Product gallery
MRP ৳ ৫.০৩১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৪.৫৩/piece
স্টকে নেই
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension)

Parten একক ওষুধ হিসেবে অথবা অন্য অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধের সাথে একত্রে, প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৬ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে প্রতিষ্ঠিতভাবে (FDA-অনুমোদিত) ব্যবহৃত হয়।

ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি

টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, যাদের সিরাম ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি ও প্রোটিনুরিয়া (মূত্রে অ্যালবুমিন-ক্রিয়েটিনিন অনুপাত ≥৩০০ মি.গ্রা./গ্রা.) রয়েছে, তাদের কিডনি রোগের অগ্রগতি (সিরাম ক্রিয়েটিনিন দ্বিগুণ হওয়া বা শেষ পর্যায়ের কিডনি রোগ) কমাতে Parten প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়।

স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস (উচ্চ রক্তচাপ ও লেফট ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি)

উচ্চ রক্তচাপ এবং ইসিজি-তে নিশ্চিত লেফট ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি (LVH) থাকা রোগীদের স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে Parten প্রতিষ্ঠিতভাবে ব্যবহৃত হয়, যদিও মূল গবেষণায় কৃষ্ণাঙ্গ রোগীদের ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেখা যায়নি; তবে সব জনগোষ্ঠীতেই Parten কার্যকরভাবে রক্তচাপ কমায়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

থেরাপিউটিক ক্লাস: Parten একটি অ্যাঞ্জিওটেনসিন II রিসেপ্টর ব্লকার (ARB) শ্রেণির ওষুধ।

উপাদান: প্রতিটি ট্যাবলেটে সক্রিয় উপাদান হিসেবে Parten থাকে। বাংলাদেশে Parten ২৫ মি.গ্রা., ৫০ মি.গ্রা. এবং ১০০ মি.গ্রা. ফিল্ম-কোটেড ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়, এবং হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইডের সাথে সংমিশ্রণ পণ্য হিসেবেও পাওয়া যায়।

সংক্ষিপ্ত বিবরণ: Parten একটি অ্যাঞ্জিওটেনসিন II রিসেপ্টর ব্লকার, যা মূলত উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ থেকে কিডনি রক্ষায় ব্যবহৃত হয়। এটি অ্যাঞ্জিওটেনসিন II হরমোনের কাজ বাধা দিয়ে রক্তনালী শিথিল করে, যার ফলে রক্তচাপ কমে। ACE ইনহিবিটরের বিপরীতে, Parten-এর কারণে দীর্ঘস্থায়ী শুকনো কাশি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

ফার্মাকোলজি

ফার্মাকোলজি (শোষণ, বিপাক ও নিষ্কাশন): মুখে খাওয়ার পর Losartan Potassium ভালোভাবে শোষিত হয় এবং যকৃতে উল্লেখযোগ্য প্রথম-পাস বিপাকের মধ্য দিয়ে যায় (মূলত CYP2C9 ও CYP3A4 পথের মাধ্যমে), একটি সক্রিয় কার্বক্সিলিক অ্যাসিড মেটাবোলাইট (E-3174) তৈরি করে, যা Losartan Potassium-এর চেয়ে ১০-৪০ গুণ বেশি শক্তিশালী এবং অধিকাংশ অ্যাঞ্জিওটেনসিন II রিসেপ্টর ব্লকেজের জন্য দায়ী। Losartan Potassium-এর সর্বোচ্চ রক্তমাত্রা সেবনের প্রায় ১ ঘণ্টা পর এবং সক্রিয় মেটাবোলাইটের ৩-৪ ঘণ্টা পর দেখা যায়। Losartan Potassium-এর হাফ-লাইফ প্রায় ২ ঘণ্টা এবং সক্রিয় মেটাবোলাইটের প্রায় ৬-৯ ঘণ্টা, তবে এর রক্তচাপ কমানোর প্রভাব ২৪ ঘণ্টা স্থায়ী হয়, যা দিনে একবার সেবন সম্ভব করে। Losartan Potassium ও এর সক্রিয় মেটাবোলাইট মূত্র ও পিত্ত/মলের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়।

