
Lithosun SR400 mg
Sun Pharmaceutical Ltd.

Litiam ER একটি মুড স্ট্যাবিলাইজার ওষুধ, যা বাইপোলার ডিসঅর্ডারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
তীব্র উত্তেজনা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে Litiam ER একা যথেষ্ট নয়, কারণ এর প্রভাব শুরু হতে কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে; মাত্রা স্থিতিশীল হওয়া পর্যন্ত তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণে সাধারণত অ্যান্টিসাইকোটিক বা বেনজোডায়াজেপিন ব্যবহৃত হয়।
Litiam ER মুড স্ট্যাবিলাইজার / অ্যান্টিম্যানিক শ্রেণীর ওষুধ।
Lithium Carbonate-এর সঠিক কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি। ধারণা করা হয় এটি গ্লাইকোজেন সিন্থেজ কাইনেজ-৩ (GSK-3) ও ইনোসিটল মনোফসফেটেজ প্রতিরোধ করে, সেকেন্ড-মেসেঞ্জার সিগন্যালিং পরিবর্তন করে, নিউরোট্রান্সমিটার (সেরোটোনিন, ডোপামিন, গ্লুটামেট) নিঃসরণ প্রভাবিত করে এবং স্নায়ু ও পেশি কোষের ঝিল্লিতে সোডিয়াম চলাচলে প্রভাব ফেলে, যা এর মুড-স্থিতিশীলকারী প্রভাবে সহায়তা করে।
মুখে সেবনের পর Lithium Carbonate ভালোভাবে শোষিত হয় (তাৎক্ষণিক-মুক্তি ফর্মে প্রায় সম্পূর্ণ; সাসটেইন্ড-রিলিজ ফর্মে কয়েক ঘণ্টা ধরে ধীরে শোষিত হয়)। এটি প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ হয় না এবং বিপাকিত হয় না; প্রায় সম্পূর্ণভাবে অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়, যেখানে এটি সোডিয়ামের সাথে পুনঃশোষণের জন্য প্রতিযোগিতা করে। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অর্ধায়ু প্রায় ১৮-২৪ ঘণ্টা (বয়স্ক ও কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে দীর্ঘতর), এবং নিয়মিত মাত্রা সেবনের প্রায় ৫ দিন পর স্থিতিশীল রক্তমাত্রায় পৌঁছায়।
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| সাধারণ প্রারম্ভিক মাত্রা | প্রতিদিন প্রায় ৯০০ মিগ্রা-১.৮ গ্রাম ভাগ ভাগ করে (তাৎক্ষণিক-মুক্তি ফর্ম), অথবা স্থানীয় সাসটেইন্ড-রিলিজ প্রোডাক্টের নির্দেশনা অনুযায়ী; রোগীর ওজন ও কিডনি কার্যক্ষমতা অনুযায়ী সমন্বিত |
| মাত্রা সমন্বয় | রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা, ক্লিনিক্যাল সাড়া ও সহনশীলতার ভিত্তিতে সমন্বয় করা হয়; প্রারম্ভিক পর্যায়ে সপ্তাহে অন্তত দুইবার পরীক্ষা করা হয় |
| লক্ষ্য সিরাম মাত্রা (তীব্র ম্যানিয়া) | ০.৮-১.২ mEq/L |
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা | দিনে দুই থেকে তিনবার ৩০০-৬০০ মিগ্রা (তাৎক্ষণিক-মুক্তি) অথবা সাসটেইন্ড-রিলিজ ট্যাবলেটে সমতুল্য মোট দৈনিক মাত্রা, লক্ষ্য সিরাম মাত্রা অনুযায়ী সমন্বিত |
| লক্ষ্য সিরাম মাত্রা (রক্ষণাবেক্ষণ) | ০.৮-১.০ mEq/L (বয়স্ক বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার প্রতি সংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে প্রায় ০.৬-০.৮ mEq/L লক্ষ্যমাত্রা ব্যবহৃত হতে পারে) |
অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের সাথে সংযুক্তভাবে ব্যবহার করা হলে, Litiam ER-এর মাত্রা সাধারণত বাইপোলার ডিসঅর্ডারের রক্ষণাবেক্ষণ চিকিৎসার মতোই সিরাম মাত্রা ও সাড়া অনুযায়ী সমন্বিত হয়, এবং সবসময় যে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের সাথে সংযুক্ত করা হচ্ছে তার সাথে একত্রে চালিয়ে যেতে হয় (এই নির্দেশনায় একক থেরাপি হিসেবে কখনো নয়)।
৩০ কেজির বেশি ওজনের রোগীদের প্রাপ্তবয়স্কদের মতো মাত্রা দেওয়া যেতে পারে। ২০-৩০ কেজি ওজনের রোগীদের সাধারণত কম মোট দৈনিক মাত্রা দিয়ে শুরু করা হয় (যেমন তাৎক্ষণিক-মুক্তি প্রোডাক্টে দিনে দুইবার প্রায় ৩০০ মিগ্রা), এবং সিরাম মাত্রা ও ক্লিনিক্যাল সাড়া অনুযায়ী সতর্কতার সাথে বাড়ানো হয়। ৭ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত নয়।
