Product gallery

Polydex-N(1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml


MRP ৳ ৯০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৮১.০০/5 ml drop
স্টকে নেই
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Polydex-N হলো একটি কর্টিকোস্টেরয়েড (ডেক্সামেথাসোন) ও দুটি অ্যান্টিবায়োটিকের (নিওমাইসিন সালফেট ও পলিমিক্সিন বি সালফেট) সংমিশ্রণ, যা মূলত চোখের (এবং কিছু ক্ষেত্রে কানের) প্রদাহ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে ব্যবহৃত হয়।

প্রধান ব্যবহারক্ষেত্র

  • চোখের কনজাংটিভা, কর্নিয়া ও সামনের অংশের স্টেরয়েড-প্রতিক্রিয়াশীল প্রদাহ (যেমন অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, আইরাইটিস), যেখানে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বা উপস্থিতি রয়েছে।
  • রাসায়নিক, তাপ বা বিকিরণজনিত চোখের পোড়া বা আঘাতজনিত প্রদাহ, যেখানে সংক্রমণ প্রতিরোধ প্রয়োজন।
  • যেসব বাজারে কানের (otic) প্রস্তুতি পাওয়া যায়, সেখানে বহিঃকর্ণের ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহে (কানের পর্দা অক্ষত থাকা সাপেক্ষে)।

Polydex-N-এর অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানগুলো স্ট্যাফাইলোকক্কাস ও সিউডোমোনাসের মতো সাধারণ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর হলেও স্ট্রেপ্টোকক্কাসের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য নয়, এবং এটি ভাইরাস, ছত্রাক বা মাইকোব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে ব্যবহারযোগ্য নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Polydex-N “চক্ষু/কর্ণ কর্টিকোস্টেরয়েড – অ্যান্টিবায়োটিক সংমিশ্রণ” থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যা একইসাথে প্রদাহনাশক ও সংক্রমণনাশক হিসেবে কাজ করে।

ফার্মাকোলজি

Dexamethasone + Neomycin Sulphate + Polymyxin B Sulphate-এ তিনটি সক্রিয় উপাদান রয়েছে, প্রতিটির কর্মপদ্ধতি ভিন্ন:

  • ডেক্সামেথাসোন একটি শক্তিশালী সিন্থেটিক গ্লুকোকর্টিকয়েড, যা প্রদাহ প্রক্রিয়াকে দমন করে — রক্তনালীর প্রসারণ, শ্বেত রক্তকণিকার স্থানান্তর ও প্রদাহজনিত মধ্যস্থতাকারী পদার্থের নিঃসরণ কমায়।
  • নিওমাইসিন সালফেট একটি অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক, যা ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ব্যাহত করে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
  • পলিমিক্সিন বি সালফেট ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর ভেদ করে এর গঠন নষ্ট করে, বিশেষত গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া যেমন সিউডোমোনাসের বিরুদ্ধে কার্যকর।

স্বাভাবিকভাবে সাময়িক (topical) ব্যবহারে দেহে শোষণ কম হলেও দীর্ঘমেয়াদি বা অতিরিক্ত ব্যবহারে, অথবা কর্নিয়া/কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে, শোষণ বাড়তে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Polydex-N-এর মাত্রা সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশ ও নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেল অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

ব্যবহারক্ষেত্রপ্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা
চোখ — মৃদু/মাঝারি প্রদাহআক্রান্ত চোখে দিনে ৪–6 বার ১–2 ফোঁটা, অথবা মলম দিনে ৩–4 বার
চোখ — তীব্র প্রদাহশুরুতে প্রতি ঘণ্টায় ১–2 ফোঁটা, উন্নতির সাথে সাথে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হয়
কান (যেখানে প্রযোজ্য)আক্রান্ত কানে দিনে ৩–4 বার ৩–4 ফোঁটা (কানের পর্দা অক্ষত থাকলে)

শিশুদের ক্ষেত্রে: ২ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে Polydex-N-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম মেনে চলা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ঠিক যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই Polydex-N ব্যবহার করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না এবং অন্য কাউকে দেবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Polydex-N-এর সাথে সাধারণ ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া নিয়ে সীমিত তথ্য পাওয়া যায়, কারণ সাময়িক ব্যবহারে দেহে শোষণ সাধারণত কম থাকে; তবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ:

  • অন্যান্য কর্টিকোস্টেরয়েড (চোখে বা সারাশরীরে ব্যবহৃত) একসাথে ব্যবহার করলে চোখের চাপ বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • কানের পর্দা ছিদ্রযুক্ত থাকলে বা ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে নিওমাইসিন বেশি শোষিত হতে পারে, যা অন্যান্য অটোটক্সিক বা নেফ্রোটক্সিক ওষুধের (যেমন সিস্টেমিক অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড) সাথে সংযুক্ত ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • একই সাথে একাধিক চোখের/কানের ওষুধ ব্যবহার করলে একে অপরের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে; বিভিন্ন ওষুধের মধ্যে সময়ের ব্যবধান রাখুন।

প্রতিনির্দেশনা

Dexamethasone + Neomycin Sulphate + Polymyxin B Sulphate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • ডেক্সামেথাসোন, নিওমাইসিন, পলিমিক্সিন বি, অন্য কোনো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক, অন্য কর্টিকোস্টেরয়েড, অথবা প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে।
  • চোখের বেশিরভাগ ভাইরাসজনিত রোগ, যেমন হার্পিস সিমপ্লেক্স কেরাটাইটিস, ভ্যাকসিনিয়া ও ভ্যারিসেলা।
  • চোখের মাইকোব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ।
  • চোখের ছত্রাকজনিত সংক্রমণ।
  • কানে ব্যবহারের ক্ষেত্রে, কানের পর্দা ছিদ্রযুক্ত থাকলে, কারণ নিওমাইসিনের অটোটক্সিসিটির ঝুঁকি রয়েছে, যদি না চিকিৎসক সুনির্দিষ্টভাবে সুবিধা ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে মনে করেন।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Polydex-N-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত স্থানীয় হয়:

  • সাধারণ: ব্যবহারের পর সাময়িক জ্বালাপোড়া, চোখ চুলকানো বা দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া।
  • অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া: নিওমাইসিনের কারণে ত্বকে/চোখের চারপাশে সংবেদনশীলতা, চুলকানি, লালচেভাব বা ফোলাভাব দেখা দিতে পারে — এমন হলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে (কর্টিকোস্টেরয়েডজনিত): চোখের চাপ বৃদ্ধি/গ্লুকোমা, ছানি পড়া, ক্ষত সারতে দেরি হওয়া, কর্নিয়া বা স্ক্লেরা পাতলা হয়ে ছিদ্র হওয়া, এবং গৌণ সংক্রমণ (ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা ভাইরাসজনিত)।
  • বিরল: উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নিওমাইসিন শোষিত হলে শ্রবণশক্তি হ্রাস (অটোটক্সিসিটি) বা কিডনির ক্ষতি (নেফ্রোটক্সিসিটি), বিশেষত ছিদ্রযুক্ত কানের পর্দায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: Polydex-N-এর ডেক্সামেথাসোন উপাদান প্রাণী গবেষণায় উচ্চ মাত্রায় সারাশরীরে ব্যবহার করলে ভ্রূণের ওপর প্রভাব ফেলতে দেখা গেছে; সাময়িক (topical) ব্যবহারে মানুষের ওপর তথ্য সীমিত। গর্ভাবস্থায় Polydex-N শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত — ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: সাময়িকভাবে প্রয়োগকৃত Polydex-N-এর উপাদানগুলো মায়ের বুকের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা নেই। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • Polydex-N শুধুমাত্র চোখে বা কানে সাময়িক ব্যবহারের জন্য; কখনো ইনজেকশন হিসেবে ব্যবহার করবেন না।
  • ১০ দিন বা তার বেশি সময় ব্যবহার করলে চিকিৎসকের মাধ্যমে চোখের চাপ পরীক্ষা করানো প্রয়োজন, কারণ দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে গ্লুকোমা ও অপটিক নার্ভের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।
  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে ছানি, ক্ষত সারতে দেরি এবং গৌণ সংক্রমণের (ছত্রাকসহ) ঝুঁকি বাড়ে; চিকিৎসা সত্ত্বেও কর্নিয়ার ক্ষত না সারলে ছত্রাক সংক্রমণের সন্দেহ করা উচিত।
  • কর্নিয়া বা স্ক্লেরা পাতলা হওয়ার প্রবণতা থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ ছিদ্র হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
  • নিওমাইসিনের কারণে ত্বকে সংবেদনশীলতার ঝুঁকি রয়েছে; অতিসংবেদনশীলতার লক্ষণ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
  • কানের পর্দা ছিদ্রযুক্ত থাকলে চিকিৎসকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ ছাড়া কানে ব্যবহার করবেন না।
  • Polydex-N দীর্ঘমেয়াদি তত্ত্বাবধানহীন ব্যবহারের জন্য নয়; নিয়মিত চিকিৎসকের ফলোআপ প্রয়োজন এবং নির্ধারিত মেয়াদের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম মেনে চলা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ঠিক যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই Polydex-N ব্যবহার করুন; মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না এবং অন্য কাউকে দেবেন না, যাতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি না হয়।

মাত্রাধিক্যতা

Polydex-N-এর সাময়িক (চোখে/কানে) অতিরিক্ত ব্যবহারে সাধারণত গুরুতর সারাশরীর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি কম, তবে বারবার অতিরিক্ত ব্যবহারে স্থানীয় জ্বালাপোড়া, লালচেভাব বা চোখের চাপ বৃদ্ধি হতে পারে। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ব্যবহার হলে অথবা দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে, ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাহায্য নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চোখে দুর্ঘটনাক্রমে বেশি পরিমাণে পড়লে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সংরক্ষণ

সোজাভাবে সংরক্ষণ করুন, নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তাপমাত্রায় (৮–27 ডিগ্রি সেলসিয়াস), আলো থেকে দূরে। জমাট বাঁধাবেন না। খোলার পর লেবেলে উল্লিখিত সময়ের (সাধারণত ৪ সপ্তাহ) মধ্যে অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • শিশু: ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Polydex-N-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বড় শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে সবচেয়ে কম কার্যকর মাত্রায় ও সংক্ষিপ্ততম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
  • বয়স্ক: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে গ্লুকোমা বা ছানির মতো পূর্ববর্তী চোখের সমস্যায় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
  • কিডনি/লিভারের সমস্যা: সাময়িক ব্যবহারে দেহে শোষণ সাধারণত কম থাকায় নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে দীর্ঘমেয়াদি বা ব্যাপক ব্যবহারে সতর্কতা প্রয়োজন।
  • কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারী: ব্যবহারের আগে লেন্স খুলে ফেলুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আবার পরবেন না।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution একটি সংমিশ্রণ ওষুধ যা চোখের (এবং কিছু ক্ষেত্রে কানের) প্রদাহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে ব্যবহার করা হয়। এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত।

Q: ভাইরাস বা ছত্রাকজনিত চোখের সংক্রমণে কি Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution ব্যবহার করা যাবে?

A: না। Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution হার্পিস সিমপ্লেক্স কেরাটাইটিস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিসেলার মতো ভাইরাসজনিত সংক্রমণে এবং ছত্রাক বা মাইকোব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে নিষিদ্ধ, কারণ কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদান এসব সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

Q: Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution কতদিন ব্যবহার করা যাবে?

A: Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution সাধারণত স্বল্পমেয়াদি ব্যবহারের জন্য, চিকিৎসকের পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া সাধারণত ৭–10 দিনের বেশি নয়। ১০ দিন বা তার বেশি ব্যবহার করলে চোখের চাপ পরীক্ষা করানো উচিত, কারণ দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে চোখের চাপ বেড়ে যাওয়া ও ছানি পড়ার মতো জটিলতা হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসক মনে করলে যে উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তখনই ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কানের পর্দা ছিদ্রযুক্ত থাকলে কি Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution কানে ব্যবহার করা যাবে?

A: না, সাধারণত করা উচিত নয়। কানের পর্দা ছিদ্রযুক্ত থাকলে Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution-এর নিওমাইসিন উপাদান ভেতরের কানে পৌঁছে শ্রবণশক্তির ক্ষতি (অটোটক্সিসিটি) করতে পারে, যদি না চিকিৎসক সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দেন।

Q: একটি ডোজ মিস করলে বা আগে বন্ধ করতে চাইলে কী করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ঠিক যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই Polydex-N (1 mg+3500 IU+6000 IU)/ml Ophthalmic Solution ব্যবহার করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না এবং অন্য কাউকে দেবেন না, কারণ এতে চিকিৎসা ব্যর্থ হতে পারে বা অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে পারে।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor