Product gallery
MRP ৳ ১২.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১০.৮০/piece
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

প্রধান ব্যবহার

Neorice তীব্র ডায়রিয়া (কলেরাসহ) ও বমির কারণে সৃষ্ট তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতিজনিত পানিশূন্যতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, শিশু, বয়স্ক শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে। এটি একটি চাল-গুঁড়া ভিত্তিক ওরাল রিহাইড্রেশন সল্ট (ORS), যেখানে গ্লুকোজের পরিবর্তে চালের গুঁড়া কার্বোহাইড্রেট উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমোদিত রাইস-বেজড ORS ফর্মুলেশনের অনুরূপ।

  • তীব্র পানিবাহিত ডায়রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা: WHO/UNICEF নির্দেশিত ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপি (ORT)-এর অংশ হিসেবে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার পানিশূন্যতা প্রতিরোধ বা সংশোধনে ব্যবহৃত হয়, স্বাভাবিক খাদ্যগ্রহণের পাশাপাশি।
  • কলেরা: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত গ্লুকোজ-ভিত্তিক ORS-এর তুলনায় Neorice কলেরা রোগীদের ক্ষেত্রে মলের পরিমাণ কমাতে ও ডায়রিয়ার স্থায়িত্ব কমাতে সহায়ক হতে পারে; উপযুক্ত চিকিৎসাগত পরিবেশে প্রচলিত কলেরা ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি এটি ব্যবহৃত হয়।
  • চলমান তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি পূরণ: ডায়রিয়াজনিত অসুস্থতায় চলমান তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ক্ষয় পূরণে এবং ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের (যেমন ছোট শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি) পানিশূন্যতা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: Neorice একটি রিহাইড্রেশন থেরাপি, ডায়রিয়ার মূল কারণের চিকিৎসা নয়, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে (কলেরা ব্যতীত) মলের সংখ্যা কমায় না। তীব্র পানিশূন্যতা, রক্তমিশ্রিত পায়খানা, উচ্চ জ্বর বা উন্নতি না হওয়া ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প এটি নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Neorice ওরাল রিহাইড্রেশন সল্ট (তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপক) থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যা ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপি (ORT)-তে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

Oral Rehydration Salt [Rice Based]-এর কার্যপ্রণালীর ভিত্তি হলো ক্ষুদ্রান্ত্রের ব্রাশ বর্ডারে থাকা সোডিয়াম-গ্লুকোজ কো-ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া (SGLT1), যার মাধ্যমে গ্লুকোজ সোডিয়াম (এবং সাথে পানি) অন্ত্রের প্রাচীর দিয়ে শোষণে সহায়তা করে—এই প্রক্রিয়া তীব্র ডায়রিয়ার সময়ও সক্রিয় থাকে। Oral Rehydration Salt [Rice Based]-এ থাকা চালের গুঁড়া অন্ত্রের অ্যামাইলেজ এনজাইম দ্বারা ধীরে ধীরে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয়, যা এই শোষণ প্রক্রিয়ার জন্য একটি ধারাবাহিক গ্লুকোজ উৎস সরবরাহ করে, প্রচলিত ORS-এর তাৎক্ষণিক গ্লুকোজ লোডের পরিবর্তে।

এই ধীরগতির গ্লুকোজ নিঃসরণ এবং দ্রবণের কম অসমোলারিটির কারণে, কিছু গবেষণায় (বিশেষত কলেরায়) প্রচলিত গ্লুকোজ-ভিত্তিক ORS-এর তুলনায় মলের পরিমাণ ও ডায়রিয়ার স্থায়িত্ব কমতে দেখা গেছে। সোডিয়াম ক্লোরাইড ও পটাশিয়াম ক্লোরাইড মল ও বমির মাধ্যমে হারানো ইলেক্ট্রোলাইট পূরণ করে, এবং ট্রাইসোডিয়াম সাইট্রেট ডায়রিয়াজনিত মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস সংশোধনে সহায়তা করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রস্তুত প্রণালী

Neorice ব্যবহারের আগে অবশ্যই প্রস্তুত করে নিতে হবে:

  1. হাত ধুয়ে পরিষ্কার পাত্র, কাপ ও চামচ ব্যবহার করুন।
  2. প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ (সাধারণত ২৫০ মিলি বা ৫০০ মিলি) বিশুদ্ধ পানি ফুটিয়ে ঠান্ডা করুন।
  3. Neorice-এর একটি সম্পূর্ণ প্যাকেট নির্দিষ্ট পরিমাণ ঠান্ডা পানিতে সম্পূর্ণভাবে মিশিয়ে দিন। আধা প্যাকেট ব্যবহার করবেন না বা পানির পরিমাণ আন্দাজে নেবেন না, কারণ এতে দ্রবণ অতিরিক্ত ঘন বা পাতলা হয়ে যেতে পারে।
  4. ভালোভাবে নেড়ে সম্পূর্ণ দ্রবীভূত করুন; চালের গুঁড়ার কারণে দ্রবণটি সাধারণত দুধের মতো সাদা দেখাবে।
  5. প্রস্তুতকৃত দ্রবণ দ্রুত ব্যবহার করুন এবং প্যাকেটে উল্লেখিত সময়ের (সাধারণত ঘরের তাপমাত্রায় প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা) মধ্যে ব্যবহার না হওয়া দ্রবণ ফেলে দিয়ে নতুন করে তৈরি করুন।

মাত্রা (বয়স অনুযায়ী)

বয়সপ্রতিবার পাতলা পায়খানার পর পরিমাণ
৬ মাসের কম বয়সী শিশুশুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী
৬ মাস - ২ বছর৫০-১০০ মিলি (প্রায় ১০-২০ চা-চামচ)
২-৯ বছর১০০-২০০ মিলি (প্রায় ২০-৪০ চা-চামচ)
১০ বছর ও তদূর্ধ্ব (প্রাপ্তবয়স্কসহ)২০০-৫০০ মিলি (প্রায় ১-২ গ্লাস)

প্রতিটি পাতলা পায়খানা বা বমির পর স্বাভাবিক খাদ্য ও তরল গ্রহণের পাশাপাশি Neorice দিন। শিশুদের ক্ষেত্রে বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যান। তীব্র পানিশূন্যতার লক্ষণ, বারবার বমি, রক্তমিশ্রিত পায়খানা, উচ্চ জ্বর, অথবা শিশুদের ক্ষেত্রে ২ দিনের মধ্যে বা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ২-৩ দিনের মধ্যে উন্নতি না হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Neorice-এর সাথে অন্য ওষুধের কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত, ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া নেই, কারণ এটি একটি সিস্টেমিক ওষুধ নয় বরং তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপক। তবে সতর্কতামূলক কিছু বিষয় বিবেচনা করা উচিত:

  • পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাই-ইউরেটিক, ACE ইনহিবিটর, অ্যাঞ্জিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার: Neorice-এ পটাশিয়াম ক্লোরাইড থাকায়, এসব ওষুধের সাথে একযোগে ব্যবহারে হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি তাত্ত্বিকভাবে বাড়তে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • খালি পেটে গ্রহণযোগ্য ওষুধ: অন্য মুখে খাওয়ার ওষুধের কাছাকাছি সময়ে অতিরিক্ত পরিমাণে Neorice গ্রহণ তাত্ত্বিকভাবে পাকস্থলী খালি হওয়ার হার বা ওষুধের ঘনত্বে প্রভাব ফেলতে পারে; প্রয়োজনে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী সময়ের ব্যবধান রাখুন।

স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণ ওষুধের সাথে Neorice একযোগে ব্যবহারে কোনো জ্ঞাত বাধা নেই।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Oral Rehydration Salt [Rice Based] মুখে খাওয়ানো উচিত নয়, কারণ এসব ক্ষেত্রে ওরাল রিহাইড্রেশন উপযুক্ত নয় এবং শিরাপথে তরল প্রদানের মতো ভিন্ন চিকিৎসা প্রয়োজন:

  • এই প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতি সংবেদনশীলতা।
  • তীব্র বা ক্রমাগত বমি যা পর্যাপ্ত মুখে খাওয়ানো সম্ভব করে না।
  • তীব্র পানিশূন্যতা বা হাইপোভোলেমিক শক, যার জন্য অবিলম্বে শিরাপথে তরল প্রয়োজন।
  • প্যারালাইটিক ইলিয়াস (অন্ত্রের পক্ষাঘাত)।
  • অন্ত্রের বাধা (ইনটেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন) বা ছিদ্র।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সঠিকভাবে প্রস্তুত ও প্রয়োগ করা হলে Neorice সাধারণত খুব ভালোভাবে সহনীয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো বিরল এবং সাধারণত ভুল প্রস্তুতি বা খুব দ্রুত প্রয়োগের সাথে সম্পর্কিত:

  • খুব দ্রুত বা একসাথে বেশি পরিমাণে দিলে বমি হতে পারে।
  • পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি।
  • দ্রবণ অতিরিক্ত ঘন হলে হাইপারন্যাট্রেমিয়া, বা অতিরিক্ত পাতলা হলে হাইপোন্যাট্রেমিয়া।
  • বিরল ক্ষেত্রে, বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হাইপারক্যালেমিয়া।

প্যাকেটে উল্লেখিত সঠিক প্রস্তুত প্রণালী অনুসরণ করলে এসব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অনেকাংশে এড়ানো যায়।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

Neorice গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়, কারণ এটি সিস্টেমিক ওষুধ নয় বরং তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপক হিসেবে কাজ করে, এবং ভ্রূণ বা স্তন্যপান করা শিশুর ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হয়নি। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের ডায়রিয়া বা বমিজনিত (হাইপারইমেসিসসহ) পানিশূন্যতা ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

WHO/UNICEF নির্দেশনা অনুযায়ী, স্তন্যদানকারী মা এবং বুকের দুধ খাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে Neorice সেবনের পাশাপাশি স্বাভাবিক বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে, কারণ বুকের দুধ ডায়রিয়ার সময় অতিরিক্ত তরল, ক্যালরি ও সুরক্ষামূলক উপাদান সরবরাহ করে।

সতর্কতা

নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে Neorice সতর্কতার সাথে এবং চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন:

  • কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস, অলিগিউরিয়া বা অ্যানিউরিয়া: অতিরিক্ত তরল, সোডিয়াম ও পটাশিয়াম নিষ্কাশনের সক্ষমতা কমে যাওয়ায় তরল জমা ও হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; শুধুমাত্র চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করুন।
  • পটাশিয়াম নিষ্কাশনে সমস্যাযুক্ত অবস্থা (যেমন অ্যাড্রিনাল ইনসাফিসিয়েন্সি, নির্দিষ্ট কিছু হৃদরোগ বা কিডনি সমস্যা): হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি; চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ করুন।
  • ৬ মাসের কম বয়সী শিশু: শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন, কারণ এই বয়সে তরল ও ইলেক্ট্রোলাইটের প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন এবং তত্ত্বাবধান ছাড়া ব্যবহারে ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি বেশি।
  • সঠিক প্রস্তুত প্রণালী অপরিহার্য: সবসময় প্যাকেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানিতে সম্পূর্ণ প্যাকেট মিশিয়ে নিন। খুব কম পানি ব্যবহারে বিপজ্জনক হাইপারন্যাট্রেমিয়া হতে পারে; খুব বেশি পানি ব্যবহারে কার্যকারিতা কমে যায় এবং হাইপোন্যাট্রেমিয়া হতে পারে।
  • প্রস্তুতকৃত দ্রবণের পরিচ্ছন্নতা ও স্থায়িত্ব: চালের গুঁড়া ভিত্তিক হওয়ায় এই দ্রবণে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির প্রবণতা গ্লুকোজ-ভিত্তিক ORS-এর চেয়ে বেশি; তাই শুধুমাত্র সদ্য ফুটানো ও ঠান্ডা করা পানি এবং পরিষ্কার পাত্র ব্যবহার করুন এবং প্যাকেটে উল্লেখিত সময়ের (সাধারণত ঘরের তাপমাত্রায় প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা) মধ্যে অব্যবহৃত দ্রবণ ফেলে দিন।

Neorice ডায়রিয়ার মূল কারণের (যেমন ব্যাকটেরিয়া বা প্যারাসাইট সংক্রমণ) চিকিৎসা করে না; রক্তমিশ্রিত পায়খানা, উচ্চ জ্বর, তীব্র পানিশূন্যতার লক্ষণ (যেমন চোখ বসে যাওয়া, নিস্তেজভাব, প্রস্রাব কমে যাওয়া, মুখ খুব শুকিয়ে যাওয়া), অথবা ডায়রিয়া স্থায়ী বা খারাপ হতে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাত্রাধিক্যতা

অতিরিক্ত বা ভুলভাবে প্রস্তুতকৃত (যেমন খুব ঘন, বা চলমান ক্ষয় ছাড়া অনেক বেশি পরিমাণে) Neorice দ্রবণ হাইপারন্যাট্রেমিয়া, তরল জমা, অথবা কম ক্ষেত্রে হাইপারক্যালেমিয়ার কারণ হতে পারে, বিশেষত শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি বা কিডনি/হৃদরোগ আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে খিটখিটে ভাব, মাংসপেশির কাঁপুনি, খিঁচুনি, ফোলাভাব, অথবা গুরুতর ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দনের ছন্দে গোলযোগ।

মাত্রাধিক্যতা বা অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অথবা কোনো উদ্বেগজনক লক্ষণ দেখা দিলে, সেবন বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; ঘরোয়া কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

Neorice-এর অখোলা প্যাকেট ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°C-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ঠান্ডা ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

প্রস্তুতকৃত দ্রবণ প্যাকেটে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে (সাধারণত ঘরের তাপমাত্রায় প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা) ব্যবহার করুন এবং অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিয়ে নতুন করে তৈরি করুন, কারণ চালের গুঁড়া ভিত্তিক দ্রবণ গ্লুকোজ-ভিত্তিক ORS-এর চেয়ে দ্রুত নষ্ট হতে পারে।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: Neorice ডায়রিয়া ও বমিজনিত পানিশূন্যতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় শিশু, বয়স্ক শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, এবং এটি WHO/UNICEF নির্দেশিত ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপির একটি মূল উপাদান। ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে এবং বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। ৬ মাস থেকে ২ বছর বয়সীদের প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ৫০-১০০ মিলি এবং ২-৯ বছর বয়সীদের ১০০-২০০ মিলি দেওয়া হয়। পানিশূন্যতা বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বয়স্ক ব্যক্তি: সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়, তবে কিডনি, হৃদযন্ত্র বা লিভারের সমস্যাযুক্ত বা ডাই-ইউরেটিক সেবনকারী বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে তরল বা ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার লক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Neorice Oral Powder কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Neorice Oral Powder ডায়রিয়া (কলেরাসহ) ও বমির কারণে সৃষ্ট তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতিজনিত পানিশূন্যতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি শরীর থেকে হারানো পানি, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও সাইট্রেট পূরণ করে, গ্লুকোজের পরিবর্তে চালের গুঁড়া ব্যবহার করে।

Q: Neorice Oral Powder কীভাবে প্রস্তুত করব?

A: প্যাকেটে উল্লেখিত সঠিক পরিমাণ (সাধারণত ২৫০ মিলি বা ৫০০ মিলি) ফুটানো ও ঠান্ডা করা পানিতে Neorice Oral Powder-এর একটি সম্পূর্ণ প্যাকেট মিশিয়ে দুধের মতো সাদা দ্রবণ তৈরি করুন। ভুল পরিমাণ পানি ব্যবহার করলে দ্রবণ অনিরাপদ হয়ে যেতে পারে।

Q: আমার শিশুকে কতটুকু Neorice Oral Powder দেব?

A: সাধারণ নির্দেশনা হিসেবে, প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ৬ মাস থেকে ২ বছর বয়সী শিশুদের ৫০-১০০ মিলি এবং ২-৯ বছর বয়সীদের ১০০-২০০ মিলি দিন, স্বাভাবিক খাদ্যগ্রহণের পাশাপাশি। ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে Neorice Oral Powder দেওয়া উচিত। সঠিক পরিমাণের জন্য সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Neorice Oral Powder ব্যবহার করা যায়?

A: হ্যাঁ, Neorice Oral Powder গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়, কারণ এটি সিস্টেমিক ওষুধ নয় বরং তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট প্রতিস্থাপক, এবং কোনো ক্ষতিকর প্রভাব জানা নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এর ব্যবহারের পাশাপাশি বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে।

Q: কখন Neorice Oral Powder ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: তীব্র বা ক্রমাগত বমি, শিরাপথে তরল প্রয়োজন এমন তীব্র পানিশূন্যতা, প্যারালাইটিক ইলিয়াস, অন্ত্রের বাধা, অথবা এর কোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতি সংবেদনশীলতা থাকলে Neorice Oral Powder মুখে খাওয়ানো উচিত নয়; এসব ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

Q: প্রস্তুতকৃত Neorice Oral Powder দ্রবণ কতক্ষণ রাখা যায়?

A: পানিতে মেশানোর পর Neorice Oral Powder দ্রবণ সাধারণত ঘরের তাপমাত্রায় প্রায় ৫-৬ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করা উচিত এবং অব্যবহৃত অংশ পরে ফেলে দিতে হবে, কারণ চালের গুঁড়া ভিত্তিক দ্রবণ গ্লুকোজ-ভিত্তিক ORS-এর চেয়ে দ্রুত নষ্ট হতে পারে। ব্যবহার চালিয়ে যেতে সবসময় নতুন ব্যাচ তৈরি করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor