
Kalcoral kit150 mg+600
Popular Pharmaceuticals Ltd.

Reefcal Kit অস্টিওপরোসিস ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত একটি সংমিশ্রণ ঔষধ, যেখানে একটি বিসফসফোনেট উপাদানের সাথে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ যুক্ত করা হয়েছে।
Reefcal Kit-এর ক্যালসিয়াম কার্বনেট [কোরাল সোর্স] ও ভিটামিন ডি৩ অংশটি বিসফসফোনেট থেরাপির সময় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়, যা বিসফসফোনেট কার্যকর ও নিরাপদভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয়।
Reefcal Kit একটি বিসফসফোনেট (হাড় ক্ষয়রোধী) শ্রেণির ঔষধ, যা ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ সাপ্লিমেন্টের সাথে সংমিশ্রণে অস্টিওপরোসিস ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।
Ibandronic Acid + Calcium Carbonate [Coral source] + Vitamin D3-এর উপাদানগুলো হাড়ের বিপাক প্রক্রিয়ায় একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
এটি হাড়ের হাইড্রোক্সিঅ্যাপাটাইটের সাথে যুক্ত হয়ে অস্টিওক্লাস্ট কোষে প্রবেশ করে এবং ফার্নেসিল পাইরোফসফেট সিন্থেটেজ এনজাইম বাধা দিয়ে অস্টিওক্লাস্টের কার্যক্ষমতা ও বেঁচে থাকা ব্যাহত করে, ফলে হাড় ক্ষয়ের হার কমে যায়।
পাকস্থলীর অ্যাসিডে দ্রবীভূত হয়ে মৌলিক ক্যালসিয়াম মুক্ত করে, যা হাড় গঠনে এবং বিসফসফোনেট-জনিত হাইপোক্যালসেমিয়া প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
যকৃত ও কিডনিতে সক্রিয় রূপে পরিণত হয়ে অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায় এবং স্বাভাবিক হাড় মিনারেলাইজেশনে সহায়তা করে।
Reefcal Kit-এর দুটি উপাদান আলাদা আলাদা দিনে সেবন করতে হয়; একসাথে কখনও সেবন করা যাবে না, কারণ ক্যালসিয়াম বিসফসফোনেটের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
| উপাদান | মাত্রা | সেবনবিধি |
|---|---|---|
| আইব্যান্ড্রোনিক এসিড ১৫০ মিগ্রা ট্যাবলেট | মাসে একবার, একই তারিখে | সকালে খালি পেটে, দিনের প্রথম খাবার/পানীয়/অন্য ঔষধ গ্রহণের কমপক্ষে ৬০ মিনিট আগে, শুধুমাত্র সাধারণ পানি দিয়ে (এক গ্লাস) গিলে খেতে হবে। চিবানো বা চুষে খাওয়া যাবে না। সেবনের পর কমপক্ষে ৬০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে, শুয়ে পড়া যাবে না। |
| ক্যালসিয়াম কার্বনেট [কোরাল সোর্স] + ভিটামিন ডি৩ ট্যাবলেট | প্রতিদিন একবার, আইব্যান্ড্রোনিক এসিড না নেওয়া দিনগুলোতে | শোষণ বাড়াতে ও পেটের সমস্যা কমাতে খাবারের সাথে বা পরে সেবন করতে হবে। |
Reefcal Kit শুরু করার আগে বিদ্যমান হাইপোক্যালসেমিয়া সংশোধন করতে হবে এবং বিসফসফোনেট অংশ শুরুর আগে দাঁতের যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে হবে। কোনো মাসিক মাত্রা ভুলে গেলে, পরবর্তী নির্ধারিত মাত্রার ৭ দিনের বেশি সময় বাকি থাকলে মনে পড়ার পরদিন সকালে একই নিয়মে সেবন করতে হবে; একই সপ্তাহে দুটি ট্যাবলেট কখনও সেবন করা যাবে না।
Reefcal Kit-এর সাথে গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াসমূহ:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Ibandronic Acid + Calcium Carbonate [Coral source] + Vitamin D3 ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ:
Reefcal Kit-এর ব্যবহারে দেখা দিতে পারে এমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:
Reefcal Kit গর্ভবতী, গর্ভধারণের সম্ভাবনাময় বা স্তন্যদানকারী নারীদের জন্য প্রস্তাবিত নয়। বিসফসফোনেট অংশ হাড়ে দীর্ঘদিন জমা থাকে এবং ভবিষ্যতের গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের উপর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পূর্ণভাবে জানা নেই। শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
ক্যালসিয়াম কার্বনেট [কোরাল সোর্স] ও ভিটামিন ডি৩ অংশ প্রস্তাবিত মাত্রায় সাধারণত গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হলেও, মোট ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের পরিমাণ চিকিৎসকের সাথে পর্যালোচনা করা উচিত।
Reefcal Kit ব্যবহারে নিম্নলিখিত সতর্কতাগুলো মেনে চলতে হবে:
Reefcal Kit-এর আইব্যান্ড্রোনিক এসিড অংশের অতিমাত্রায় হাইপোক্যালসেমিয়া, হাইপোফসফেটেমিয়া ও পাকস্থলী-অন্ত্রের জ্বালা-পোড়া হতে পারে; ক্যালসিয়াম কার্বনেট/ভিটামিন ডি৩ অংশের অতিমাত্রায় হাইপারক্যালসেমিয়া (বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, বিভ্রান্তি, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন) হতে পারে।
Reefcal Kit-এর অতিমাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। নিজে থেকে বমি করানোর চেষ্টা করবেন না। চূড়ান্ত ব্যবস্থাপনা, রক্তে ক্যালসিয়াম ও কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণসহ, চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত।
৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
শিশুদের ক্ষেত্রে: Reefcal Kit-এর আইব্যান্ড্রোনিক এসিড অংশের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা শিশুদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং এটি শিশু বা কিশোরদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত নয়।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: শুধুমাত্র বয়সের ভিত্তিতে মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে বয়স্ক রোগীদের কিডনি কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করা উচিত, কারণ তাদের কিডনি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
কিডনি সমস্যায়: তীব্র কিডনি সমস্যায় Reefcal Kit নিষিদ্ধ; মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
Q: Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet মেনোপজ-পরবর্তী অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। আইব্যান্ড্রোনিক এসিড অংশ হাড় ক্ষয় কমায়, আর ক্যালসিয়াম কার্বনেট [কোরাল সোর্স] ও ভিটামিন ডি৩ অংশ চিকিৎসাকালীন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি নিশ্চিত করে।
Q: Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet-এর দুটি উপাদান কেন আলাদা দিনে খেতে হয়?
A: ক্যালসিয়াম একসাথে খেলে আইব্যান্ড্রোনিক এসিডের শোষণ ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেয়। তাই আইব্যান্ড্রোনিক এসিড ট্যাবলেট মাসে একবার খালি পেটে খেতে হয়, আর ক্যালসিয়াম কার্বনেট [কোরাল সোর্স] ও ভিটামিন ডি৩ ট্যাবলেট মাসের বাকি দিনগুলোতে খেতে হয়।
Q: Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet-এর আইব্যান্ড্রোনিক এসিড ট্যাবলেট খাওয়ার পর শুয়ে পড়লে বা তাড়াতাড়ি খাবার খেলে কী হয়?
A: ৬০ মিনিটের মধ্যে শুয়ে পড়া, খাবার খাওয়া, পানি ছাড়া অন্য পানীয় পান করা বা অন্য ঔষধ খেলে ইসোফেগাসে জ্বালা-পোড়া বা আলসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই সেবনের পর অন্তত ৬০ মিনিট সোজা হয়ে থাকা জরুরি।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet ব্যবহার করা যাবে?
A: Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে প্রস্তাবিত নয়। বিসফসফোনেট অংশ প্রিমেনোপজাল নারীদের জন্য নির্দেশিত নয় এবং শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে ও চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত।
Q: চোয়ালের অস্টিওনেক্রোসিস কী এবং এটি Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet-এর সাথে কীভাবে সম্পর্কিত?
A: এটি একটি বিরল কিন্তু গুরুতর অবস্থা যেখানে চোয়ালের হাড় উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং সারে না, বিশেষত দাঁতের অস্ত্রোপচারের পর বিসফসফোনেট থেরাপির সাথে দেখা যায়। Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet-এর বিসফসফোনেট অংশ শুরুর আগে দাঁতের পরীক্ষা করিয়ে নিন এবং ভালো মৌখিক স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন।
Q: Reefcal Kit 150 mg+600 mg+400 IU Tablet-এর আইব্যান্ড্রোনিক এসিড ট্যাবলেটের একটি মাত্রা মিস হলে কী করব?
A: পরবর্তী নির্ধারিত মাত্রার ৭ দিনের বেশি সময় বাকি থাকলে, মনে পড়ার পরদিন সকালে স্বাভাবিক নিয়মে ট্যাবলেটটি সেবন করুন, তারপর মূল মাসিক সময়সূচি অনুসরণ করুন। ৭ দিনের কম সময় বাকি থাকলে মিসড ডোজ বাদ দিয়ে পরবর্তী নির্ধারিত তারিখের জন্য অপেক্ষা করুন। একই সপ্তাহে দুটি ট্যাবলেট কখনও সেবন করবেন না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।