Litiam ER প্রায় সম্পূর্ণভাবে কিডনির মাধ্যমে নির্গত হওয়ায়, কিডনি কার্যক্ষমতা কম থাকা রোগীদের কম মাত্রা, দীর্ঘতর ব্যবধানে সেবন এবং ঘন ঘন সিরাম মাত্রা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। তীব্র কিডনি সমস্যা বা কিডনি বিকল রোগীদের ক্ষেত্রে Litiam ER ব্যবহার করা উচিত নয় (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে Litiam ER খাবারের সাথে বা খাবারের ঠিক পরে সেবন করা উচিত। সাসটেইন্ড-রিলিজ ট্যাবলেট পুরোটা গিলে খেতে হবে, ভাঙা বা চিবানো যাবে না। প্রতিদিন একই সময়ে নিয়মিত মাত্রা সেবন করুন এবং প্রতিদিনের তরল ও লবণ (সোডিয়াম) গ্রহণ স্থিতিশীল রাখুন, কারণ পানিশূন্যতা বা কম সোডিয়াম গ্রহণ রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
Lithium Carbonate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত:
উল্লেখযোগ্য পূর্ববর্তী হৃদরোগ একটি আপেক্ষিক প্রতিনির্দেশনা, যার জন্য নিরঙ্কুশ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে সতর্ক ব্যক্তিভিত্তিক ঝুঁকি-উপকারিতা মূল্যায়ন প্রয়োজন; দেখুন সতর্কতা।
Litiam ER-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রক্তের মাত্রার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়াসমূহ:
বিষক্রিয়ার লক্ষণ (যেমন তীব্র কম্পন, চলাফেরায় সমস্যা, বিভ্রান্তি, ক্রমাগত বমি) এই সাধারণ প্রভাবগুলো থেকে আলাদা এবং দ্রুত চিকিৎসা মূল্যায়ন প্রয়োজন; দেখুন মাত্রাধিক্যতা।
গর্ভাবস্থা: প্রথম ত্রৈমাসিকে Litiam ER গ্রহণের সাথে ভ্রূণের হৃদপিণ্ডের গঠনগত ত্রুটির (বিশেষত এবস্টাইন অ্যানোমালি) ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। গর্ভাবস্থায় Litiam ER কেবলমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং মায়ের সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির তুলনায় বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত; এই সিদ্ধান্ত সবসময় চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে, সতর্ক ঝুঁকি-উপকারিতা বিশ্লেষণ, প্রথম ত্রৈমাসিকে ব্যবহৃত হলে ভ্রূণের হৃদযন্ত্র স্ক্রিনিং, এবং গর্ভাবস্থা ও প্রসবকালীন সময়ে ঘনিষ্ঠ সিরাম লিথিয়াম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নেওয়া উচিত, কারণ তরল পরিবর্তনে লিথিয়ামের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে যেতে পারে।
স্তন্যদান: Litiam ER উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে এবং শিশুর রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা মায়ের মাত্রার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, যা শিশুর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। Litiam ER সেবনকালে সাধারণত স্তন্যদান সুপারিশ করা হয় না; কোনো মা স্তন্যদান করতে চাইলে তা কেবল চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে এবং শিশুর পর্যবেক্ষণসহ করা উচিত।
Litiam ER-এর কার্যকরী ও বিষাক্ত রক্তমাত্রার মধ্যে পার্থক্য খুবই কম। নিয়মিত সিরাম লিথিয়াম মাত্রা পর্যবেক্ষণ অপরিহার্য, এবং রোগী/পরিচর্যাকারীদের বিষক্রিয়ার প্রাথমিক লক্ষণ (দেখুন মাত্রাধিক্যতা) সম্পর্কে জানানো উচিত এবং এসব দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে বলা উচিত।
Litiam ER কিডনির মাধ্যমে নির্গত হওয়ায়, কিডনি কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এমন যেকোনো অবস্থা (বয়সজনিত হ্রাস, পানিশূন্যতা বা অন্তর্বর্তী অসুস্থতাসহ) লিথিয়ামের মাত্রা ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। চিকিৎসা শুরুর আগে কিডনি কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করা উচিত এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে পর্যবেক্ষণ করা উচিত; কিডনি কার্যক্ষমতা কমে গেলে মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।
Litiam ER প্রত্যাবর্তনযোগ্য ইসিজি পরিবর্তন এবং বিরল ক্ষেত্রে সাইনাস নোড কর্মহীনতা সৃষ্টি করতে পারে। উল্লেখযোগ্য পূর্ববর্তী হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা শুরুর আগে সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করা উচিত এবং ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে Litiam ER হাইপোথাইরয়েডিজম বা গলগণ্ড সৃষ্টি করতে পারে। চিকিৎসা শুরুর আগে থাইরয়েড পরীক্ষা করা উচিত এবং চিকিৎসাকালে পর্যায়ক্রমে (যেমন প্রতি ৬-১২ মাসে) পর্যবেক্ষণ করা উচিত; হাইপোথাইরয়েডিজম দেখা দিলে সাধারণত Litiam ER বন্ধ না করেই থাইরয়েড হরমোন প্রতিস্থাপন দেওয়া যায়।
উল্লেখযোগ্য তরল বা সোডিয়াম ক্ষয় সৃষ্টিকারী পরিস্থিতি — যেমন দীর্ঘায়িত ঘাম, জ্বর, বমি, ডায়রিয়া, কম তরল গ্রহণ বা ডাইইউরেটিক/কম-লবণযুক্ত খাদ্য ব্যবহার — রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। রোগীদের প্রতিদিন স্থিতিশীল তরল ও লবণ গ্রহণ বজায় রাখা উচিত এবং উল্লেখযোগ্য তরল ক্ষয় হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ সাময়িক মাত্রা কমানো বা বন্ধ রাখার প্রয়োজন হতে পারে।
সেরোটোনার্জিক ওষুধ বা কিছু অ্যান্টিসাইকোটিকের সাথে Litiam ER একত্রে ব্যবহারে সেরোটোনিন সিনড্রোম বা গুরুতর স্নায়বিক (এনসেফালোপ্যাথিক) প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে; দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া। বিভ্রান্তি, অস্থিরতা, কম্পন, শক্ত হয়ে যাওয়া, জ্বর ও অটোনমিক অস্থিরতা পর্যবেক্ষণ করুন।
Litiam ER বিশেষত উচ্চ মাত্রায় ঝিমুনি, কম্পন বা সমন্বয়হীনতা সৃষ্টি করতে পারে। Litiam ER কীভাবে প্রভাব ফেলে তা না জানা পর্যন্ত গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনায় সতর্ক থাকা উচিত।
Litiam ER-এর মাত্রাধিক্যতা বা বিষাক্ত রক্তমাত্রায় (সাধারণত ১.৫ mEq/L বা তার বেশি) পৌঁছানো একটি চিকিৎসাগত জরুরি অবস্থা। প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে হাতে তীব্র কম্পন, পেশি দুর্বলতা, সমন্বয়হীনতা, ডায়রিয়া, বমি, ঝিমুনি এবং কথা জড়িয়ে যাওয়া। আরও গুরুতর বিষক্রিয়া বিভ্রান্তি, পেশি সঞ্চালন, খিঁচুনি, হৃদস্পন্দনের ছন্দে সমস্যা, উল্লেখযোগ্য চেতনা হ্রাস এবং কোমাতে পরিণত হতে পারে, এবং এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।
মাত্রাধিক্যতা বা বিষক্রিয়ার সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন — লক্ষণ আরও খারাপ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না। লিথিয়াম বিষক্রিয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। চিকিৎসা হাসপাতালে সহায়ক ও লক্ষণভিত্তিক হয়, সিরাম লিথিয়াম মাত্রা, ইলেক্ট্রোলাইট ও কিডনি কার্যক্ষমতার ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণসহ; গুরুতর ক্ষেত্রে দ্রুত লিথিয়াম মাত্রা কমাতে হেমোডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হতে পারে। বাড়িতে Litiam ER-এর সন্দেহভাজন বিষক্রিয়া সামলানোর চেষ্টা করবেন না।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে) আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
৭ বছর বা তার বেশি বয়সী রোগীদের বাইপোলার-১ ডিসঅর্ডারের তীব্র ম্যানিক ও মিশ্র পর্বের একক চিকিৎসায় Litiam ER অনুমোদিত; ৭ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়। ৩০ কেজির বেশি ওজনের রোগীদের সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের মতো মাত্রা দেওয়া যায়, আর ২০-৩০ কেজি ওজনের রোগীদের সাধারণত কম প্রারম্ভিক মাত্রা দিয়ে সতর্কতার সাথে বাড়ানো হয়। শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বেশি সংবেদনশীলতার কারণে সিরাম লিথিয়াম মাত্রা, কিডনি কার্যক্ষমতা, থাইরয়েড কার্যক্ষমতা, বৃদ্ধি ও ওজনের ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। শিশু মানসিক চিকিৎসায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
বয়স্ক রোগীদের সাধারণত কিডনি কার্যক্ষমতা কম থাকে এবং Litiam ER-এর প্রতি বেশি সংবেদনশীলতা দেখা যায়। কম প্রারম্ভিক মাত্রা, কম লক্ষ্য সিরাম মাত্রা এবং ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ সাধারণত সুপারিশ করা হয়।
Q: Litiam ER 400 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Litiam ER 400 mg Tablet একটি মুড স্ট্যাবিলাইজার, যা মূলত বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ম্যানিয়ার পর্ব চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। কখনো কখনো এটি অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের সাথে যোগ করে এমন বিষণ্নতার চিকিৎসায় সহায়তা করে, যা শুধুমাত্র অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টে ভালো সাড়া দেয়নি।
Q: Litiam ER 400 mg Tablet সেবনকালে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করাতে হয় কেন?
A: Litiam ER 400 mg Tablet-এর কার্যকরী ও বিষাক্ত মাত্রার মধ্যে পার্থক্য খুবই কম। নিয়মিত রক্ত পরীক্ষায় সিরাম লিথিয়াম মাত্রার পাশাপাশি কিডনি ও থাইরয়েড কার্যক্ষমতা পরিমাপ করা হয়, যাতে চিকিৎসক আপনার মাত্রা সমন্বয় করতে পারেন এবং বিষক্রিয়ার লক্ষণ গুরুতর হওয়ার আগেই ধরতে পারেন।
Q: Litiam ER 400 mg Tablet-এর সাথে কি আইবুপ্রোফেন বা অন্য ব্যথানাশক খাওয়া যায়?
A: আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক, নেপ্রোক্সেনের মতো NSAID ব্যথানাশক রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। চিকিৎসকের নির্দিষ্ট অনুমোদন ছাড়া এগুলো এড়িয়ে চলুন এবং ব্যথা বা জ্বরের জন্য অন্য পরামর্শ না থাকলে প্যারাসিটামল ব্যবহার করুন। লিথিয়ামের সাথে যেকোনো নতুন ওষুধ, এমনকি ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ যোগ করার আগেও চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
Q: গর্ভাবস্থায় Litiam ER 400 mg Tablet সেবন কি নিরাপদ?
A: প্রথম ত্রৈমাসিকে Litiam ER 400 mg Tablet গ্রহণের সাথে শিশুর নির্দিষ্ট কিছু হৃদপিণ্ডের ত্রুটির ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এটি কেবলমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সবসময় চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ও সতর্ক পর্যবেক্ষণসহ গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা উচিত। চিকিৎসকের সাথে আলোচনা না করে গর্ভাবস্থায় কখনো Litiam ER 400 mg Tablet বন্ধ বা শুরু করবেন না।
Q: Litiam ER 400 mg Tablet-এর বিষক্রিয়ার কোন সতর্কতা লক্ষণগুলো খেয়াল রাখা উচিত?
A: Litiam ER 400 mg Tablet-এর বিষক্রিয়ার প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে তীব্র হাতের কম্পন (আপনার স্বাভাবিক হালকা কম্পনের চেয়ে বেশি), হাঁটাচলায় অসুবিধা বা সমন্বয়হীনতা, বিভ্রান্তি, ক্রমাগত বমি বা ডায়রিয়া। এসবের যেকোনো একটি দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন, কারণ Litiam ER 400 mg Tablet-এর বিষক্রিয়া দ্রুত গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।
Q: Litiam ER 400 mg Tablet-এর একটি মাত্রা মিস হলে কী করব?
A: মনে পড়ার সাথে সাথে মিস হওয়া মাত্রা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিস হওয়া মাত্রাটি বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করুন। মিস হওয়া মাত্রা পূরণ করতে দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ Litiam ER 400 mg Tablet বন্ধ করবেন না, কারণ এতে মুড উপসর্গ ফিরে আসার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।