মোড অব অ্যাকশন (কার্যপ্রণালী): Losartan Potassium ও এর সক্রিয় মেটাবোলাইট রক্তনালীর মসৃণ পেশি ও অ্যাড্রেনাল গ্রন্থিতে থাকা AT1 রিসেপ্টরের সাথে অ্যাঞ্জিওটেনসিন II-এর সংযোগ নির্বাচনীভাবে বাধা দেয়, যার ফলে রক্তনালী শিথিল হয়, পেরিফেরাল ভাস্কুলার রেজিস্ট্যান্স কমে, এবং অ্যালডোস্টেরন-নির্ভর সোডিয়াম ও পানি ধরে রাখার প্রবণতা কমে, যা একসাথে রক্তচাপ কমায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Parten-এর মাত্রা নির্ভর করে কোন সমস্যার জন্য এটি ব্যবহার করা হচ্ছে, শরীরে তরলের অবস্থা এবং যকৃতের কার্যক্ষমতার উপর, এবং এটি সর্বদা একজন চিকিৎসক দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত। নিচের সারণি সাধারণ নির্দেশনা মাত্র।

নির্দেশনাসাধারণ মাত্রা
উচ্চ রক্তচাপ (প্রাপ্তবয়স্ক, তরল-স্বল্পতাহীন)প্রাথমিক মাত্রা দিনে একবার ৫০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে দিনে একবার ১০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে; প্রয়োজনে ডিউরেটিক যোগ করা যেতে পারে
উচ্চ রক্তচাপ, তরল/লবণ-স্বল্পতাযুক্ত রোগী (যেমন ডিউরেটিক সেবনরত)প্রাথমিক মাত্রা দিনে একবার ২৫ মি.গ্রা.
ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি (টাইপ ২ ডায়াবেটিসযুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক)প্রাথমিক মাত্রা দিনে একবার ৫০ মি.গ্রা.; রক্তচাপের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী দিনে একবার ১০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে
স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস (উচ্চ রক্তচাপ ও LVH)প্রাথমিক মাত্রা দিনে একবার ৫০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে কম মাত্রার হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড যোগ করা এবং/অথবা মাত্রা ১০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে
যকৃতের সমস্যাকম মাত্রা (যেমন দিনে একবার ২৫ মি.গ্রা.) বিবেচনা করা উচিত, কারণ Parten-এর এক্সপোজার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়
কিডনি সমস্যাশুধুমাত্র কিডনি কার্যক্ষমতার ভিত্তিতে সাধারণত প্রাথমিক মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে সতর্কতা ও তরলের অবস্থা মূল্যায়ন প্রয়োজন (দেখুন "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার")
উচ্চ রক্তচাপ, ৬-১৬ বছর বয়সী শিশুপ্রাথমিক মাত্রা প্রায় ০.৭ মি.গ্রা./কেজি দিনে একবার (সর্বোচ্চ মোট ৫০ মি.গ্রা.), রক্তচাপের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী সমন্বয়যোগ্য; ১.৪ মি.গ্রা./কেজি (বা ১০০ মি.গ্রা.-এর বেশি) দৈনিক মাত্রা নিয়ে গবেষণা করা হয়নি
৬ বছরের কম বয়সী শিশু, অথবা GFR <৩০ mL/min/1.73m² থাকা শিশুনিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয় (দেখুন "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার")

সেবনবিধি:

  • Parten প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে, খাবারের সাথে অথবা খাবার ছাড়া, দিনে একবার সেবন করুন।
  • ট্যাবলেট এক গ্লাস পানির সাথে গোটা গিলে খেতে হবে।
  • ভালো বোধ করলেও Parten সেবন চালিয়ে যান; উচ্চ রক্তচাপের প্রায়ই কোনো উপসর্গ থাকে না, এবং নিয়মিত সেবনে Parten সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Parten সেবন বন্ধ করবেন না।
  • কোনো মাত্রা মিস হলে মনে পড়ামাত্র তা খেয়ে নিন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিন; একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা খাবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • পটাসিয়াম-স্পেয়ারিং ডিউরেটিক, পটাসিয়াম সাপ্লিমেন্ট, বা পটাসিয়ামযুক্ত লবণ বিকল্প: Parten-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য হাইপারক্যালেমিয়া (রক্তে পটাসিয়াম বেড়ে যাওয়া) হতে পারে; একত্রে ব্যবহারে সতর্কতা ও সিরাম পটাসিয়াম পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন (দেখুন "সতর্কতা")।
  • ACE ইনহিবিটর বা অ্যালিসকিরেন (দ্বৈত রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন সিস্টেম ব্লকেজ): Parten-এর সাথে এগুলো একত্রে ব্যবহার করলে হাইপারক্যালেমিয়া, হাইপোটেনশন এবং কিডনি কার্যক্ষমতার পরিবর্তনের ঝুঁকি বেড়ে যায়; সাধারণত দ্বৈত ব্লকেজ সুপারিশ করা হয় না, এবং ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে Parten-এর সাথে অ্যালিসকিরেন ব্যবহার প্রতিনির্দেশিত (দেখুন "প্রতিনির্দেশনা")।
  • NSAIDs (সিলেক্টিভ COX-2 ইনহিবিটরসহ): Parten-এর রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে এবং বিশেষত বয়স্ক, তরল-স্বল্পতাযুক্ত, বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে তীব্র কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে; একত্রে ব্যবহারে কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • লিথিয়াম: Parten লিথিয়ামের নিষ্কাশন কমিয়ে সিরাম লিথিয়াম মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, যার ফলে লিথিয়াম বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; একত্রে ব্যবহারে লিথিয়াম মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • রিফাম্পিন ও ফ্লুকোনাজোল: এই ওষুধগুলো Parten-এর সক্রিয় মেটাবোলাইট গঠন কমিয়ে দেয়, যা এর রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমাতে পারে; একত্রে ব্যবহারে রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • অন্যান্য অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ: Parten-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে সংযোজিত রক্তচাপ কমানোর প্রভাব দেখা যায়, যা সংমিশ্রণ চিকিৎসায় প্রায়ই উদ্দেশ্যমূলক হলেও লক্ষণযুক্ত হাইপোটেনশনের ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতিনির্দেশনা

  • Losartan Potassium বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতি সংবেদনশীলতা (hypersensitivity)।
  • ডায়াবেটিস মেলিটাসযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে অ্যালিসকিরেনের সাথে সহ-ব্যবহার।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Parten সেবনে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা দিতে পারে:

  • মাথা ঘোরা
  • উর্ধ্ব শ্বাসনালীর সংক্রমণের উপসর্গ ও নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • পিঠে ব্যথা ও পেশিতে খিঁচুনি
  • ক্লান্তি
  • ডায়রিয়া
  • রক্তে পটাসিয়ামের মৃদু থেকে মাঝারি বৃদ্ধি (হাইপারক্যালেমিয়া)

কম সাধারণ বা গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন)

  • লক্ষণযুক্ত নিম্ন রক্তচাপ: তীব্র মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বিশেষত প্রথম মাত্রার পর বা তরল-স্বল্পতাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে (দেখুন "সতর্কতা")
  • উল্লেখযোগ্য হাইপারক্যালেমিয়ার লক্ষণ: পেশি দুর্বলতা, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বা ঝিনঝিন অনুভূতি (দেখুন "সতর্কতা")
  • কিডনি কার্যক্ষমতা খারাপ হওয়ার লক্ষণ: প্রস্রাব কমে যাওয়া, ফোলা, বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি, বিশেষত রেনাল আর্টারি স্টেনোসিস বা পূর্ব থেকে কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে
  • অ্যালার্জিক/অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড প্রতিক্রিয়া বা অ্যাঞ্জিওএডিমার লক্ষণ: মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা, বা গলা ফুলে যাওয়া এবং শ্বাস নিতে বা গিলতে কষ্ট হওয়া (বিরল, তবে অবিলম্বে চিকিৎসা প্রয়োজন)
  • যকৃতের সমস্যার লক্ষণ: ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যাওয়া, বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা

Parten গর্ভাবস্থায় প্রতিনির্দেশিত। রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন সিস্টেমের উপর সরাসরি কাজ করা ওষুধ, যেমন Parten, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ব্যবহার করলে বিকাশমান ভ্রূণের ক্ষতি বা মৃত্যু ঘটাতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে ভ্রূণের কিডনি বিকল হওয়া, অলিগোহাইড্রামনিওস, ফুসফুসের অসম্পূর্ণ বিকাশ, কঙ্কালের বিকৃতি, ও নিম্ন রক্তচাপ। গর্ভধারণ শনাক্ত হওয়ামাত্র Parten যত দ্রুত সম্ভব বন্ধ করা উচিত এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় বিকল্প অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান

Parten উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে কিনা তা জানা নেই। শিশুর উপর গুরুতর প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকায়, স্তন্যদান বন্ধ করা হবে নাকি Parten বন্ধ করা হবে তা চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে, মায়ের জন্য ওষুধের গুরুত্ব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত; স্তন্যদানকালে প্রায়ই আরও ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা প্রোফাইলযুক্ত বিকল্প অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ পছন্দ করা হয়।

সতর্কতা

  • ভ্রূণের ক্ষতি: গর্ভধারণ শনাক্ত হওয়ামাত্র Parten বন্ধ করতে হবে, কারণ এতে ভ্রূণের ক্ষতি বা মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে (দেখুন "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে")।
  • তরল/লবণ-স্বল্পতাযুক্ত রোগীদের হাইপোটেনশন: যাদের তরল বা লবণের ঘাটতি রয়েছে (যেমন ডিউরেটিক থেরাপি, খাদ্যে লবণ সীমাবদ্ধতা, ডায়ালাইসিস, ডায়রিয়া, বা বমির কারণে), তাদের ক্ষেত্রে Parten-এর প্রথম মাত্রার পর লক্ষণযুক্ত হাইপোটেনশন হতে পারে; Parten শুরুর আগে এই ঘাটতি সংশোধন করা উচিত, অথবা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে কম মাত্রা (দিনে একবার ২৫ মি.গ্রা.) দিয়ে শুরু করা উচিত।
  • হাইপারক্যালেমিয়া: Parten সিরাম পটাসিয়াম বাড়াতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যা, ডায়াবেটিস, বা পটাসিয়াম সাপ্লিমেন্ট/পটাসিয়াম-স্পেয়ারিং ডিউরেটিক/পটাসিয়ামযুক্ত লবণ বিকল্প সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে; ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমিক সিরাম পটাসিয়াম পর্যবেক্ষণ সুপারিশকৃত (দেখুন "ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া")।
  • কিডনি কার্যক্ষমতার পরিবর্তন: রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন সিস্টেমকে বাধা দেয় এমন অন্যান্য ওষুধের মতোই, যেসব রোগীর কিডনি কার্যক্ষমতা এই সিস্টেমের উপর নির্ভরশীল (যেমন গুরুতর হার্ট ফেইলিউর বা দ্বিপাক্ষিক রেনাল আর্টারি স্টেনোসিস), তাদের ক্ষেত্রে তীব্র কিডনি বিকলতাসহ কার্যক্ষমতার পরিবর্তন হতে পারে; এই রোগীদের ক্ষেত্রে Parten সতর্কতার সাথে ও কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহার করা উচিত।
  • অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড প্রতিক্রিয়া ও অ্যাঞ্জিওএডিমা: মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা এবং/অথবা গলায় অ্যাঞ্জিওএডিমার বিরল ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে; ACE ইনহিবিটরের তুলনায় ঝুঁকি কম হলেও একেবারে নেই তা নয়; অ্যাঞ্জিওএডিমা দেখা দিলে অবিলম্বে Parten বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
  • যকৃতের সমস্যা: যকৃতের সিরোসিসযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Parten-এর রক্তমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়; কম প্রাথমিক মাত্রা বিবেচনা করা উচিত (দেখুন "মাত্রা ও সেবনবিধি")।

মাত্রাধিক্যতা

Parten-এর মাত্রাধিক্যের সবচেয়ে সম্ভাব্য লক্ষণ হলো নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন) ও দ্রুত হৃদস্পন্দন (টাকিকার্ডিয়া); অতিরিক্ত ভ্যাগাল উদ্দীপনার কারণে ব্র্যাডিকার্ডিয়াও (ধীর হৃদস্পন্দন) হতে পারে। Parten-এর মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের জরুরি সেবা নিন অথবা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না। চিকিৎসা মূলত সহায়ক: পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ বজায় রাখা এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে লক্ষণযুক্ত হাইপোটেনশনের উপযুক্ত সহায়ক চিকিৎসা। হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে Parten বা এর সক্রিয় মেটাবোলাইট অপসারিত হয় না।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • শিশু: ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী রোগীদের মধ্যে Parten-এর রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে; ৬ বছরের কম বয়সী শিশু বা GFR ৩০ mL/min/1.73m²-এর কম থাকা শিশুদের ক্ষেত্রে এটি সুপারিশ করা হয় না, কারণ এই গোষ্ঠীতে গবেষণা করা হয়নি (দেখুন "মাত্রা ও সেবনবিধি")।
  • বয়স্ক রোগী: বয়স্ক ও কম বয়সী রোগীদের মধ্যে কার্যকারিতায় সামগ্রিক পার্থক্য দেখা যায়নি; শুধুমাত্র বয়সের ভিত্তিতে মাত্রা সমন্বয়ের সাধারণত প্রয়োজন হয় না, তবে বয়স্ক রোগীরা তরল-স্বল্পতা ও হাইপোটেনশনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল।
  • যকৃতের সমস্যা: যকৃতের সিরোসিসযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Parten-এর এক্সপোজার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়; কম প্রাথমিক মাত্রা বিবেচনা করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন (দেখুন "সতর্কতা")।
  • কিডনি সমস্যা: মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় সাধারণত প্রাথমিক মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে Parten সতর্কতার সাথে এবং কিডনি কার্যক্ষমতা ও সিরাম পটাসিয়াম পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহার করা উচিত, বিশেষত রেনাল আর্টারি স্টেনোসিসযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে; হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে Parten অপসারিত হয় না।
  • গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা: বিস্তারিত নির্দেশনার জন্য "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন; গর্ভাবস্থায় Parten প্রতিনির্দেশিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Parten 50 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Parten 50 mg Tablet উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসযুক্ত রোগীদের কিডনি রোগের অগ্রগতি ধীর করতে (ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি), এবং উচ্চ রক্তচাপ ও বর্ধিত হৃদপিণ্ডযুক্ত (লেফট ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি) কিছু রোগীর স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি রক্তনালী শিথিল করে কাজ করে, যা রক্তচাপ কমায়।

Q: Parten 50 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: Parten 50 mg Tablet সাধারণত দিনে একবার, খাবারের সাথে বা ছাড়া, প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে সেবন করা হয়। ভালো বোধ করলেও নির্দেশিত অনুযায়ী Parten 50 mg Tablet সেবন চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ উচ্চ রক্তচাপের প্রায়ই কোনো উপসর্গ থাকে না। সাধারণ মাত্রার জন্য "মাত্রা ও সেবনবিধি" অংশ দেখুন।

Q: Parten 50 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Parten 50 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো মাথা ঘোরা, উর্ধ্ব শ্বাসনালীর উপসর্গ, পিঠে ব্যথা, পেশিতে খিঁচুনি, ক্লান্তি, ডায়রিয়া, এবং রক্তে পটাসিয়ামের মৃদু বৃদ্ধি। কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অস্বস্তিকর বা দীর্ঘস্থায়ী মনে হলে চিকিৎসককে জানান। বিস্তারিত জানতে "পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া" অংশ দেখুন।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Parten 50 mg Tablet সেবন করা যাবে?

A: না। Parten 50 mg Tablet গর্ভাবস্থায় প্রতিনির্দেশিত, কারণ এটি বিকাশমান ভ্রূণের গুরুতর ক্ষতি বা মৃত্যু ঘটাতে পারে, বিশেষত দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে। Parten 50 mg Tablet সেবনকালে গর্ভবতী হলে ওষুধ বন্ধ করে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন, যাতে বিকল্প অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ শুরু করা যায়। বিস্তারিত জানতে "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে" অংশ দেখুন।

Q: Parten 50 mg Tablet কি অন্য ওষুধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করে?

A: হ্যাঁ। পটাসিয়াম সাপ্লিমেন্ট, পটাসিয়াম-স্পেয়ারিং ডিউরেটিক, বা পটাসিয়ামযুক্ত লবণ বিকল্পের সাথে একত্রে Parten 50 mg Tablet সেবন করলে বিপজ্জনকভাবে উচ্চ পটাসিয়াম মাত্রা হতে পারে। ACE ইনহিবিটর বা অ্যালিসকিরেনের সাথে একত্রে ব্যবহার হাইপারক্যালেমিয়া, নিম্ন রক্তচাপ, ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায় এবং সুপারিশ করা হয় না (ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে অ্যালিসকিরেনের সাথে প্রতিনির্দেশিত)। NSAIDs এর রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমাতে পারে এবং কিডনি ঝুঁকি বাড়াতে পারে, এবং এটি লিথিয়ামের মাত্রা বাড়াতে পারে। আপনার সেবন করা সকল ওষুধের কথা চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে জানান। বিস্তারিত জানতে "ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া" অংশ দেখুন।

Q: Parten 50 mg Tablet সেবনকালে কেন পটাসিয়াম ও কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা হয়?

A: Parten 50 mg Tablet রক্তে পটাসিয়াম মাত্রা বাড়াতে পারে এবং কিছু রোগীর ক্ষেত্রে (বিশেষত সংকীর্ণ কিডনি ধমনী বা নির্ভরশীল কিডনি কার্যক্ষমতাযুক্ত) কিডনি কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস, বা পটাসিয়ামকে প্রভাবিত করে এমন অন্য ওষুধ সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক পর্যায়ক্রমে রক্ত পরীক্ষা করাতে পারেন। বিস্তারিত জানতে "সতর্কতা" অংশ দেখুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor