্ধেক, দিনে ১-২ বার, শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে
IBS উপসর্গ নিয়ন্ত্রণকোষ্ঠকাঠিন্যের মতোই মাত্রা; কম মাত্রা থেকে শুরু করে ১-২ সপ্তাহে ধীরে ধীরে বাড়াতে হবেচিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সুপারিশ করা হয় না
হাইপারলিপিডেমিয়া/গ্লাইসেমিক নিয়ন্ত্রণে সহায়কখাবারের সাথে বা আগে ১ মাত্রা (প্রায় ৩.৫-৭ গ্রাম), দিনে ১-৩ বার, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীপ্রতিষ্ঠিত নয়

Ispergul Lemon-এর প্রতিটি মাত্রা এক গ্লাস পানি বা অন্য উপযুক্ত তরলে ভালোভাবে মিশিয়ে, মিশ্রণ ঘন হওয়ার আগেই দ্রুত পান করতে হবে, এবং এরপর আরও এক গ্লাস তরল পান করতে হবে। পর্যাপ্ত দৈনিক তরল গ্রহণ বজায় রাখা জরুরি। সাধারণত ১২ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগে উন্নতি দেখা যায়; কয়েকদিন নিয়মিত ব্যবহারের পরও উন্নতি না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Ispergul Lemon একসাথে গ্রহণ করলে কিছু মুখে খাওয়া ওষুধের শোষণে বাধা দিতে পারে বা তা দেরি করাতে পারে, ফলে সেসব ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • ডিগক্সিন: Ispergul Lemon-এর সাথে একত্রে নিলে ডিগক্সিনের শোষণ ও রক্তমাত্রা কমে যেতে পারে; কমপক্ষে ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখতে হবে।
  • লিথিয়াম: শোষণ কমে গিয়ে রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে; একসাথে ব্যবহার করলে সময়ের ব্যবধান রেখে লিথিয়ামের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • কার্বামাজেপিন ও অন্যান্য কিছু অ্যান্টিকনভালসেন্ট: একসাথে সেবনে জৈব-উপলভ্যতা কমে যেতে পারে; সময়ের ব্যবধান বজায় রাখতে হবে।
  • ওয়ারফারিন ও অন্যান্য মুখে খাওয়া অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট: শোষণ/কার্যকারিতায় পরিবর্তন হতে পারে; একসাথে ব্যবহারে INR পর্যবেক্ষণ ও সময়ের ব্যবধান জরুরি।
  • সাধারণ নিয়ম হিসেবে, যেকোনো মুখে খাওয়া ওষুধ Ispergul Lemon সেবনের অন্তত ১-২ ঘণ্টা আগে বা পরে গ্রহণ করা উচিত, যাতে শোষণ কমে না যায়।

প্রতিনির্দেশনা

Ispaghula Husk নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • Ispaghula Husk বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা (এলার্জি)।
  • অন্ত্রের বাধা (ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন), ইলিয়াস, বা মল আটকে থাকা (ফেকাল ইমপ্যাকশন), এবং এসবের লক্ষণ থাকলে (যেমন ২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী মলত্যাগের ধরন পরিবর্তন, পেটে ব্যথা, অজানা কারণে বমি বমি ভাব/বমি) - এসব ক্ষেত্রে Ispaghula Husk সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • খাবার গিলতে অসুবিধা বা খাদ্যনালী সংকীর্ণ হওয়া (স্ট্রিকচার); চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধান ছাড়া এমন রোগীদের Ispaghula Husk সেবনে খাদ্যনালীতে বাধা সৃষ্টির ঝুঁকি থাকে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Ispergul Lemon সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। রিপোর্টকৃত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • সাধারণ: পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং হালকা পেটে খিঁচুনি, বিশেষত চিকিৎসা শুরুর সময় বা পর্যাপ্ত তরল না নিলে; সাধারণত ব্যবহার চালিয়ে গেলে ও ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়ালে এটি কমে যায়।
  • কম দেখা যায়: বমি বমি ভাব, হালকা ডায়রিয়া, বা অন্ত্র ভরাট অনুভূতি।
  • বিরল কিন্তু গুরুতর: অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া (চুলকানি, আমবাত, অ্যাঞ্জিওএডিমা, ব্রঙ্কোস্পাজম, অ্যানাফাইল্যাক্সিস), বিশেষত যাদের বারবার পেশাগতভাবে Ispergul Lemon এর গুঁড়ার সংস্পর্শে আসতে হয় (যেমন স্বাস্থ্যকর্মী); পর্যাপ্ত তরল না নিলে বা খাদ্যনালী সংকীর্ণ থাকলে খাদ্যনালী বা অন্ত্রে বাধা।

Ispergul Lemon সেবনের পর বুকে ব্যথা, গিলতে অসুবিধা, বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Ispergul Lemon রক্তে শোষিত হয় না এবং গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য ব্যবস্থাপনার জন্য সাধারণত পছন্দনীয় বিকল্পগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়; তবে এটি শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে।

স্তন্যদান: Ispergul Lemon অন্ত্রে স্থানীয়ভাবে কাজ করে এবং রক্তে শোষিত হয় না বলে বুকের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রবেশের সম্ভাবনা কম; তবুও স্তন্যদানকারী মায়েদের ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

Ispergul Lemon সবসময় পর্যাপ্ত তরলসহ (প্রতি মাত্রায় কমপক্ষে এক গ্লাস পানি এবং পরে আরও এক গ্লাস) সেবন করতে হবে, যাতে খাদ্যনালী বা অন্ত্রে বাধা/দম আটকে যাওয়ার ঝুঁকি কমে - এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকা রোগীদের জন্য প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন (গিলতে অসুবিধা, স্ট্রিকচার, অন্ত্রের বাধা)।

  • মলত্যাগের ধরনে হঠাৎ পরিবর্তন যা ২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী, অব্যাখ্যাত মলদ্বারে রক্তপাত, বা ব্যবহারের পরও মল না হওয়া - এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Ispergul Lemon সেবন করা উচিত নয়, কারণ এগুলো অন্তর্নিহিত সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
  • চিনিযুক্ত প্রস্তুতির Ispergul Lemon ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস রোগীদের সম্ভব হলে চিনি-মুক্ত প্রস্তুতি বেছে নেওয়া উচিত।
  • যেসব স্বাস্থ্যকর্মী নিয়মিত Ispergul Lemon এর গুঁড়া পরিচালনা করেন, তাদের গুঁড়া নিঃশ্বাসের সাথে যাওয়া কমানো উচিত, কারণ বারবার সংস্পর্শে পেশাগত সংবেদনশীলতা ও হাঁপানি দেখা দিতে পারে।
  • Ispergul Lemon-এর ল্যাক্সেটিভ প্রভাব ধীরে (১২-৭২ ঘণ্টা) শুরু হয়; দ্রুত মলত্যাগ প্রয়োজন হলে এটি উপযুক্ত নয়।

মাত্রাধিক্যতা

পর্যাপ্ত তরল ছাড়া অতিরিক্ত মাত্রায় Ispergul Lemon সেবন করলে পেট ফুলে যাওয়া, তীব্র পেট ফাঁপা, বা অন্ত্র/খাদ্যনালীতে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। যদি প্রচুর পরিমাণে Ispergul Lemon সেবন করা হয়ে থাকে, বিশেষত পর্যাপ্ত পানি ছাড়া, অথবা তীব্র পেটে ব্যথা, বমি, বা মল/গ্যাস নির্গত করতে না পারার সমস্যা দেখা দিলে, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে বাধার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

Ispergul Lemon ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ভালোভাবে বন্ধ পাত্রে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু

৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Ispergul Lemon ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না। ৬-১২ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনায় উপযুক্ত কমানো মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে। ৬ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে Ispergul Lemon-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্ক

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত Ispergul Lemon-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না; তবে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই বয়সীদের তৃষ্ণা অনুভূতি কম থাকতে পারে এবং গিলতে অসুবিধা বা অন্ত্রের গতিশীলতাজনিত সমস্যার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে।

কিডনি/লিভারের সমস্যা

Ispergul Lemon রক্তে শোষিত হয় না বলে কিডনি বা লিভারের সমস্যায় নির্দিষ্ট মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন প্রতিষ্ঠিত নয়; তবে সতর্কতা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, বিশেষত তরল সীমাবদ্ধতায় থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Ispergul Lemon 120 gm Powder কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Ispergul Lemon 120 gm Powder মূলত কোষ্ঠকাঠিন্য উপশমে এবং ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS)-এর উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ফাইবার সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, যা খাদ্যাভ্যাস ও অন্যান্য নির্ধারিত চিকিৎসার পাশাপাশি কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।

Q: Ispergul Lemon 120 gm Powder কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: Ispergul Lemon 120 gm Powder-এর প্রতিটি মাত্রা এক গ্লাস পানি বা অন্য উপযুক্ত তরলে ভালোভাবে মিশিয়ে সাথে সাথে পান করতে হবে, এবং এরপর আরও এক গ্লাস তরল পান করতে হবে। পর্যাপ্ত তরলসহ সেবন করা জরুরি, নাহলে দম আটকে যাওয়া বা অন্ত্রে বাধা সৃষ্টির ঝুঁকি থাকে।

Q: Ispergul Lemon 120 gm Powder কাজ করতে কতক্ষণ সময় লাগে?

A: সাধারণত নিয়মিত ব্যবহারে Ispergul Lemon 120 gm Powder ১২ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগ ঘটায়। এটি দ্রুত কাজ করা ল্যাক্সেটিভ নয়, তাই তাৎক্ষণিক উপশমের প্রয়োজন হলে এটি উপযুক্ত নয়।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Ispergul Lemon 120 gm Powder সেবন করা যায়?

A: Ispergul Lemon 120 gm Powder রক্তে শোষিত হয় না এবং গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য সাধারণত পছন্দনীয় বিকল্পগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়; তবে এটি শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শুরু করা উচিত।

Q: কাদের Ispergul Lemon 120 gm Powder সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের Ispergul Lemon 120 gm Powder-এর প্রতি পরিচিত অ্যালার্জি আছে, অথবা যাদের অন্ত্রের বাধা, মল আটকে থাকা, বা গিলতে অসুবিধা/খাদ্যনালী সংকীর্ণতা আছে, তাদের এটি সেবন করা উচিত নয়, কারণ এটি এসব সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এসব সমস্যা থাকলে নিজে থেকে চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: Ispergul Lemon 120 gm Powder কি অন্য ওষুধের সাথে একসাথে খাওয়া যায়?

A: Ispergul Lemon 120 gm Powder একসাথে খেলে ডিগক্সিন, লিথিয়াম, কিছু অ্যান্টিকনভালসেন্ট এবং ওয়ারফারিনের মতো কিছু ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। এটি এড়াতে, অন্যান্য মুখে খাওয়া ওষুধ সাধারণত Ispergul Lemon 120 gm Powder সেবনের অন্তত ১-২ ঘণ্টা আগে বা পরে নেওয়া উচিত।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor