Product gallery
MRP ৳ ৩৫০০.০০৫% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৩৩২৫.০০/30 mg vial
স্টকে নেই
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

PXJ একটি ট্যাক্সেন গোত্রের কেমোথেরাপি ওষুধ, যা বিভিন্ন কঠিন টিউমার জাতীয় ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত / এফডিএ-অনুমোদিত ব্যবহার

  • ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার: প্রথম সারির চিকিৎসা (সিসপ্ল্যাটিনের সাথে সংমিশ্রণে) এবং পরবর্তী ধাপের চিকিৎসা হিসেবে PXJ ব্যবহৃত হয়।
  • স্তন ক্যান্সার: নোড-পজিটিভ স্তন ক্যান্সারে সহায়ক (adjuvant) চিকিৎসা হিসেবে অ্যানথ্রাসাইক্লিন-ভিত্তিক কেমোথেরাপির পরে, এবং মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যান্সারে PXJ প্রয়োগ করা হয়।
  • নন-স্মল সেল লাং ক্যান্সার (NSCLC): সিসপ্ল্যাটিনের সাথে সংমিশ্রণে প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে, যেসব রোগী অস্ত্রোপচার বা রেডিওথেরাপির জন্য উপযুক্ত নন তাদের ক্ষেত্রে PXJ ব্যবহার করা হয়।
  • এইডস-সংশ্লিষ্ট কাপোসি সারকোমা: দ্বিতীয় সারির চিকিৎসা হিসেবে PXJ ব্যবহৃত হয়।

সংমিশ্রণ চিকিৎসার উপর নির্ভরশীল ব্যবহার

ডিম্বাশয় ও ফুসফুসের ক্যান্সারে PXJ সাধারণত অন্য ওষুধের (যেমন সিসপ্ল্যাটিন) সাথে সংমিশ্রণে দেওয়া হয়, একক ওষুধ হিসেবে নয়।

অন্যান্য (নির্দেশিকা-সমর্থিত/অফ-লেবেল) ব্যবহার

কিছু ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ অনকোলজিস্ট চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুসরণ করে অন্যান্য কঠিন টিউমারেও PXJ ব্যবহার করতে পারেন; এ ধরনের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক এজেন্ট — ট্যাক্সেন (মাইক্রোটিউবিউল-স্থিতিশীলকারী / মাইটোটিক ইনহিবিটর); PXJ এই শ্রেণির একটি প্রধান ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Paclitaxel টিউবুলিন থেকে মাইক্রোটিউবিউল গঠনে সহায়তা করে এবং তাদের ভেঙে যাওয়া (depolymerisation) প্রতিরোধ করে অস্বাভাবিকভাবে স্থিতিশীল করে তোলে। এর ফলে কোষ বিভাজনের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাভাবিক মাইক্রোটিউবিউল কার্যক্রম ব্যাহত হয়, কোষ চক্র G2/M পর্যায়ে থমকে যায় এবং দ্রুত বিভাজনশীল ক্যান্সার কোষের কোষমৃত্যু (অ্যাপোপটোসিস) ঘটে।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

শিরাপথে প্রয়োগের পর Paclitaxel রক্তরসের প্রোটিনের সাথে ব্যাপকভাবে (৮৮%-এর বেশি) আবদ্ধ হয়, প্রধানত যকৃতে CYP2C8 ও কিছুটা CYP3A4 এনজাইমের মাধ্যমে বিপাকিত হয়, এবং মূলত পিত্ত/মলের মাধ্যমে দেহ থেকে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

PXJ-এর মাত্রা রোগের ধরন, প্রোটোকল এবং রোগীর সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে পৃথক করা হয়, এবং এটি কেবল কেমোথেরাপি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই প্রয়োগ করা যায়।

রোগ অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা

রোগPXJ-এর মাত্রাসময়সূচি
ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার (প্রথম সারি, সিসপ্ল্যাটিনের সাথে)১৩৫ মিগ্রা/মি² (২৪ ঘণ্টায়) অথবা ১৭৫ মিগ্রা/মি² (৩ ঘণ্টায়)প্রতি ৩ সপ্তাহে একবার
স্তন ক্যান্সার (adjuvant/মেটাস্ট্যাটিক)১৭৫ মিগ্রা/মি² (৩ ঘণ্টায়)প্রতি ৩ সপ্তাহে একবার
ফুসফুসের ক্যান্সার (NSCLC, সিসপ্ল্যাটিনের সাথে)১৩৫ মিগ্রা/মি² (২৪ ঘণ্টায়)প্রতি ৩ সপ্তাহে একবার
কাপোসি সারকোমা১৩৫ মিগ্রা/মি² (৩ ঘণ্টায়) অথবা ১০০ মিগ্রা/মি²৩ সপ্তাহ বা ২ সপ্তাহ অন্তর

প্রতিটি ইনফিউশনের আগে কর্টিকোস্টেরয়েড, অ্যান্টিহিস্টামিন এবং H2-ব্লকার দিয়ে প্রি-মেডিকেশন করা আবশ্যক (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)। নিউট্রোফিল সংখ্যা ১৫০০/মিমি³-এর নিচে থাকলে (কাপোসি সারকোমায় ১০০০/মিমি³) পরবর্তী ডোজ দেওয়া হয় না। PXJ শুধুমাত্র শিরাপথে, মাইক্রো-ফিল্টারযুক্ত টিউবিং দিয়ে প্রয়োগ করা হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে PXJ-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

PXJ CYP2C8 ও CYP3A4 এনজাইমের মাধ্যমে বিপাকিত হয়, তাই নিচের ওষুধগুলোর সাথে উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া ঘটতে পারে:

  • CYP2C8/CYP3A4 ইনহিবিটর (যেমন কিটোকোনাজল ও অন্যান্য অ্যাজোল অ্যান্টিফাঙ্গাল, কিছু ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক): PXJ-এর মাত্রা রক্তে বাড়িয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • CYP2C8/CYP3A4 ইনডিউসার (যেমন রিফাম্পিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন): PXJ-এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
  • সিসপ্ল্যাটিন: সংমিশ্রণে ব্যবহার করলে PXJ সিসপ্ল্যাটিনের আগে দিতে হয়; ক্রম উল্টো হলে অস্থিমজ্জা দমন বেড়ে যায়।
  • অন্য অস্থিমজ্জা-দমনকারী ওষুধ বা রেডিওথেরাপি: PXJ-এর সাথে একযোগে ব্যবহারে অস্থিমজ্জা দমনের ঝুঁকি যোগ হয়ে বাড়ে।
  • জীবন্ত ভ্যাকসিন (Live vaccines): PXJ চলাকালীন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সাধারণত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রতিনির্দেশনা

Paclitaxel নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ:

  • যাদের Paclitaxel অথবা এর বাহক পলিঅক্সিইথাইলেটেড ক্যাস্টর অয়েল (ক্রেমোফোর ইএল)-এর প্রতি পূর্বে মারাত্মক অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস রয়েছে।
  • যাদের বেসলাইন নিউট্রোফিল সংখ্যা কঠিন টিউমারের ক্ষেত্রে ১৫০০/মিমি³-এর কম, অথবা এইডস-সংশ্লিষ্ট কাপোসি সারকোমার ক্ষেত্রে ১০০০/মিমি³-এর কম।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

PXJ-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণ এবং মাত্রা-নির্ভর। গুরুতর প্রতিক্রিয়াগুলো (অতি-সংবেদনশীলতা, অস্থিমজ্জা দমন, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি) বিস্তারিতভাবে সতর্কতা অংশে বর্ণনা করা হয়েছে।

অতি সাধারণ

  • চুল পড়া (প্রায় সব রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায়)।
  • অস্থিমজ্জা দমন, বিশেষত নিউট্রোপেনিয়া।
  • পেরিফেরাল সেনসরি নিউরোপ্যাথি (হাত-পায়ে ঝিনঝিন/অবশ ভাব)।
  • মাংসপেশি ও গিঁটে ব্যথা, সাধারণত ইনফিউশনের ২-৩ দিন পর।
  • বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া এবং মুখের ঘা।
  • হালকা অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া (মুখ লাল হওয়া, র‍্যাশ, হালকা শ্বাসকষ্ট)।

