Product gallery
MRP ৩০০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৭০.০০/10's Pack
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Levefix একটি ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ওষুধ, যা বিভিন্ন ধরনের খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে একা অথবা অন্যান্য ওষুধের সাথে মিলিয়ে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো নিচে ভাগ করে দেখানো হলো।

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • পার্শিয়াল-অনসেট (ফোকাল) খিঁচুনি - ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে একক ওষুধ হিসেবে, এবং ১ মাস বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে অন্য ওষুধের সাথে সহায়ক থেরাপি হিসেবে।
  • জুভেনাইল মায়োক্লোনিক এপিলেপসি রোগীদের মায়োক্লোনিক খিঁচুনিতে - ১২ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে সহায়ক থেরাপি হিসেবে।
  • ইডিওপ্যাথিক জেনারেলাইজড এপিলেপসি রোগীদের প্রাইমারি জেনারেলাইজড টনিক-ক্লোনিক খিঁচুনিতে - ৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে সহায়ক থেরাপি হিসেবে।

অফ-লেবেল / প্রচলিত ব্যবহার (আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত নয়)

  • স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস ব্যবস্থাপনায় (ফেনিটোয়িন/ফসফেনিটোয়িন বা ভালপ্রোয়েটের বিকল্প হিসেবে), সাধারণত শিরাপথে।
  • নির্দিষ্ট কিছু নিউরোসার্জারি বা মস্তিষ্কের আঘাতজনিত ক্ষেত্রে খিঁচুনি প্রতিরোধে।

নির্দিষ্ট কোনো খিঁচুনির জন্য Levefix ব্যবহারের সিদ্ধান্ত রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ওষুধ (AED) / অ্যান্টিকনভালসেন্ট - পাইরোলিডোন ডেরিভেটিভ শ্রেণি। Levefix এই শ্রেণির একটি প্রতিনিধি ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Levetiracetam কীভাবে সঠিকভাবে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ করে তা সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি। এটি মস্তিষ্কের সিন্যাপ্টিক ভেসিকল প্রোটিন 2A (SV2A)-এর সাথে যুক্ত হয়, যা নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়। অন্যান্য বেশিরভাগ প্রচলিত অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ওষুধের মতো এটি সোডিয়াম চ্যানেল বা GABA-নির্ভর পথে উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করে না।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

  • শোষণ: মুখে সেবনের পর দ্রুত ও প্রায় সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়; জৈব উপলভ্যতা প্রায় ১০০%, খাবারে তেমন প্রভাবিত হয় না।
  • বিতরণ: প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সংযুক্তি খুবই কম (১০%-এর নিচে)।
  • বিপাক: যকৃতে খুব সামান্য পরিমাণে বিপাকিত হয়; এই বিপাক প্রক্রিয়া সাইটোক্রোম P450 এনজাইমের সাথে সম্পর্কিত নয়।
  • নিষ্কাশন: প্রায় ৬৬% অপরিবর্তিত অবস্থায় প্রস্রাবের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়; স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অর্ধায়ু প্রায় ৬-৮ ঘণ্টা (শিশুদের ক্ষেত্রে কম, কিডনি সমস্যা ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশি)।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনা অনুযায়ী মাত্রা

নির্দেশনারোগীগোষ্ঠীমাত্রা
পার্শিয়াল-অনসেট খিঁচুনি (একক থেরাপি)প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১৬ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীশুরুতে দিনে দুইবার ৫০০ মি.গ্রা.; প্রতি ২ সপ্তাহে প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে দুইবার ৫০০ মি.গ্রা. করে বাড়ানো যেতে পারে, সর্বোচ্চ দিনে দুইবার ১৫০০ মি.গ্রা.
পার্শিয়াল-অনসেট খিঁচুনি (সহায়ক থেরাপি)প্রাপ্তবয়স্কশুরুতে দিনে দুইবার ৫০০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে প্রতি ২ সপ্তাহে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দিনে দুইবার ১৫০০ মি.গ্রা.
পার্শিয়াল-অনসেট খিঁচুনি (সহায়ক থেরাপি)শিশু (১ মাস - ১৬ বছরের নিচে)ওজন-ভিত্তিক মাত্রা, শুরুতে দিনে দুইবার ৭-১০ মি.গ্রা./কেজি, ধীরে ধীরে বাড়িয়ে বয়সভেদে সর্বোচ্চ দিনে দুইবার ২১-৩০ মি.গ্রা./কেজি পর্যন্ত; একজন চিকিৎসক/শিশু নিউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে নির্ধারণ করতে হবে
মায়োক্লোনিক খিঁচুনি (সহায়ক থেরাপি)≥১২ বছর বয়সী রোগীশুরুতে দিনে দুইবার ৫০০ মি.গ্রা.; প্রতি ২ সপ্তাহে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দিনে দুইবার ১৫০০ মি.গ্রা.
প্রাইমারি জেনারেলাইজড টনিক-ক্লোনিক খিঁচুনি (সহায়ক থেরাপি)≥৬ বছর বয়সী রোগী (শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক)উপরের মতোই ধাপে ধাপে বাড়ানো মাত্রা, শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত

কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় (প্রাপ্তবয়স্ক)

ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্সমাত্রা
৮০ মি.লি./মিনিটের বেশিপ্রতি ১২ ঘণ্টায় ৫০০-১৫০০ মি.গ্রা.
৫০-৭৯ মি.লি./মিনিটপ্রতি ১২ ঘণ্টায় ৫০০-১০০০ মি.গ্রা.
৩০-৪৯ মি.লি./মিনিটপ্রতি ১২ ঘণ্টায় ২৫০-৭৫০ মি.গ্রা.
৩০ মি.লি./মিনিটের কমপ্রতি ১২ ঘণ্টায় ২৫০-৫০০ মি.গ্রা.
হেমোডায়ালাইসিসের রোগীদিনে একবার ৫০০-১০০০ মি.গ্রা., প্রতিটি ডায়ালাইসিস সেশনের পর অতিরিক্ত ২৫০-৫০০ মি.গ্রা.

Levefix কখনোই হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না (সতর্কতা অংশ দেখুন)। উপরের সব মাত্রা চিকিৎসকের দ্বারা নিশ্চিত বা সমন্বয় করতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Levefix যকৃতের সাইটোক্রোম P450 এনজাইম দ্বারা উল্লেখযোগ্যভাবে বিপাকিত হয় না এবং এই এনজাইমকে বাধাও দেয় না বা সক্রিয়ও করে না, তাই এর ইন্টারঅ্যাকশনের সম্ভাবনা কম। তবে নিচের বিষয়গুলো লক্ষণীয়:

  • এনজাইম-প্রবর্তক অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ওষুধ (যেমন ফেনিটোয়িন, কার্বামাজেপিন, ফেনোবারবিটাল): Levefix-এর ক্লিয়ারেন্স সামান্য বাড়াতে পারে, তবে সাধারণত এর জন্য নিয়মিত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।
  • প্রোবেনেসিড: প্রধান বিপাকীয় পদার্থের রেনাল নিষ্কাশনে বাধা দিতে পারে; ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব সামান্য।
  • কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দমনকারী ওষুধ (অ্যালকোহল, সেডেটিভ, ওপিওয়েড, বেনজোডায়াজেপাইন): Levefix-জনিত ঘুম ঘুম ভাব, মাথা ঘোরা ও সমন্বয়হীনতা বাড়িয়ে দিতে পারে - একসাথে ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে।

ওরাল কনট্রাসেপটিভ, ওয়ারফারিন, ডিগক্সিন, ফেনিটোয়িন, ভালপ্রোয়েট বা সাধারণভাবে একসাথে ব্যবহৃত অন্যান্য ওষুধের সাথে Levefix-এর উল্লেখযোগ্য কোনো মিথষ্ক্রিয়া প্রমাণিত হয়নি।

প্রতিনির্দেশনা

যাদের Levetiracetam, অন্য কোনো পাইরোলিডোন ডেরিভেটিভ, অথবা ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ। অ্যানাফিল্যাক্সিস ও এনজিওএডিমার মতো প্রতিক্রিয়া রিপোর্ট করা হয়েছে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Levefix সেবনে নিচের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা দিতে পারে।

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

রোগীগোষ্ঠীসাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
প্রাপ্তবয়স্কঘুম ঘুম ভাব, দুর্বলতা, সংক্রমণ, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, খিটখিটে মেজাজ
শিশুক্লান্তি, আক্রমণাত্মক আচরণ, নাক বন্ধ হওয়া, ক্ষুধামন্দা, খিটখিটে মেজাজ, আচরণগত পরিবর্তন

গুরুতর কিন্তু কম দেখা যাওয়া প্রতিক্রিয়া

  • আচরণগত/মানসিক সমস্যা - আক্রমণাত্মক আচরণ, উত্তেজনা, উদ্বেগ, বিষণ্নতা, মেজাজের পরিবর্তন এবং বিরল ক্ষেত্রে আত্মহত্যার চিন্তা (সতর্কতা অংশ দেখুন)
  • গুরুতর ত্বক প্রতিক্রিয়া - স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস, এবং DRESS সিনড্রোম
  • অ্যানাফিল্যাক্সিস ও এনজিওএডিমা
  • রক্তকণিকা সংক্রান্ত অস্বাভাবিকতা - শ্বেত রক্তকণিকা/নিউট্রোফিল সংখ্যা কমে যাওয়া
  • সমন্বয়হীনতা, হাঁটাচলায় অস্থিরতা

র‍্যাশ, ফোলা, শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক রক্তপাত/কালশিটে দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় Levefix শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে হলেই ব্যবহার করা উচিত - এই সিদ্ধান্ত সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া উচিত। প্রাণী গবেষণায় ভ্রূণের উপর প্রতিকূল প্রভাব দেখা গেছে এবং মানুষের উপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রিত গবেষণা সীমিত। তবে প্রকাশিত রেজিস্ট্রি ও কোহোর্ট তথ্যে হাজারেরও বেশি প্রথম-ত্রৈমাসিক এক্সপোজারে Levefix একক থেরাপির ক্ষেত্রে জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি পাওয়া যায়নি, এবং এটি গর্ভাবস্থায় ব্যবহৃত অপেক্ষাকৃত বেশি প্রচলিত অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ওষুধগুলোর একটি - তবে টেরাটোজেনিক ঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া যায় না। অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনিও মা ও ভ্রূণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তাই সাধারণত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া চিকিৎসা বন্ধ করা হয় না। গর্ভাবস্থায় Levefix-এর রক্তমাত্রা কমে যেতে পারে, তাই চিকিৎসক প্রয়োজনে মাত্রা/মনিটরিং সমন্বয় করতে পারেন।

Levefix বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। স্তন্যদানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় স্তন্যদানের উপকারিতা ও শিশুর ওষুধ এক্সপোজারের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, এবং Levefix ব্যবহারকালে স্তন্যদান করলে শিশুর অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব বা খাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে কিনা তা লক্ষ্য রাখা উচিত।

সতর্কতা

  • হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না: Levefix চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে বন্ধ করতে হবে, কারণ হঠাৎ বন্ধ করলে খিঁচুনির প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে এমনকি স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাসও হতে পারে।
  • আচরণগত ও মানসিক সমস্যা: খিটখিটে মেজাজ, আক্রমণাত্মক আচরণ, উত্তেজনা, উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং সাইকোটিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে, শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। নতুন বা বেড়ে যাওয়া মেজাজ/আচরণগত পরিবর্তন দেখলে যত্নশীল ব্যক্তি ও রোগীদের সাথে সাথে চিকিৎসককে জানাতে হবে।
  • আত্মহত্যার চিন্তা/আচরণ: অন্যান্য অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ওষুধের মতোই Levefix আত্মহত্যার চিন্তা বা আচরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিষণ্নতা, মেজাজ পরিবর্তন বা আত্মহত্যার চিন্তার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা উচিত, বিশেষত চিকিৎসার শুরুর দিকে।
  • ঘুম ঘুম ভাব ও সমন্বয়হীনতা: মানসিক সতর্কতা বা মোটর সমন্বয় ব্যাহত করতে পারে; Levefix শরীরে কীভাবে কাজ করছে তা না জানা পর্যন্ত গাড়ি চালানো বা ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্রপাতি পরিচালনা এড়িয়ে চলা উচিত।
  • রক্তসংক্রান্ত প্রভাব: শ্বেত রক্তকণিকা কমে যেতে পারে; ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমিক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।
  • কিডনি সমস্যা: Levefix প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয় বলে কিডনি সমস্যায় মাত্রা কমাতে হয় (মাত্রা ও সেবনবিধি অংশ দেখুন)।
  • গুরুতর ত্বক/অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া: র‍্যাশ, ফোস্কা, মিউকাস মেমব্রেনের ক্ষত বা অ্যানাফিল্যাক্সিসের লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে বন্ধ করে চিকিৎসকের সহায়তা নিতে হবে।

মাত্রাধিক্যতা

Levefix-এর অতিমাত্রায় সেবনে অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব, উত্তেজনা, আক্রমণাত্মক আচরণ, চেতনার মাত্রা হ্রাস, শ্বাসকষ্ট এবং কোমা দেখা দিতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই। অতিমাত্রায় সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সাহায্য নিন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ধরনের; গুরুতর ক্ষেত্রে, বিশেষত কিডনি কার্যক্ষমতা কম থাকলে, স্ট্যান্ডার্ড হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে প্রায় ৪ ঘণ্টায় শরীর থেকে প্রায় ৫০% Levefix অপসারণ করা সম্ভব।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: Levefix ১ মাস বয়স থেকে পার্শিয়াল-অনসেট খিঁচুনির সহায়ক থেরাপি হিসেবে অনুমোদিত, ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় ধীরে ধীরে বাড়িয়ে। ৬ বছর বয়স থেকে সহায়ক টনিক-ক্লোনিক খিঁচুনি এবং ১২ বছর বয়স থেকে সহায়ক মায়োক্লোনিক খিঁচুনির চিকিৎসায় অনুমোদিত। ১৬ বছরের কম বয়সীদের একক থেরাপি হিসেবে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শিশুদের ক্ষেত্রে আক্রমণাত্মক আচরণ, খিটখিটে মেজাজ ও মেজাজ পরিবর্তনের মতো আচরণগত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি দেখা যায়, তাই যত্নশীল ব্যক্তিদের নিবিড়ভাবে লক্ষ্য রাখা উচিত।

বয়স্ক রোগী: বয়সজনিত কিডনি কার্যক্ষমতা হ্রাসের কারণে Levefix-এর ক্লিয়ারেন্স কমে যেতে পারে; কিডনি অবস্থা অনুযায়ী প্রায়ই মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়, এবং বয়স্করা ঘুম ঘুম ভাব ও মাথা ঘোরার প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Levefix 500 mg Tablet কীসের জন্য ব্যবহার করা হয়?

A: Levefix 500 mg Tablet একটি অ্যান্টিএপিলেপ্টিক (অ্যান্টিকনভালসেন্ট) ওষুধ, যা পার্শিয়াল-অনসেট খিঁচুনি, মায়োক্লোনিক খিঁচুনি এবং প্রাইমারি জেনারেলাইজড টনিক-ক্লোনিক খিঁচুনিসহ নির্দিষ্ট কিছু ধরনের খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে একা অথবা অন্য ওষুধের সাথে মিলিয়ে ব্যবহৃত হয়।

Q: ভালো লাগলে কি Levefix 500 mg Tablet হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া যাবে?

A: না। Levefix 500 mg Tablet কখনোই হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে খিঁচুনি আরও ঘন ঘন ফিরে আসতে পারে অথবা দীর্ঘস্থায়ী ও বিপজ্জনক খিঁচুনি (স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস) দেখা দিতে পারে। যেকোনো মাত্রা পরিবর্তন অবশ্যই ধীরে ধীরে এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় করতে হবে।

Q: Levefix 500 mg Tablet কি মেজাজ বা আচরণে পরিবর্তন আনতে পারে?

A: হ্যাঁ, Levefix 500 mg Tablet ব্যবহারে খিটখিটে মেজাজ, আক্রমণাত্মক আচরণ, উত্তেজনা, বিষণ্নতা এবং বিরল ক্ষেত্রে আত্মহত্যার চিন্তার মতো আচরণগত ও মানসিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে। রোগী ও যত্নশীল ব্যক্তিদের নতুন বা বেড়ে যাওয়া মেজাজ/আচরণগত পরিবর্তন লক্ষ্য রাখা উচিত এবং তা দ্রুত চিকিৎসককে জানানো উচিত, বিশেষত চিকিৎসার শুরুর দিকে।

Q: গর্ভাবস্থায় Levefix 500 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Levefix 500 mg Tablet শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত এবং সিদ্ধান্তটি চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে নেওয়া উচিত, কারণ ভ্রূণের সামান্য ঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া যায় না। তবে বিদ্যমান গর্ভাবস্থার রেজিস্ট্রি তথ্যে Levefix 500 mg Tablet-এর ক্ষেত্রে জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি পাওয়া যায়নি, এবং এটি গর্ভাবস্থায় ব্যবহৃত অপেক্ষাকৃত বেশি প্রচলিত অ্যান্টিএপিলেপ্টিক ওষুধগুলোর একটি। অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনিও ঝুঁকিপূর্ণ, তাই সাধারণত চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া হয়, বন্ধ করা হয় না।

Q: কিডনি সমস্যা থাকলে কি Levefix 500 mg Tablet-এর মাত্রা কম লাগবে?

A: হ্যাঁ। Levefix 500 mg Tablet প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয় বলে যাদের কিডনি কার্যক্ষমতা কম, তাদের কম মাত্রা বা বেশি ব্যবধানে সেবনের প্রয়োজন হয়, এবং হেমোডায়ালাইসিসের রোগীদের প্রতিটি ডায়ালাইসিসের পর অতিরিক্ত মাত্রা প্রয়োজন হয়। কিডনি কার্যক্ষমতা অনুযায়ী চিকিৎসক মাত্রা সমন্বয় করবেন।

Q: Levefix 500 mg Tablet-এর কোনো মাত্রা মিস হয়ে গেলে কী করব?

A: মনে পড়ার সাথে সাথে মিস হওয়া মাত্রা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় প্রায় ঘনিয়ে এলে মিস হওয়া মাত্রাটি বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করুন। একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। Levefix 500 mg Tablet-এর মাত্রা মিস হলে খিঁচুনি ফিরে আসার ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নিয়মিতভাবে সেবন করার চেষ্টা করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor