
Medicine overview
নির্দেশনা
Magsum প্রয়োগের পথ ও ফর্মুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
প্রতিষ্ঠিত (শিরাপথে/মাংসপেশিতে ব্যবহার)
- গর্ভাবস্থায় প্রি-এক্লাম্পসিয়া ও এক্লাম্পসিয়াজনিত খিঁচুনি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ
- রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি (হাইপোম্যাগনেসেমিয়া) সংশোধন ও প্রতিরোধ
- উপসর্গযুক্ত তীব্র হাইপোম্যাগনেসেমিয়ার চিকিৎসা
নির্দেশিকা-সমর্থিত/সহায়ক ব্যবহার
- প্রচলিত চিকিৎসায় সাড়া না দেওয়া তীব্র হাঁপানির আক্রমণে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে
- টরসেড ডি পয়েন্টেস-সহ নির্দিষ্ট কিছু হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যার চিকিৎসায় সহায়ক হিসেবে
- নির্বাচিত ক্ষেত্রে অকাল প্রসব প্রতিরোধে (টোকোলাইসিস) সহায়ক চিকিৎসার অংশ হিসেবে
মুখে খাওয়া/মলদ্বার পথে ব্যবহার
- মাঝে মাঝে কোষ্ঠকাঠিন্যের স্বল্পমেয়াদি উপশমে (স্যালাইন রেচক হিসেবে)
ত্বকে ব্যবহার
- মাংসপেশির সাধারণ ব্যথা উপশমে সেঁক/স্নানের দ্রবণ হিসেবে (প্রচলিত ব্যবহার, শক্তিশালী ক্লিনিক্যাল প্রমাণ সীমিত)
প্রকৃত ব্যবহার ও প্রয়োগপথ চিকিৎসকের সাথে নিশ্চিত করে নিতে হবে, কারণ প্রসূতি/জরুরি শিরাপথে ব্যবহারের সাথে মুখে খাওয়া রেচক হিসেবে ব্যবহারের মাত্রা ও ঝুঁকি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Magsum ব্যবহারভেদে নিম্নলিখিত থেরাপিউটিক শ্রেণিভুক্ত:
- খিঁচুনিরোধী ওষুধ (প্রসূতিবিদ্যায় প্রি-এক্লাম্পসিয়া/এক্লাম্পসিয়ায় ব্যবহার)
- ইলেকট্রোলাইট পূরণকারী (ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট)
- সহায়ক অ্যান্টিএরিদমিক এজেন্ট
- স্যালাইন/অসমোটিক রেচক (মুখে খাওয়ার ক্ষেত্রে)
- সহায়ক টোকোলাইটিক এজেন্ট
ফার্মাকোলজি
কার্যপ্রণালী
Magnesium Sulfate ম্যাগনেসিয়াম আয়ন সরবরাহ করে, যা একটি শারীরবৃত্তীয় ক্যালসিয়াম প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজ করে। এটি স্নায়ু-পেশি সংযোগস্থলে অ্যাসিটাইলকোলিন নিঃসরণ কমিয়ে ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে প্রশমিত করে খিঁচুনিরোধী প্রভাব ফেলে, রক্তনালী ও জরায়ুর মসৃণ পেশি শিথিল করে, এবং হৃদপেশির পরিবাহী তন্তুকে স্থিতিশীল করে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
ফার্মাকোকাইনেটিক্স
শিরাপথে দেওয়ার পর খিঁচুনিরোধী প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে শুরু হয়; মাংসপেশিতে দিলে প্রায় ১ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু করে। ম্যাগনেসিয়াম বিপাক হয় না এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়, তাই কিডনি সমস্যায় বিষক্রিয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। মুখে খাওয়া Magnesium Sulfate সাধারণত রক্তে খুব কম শোষিত হয় এবং মূলত অন্ত্রে স্থানীয়ভাবে কাজ করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রি-এক্লাম্পসিয়া/এক্লাম্পসিয়া (শিরাপথে/মাংসপেশিতে, শুধুমাত্র হাসপাতাল পরিবেশে)
| নিয়ম | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| লোডিং ডোজ | ৪-৬ গ্রাম শিরাপথে ১৫-৩০ মিনিটে ধীরে প্রবেশ করানো হয় |
| রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা | প্রতি ঘণ্টায় ১-২ গ্রাম ধারাবাহিক শিরা-ইনফিউশন, অথবা প্রতি ৪ ঘণ্টায় ৪-৫ গ্রাম মাংসপেশিতে, প্রোটোকল অনুযায়ী অব্যাহত রাখা হয় |
প্রতিফলন ক্ষমতা, শ্বাস-প্রশ্বাসের হার, প্রস্রাবের পরিমাণ এবং রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে; কিডনির কার্যক্ষমতা অনুযায়ী মাত্রা সমন্বয় করতে হয়।
তীব্র হাঁপানির আক্রমণ (সহায়ক চিকিৎসা)
প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত ১-২ গ্রাম শিরাপথে ২০ মিনিটে একবার সহায়ক মাত্রা হিসেবে দেওয়া হয়, ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে; শিশুদের মাত্রা ওজন অনুযায়ী নির্ধারণ করে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে দিতে হয়।
হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যা (সহায়ক)
সাধারণত ১-২ গ্রাম শিরাপথে কয়েক মিনিটে ধীরে প্রবেশ করানো হয়, হৃদস্পন্দন পর্যবেক্ষণের অধীনে।
মুখে খাওয়া রেচক হিসেবে
প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত ১০-৩০ গ্রাম Magsum এক গ্লাস পানিতে গুলে, লেবেলে বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করতে হয়; দীর্ঘমেয়াদি নিয়মিত ব্যবহার উপযুক্ত নয়।
প্রয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশনা
শিরা/মাংসপেশিতে প্রয়োগের জন্য Magsum শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা, জরুরি ব্যবস্থাপনার (যেমন ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট) সুবিধাসম্পন্ন পরিবেশে দেওয়া উচিত।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র প্রশমক/স্নায়ু-পেশি ব্লকিং ওষুধ: এসবের সাথে Magsum একত্রে ব্যবহারে শ্বাসকষ্ট ও পেশি দুর্বলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
- ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার (যেমন নিফেডিপিন): শিরাপথে Magsum-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়া ও স্নায়ু-পেশি ব্লকেজ বাড়তে পারে।
- ডিগক্সিন: ডিগক্সিন গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে শিরাপথে Magsum সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয়, কারণ ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়ামের ভারসাম্যে পরিবর্তন হৃদপিণ্ডের পরিবাহনকে প্রভাবিত করতে পারে।
- মুখে খাওয়া টেট্রাসাইক্লিন, ফ্লুরোকুইনোলোন ও বিসফসফোনেট: মুখে খাওয়া Magsum এসব ওষুধের শোষণ কমাতে পারে; কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টার ব্যবধানে সেবন করতে হবে।
- অন্য ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত পণ্য বা পটাশিয়াম-সংরক্ষণকারী ওষুধ: হাইপারম্যাগনেসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যায়।
প্রতিনির্দেশনা
শিরাপথে/মাংসপেশিতে Magnesium Sulfate ব্যবহার নিষেধ:
- Magnesium Sulfate-এর প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে
- হার্ট ব্লক অথবা উল্লেখযোগ্য হৃদপেশির ক্ষতি থাকলে (শিরাপথে ব্যবহারে একেবারে নিষিদ্ধ)
মুখে খাওয়া/রেচক হিসেবে ব্যবহার শুধুমাত্র অতি সংবেদনশীলতার ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ। (তীব্র কিডনি সমস্যা জরুরি প্রসূতি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নয় বরং মাত্রা সমন্বয় ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন এমন একটি বড় ঝুঁকির বিষয় — বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন।)
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
Magsum ব্যবহারে নিম্নলিখিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:
সাধারণ (শিরা/মাংসপেশি প্রয়োগ)
- শরীর গরম অনুভব ও লালচে ভাব
- ঘাম
- রক্তচাপ কমে যাওয়া
- প্রয়োগস্থলে জ্বালাপোড়া
গুরুতর (মাত্রা-নির্ভর, ম্যাগনেসিয়াম বিষক্রিয়ার লক্ষণ)
- প্রতিফলন ক্ষমতা হ্রাস
- পেশি দুর্বলতা, প্যারালাইসিস
- শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া
- হৃদস্পন্দনের সমস্যা, হার্ট ব্লক, হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়া (অতি উচ্চ মাত্রায়)
বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সতর্কতা এবং মাত্রাধিক্যতা অংশ দেখুন।
মুখে খাওয়া/রেচক হিসেবে ব্যবহার
- পেটে খিঁচুনি, ফাঁপা ভাব
- ডায়রিয়া
- বমি বমি ভাব
- অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
Magsum গর্ভাবস্থায় এক্লাম্পসিয়াজনিত খিঁচুনি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় একটি প্রতিষ্ঠিত থেরাপি, যা চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়। তবে অন্যান্য উদ্দেশ্যে, বিশেষত টোকোলাইসিসে ৫-৭ দিনের বেশি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার ভ্রূণের হাড়ের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে বলে জানা গেছে, তাই শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ও ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত। Magsum স্তন্যদুগ্ধে অল্প পরিমাণে নির্গত হয়; সাধারণ মাত্রায় এটি স্তন্যদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, তবে দীর্ঘমেয়াদি বা উচ্চ মাত্রায় শিরাপথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সতর্কতা
ম্যাগনেসিয়াম বিষক্রিয়া পর্যবেক্ষণ (শিরা/মাংসপেশি প্রয়োগ)
শিরাপথে দেওয়া হলে Magsum-এর নিরাপদ ও বিষাক্ত মাত্রার মধ্যে ব্যবধান কম, তাই চিকিৎসার সময় প্রতিফলন ক্ষমতা, শ্বাস-প্রশ্বাসের হার, প্রস্রাবের পরিমাণ এবং রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। বিষক্রিয়ার প্রাথমিক লক্ষণ হলো হাঁটুর প্রতিফলন হ্রাস; তীব্র হলে শ্বাসকষ্ট ও হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। গুরুতর বিষক্রিয়ার প্রতিষেধক হিসেবে ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট সবসময় হাতের কাছে রাখা উচিত।
কিডনি সমস্যা
ম্যাগনেসিয়াম প্রায় সম্পূর্ণভাবে কিডনির মাধ্যমে নির্গত হওয়ায়, কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের (মুখে খাওয়া বা মলদ্বার পথে Magsum গ্রহণকারীসহ) ম্যাগনেসিয়াম জমা হয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকে। এই ক্ষেত্রে মাত্রা হ্রাস ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
মুখে খাওয়া/রেচক হিসেবে ব্যবহার
রেচক হিসেবে Magsum নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে তরল/ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা হতে পারে। কয়েকদিনের বেশি কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে বা পেটব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি হলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অন্যান্য সতর্কতা
মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস রোগীদের এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র প্রশমক বা স্নায়ু-পেশি ব্লকিং ওষুধ গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয় (মিথষ্ক্রিয়া অংশ দেখুন)।
মাত্রাধিক্যতা
Magsum-এর অতিরিক্ত মাত্রা বা জমা হওয়া (হাইপারম্যাগনেসেমিয়া), বিশেষত শিরাপথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে, প্রতিফলন ক্ষমতা হ্রাস, পেশি দুর্বলতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, হার্ট ব্লক এবং হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে বা বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। হাসপাতালে ইনফিউশন বন্ধ করা, শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদযন্ত্রের সহায়ক চিকিৎসা এবং প্রতিষেধক হিসেবে ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট প্রয়োগ করা হতে পারে। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
সংরক্ষণ
৩০°C এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ইনজেকশনের দ্রবণে কণা বা রঙের পরিবর্তন দেখা গেলে ব্যবহার করবেন না।
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার
শিশুদের ক্ষেত্রে
তীব্র হাঁপানির আক্রমণে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে Magsum শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়; অন্যান্য শিরাপথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা প্রয়োজন। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে রেচক হিসেবে ব্যবহার শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে করা উচিত।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে
বিশেষত কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়াম জমা হয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে বলে মাত্রা সমন্বয় ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
Q: Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: প্রয়োগ পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection-এর বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে: ইনজেকশন হিসেবে এটি মূলত গর্ভাবস্থার সাথে সম্পর্কিত অবস্থায় (প্রি-এক্লাম্পসিয়া/এক্লাম্পসিয়া) খিঁচুনি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, তীব্র হাঁপানি ও নির্দিষ্ট হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যায় সহায়ক হিসেবে এবং রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি সংশোধনে ব্যবহৃত হয়। মুখে খেলে এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের স্বল্পমেয়াদি উপশমে রেচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Q: গর্ভাবস্থায় Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection কি নিরাপদ?
A: গর্ভাবস্থায় এক্লাম্পসিয়াজনিত খিঁচুনি প্রতিরোধে Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection একটি প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা এবং চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়। তবে অকাল প্রসব বিলম্বিত করার মতো অন্য উদ্দেশ্যে ৫-৭ দিনের বেশি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার ভ্রূণের হাড়ের সমস্যার সাথে যুক্ত হতে পারে, তাই শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজনে, উপকারিতা ও ঝুঁকি বিবেচনা করে এবং সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শেই ব্যবহার করা উচিত।
Q: Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection ইনজেকশনের সময় কী ধরনের পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন?
A: শিরাপথে দেওয়া হলে Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection-এর নিরাপদ মাত্রার সীমা কম থাকায়, চিকিৎসার সময় চিকিৎসকরা প্রতিফলন ক্ষমতা, শ্বাস-প্রশ্বাসের হার, প্রস্রাবের পরিমাণ এবং রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, যাতে হাঁটুর প্রতিফলন হ্রাস বা পেশি দুর্বলতার মতো বিষক্রিয়ার প্রাথমিক লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করা যায়। গুরুতর বিষক্রিয়ার জন্য প্রতিষেধক হিসেবে ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট প্রস্তুত রাখা হয়।
Q: রেচক হিসেবে Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection কি নিয়মিত ব্যবহার করা যায়?
A: না। মুখে খাওয়া Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection শুধুমাত্র মাঝে মাঝে কোষ্ঠকাঠিন্যের স্বল্পমেয়াদি উপশমের জন্য। নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার তরল ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করতে পারে, এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
Q: কাদের Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection ব্যবহার করা উচিত নয়?
A: Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection-এর প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। হার্ট ব্লক বা উল্লেখযোগ্য হৃদপেশির ক্ষতিগ্রস্ত রোগীদের ক্ষেত্রে শিরাপথে Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection প্রয়োগ নিষিদ্ধ। কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের যেকোনো ধরনের Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection ব্যবহারে সতর্কতা ও মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন, কারণ কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে ম্যাগনেসিয়াম জমে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
Q: Magsum 2.5 gm/5 ml IM/IV Injection-এর মাত্রাধিক্যতা বা বিষক্রিয়ার সন্দেহ হলে কী করা উচিত?
A: অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না, কারণ অতিরিক্ত ম্যাগনেসিয়াম শ্বাসকষ্ট, রক্তচাপ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়া বা হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো গুরুতর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, যার জন্য দ্রুত চিকিৎসাগত ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।