মাত্রা ও সেবনবিধি
একটি ট্যাবলেট দিনে ১-২ বার প্রচুর পরিমাণ পানির সাথে বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। ভরা পেটে খেলে শোষণ ভাল হয়।
মাত্রাধিক্যতা
অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, ঝিমুনি, ক্ষুধামন্দা, পেট কামড়ানো, মাথা ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অস্বস্তিভাব হতে পারে। চিকিৎসা হিসাবে সেবন বন্ধ এবং অতিমাত্রায় তরল গ্রহণ করতে হবে।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
সেব্য ক্যালসিয়াম, টেট্রাসাইক্লিন ও ফ্লোরাইড জাতীয় ঔষধের শোষন কমতে পারে, তাই এই সকল সেবনের মধ্যবর্তী বিরতি কমপক্ষে তিন ঘন্টা হওয়া বাঞ্ছনীয়। থায়াজাইড ডাইউরেটিক, ক্যালসিয়াম এর নিঃসরণ ক্ষমতা হ্রাস করে। ফেনাইটোইন, বারবিচুরেট, গুকোকরটিকয়েড ভিটামিন ডি এর বিভাজন ঘটাতে পারে। কিছু সংখ্যক খাদ্য যেমন শাক, যব, আন্যান্য শস্যজাত খাদ্য, দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য ক্যালসিয়ামের আন্ত্রিক অধিগ্রহণ হ্রাস করে।
নির্দেশনা
ইহা অষ্টিওপরোসিস এর প্রতিরােধ ও চিকিৎসায়, অষ্টিওম্যালাসিয়া, টিটানি, হাইপাে-প্যারাথাইরয়েডিজম, অষ্টিওজেনেসিস এ দেয়া হয়। এছাড়া খাদ্যে ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি পূরণে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানে, শিশু কিশোরদের দ্রুত বৃদ্ধির সময় ইহা দেওয়া হয়। অন্যান্য নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে প্যানক্রিয়াটাইটিস, তীব্র কিডনী অক্ষমতায় ফসফেট বাইন্ডার হিসাবে।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
বিরলক্ষেত্রে পেট ফাঁপা, বুকজ্বালা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে ফলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে।
সতর্কতা
মৃদু হাইপারক্যালসিউরিয়ায় নিঃসরণ মাত্রা সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। মৃদু থেকে মাঝারি মূত্র হ্রাস ও দীর্ঘদিন ব্যবহারে প্লাজমা এবং সিরাম এ ক্যালসিয়াম এর মাত্রা পরিমাপ করতে হবে। যে সকল রোগীর ক্ষেত্রে কিডনীর পাথর সৃষ্টির ইতিহাস আছে সেসব ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
প্রতিনির্দেশনা
ঔষধটিতে অতিসংবেদনশীলতা, ভিটামিন ডি এর মাত্রাধিক্যের কারণে হাইপোক্যালসেমিয়া, হাইপার-প্যারাথারয়েডিজম, বোন মেটাস্টেসিস, গুরুতর মূত্র হাস, গুরুতর হাইপারক্যালসিউরিয়া, রেনাল ক্যালকুলি ইত্যাদি।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Specific mineral & vitamin combined preparations
ফার্মাকোলজি
এই প্রিপারেশনে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন-ডি৩ যেখানে ক্যালসিয়াম কার্বনেট কোরাল উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়। কোরাল থেকে সংগৃহীত ক্যালসিয়াম কার্বনেট-এর রাসায়নিক গঠন মানুষের হাড়ের উপাদানের সঙ্গে অধিকতর সঙ্গতিপূর্ণ। কোরাল ক্যালসিয়াম এর ক্যালসিয়াম কার্বনেট অন্যান্য উৎসের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ কিন্তু ইহার ক্যালসিয়ামের পরিশোষন অধিকতর বেশী। ভিটামিন ডি, পরিপাকতন্ত্রে ক্যালসিয়াম এর শোষণে ব্যাপক সহায়তা করে এবং শরীরে ক্যালসিয়াম এর ভারসাম্য রক্ষা করে। এছাড়াও হাড়ের বৃদ্ধিতে, অষ্টিওপরোসিস এবং এই সংক্রান্ত জটিলতায় ইহার এর বিশেষ ভূমিকা আছে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
ইহা গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দেশিত।
সংরক্ষণ
৩০°সেঃ তাপমাত্রার নিচে সংরক্ষণ করুন। আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।