
Racetril30 mg/sach
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Receca প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের (প্রায় ৩ মাস বয়স থেকে) তীব্র ডায়রিয়ার লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসায় নির্দেশিত, যা মৌখিক পুনরুদন থেরাপি (ORT)-এর পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়; তরল ও ইলেকট্রোলাইট ক্ষয় পূরণে ORT-ই মূল ও অপরিহার্য চিকিৎসা।
Receca একটি অ্যান্টি-ডায়রিয়াল শ্রেণীর ওষুধ, যা নির্দিষ্টভাবে এনকেফালিনেজ (নিউট্রাল এন্ডোপেপটাইডেজ) ইনহিবিটর হিসেবে অ্যান্টিসিক্রেটরি কার্যকারিতা প্রদর্শন করে।
Racecadotril একটি প্রোড্রাগ যা দ্রুত সক্রিয় মেটাবোলাইট থিওরফানে রূপান্তরিত হয়, যা এনকেফালিনেজ (মেমব্রেন নিউট্রাল এন্ডোপেপটাইডেজ) এনজাইমকে নিষ্ক্রিয় করে — এই এনজাইম অন্ত্রের প্রাচীরে অন্তঃসত্ত্বা এনকেফালিন ভেঙে ফেলার জন্য দায়ী।
এনকেফালিন সংরক্ষণের মাধ্যমে Racecadotril অন্ত্রের অপিওয়েড রিসেপ্টরে তাদের স্বাভাবিক কার্যকারিতা দীর্ঘায়িত করে, ফলে তীব্র ডায়রিয়ায় অন্ত্রের লুমেনে পানি ও ইলেকট্রোলাইটের অতিরিক্ত ক্ষরণ কমে যায়। এটি মূল ক্ষরণ, অন্ত্র চলাচলের গতি বা মোটিলিটি পরিবর্তন করে না এবং সুপারিশকৃত মাত্রায় কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না।
Racecadotril-এর কার্যকারিতা দ্রুত শুরু হয় (প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যে), এবং এটি বন্ধ করার পর রিবাউন্ড কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি তৈরি করে না।
Receca-এর মাত্রা বয়স ও ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় এবং সবসময় পর্যাপ্ত মৌখিক পুনরুদন থেরাপির সাথে ব্যবহার করতে হয়।
| জনগোষ্ঠী | Receca-এর মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোর | ১০০ মিগ্রা (এক ক্যাপসুল) দিনে ৩ বার, খাবারের আগে |
| ৯ কেজির কম ওজনের শিশু | ১০ মিগ্রা দিনে ৩ বার (মিশ্রণযোগ্য গ্রানুল) |
| ৯–১৩ কেজি ওজনের শিশু | ২০ মিগ্রা দিনে ৩ বার |
| ১৩–২৭ কেজি ওজনের শিশু | ৩০ মিগ্রা দিনে ৩ বার |
| ২৭ কেজির বেশি ওজনের শিশু | ৬০ মিগ্রা দিনে ৩ বার |
শিশুদের ক্ষেত্রে Receca-এর আনুমানিক মাত্রা প্রতি ডোজে প্রায় ১.৫ মিগ্রা/কেজি, দিনে ৩ বার। সাধারণত দুটি স্বাভাবিক মলত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হয়, এবং সাধারণত ৭ দিনের বেশি নয়। ক্যাপসুল পানির সাথে গিলে খেতে হয়, আর শিশুদের জন্য স্যাশে পানিতে বা খাবারে মিশিয়ে সাথে সাথে খাওয়াতে হয়।
Receca স্থানীয়ভাবে অন্ত্রে কাজ করে এবং হেপাটিক সাইটোক্রোম P450 এনজাইমের উল্লেখযোগ্য ইনহিবিশন বা ইনডাকশন ঘটায় না বলে এর ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য ঔষধ মিথষ্ক্রিয়ার সম্ভাবনা কম।
Racecadotril বা এর প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত কোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতি সংবেদনশীলতা থাকলে Racecadotril প্রতিনির্দেশিত।
Receca সাধারণত সহনীয়। এটি অন্ত্রের গতিশীলতা কমায় না বলে ওপিওয়েড-ভিত্তিক অ্যান্টি-ডায়রিয়াল ওষুধে দেখা যাওয়া কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা সাধারণত Receca-এর ক্ষেত্রে হয় না।
গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে Receca বন্ধ করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
গর্ভাবস্থায় Receca ব্যবহারের তথ্য সীমিত। সতর্কতা হিসেবে, প্রয়োজন স্পষ্ট হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল Receca ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Receca বা এর সক্রিয় মেটাবোলাইট মাতৃদুগ্ধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই। তথ্য সীমিত হওয়ায়, স্তন্যদানকালে Receca ব্যবহারের সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে, শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকির বিপরীতে উপকারিতা বিবেচনা করে নেওয়া উচিত।
Receca মৌখিক বা শিরায় পুনরুদন থেরাপির বিকল্প নয়; বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশনই তীব্র ডায়রিয়ার প্রধান বিপদ, ডায়রিয়া নিজে নয় — তাই পুনরুদন থেরাপি অপরিহার্য থাকে।
Receca-এর অতিরিক্ত মাত্রা সম্পর্কে তথ্য সীমিত; সুপারিশকৃত মাত্রার কয়েকগুণ পর্যন্ত ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় নির্দিষ্ট বিষক্রিয়া দেখা যায়নি, তবে সতর্কতা প্রয়োজন।
Receca-এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক হবে; নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই।
৩০°সে-এর নিচে তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। গ্রানুল স্যাশে মিশ্রিত করার পর সাথে সাথে ব্যবহার করুন এবং অবশিষ্ট অংশ ফেলে দিন।
শিশু: প্রায় ৩ মাস বয়স থেকে শিশুদের জন্য Receca গ্রানুল ব্যবহৃত হয়, ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয়। ৩ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Receca-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্ক: সাধারণত মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না; স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রায় Receca ব্যবহার করা যায়, তবে পুনরুদন থেরাপি সংক্রান্ত একই সতর্কতা মেনে চলতে হবে।
কিডনি/লিভার সমস্যা: তথ্য সীমিত হওয়ায় Receca-এর প্রতিষ্ঠিত মাত্রা সমন্বয়ের সুপারিশ নেই; সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
Q: Receca 30 mg/sachet Oral Powder কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Receca 30 mg/sachet Oral Powder প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের (প্রায় ৩ মাস বয়স থেকে) তীব্র ডায়রিয়ার লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, মৌখিক পুনরুদন থেরাপির সাথে একত্রে, যা ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ বা সংশোধনের জন্য অপরিহার্য থাকে।
Q: Receca 30 mg/sachet Oral Powder লোপেরামাইড থেকে কীভাবে আলাদা?
A: Receca 30 mg/sachet Oral Powder অন্ত্রের গতিশীলতা না কমিয়ে অন্ত্রে পানি ও ইলেকট্রোলাইটের ক্ষরণ কমায়, তাই লোপেরামাইডের মতো ওপিওয়েড-ভিত্তিক অ্যান্টি-ডায়রিয়াল ওষুধে দেখা যাওয়া কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেট ফাঁপা সাধারণত Receca 30 mg/sachet Oral Powder-এর ক্ষেত্রে হয় না।
Q: Receca 30 mg/sachet Oral Powder কি শিশুদের দেওয়া যায়?
A: Receca 30 mg/sachet Oral Powder গ্রানুল প্রায় ৩ মাস বয়স থেকে শিশুদের ওজন অনুযায়ী মাত্রায় দেওয়া যায়। ৩ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Receca 30 mg/sachet Oral Powder-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই বয়সে ব্যবহার করা উচিত নয়।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Receca 30 mg/sachet Oral Powder কি নিরাপদ?
A: গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে Receca 30 mg/sachet Oral Powder ব্যবহারের তথ্য সীমিত। প্রয়োজন স্পষ্ট হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই কেবল Receca 30 mg/sachet Oral Powder ব্যবহার করা উচিত।
Q: Receca 30 mg/sachet Oral Powder সেবনের সময় ডায়রিয়া না কমলে কী করব?
A: ডায়রিয়া কয়েকদিনের বেশি স্থায়ী হলে, অথবা জ্বর, মলে রক্ত, বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ দেখা দিলে, শুধু Receca 30 mg/sachet Oral Powder-এর উপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের মূল্যায়ন নিন, কারণ এগুলো নির্দিষ্ট চিকিৎসার প্রয়োজন এমন সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
Q: Receca 30 mg/sachet Oral Powder-এর প্রধান পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Receca 30 mg/sachet Oral Powder সাধারণত সহনীয়। বিরল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে চর্মের র্যাশ, এবং অত্যন্ত বিরল ক্ষেত্রে অ্যাঞ্জিওএডিমা (মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে যাওয়া), যার জন্য সাথে সাথে চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।