সাধারণ

  • যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি।
  • ইনজেকশন স্থানে প্রতিক্রিয়া (লালভাব, ফোলা; বাইরে ফুটো হলে টিস্যু ক্ষতি হতে পারে)।
  • দুর্বলতা ও ক্লান্তি।

বিরল

  • হৃদস্পন্দনের ছন্দে সমস্যা (ব্র্যাডিকার্ডিয়া সহ)।
  • মারাত্মক অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া।
  • ফুসফুসের প্রদাহ (ইন্টারস্টিশিয়াল নিউমোনাইটিস)।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

PXJ একটি সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ, যা গর্ভস্থ ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে এবং গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ। প্রজনন সক্ষম নারী ও পুরুষ রোগীদের PXJ চিকিৎসা চলাকালীন এবং শেষ হওয়ার পরও কিছু সময় কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবহার করা উচিত। ভুলবশত গর্ভাবস্থায় PXJ ব্যবহৃত হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

PXJ স্তন্যদানকালেও নিষিদ্ধ, কারণ এটি শিশুর মধ্যে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে; চিকিৎসার সময় ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্তন্যদান বন্ধ রাখতে হবে।

সতর্কতা

PXJ শুধুমাত্র কেমোথেরাপি অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, জরুরি প্রতিক্রিয়া মোকাবেলার সুবিধাসম্পন্ন স্থানে প্রয়োগ করতে হবে।

মারাত্মক অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া

শ্বাসকষ্ট, রক্তচাপ কমে যাওয়া, অ্যাঞ্জিওএডিমা এবং ব্যাপক আমবাতসহ মারাত্মক অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া PXJ প্রয়োগের সময় ঘটতে পারে, এমনকি প্রি-মেডিকেশনের পরও কদাচিৎ ঘটে থাকে। তাই প্রতিটি ইনফিউশনের আগে কর্টিকোস্টেরয়েড, অ্যান্টিহিস্টামিন এবং H2-ব্লকার দিয়ে প্রি-মেডিকেশন বাধ্যতামূলক। পূর্বে মারাত্মক প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকলে PXJ পুনরায় দেওয়া হয় না।

অস্থিমজ্জা দমন

PXJ সাধারণত মাত্রা-নির্ভর অস্থিমজ্জা দমন ঘটায়, বিশেষত নিউট্রোপেনিয়া, যা গুরুতর হতে পারে। চিকিৎসাকালীন নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে এবং নিউট্রোফিল/প্লেটলেট পর্যাপ্ত মাত্রায় না ফেরা পর্যন্ত পরবর্তী ডোজ দেওয়া হয় না।

পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি

হাত-পায়ে ঝিনঝিন, অবশ ভাব বা দুর্বলতা PXJ-এর একটি সাধারণ ও মাত্রা-নির্ভর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। গুরুতর বা বাড়তে থাকা লক্ষণ দেখা দিলে মাত্রা কমানো বা চিকিৎসা বন্ধ করার প্রয়োজন হতে পারে।

অন্যান্য সতর্কতা

  • যকৃতের সমস্যা: যকৃতের কার্যক্ষমতা কম থাকলে PXJ-এর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
  • হৃদযন্ত্রের প্রভাব: PXJ ব্যবহারে হৃদস্পন্দনের ছন্দে (যেমন ব্র্যাডিকার্ডিয়া) সমস্যা হতে পারে।
  • ইনজেকশন স্থানের সমস্যা: শিরার বাইরে ওষুধ চলে গেলে টিস্যুর ক্ষতি হতে পারে; সতর্কতার সাথে শিরাপথ স্থাপন করতে হবে।
  • গর্ভাবস্থা: বিস্তারিত তথ্যের জন্য গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।

মাত্রাধিক্যতা

PXJ-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই। অতিরিক্ত মাত্রায় গুরুতর অস্থিমজ্জা দমন, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি এবং মুখের ঘা বেড়ে যেতে পারে। PXJ-এর অতিরিক্ত মাত্রার আশঙ্কা হলে অবিলম্বে হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

PXJ-এর না খোলা ভায়াল ৩০°সে তাপমাত্রার নিচে (আদর্শভাবে ২০-২৫°সে) নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তাপমাত্রায়, আলো থেকে সুরক্ষিত মূল প্যাকেজিংয়ে সংরক্ষণ করুন। হিমায়িত করবেন না। মিশ্রিত করার পর PXJ দ্রবণ প্রতিষ্ঠানের নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। PXJ শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত ব্যক্তি দ্বারা প্রস্তুত ও পরিচালনা করতে হবে।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

শিশুদের মধ্যে PXJ-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; সাধারণত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে শিশুদের ক্ষেত্রে PXJ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে PXJ ব্যবহারে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি, গিঁটে ব্যথা এবং হৃদযন্ত্রজনিত সমস্যার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে, তাই নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

যকৃত ও বৃক্কের সমস্যা

যকৃতের কার্যক্ষমতা কম থাকলে PXJ-এর মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে; বৃক্কের সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয়, কারণ তথ্য সীমিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: PXJ 6 mg/ml IV Infusion কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: PXJ 6 mg/ml IV Infusion একটি কেমোথেরাপি ওষুধ, যা ডিম্বাশয়, স্তন ও ফুসফুসের ক্যান্সার এবং এইডস-সংশ্লিষ্ট কাপোসি সারকোমার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত অন্যান্য ক্যান্সার-প্রতিরোধী ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে শিরাপথে দেওয়া হয়।

Q: PXJ 6 mg/ml IV Infusion দেওয়ার আগে প্রি-মেডিকেশন কেন প্রয়োজন?

A: প্রতিটি ইনফিউশনের আগে কর্টিকোস্টেরয়েড, অ্যান্টিহিস্টামিন ও H2-ব্লকার দেওয়া হয়, কারণ PXJ 6 mg/ml IV Infusion মারাত্মক অতি-সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে, বিশেষত প্রথম দুটি ডোজে। প্রি-মেডিকেশন এড়িয়ে গেলে গুরুতর প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

Q: PXJ 6 mg/ml IV Infusion কি চুল পড়ার কারণ হয়?

A: হ্যাঁ, প্রায় সব রোগীর ক্ষেত্রেই PXJ 6 mg/ml IV Infusion চিকিৎসায় চুল পড়া (মাথা ও শরীরের) দেখা যায়। চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর সাধারণত চুল আবার গজায়।

Q: পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি কী এবং PXJ 6 mg/ml IV Infusion কেন এটি ঘটায়?

A: PXJ 6 mg/ml IV Infusion স্নায়ুতে প্রভাব ফেলার কারণে হাত-পায়ে ঝিনঝিন, অবশ ভাব বা জ্বালাপোড়া হতে পারে, যাকে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বলা হয়। এটি মাত্রা-নির্ভর এবং চিকিৎসা শেষে সাধারণত উন্নতি হয়, তবে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে — নতুন বা বেড়ে যাওয়া উপসর্গ চিকিৎসককে জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি PXJ 6 mg/ml IV Infusion ব্যবহার করা যায়?

A: না। PXJ 6 mg/ml IV Infusion একটি সাইটোটক্সিক ওষুধ যা গর্ভস্থ ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে এবং গর্ভাবস্থায় নিষিদ্ধ; স্তন্যদানকালেও PXJ 6 mg/ml IV Infusion চিকিৎসা চলাকালীন স্তন্যপান বন্ধ রাখতে হয়। এ বিষয়ে আপনার অনকোলজিস্টের সাথে আলোচনা করুন।

Q: ইনফিউশনের সময় বা পরে গুরুতর প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে কী করব?

A: PXJ 6 mg/ml IV Infusion হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেওয়া হয় বলে অতিরিক্ত মাত্রার ঝুঁকি কম, তবে শ্বাসকষ্ট, ফোলাভাব, মারাত্মক র‍্যাশ বা অজ্ঞান হয়ে পড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে মেডিকেল স্টাফকে জানান বা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor