Product gallery

Lactu3.35 gm/5 ml

Oral Solution

Lactulose

MRP ৳ ১৪০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১২৬.০০/100 ml bottle
স্টকে নেই
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য (chronic constipation) চিকিৎসায়: খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনে পর্যাপ্ত সাড়া না পেলে Lactu ব্যবহার করা হয়।

গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহার

  • লিভারের রোগে সৃষ্ট হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি (রক্তে অ্যামোনিয়া বৃদ্ধির কারণে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়া) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় Lactu প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সহায়ক (adjunct) ব্যবহার

  • হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধে প্রয়োজনে অন্যান্য ওষুধের (যেমন রিফাক্সিমিন) সাথে Lactu সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

Lactu কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সংক্রমণ চিকিৎসায় এর কোনো ভূমিকা নেই।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অসমোটিক (হাইপারঅসমোটিক) ল্যাক্সেটিভ; অ্যামোনিয়া-হ্রাসকারী এজেন্ট — সিনথেটিক ডাইস্যাকারাইড (Lactu)

ফার্মাকোলজি

Lactulose গ্যালাকটোজ ও ফ্রুক্টোজ দিয়ে তৈরি একটি সিনথেটিক ডাইস্যাকারাইড, যা অন্ত্রের এনজাইম দ্বারা ভাঙে না এবং ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে সামান্যই শোষিত হয়, ফলে অপরিবর্তিত অবস্থায় বৃহদন্ত্রে পৌঁছায়।

ল্যাক্সেটিভ প্রক্রিয়া

বৃহদন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া Lactulose কে ভেঙে স্বল্প আণবিক ওজনের জৈব অ্যাসিডে (ল্যাকটিক, অ্যাসেটিক ইত্যাদি) রূপান্তরিত করে। এই অ্যাসিডগুলো অসমোটিক চাপ বাড়িয়ে অন্ত্রে পানি ধরে রাখে, যার ফলে মল নরম হয়, আয়তন বাড়ে এবং পেরিস্টালসিস উদ্দীপিত হয়ে সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগ ঘটে।

অ্যামোনিয়া-হ্রাসকারী প্রক্রিয়া

বৃহদন্ত্রের অম্লীকরণ শোষণযোগ্য অ্যামোনিয়া (NH3) কে অশোষণযোগ্য অ্যামোনিয়াম আয়নে (NH4+) রূপান্তরিত করে, যা মলের সাথে নির্গত হয়। Lactulose অ্যামোনিয়া-উৎপাদক ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও কমায় এবং অন্ত্রের গতি বাড়িয়ে অ্যামোনিয়া শোষণ আরও কমায় — এই প্রক্রিয়াই হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথিতে Lactulose এর কার্যকারিতার ভিত্তি।

মাত্রা ও সেবনবিধি

কোষ্ঠকাঠিন্য (প্রাপ্তবয়স্ক)

সাধারণ মাত্রা: দৈনিক একবার ১৫–৩০ মি.লি. (১০–২০ গ্রাম) Lactu ওরাল সল্যুশন, প্রয়োজনে দৈনিক সর্বোচ্চ ৬০ মি.লি. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগ হয়; এরপর দিনে ১–২ বার নরম মল বজায় রাখতে মাত্রা সমন্বয় করা হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য (শিশু)

শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্যে Lactu এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রস্তুতকারকের লেবেলিং অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; তবে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে বয়স/ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করে এটি প্রচলিতভাবে ব্যবহৃত হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।

হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি (প্রাপ্তবয়স্ক)

ধরনসাধারণ মাত্রা
প্রাথমিক/টাইট্রেশন৩০–৪৫ মি.লি. (২০–৩০ গ্রাম) দিনে ৩–৪ বার, অথবা মলত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি ১–২ ঘণ্টায় ৩০–৪৫ মি.লি়, এরপর সমন্বয়
রক্ষণাবেক্ষণদিনে ২–৩টি নরম মল বজায় রাখতে মাত্রা সমন্বয় (সাধারণত ৩০–৪৫ মি.লি., দিনে ২–৪ বার)
রেকটাল (মুখে খাওয়া সম্ভব না হলে)চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পানির সাথে মিশিয়ে Lactu রিটেনশন এনিমা ব্যবহার করা যেতে পারে

হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির জন্য Lactu এর মাত্রা কোষ্ঠকাঠিন্যের তুলনায় বেশি ও ঘন ঘন হয় এবং তা অবশ্যই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পৃথকভাবে সমন্বয় করতে হবে; রোগী নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন করবেন না।

রেনাল/হেপাটিক বিবেচনা

Lactu এর সিস্টেমিক শোষণ নগণ্য হওয়ায় কিডনি সমস্যায় সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না। প্রকৃতপক্ষে লিভারের রোগীরা (হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি) Lactu এর প্রধান ব্যবহারকারী; দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • অ-শোষণযোগ্য অ্যান্টাসিড (যেমন অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড): এগুলো Lactu এর কারণে সৃষ্ট বৃহদন্ত্রের অম্লীকরণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথিতে Lactu এর কার্যকারিতা কমাতে পারে; একসাথে ব্যবহার করলে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • নিওমাইসিনসহ হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথিতে ব্যবহৃত অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিক: Lactu এর সাথে ব্যবহার করলে তাত্ত্বিকভাবে বৃহদন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াল ফার্মেন্টেশন কমিয়ে Lactu এর অম্লীকরণ প্রভাব হ্রাস করতে পারে; তবে এই সংমিশ্রণ এখনও প্রচলিতভাবে ব্যবহৃত হয়, কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • অন্যান্য ল্যাক্সেটিভ: Lactu এর সাথে অন্য ল্যাক্সেটিভ একসাথে ব্যবহার সাধারণত নিরুৎসাহিত করা হয়, কারণ এতে Lactu এর মাত্রা কাঙ্ক্ষিত মলত্যাগের হারে সমন্বয় করা কঠিন হয় এবং ডায়রিয়া ও ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।
  • ডাইইউরেটিক ও কর্টিকোস্টেরয়েড: Lactu এর সাথে ব্যবহারে ডায়রিয়া হলে হাইপোক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে; বিশেষত অতিরিক্ত মাত্রায় ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

প্রতিনির্দেশনা

  • Lactulose বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকলে।
  • গ্যালাক্টোসেমিয়া (galactosemia) বা গ্যালাক্টোজ-মুক্ত খাদ্য প্রয়োজন এমন যেকোনো অবস্থায়, কারণ Lactulose প্রস্তুতিতে গ্যালাক্টোজ থাকে।
  • সন্দেহভাজন বা নিশ্চিত অন্ত্র বাধা (intestinal/bowel obstruction) থাকলে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ (বিশেষত চিকিৎসা শুরুতে, সাধারণত সাময়িক ও মাত্রা-সম্পর্কিত): পেট ফাঁপা, গ্যাস (flatulence), ঢেঁকুর, এবং পেটে খিঁচুনি।

কম সাধারণ: বমি বমি ভাব, বমি, এবং ডায়রিয়া — বিশেষত অতিরিক্ত মাত্রায় Lactu সেবনে।

বিরল/অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে: ডায়রিয়াজনিত তরল ক্ষয়ের কারণে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা (যেমন পটাশিয়াম বা সোডিয়াম কমে যাওয়া) — বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

Lactu সিস্টেমিকভাবে খুব সামান্য শোষিত হয় এবং সাধারণত গর্ভাবস্থায় তুলনামূলক নিরাপদ ল্যাক্সেটিভ হিসেবে বিবেচিত হয়; তবুও গর্ভাবস্থায় যেকোনো ওষুধের মতো Lactu শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, যেখানে সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির তুলনায় বিবেচনা করা হয়। গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই।

বুকের দুধে Lactu নিঃসরণের তথ্য সীমিত, তবে এর নগণ্য সিস্টেমিক শোষণের কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্তন্যদানকালে ব্যবহার সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে Lactu ব্যবহারের আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা: Lactu এর অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার উল্লেখযোগ্য ডায়রিয়া সৃষ্টি করে পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা (যেমন হাইপোক্যালেমিয়া, হাইপারন্যাট্রেমিয়া) ঘটাতে পারে; উচ্চ মাত্রা বা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায়, বিশেষত বয়স্ক ও পূর্ব-বিদ্যমান ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • ডায়াবেটিস মেলিটাস: Lactu সল্যুশনে সামান্য পরিমাণ শর্করা (গ্যালাক্টোজ, ল্যাকটোজ) থাকে; ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত এবং দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির মাত্রা নির্ধারণ: হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথিতে Lactu এর মাত্রা সাধারণ কোষ্ঠকাঠিন্যের তুলনায় অনেক বেশি এবং দিনে ২–৩টি নরম মল বজায় রাখতে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাবধানে সমন্বয় করতে হয়; এক্ষেত্রে নিজে থেকে মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়।
  • ইলেক্ট্রোক্যাটারি পদ্ধতি: ইলেক্ট্রোক্যাটারি জড়িত কোনো পদ্ধতির পূর্বে Lactu দিয়ে অন্ত্র প্রস্তুতির ক্ষেত্রে, ফার্মেন্টেশন গ্যাসজনিত তাত্ত্বিক ঝুঁকি এড়াতে অ-ফার্মেন্টেবল সল্যুশন দিয়ে পর্যাপ্ত অন্ত্র পরিষ্কারকরণ নিশ্চিত করা উচিত।
  • গ্যালাক্টোজ-নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস: গ্যালাক্টোজ-মুক্ত খাদ্য প্রয়োজন এমন রোগীদের ক্ষেত্রে Lactu ব্যবহার করা যাবে না — বিস্তারিত জানতে প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন।

মাত্রাধিক্যতা

Lactu এর অতিরিক্ত সেবনে মূলত অতিরিক্ত ল্যাক্সেটিভ প্রভাব দেখা দেয়: তীব্র ডায়রিয়া, পেটে খিঁচুনি, এবং এর ফলে তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ক্ষয়। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে Lactu সেবন বন্ধ করুন, পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ নিশ্চিত করুন এবং অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন, বিশেষত পানিশূন্যতার লক্ষণ (মাথা ঘোরা, প্রস্রাব কমে যাওয়া) বা ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যা দেখা দিলে। গুরুতর মাত্রাধিক্যতা শুধুমাত্র ঘরোয়া উপায়ে সামলানোর চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে Lactu সংরক্ষণ করুন। জমাট বাঁধতে দেবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

প্রস্তুতকারকের লেবেলিং অনুযায়ী শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্যে Lactu এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়। তা সত্ত্বেও, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে শিশুদের (নবজাতকসহ) কার্যকরী কোষ্ঠকাঠিন্যে Lactu ব্যাপকভাবে প্রচলিতভাবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে বয়স ও ওজন অনুযায়ী মাত্রা পৃথকভাবে নির্ধারণ করা হয় এবং নরম, স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক মল নিশ্চিত করতে সমন্বয় করা হয়। লিভারের রোগজনিত হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথিতেও শিশুদের ক্ষেত্রে Lactu চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়। অভিভাবকদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়।

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মাত্রায় Lactu সেবনে তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে, তাই সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution একটি অসমোটিক ল্যাক্সেটিভ যা দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এবং লিভারের রোগে সৃষ্ট হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি (রক্তে অ্যামোনিয়া বৃদ্ধিজনিত মানসিক বিভ্রান্তি) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এটি একটি প্রমিত চিকিৎসা।

Q: Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution কাজ করতে কত সময় লাগে?

A: কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রে Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মলত্যাগ ঘটায়। এটি দ্রুত কার্যকর ল্যাক্সেটিভ নয়, তাই তাৎক্ষণিক আরামের জন্য এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।

Q: গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে কি Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution ব্যবহার করা যায়?

A: Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution রক্তে খুবই সামান্য শোষিত হয় এবং সাধারণত গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে তুলনামূলক নিরাপদ ল্যাক্সেটিভ হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে এটি শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় ব্যবহার করা উচিত, কারণ সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই।

Q: Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো পেট ফাঁপা, গ্যাস, ঢেঁকুর এবং পেটে খিঁচুনি, বিশেষত চিকিৎসা শুরুতে। সাধারণত সময়ের সাথে এগুলো কমে আসে। অতিরিক্ত মাত্রায় ডায়রিয়া ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে।

Q: কাদের Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: যাদের Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution এর প্রতি অতি সংবেদনশীলতা আছে, যাদের গ্যালাক্টোসেমিয়া আছে বা গ্যালাক্টোজ-মুক্ত খাদ্য প্রয়োজন, অথবা যাদের সন্দেহভাজন বা নিশ্চিত অন্ত্র বাধা আছে, তাদের Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution ব্যবহার করা উচিত নয়।

Q: Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution বেশি সেবন করে ফেললে কী করা উচিত?

A: অতিরিক্ত Lactu 3.35 gm/5 ml Oral Solution সেবনে তীব্র ডায়রিয়া, পেটে খিঁচুনি, পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। ওষুধ বন্ধ করুন, তরল পান করুন এবং লক্ষণ গুরুতর হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor