Product gallery
MRP ৳ ১০০.৩৮৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৯২.৩৫/10 ml ampoule
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Labecard একটি সংমিশ্রিত আলফা-১ এবং নন-সিলেক্টিভ বিটা-অ্যাড্রেনার্জিক ব্লকিং ওষুধ, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • উচ্চ রক্তচাপ (প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার): Labecard ট্যাবলেট একা অথবা থায়াজাইড জাতীয় মূত্রবর্ধক ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
  • তীব্র/জরুরি উচ্চ রক্তচাপ (শিরায় প্রয়োগ, প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার): দ্রুত ও নিয়ন্ত্রিতভাবে রক্তচাপ কমানোর প্রয়োজন হলে শিরাপথে Labecard প্রয়োগ করা হয়।
  • গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ (নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার): গর্ভাবস্থায় ব্যবহারযোগ্য অপেক্ষাকৃত নিরাপদ প্রোফাইলের কারণে Labecard প্রি-এক্লাম্পসিয়া বা গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপে প্রায়ই পছন্দনীয় ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়; তবে এটি অবশ্যই একজন প্রসূতি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে।
  • অস্ত্রোপচারকালীন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (সহায়ক/অফ-লেবেল ব্যবহার): অস্ত্রোপচার বা অ্যানেস্থেসিয়ার সময় নিয়ন্ত্রিত হাইপোটেনশন তৈরির জন্য শিরায় Labecard মাঝে মাঝে ব্যবহৃত হয়।

Labecard যেকোনো নির্দেশনায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Labecard সংমিশ্রিত আলফা- ও বিটা-অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টর ব্লকার (উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধী ওষুধ) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

ফার্মাকোলজি

Labetalol Hydrochloride আলফা-১ অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টর এবং বিটা-১ ও বিটা-২ উভয় অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টরকে (নন-সিলেক্টিভ বিটা-ব্লকেড) প্রতিযোগিতামূলকভাবে বাধা দেয়।

  • আলফা-১ ব্লকেড রক্তনালী প্রসারিত করে ও পেরিফেরাল ভাস্কুলার রেজিস্ট্যান্স কমায়।
  • বিটা ব্লকেড হৃদস্পন্দনের হার, মায়োকার্ডিয়াল সংকোচনশীলতা এবং রেনিন নিঃসরণ কমায়।
  • এই সম্মিলিত প্রভাবে রক্তচাপ কমে, তবে সাধারণত রিফ্লেক্স টাকাইকার্ডিয়া (ক্ষতিপূরণমূলক হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি) ছাড়াই।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে সেবনের পর Labetalol Hydrochloride প্রায় সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়, উল্লেখযোগ্য ফার্স্ট-পাস লিভার মেটাবলিজমের মধ্য দিয়ে যায় এবং প্রায় ১-২ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ রক্ত ঘনত্বে পৌঁছায়। এর অর্ধায়ু প্রায় ৬-৮ ঘণ্টা এবং এটি মূলত লিভারে বিপাকিত হয়ে প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মুখে সেবনযোগ্য মাত্রা (দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ রক্তচাপ)

নিয়মমাত্রা
প্রাথমিক মাত্রাদিনে দুইবার ১০০ মি.গ্রা., একা অথবা বিদ্যমান মূত্রবর্ধক চিকিৎসার সাথে
মাত্রা বৃদ্ধিপ্রয়োজন ও সহনশীলতা অনুযায়ী প্রতি ২-৩ দিনে দিনে দুইবার ১০০ মি.গ্রা. করে বাড়ানো যায়
স্বাভাবিক রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রাদিনে দুইবার ২০০-৪০০ মি.গ্রা.
তীব্র উচ্চ রক্তচাপকিছু ক্ষেত্রে দৈনিক ১,২০০-২,৪০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত, ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে বিভক্ত মাত্রায়
বয়স্ক রোগীকম মাত্রায় (যেমন দিনে দুইবার ১০০-২০০ মি.গ্রা.) সাড়া দিতে পারেন; সতর্কতার সাথে মাত্রা বাড়াতে হবে

শিরায় প্রয়োগযোগ্য মাত্রা (উচ্চ রক্তচাপজনিত জরুরি অবস্থা, শুধুমাত্র হাসপাতাল সেটিংয়ে)

পদ্ধতিমাত্রা
ধীর শিরায় ইনজেকশন২ মিনিটে ধীরে ধীরে ২০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে প্রতি ১০ মিনিট অন্তর ৪০-৮০ মি.গ্রা. পুনরাবৃত্তি, সর্বমোট ৩০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত
ক্রমাগত শিরায় ইনফিউশনপ্রতি মিনিটে ১-২ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করে রক্তচাপ অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয়; সাধারণত মোট মাত্রা ৫০-২০০ মি.গ্রা.
গর্ভাবস্থার উচ্চ রক্তচাপ (বিশেষজ্ঞ-নির্দেশিত)কম প্রাথমিক ইনফিউশন হার (যেমন প্রায় ঘণ্টায় ২০ মি.গ্রা.) প্রসূতি/নিবিড় পরিচর্যা তত্ত্বাবধানে সাবধানে সমন্বয় করা হয়

রক্তচাপ স্থিতিশীল হলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে শিরায় থেকে মুখে সেবনযোগ্য Labecard-এ পরিবর্তন করা হয়। Labecard সবসময় ঠিক নির্ধারিত মাত্রায় সেবন করতে হবে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা পরিবর্তন বা চিকিৎসা বন্ধ করা উচিত নয়।

বৃক্কীয় (কিডনি) সমস্যা: এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই বলে জানা যায়, কারণ Labecard মূলত লিভারে বিপাকিত হয়; তবে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

যকৃতের (লিভার) সমস্যা: সতর্কতার সাথে ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করতে হবে; তীব্র যকৃতের সমস্যা/সক্রিয় লিভার রোগে Labecard প্রতিনির্দেশিত (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • হ্যালোথেন ও অন্যান্য সাধারণ অ্যানেস্থেটিক: Labecard অ্যানেস্থেটিকের রক্তচাপ কমানোর প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে; অস্ত্রোপচারের সময় সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • সিমেটিডিন: Labecard-এর মুখে সেবনযোগ্য জৈব-উপলভ্যতা বাড়িয়ে দেয়; রক্তচাপ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট: Labecard-এর সাথে একত্রে কম্পন (tremor) হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ক্লাস I অ্যান্টিঅ্যারিদমিক ও ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার (যেমন ভেরাপামিল): Labecard-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে গুরুতর ব্র্যাডিকার্ডিয়া, হৃদপরিবাহী সমস্যা ও হাইপোটেনশনের ঝুঁকি বাড়ে; শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ হৃদপর্যবেক্ষণে একত্রে ব্যবহার করা উচিত।
  • এনএসএআইডি: সোডিয়াম/তরল ধরে রাখার মাধ্যমে Labecard-এর রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।
  • নাইট্রোগ্লিসারিন ও অন্যান্য উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধী/মূত্রবর্ধক ওষুধ: Labecard-এর সাথে সংযোজিত রক্তচাপ কমানোর প্রভাব হতে পারে; মাত্রা সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।
  • ইনসুলিন ও মুখে সেবনযোগ্য ডায়াবেটিসের ওষুধ: Labecard হাইপোগ্লাইসেমিয়ার কিছু লক্ষণ (যেমন হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি) আড়াল করতে পারে; ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

Labecard শুরু করার আগে রোগীদের ব্যবহৃত সকল ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসককে জানানো উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত অবস্থাগুলোতে Labetalol Hydrochloride প্রতিনির্দেশিত (ব্যবহার করা উচিত নয়):

  • Labetalol Hydrochloride বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি)।
  • তীব্র বা অনিয়ন্ত্রিত ব্র্যাডিকার্ডিয়া (হৃদস্পন্দন খুব ধীর)।
  • কার্ডিওজেনিক শক।
  • পেসমেকার ছাড়া দ্বিতীয় বা তৃতীয় ডিগ্রি অ্যাট্রিওভেন্ট্রিকুলার (AV) ব্লক।
  • ডিকম্পেন্সেটেড (প্রকাশ্য) হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা।
  • তীব্র যকৃতের সমস্যা বা সক্রিয় গুরুতর লিভার রোগ, কারণ Labetalol Hydrochloride-এর ক্ষেত্রে বিরল হলেও গুরুতর হেপাটোসেলুলার (লিভার কোষের) ক্ষতির স্বীকৃত ঝুঁকি রয়েছে।
  • ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা বা তীব্র ব্রঙ্কোস্পাস্টিক রোগ, কারণ বিটা-ব্লকেডের ফলে ব্রঙ্কোস্পাজম হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Labecard-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • মাথা ঘোরা এবং পোস্চারাল (অবস্থান পরিবর্তনজনিত) হাইপোটেনশন, বিশেষ করে চিকিৎসা শুরুর সময় বা মাত্রা বৃদ্ধির সময়
  • ক্লান্তি ও দুর্বলতা
  • মাথাব্যথা ও মাথার ত্বকে ঝিনঝিন অনুভূতি
  • বমি বমি ভাব, বমি এবং পেটের উপরিভাগে অস্বস্তি
  • নাক বন্ধ হওয়া
  • ত্বকে র‍্যাশ
  • প্রস্রাবে অসুবিধা

কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে গুরুতর হেপাটোসেলুলার (লিভার কোষের) ক্ষতি (বিরল কিন্তু সম্ভাব্য গুরুতর; সতর্কতা অংশ দেখুন), উল্লেখযোগ্য ব্র্যাডিকার্ডিয়া, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা বেড়ে যাওয়া এবং সংবেদনশীল রোগীদের ব্রঙ্কোস্পাজম। Labecard সেবনকালে চোখ/ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, গাঢ় প্রস্রাব, তীব্র মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, প্রি-এক্লাম্পসিয়া ও গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় Labecard তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যবহৃত ওষুধগুলোর একটি এবং এক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য ওষুধগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়। তবে Labecard গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত এবং মাত্রা ও সময়কাল প্রসূতি চিকিৎসকের দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত, কারণ সুরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য আশ্বস্তকর হলেও সম্পূর্ণ নয়। মায়ের রক্তচাপ ও ভ্রূণের অবস্থা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

স্তন্যদান: Labecard সামান্য পরিমাণে (মায়ের গ্রহণ করা মাত্রার একটি খুবই ক্ষুদ্র অংশ) বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে স্তন্যদানের সময় এটি সাধারণত ব্যবহারযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, তবে শিশুর মধ্যে বিটা-ব্লকেডের লক্ষণ (যেমন কম হৃদস্পন্দন বা কম রক্তে গ্লুকোজ) দেখা দিচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

সতর্কতা

  • হেপাটোটক্সিসিটি (লিভারের ক্ষতি): Labecard-এর ক্ষেত্রে বিরল হলেও গুরুতর হেপাটোসেলুলার ক্ষতির স্বীকৃত ঝুঁকি রয়েছে, যা প্রাথমিক লক্ষণ কম থাকা সত্ত্বেও অগ্রসর হতে পারে। জন্ডিস, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, বমি বমি ভাব বা পেটের ডানদিকে উপরিভাগে ব্যথার মতো লক্ষণের জন্য রোগীদের পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং এসব দেখা দিলে দ্রুত লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা উচিত; লিভারের ক্ষতি নিশ্চিত বা তীব্রভাবে সন্দেহ করা হলে Labecard বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
  • হঠাৎ বন্ধ করা: বিশেষ করে করোনারি ধমনী রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হঠাৎ Labecard বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে রিবাউন্ড উচ্চ রক্তচাপ, এনজাইনা বেড়ে যাওয়া, হার্ট অ্যাটাক বা হৃদস্পন্দনের অনিয়ম দেখা দিতে পারে। বন্ধ করার প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এক থেকে দুই সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হবে।
  • ডায়াবেটিস মেলাইটাস: অন্যান্য বিটা-ব্লকারের মতো Labecard-ও হাইপোগ্লাইসেমিয়ার কিছু লক্ষণ (যেমন হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি) আড়াল করে দিতে পারে; ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • পোস্চারাল হাইপোটেনশন: আলফা-ব্লকিং কার্যকারিতার কারণে Labecard লক্ষণীয় পোস্চারাল হাইপোটেনশন ঘটাতে পারে, বিশেষত শিরায় প্রয়োগ বা মাত্রা বৃদ্ধির সময়; রোগীদের বসা বা শোয়া অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে উঠতে হবে এবং শিরায় প্রয়োগের সময় ও পরপর কিছুক্ষণ শুয়ে থাকতে হবে।
  • ব্রঙ্কোস্পাস্টিক রোগ: প্রকাশ্য ব্রঙ্কোস্পাজম ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কাইটিস বা এম্ফাইসেমার রোগীদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ বিটা-ব্লকেড ব্রঙ্কোস্পাজম ঘটাতে পারে; ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমায় Labecard প্রতিনির্দেশিত (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।
  • হৃদপরিবাহন ও হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা: কম্পেনসেটেড হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা বা প্রথম-ডিগ্রি AV ব্লক থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ বিটা-ব্লকেড পরিবহন সমস্যা বা হৃদপেশীর কার্যকারিতা আরও খারাপ করতে পারে।

মাত্রাধিক্যতা

Labecard-এর মাত্রাধিক্যতায় রক্তচাপ অতিরিক্ত মাত্রায় কমে যাওয়া, তীব্র ব্র্যাডিকার্ডিয়া, হৃদপরিবাহনজনিত সমস্যা, ব্রঙ্কোস্পাজম ও কার্ডিওজেনিক শক দেখা দিতে পারে। মাত্রাধিক্যতা একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা: অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক এবং হাসপাতাল সেটিংয়ে ঘনিষ্ঠ চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে দেওয়া উচিত; সন্দেহভাজন মাত্রাধিক্যতা বাড়িতে নিজে নিজে সামলানোর চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের ক্ষেত্রে Labecard-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধান ছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: বয়স্ক রোগীরা Labecard-এর রক্তচাপ কমানোর প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন এবং তাদের ক্ষেত্রে কম প্রাথমিক মাত্রায় সতর্কতার সাথে মাত্রা বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।

বৃক্কীয় সমস্যা: Labecard মূলত লিভারে বিপাকিত হওয়ায় সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই বলে জানা যায়, তবে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

যকৃতের সমস্যা: মৃদু থেকে মাঝারি যকৃতের সমস্যায় Labecard সতর্কতার সাথে ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করতে হবে, এবং তীব্র যকৃতের সমস্যা বা সক্রিয় লিভার রোগে এটি প্রতিনির্দেশিত (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Labecard 5 mg/ml IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Labecard 5 mg/ml IV Injection মূলত উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদী মুখে সেবনযোগ্য চিকিৎসা এবং শিরায় প্রয়োগে তীব্র উচ্চ রক্তচাপ (জরুরি অবস্থা) ও গর্ভাবস্থার উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত নিয়ন্ত্রণ।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Labecard 5 mg/ml IV Injection ব্যবহার করা যায়?

A: গর্ভাবস্থার উচ্চ রক্তচাপের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ প্রোফাইলের কারণে Labecard 5 mg/ml IV Injection বেশি ব্যবহৃত ওষুধগুলোর একটি, তবে এটি শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই এবং প্রসূতি চিকিৎসকের সরাসরি নির্দেশনায় ব্যবহার করা উচিত, যিনি সুবিধা ও ঝুঁকি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।

Q: স্তন্যদানকালে Labecard 5 mg/ml IV Injection সেবন করা কি নিরাপদ?

A: Labecard 5 mg/ml IV Injection খুব সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে নিঃসৃত হয় এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে স্তন্যদানের সাথে সাধারণত সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং শিশুর মধ্যে অস্বাভাবিক ঝিমুনি বা কম হৃদস্পন্দনের মতো লক্ষণ আছে কিনা তা লক্ষ্য রাখা উচিত।

Q: ভালো লাগলে কি হঠাৎ করে Labecard 5 mg/ml IV Injection সেবন বন্ধ করা যাবে?

A: না। বিশেষ করে হৃদরোগ থাকলে হঠাৎ Labecard 5 mg/ml IV Injection বন্ধ করলে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়া, বুকে ব্যথা বেড়ে যাওয়া, বা হৃদস্পন্দনের সমস্যা হতে পারে। চিকিৎসক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলে এক থেকে দুই সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হবে।

Q: কাদের Labecard 5 mg/ml IV Injection সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের এর প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে, তীব্র বা অনিয়ন্ত্রিত ধীর হৃদস্পন্দন, কার্ডিওজেনিক শক, পেসমেকার ছাড়া নির্দিষ্ট হার্ট ব্লক, ডিকম্পেন্সেটেড হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা, তীব্র লিভার রোগ, বা ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা রয়েছে তাদের Labecard 5 mg/ml IV Injection সেবন করা উচিত নয়। প্রেসক্রাইব করার আগে চিকিৎসক আপনার মেডিকেল ইতিহাস পর্যালোচনা করবেন।

Q: Labecard 5 mg/ml IV Injection-এর গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সতর্কতা লক্ষণগুলো কী?

A: Labecard 5 mg/ml IV Injection সেবনকালে ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, গাঢ় প্রস্রাব, তীব্র মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অত্যন্ত ধীর হৃদস্পন্দন, বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এগুলো বিরল কিন্তু গুরুতর লিভারের ক্ষতি, অতিরিক্ত রক্তচাপ হ্রাস, বা ব্রঙ্কোস্পাজমের ইঙ্গিত দিতে পারে।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor