Product gallery
MRP ৳ ২০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৮.০০/piece
স্টকে নেই
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Neocal M Vita একটি মাল্টি-উপাদান সমৃদ্ধ পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট যা ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। প্রমাণ-ভিত্তিক ব্যবহারসমূহ:

  • অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সহায়ক — জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি এবং প্রয়োজনে বিসফসফোনেট জাতীয় ঔষধের সাথে সহায়ক থেরাপি হিসেবে, যথাযথ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ নিশ্চিত করতে।
  • ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ ঘাটতিজনিত অবস্থা, যেমন রিকেটস ও অস্টিওম্যালাসিয়া, বিশেষত অপর্যাপ্ত খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে।
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে বর্ধিত ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি/খনিজ চাহিদা পূরণে, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে।
  • বয়স্কদের, মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের এবং সূর্যালোকের স্বল্পতা বা ম্যালঅ্যাবজর্পশনযুক্ত ব্যক্তিদের হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে ও ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক সাপ্লিমেন্ট হিসেবে।
  • সাধারণ পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি৩, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও বোরনের ঘাটতি পূরণে, যখন খাদ্য থেকে গ্রহণ অপর্যাপ্ত।

Neocal M Vita একটি সহায়ক/অ্যাডজাংক্ট থেরাপি এবং নির্ণয়কৃত হাড়ের রোগের জন্য নির্ধারিত চিকিৎসার বিকল্প নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Neocal M Vita থেরাপিউটিক শ্রেণীতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমন্বিত মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত, যা হাড়ের মেটাবলিজম ও খনিজ সাপ্লিমেন্টেশনে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Calcium Carbonate + Vitamin D3 + Multimineral-এর উপাদানগুলো হাড়ের খনিজ বিপাকে একসাথে কাজ করে:

  • ক্যালসিয়াম কার্বোনেট পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে বিয়োজিত হয়ে ক্যালসিয়াম আয়ন নির্গত করে, যা ক্ষুদ্রান্ত্রে শোষিত হয়ে হাড়ের খনিজীকরণ, স্নায়ু-পেশি কার্যক্রম এবং কোষীয় সংকেত প্রেরণে ভূমিকা রাখে।
  • ভিটামিন ডি৩ (কোলেক্যালসিফেরল) যকৃত ও কিডনিতে হাইড্রক্সিলেশনের মাধ্যমে সক্রিয় ক্যালসিট্রিওলে রূপান্তরিত হয়, যা অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শোষণ বাড়ায়, কিডনিতে ক্যালসিয়াম পুনঃশোষণ উৎসাহিত করে এবং প্যারাথাইরয়েড হরমোনের সাথে মিলে হাড়ের রিমডেলিং নিয়ন্ত্রণ করে।
  • ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও বোরন কোলাজেন সংশ্লেষণ, হাড়ের ম্যাট্রিক্স গঠন এবং অস্টিওব্লাস্ট/অস্টিওক্লাস্ট কার্যক্রমে জড়িত এনজাইমের প্রয়োজনীয় সহ-উপাদান হিসেবে কাজ করে।

এই উপাদানগুলো একসাথে রক্তে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম মাত্রা বজায় রাখতে এবং স্বাভাবিক হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Neocal M Vita-এর মাত্রা বয়স, খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি গ্রহণের পরিমাণ এবং ক্লিনিক্যাল নির্দেশনার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা উচিত। নিচের তথ্য সাধারণ নির্দেশিকা; নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেল ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করুন।

রোগীর ধরনপ্রচলিত মাত্রা
প্রাপ্তবয়স্ক (ফিল্ম-কোটেড ট্যাবলেট)দিনে দুইবার একটি করে ট্যাবলেট, খাবারের সাথে ও পূর্ণ গ্লাস পানির সাথে
প্রাপ্তবয়স্ক (এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট)দিনে একবার একটি ট্যাবলেট পানিতে গুলিয়ে, খাবারের সাথে বা পরে
শিশু ৩–৭ বছরদিনে একটি এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী
৭ বছরের ঊর্ধ্বে শিশুদিনে একটি থেকে দুইটি এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী
গর্ভাবস্থা/স্তন্যদানকালচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, ব্যক্তিগত চাহিদার ভিত্তিতে

টেট্রাসাইক্লিন বা ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, লিভোথাইরক্সিন, বিসফসফোনেট এবং আয়রন সাপ্লিমেন্টের সাথে Neocal M Vita সেবনের মধ্যে কমপক্ষে ২–৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখতে হবে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে কিডনির কার্যক্ষমতা ও রক্তে ক্যালসিয়াম মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Neocal M Vita-এর নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক: ক্যালসিয়াম এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে অদ্রবণীয় যৌগ তৈরি করে, যা অ্যান্টিবায়োটিকের শোষণ ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। মাত্রার মধ্যে কমপক্ষে ২–৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • লিভোথাইরক্সিন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট লিভোথাইরক্সিনের শোষণ কমাতে পারে, যা হাইপোথাইরয়েডিজমের চিকিৎসাকে কম কার্যকর করতে পারে। কমপক্ষে ৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • বিসফসফোনেট (যেমন অ্যালেন্ড্রোনেট, রাইসেড্রোনেট): একসাথে গ্রহণ করলে বিসফসফোনেটের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। বিসফসফোনেট খালি পেটে, Neocal M Vita বা যেকোনো ক্যালসিয়ামযুক্ত পণ্য গ্রহণের কমপক্ষে ৩০–৬০ মিনিট আগে নিতে হবে।
  • থায়াজাইড মূত্রবর্ধক: ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টের সাথে একত্রে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে; রক্তে ক্যালসিয়াম মাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • ডিগক্সিন/ডিজিটালিস গ্লাইকোসাইড: অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি গ্রহণজনিত হাইপারক্যালসেমিয়া কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইডের বিষক্রিয়া ও অ্যারিদমিয়া বাড়াতে পারে।
  • ফেনিটোইন, ফেনোবারবিটাল ও অন্যান্য এনজাইম-প্রবর্তক অ্যান্টিকনভালসেন্ট: ভিটামিন ডি৩-এর বিপাক ত্বরান্বিত করে এর কার্যকারিতা কমাতে পারে।
  • আয়রন ও জিংক সাপ্লিমেন্ট: ক্যালসিয়াম মুখে খাওয়া আয়রনের শোষণ কমাতে পারে; একসাথে দিলে মাত্রার মধ্যে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড: ক্যালসিয়াম শোষণ কমাতে পারে, যার ফলে Neocal M Vita-এর মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Calcium Carbonate + Vitamin D3 + Multimineral নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):

  • ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, কোলেক্যালসিফেরল বা যেকোনো খনিজ উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতা (hypersensitivity)।
  • যেকোনো কারণে হাইপারক্যালসেমিয়া বা হাইপারক্যালসিউরিয়া (যেমন প্রাইমারি হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম, হাড়ে মেটাস্ট্যাসিসসহ ম্যালিগন্যান্সি, সারকয়েডোসিস বা অন্য গ্র্যানুলোমাটাস রোগ)।
  • হাইপারভিটামিনোসিস ডি।
  • গুরুতর কিডনি অকার্যকারিতা বা কিডনি ফেইলিউর (যদি না চিকিৎসক নির্দিষ্টভাবে নির্দেশনা ও পর্যবেক্ষণ করেন)।
  • নেফ্রোলিথিয়াসিস (ক্যালসিয়ামযুক্ত কিডনি স্টোন), যদি না চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

প্রস্তাবিত মাত্রায় Neocal M Vita সাধারণত সহনীয়। প্রতিবেদিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:

  • সাধারণ: মৃদু পাকস্থলী-অন্ত্রীয় সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব ও মৃদু পেটে অস্বস্তি।
  • কম সাধারণ: ডায়রিয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মৃদু চর্মপ্রদাহ (rash)।
  • বিরল (সাধারণত দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত গ্রহণে): হাইপারক্যালসিউরিয়া, হাইপারক্যালসেমিয়া (ক্লান্তি, বিভ্রান্তি, ক্ষুধামন্দা ও মুখে ধাতব স্বাদের মতো লক্ষণসহ — দেখুন মাত্রাধিক্যতা), এবং অত্যন্ত বিরলভাবে মিল্ক-অ্যালকালি সিনড্রোম বা নেফ্রোক্যালসিনোসিস।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর চাহিদা বেড়ে যায়, এবং খাদ্য থেকে গ্রহণ অপর্যাপ্ত হলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে Neocal M Vita ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে Neocal M Vita শুধুমাত্র সুনির্দিষ্টভাবে প্রয়োজন হলেই এবং প্রস্তাবিত দৈনিক মাত্রার বেশি না নিয়ে ব্যবহার করা উচিত, কারণ প্রাণী গবেষণায় অতিরিক্ত ভিটামিন ডি গ্রহণে টেরাটোজেনিক (ভ্রূণের ক্ষতিকর) প্রভাব দেখা গেছে এবং মায়ের হাইপারক্যালসেমিয়া ভ্রূণের ক্ষতির সাথে সম্পর্কিত। সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত, এবং ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।

ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ বুকের দুধে নির্গত হয়; প্রস্তাবিত মাত্রার মধ্যে গ্রহণ সাধারণত স্তন্যদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং মায়ের অতিরিক্ত গ্রহণ এড়ানো উচিত।

সতর্কতা

নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে Neocal M Vita সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন:

  • কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস বা কিডনি স্টোনের ইতিহাস: হাইপারক্যালসিউরিয়া, নেফ্রোক্যালসিনোসিস এবং কিডনির কার্যক্ষমতা আরও খারাপ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়; দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে নিয়মিত রক্তে ও মূত্রে ক্যালসিয়াম এবং কিডনির কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • হাইপারক্যালসেমিয়ার প্রবণতাযুক্ত অবস্থা (যেমন সারকয়েডোসিস, হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম) — দেখুন প্রতিনির্দেশনা।
  • অন্যান্য ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি বা মাল্টিভিটামিন/মিনারেল পণ্যের সাথে একসাথে ব্যবহার — নিরাপদ সীমা অতিক্রম না করার জন্য সব উৎস থেকে মোট গ্রহণ বিবেচনা করা উচিত।
  • দীর্ঘমেয়াদী শয্যাশায়ী থাকা ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণকারী রোগীদের হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অন্যান্য ঔষধ সেবনের সময় — অ্যান্টিবায়োটিক, লিভোথাইরক্সিন ও বিসফসফোনেটের সাথে সময়ের ব্যবধানের জন্য দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া।

হাইপারক্যালসেমিয়ার লক্ষণ (বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, বিভ্রান্তি, অতিরিক্ত তৃষ্ণা বা ঘন ঘন প্রস্রাব) দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাত্রাধিক্যতা

Neocal M Vita-এর অতিরিক্ত গ্রহণে হাইপারক্যালসেমিয়া ও হাইপারভিটামিনোসিস ডি হতে পারে, যার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধামন্দা, মুখে ধাতব স্বাদ, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, পেশি দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া বা কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে অবিলম্বে সেবন বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া চিকিৎসা গ্রহণ করবেন না। চিকিৎসা সাধারণত সহায়ক হয়ে থাকে এবং এতে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে শিরায় তরল প্রদান ও রক্তে ক্যালসিয়াম মাত্রা পর্যবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ও ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি কমাতে বয়স্কদের ক্ষেত্রে Neocal M Vita প্রায়ই ব্যবহৃত হয়; বয়সজনিত কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাসের সম্ভাবনা বেশি থাকায় নিয়মিত কিডনি ফাংশন মূল্যায়ন করা উচিত।

কিডনি সমস্যায়: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; গুরুতর কিডনি ফেইলিউরে প্রতিনির্দেশিত (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)। মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় শুধুমাত্র চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে এবং নিয়মিত রক্তে/মূত্রে ক্যালসিয়াম ও কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করা উচিত।

লিভার সমস্যায়: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের সুপারিশ প্রতিষ্ঠিত নয়; যেহেতু ভিটামিন ডি৩ সক্রিয়করণে লিভারে হাইড্রক্সিলেশন প্রয়োজন, তাই উল্লেখযোগ্য লিভার সমস্যায় সতর্কতা ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান পরামর্শ দেওয়া হয়।

শিশুদের ক্ষেত্রে: ৩ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশনায় Neocal M Vita-এর এফারভেসেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে — ৩–৭ বছর বয়সীদের জন্য দিনে একটি ট্যাবলেট এবং ৭ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য দিনে একটি থেকে দুইটি ট্যাবলেট। ৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়; শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে: দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Neocal M Vita Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Neocal M Vita Tablet একটি পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট যা ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, পাশাপাশি ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও বোরনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ সরবরাহ করে।

Q: আমি কি অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে Neocal M Vita Tablet খেতে পারি?

A: টেট্রাসাইক্লিন বা ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে একই সময়ে Neocal M Vita Tablet খাওয়া উচিত নয়, কারণ ক্যালসিয়াম এই ঔষধগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে তাদের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। মাত্রার মধ্যে কমপক্ষে ২–৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন এবং সঠিক সময়ের জন্য চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

Q: গর্ভাবস্থায় Neocal M Vita Tablet কি নিরাপদ?

A: খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি গ্রহণ অপর্যাপ্ত হলে গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে Neocal M Vita Tablet ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে শুধুমাত্র সুনির্দিষ্টভাবে প্রয়োজন হলেই এবং প্রস্তাবিত সীমার মধ্যে থেকে ব্যবহার করা উচিত, কারণ প্রাণী গবেষণায় অতিরিক্ত ভিটামিন ডি গ্রহণে টেরাটোজেনিক প্রভাব দেখা গেছে। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Neocal M Vita Tablet বেশি খেয়ে ফেললে কী হবে?

A: প্রস্তাবিত মাত্রার চেয়ে বেশি Neocal M Vita Tablet গ্রহণ করলে হাইপারক্যালসেমিয়া ও হাইপারভিটামিনোসিস ডি হতে পারে, যার লক্ষণ হলো বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব ও বিভ্রান্তি। মাত্রাধিক্যতার সন্দেহ হলে সেবন বন্ধ করে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

Q: থাইরয়েডের ঔষধ (লিভোথাইরক্সিন)-এর সাথে কি Neocal M Vita Tablet খাওয়া যায়?

A: না, লিভোথাইরক্সিনের সাথে একই সময়ে Neocal M Vita Tablet খাওয়া উচিত নয়, কারণ ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এর শোষণ কমিয়ে দেয় এবং থাইরয়েড হরমোন প্রতিস্থাপন থেরাপিকে কম কার্যকর করে তুলতে পারে। লিভোথাইরক্সিন Neocal M Vita Tablet থেকে কমপক্ষে ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে গ্রহণ করুন।

Q: কাদের Neocal M Vita Tablet এড়িয়ে চলা উচিত?

A: হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারক্যালসিউরিয়া, হাইপারভিটামিনোসিস ডি, গুরুতর কিডনি সমস্যা, সক্রিয় কিডনি স্টোন, অথবা Neocal M Vita Tablet-এর যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতাযুক্ত ব্যক্তিদের, চিকিৎসকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও পর্যবেক্ষণ ব্যতীত, এটি এড়িয়ে চলা উচিত।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor