Product gallery

Reumacap SR75 mg


MRP ৳ ৪০.০০৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৩৬.৮০/10's Strip
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Reumacap SR একটি শক্তিশালী নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ (NSAID), যা ব্যথা, ফোলাভাব এবং প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

প্রধান অনুমোদিত ব্যবহার

  • মাঝারি থেকে তীব্র রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস
  • মাঝারি থেকে তীব্র অস্টিওআর্থ্রাইটিস
  • অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস
  • তীব্র গাউট আর্থ্রাইটিস (স্বল্প মেয়াদে, আক্রমণ কমার আগ পর্যন্ত)
  • তীব্র ব্যথাযুক্ত কাঁধ (বার্সাইটিস/টেন্ডিনাইটিস)

সাধারণভাবে গৃহীত ব্যবহার

মাসিকের যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা (প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া) উপশমেও Reumacap SR ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যদিও এটি সব দেশে মূল অনুমোদিত ব্যবহার নয়।

বিশেষায়িত হাসপাতাল-নির্দিষ্ট ব্যবহার

Reumacap SR-এর একটি ইনজেকশন ফর্ম অকাল জন্ম নেওয়া নবজাতকদের patent ductus arteriosus (PDA) বন্ধ করার জন্য নিওনেটাল আইসিইউ-তে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়; এটি সাধারণ মুখে খাওয়ার চিকিৎসার সাথে সম্পর্কিত নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ (NSAID) — ইনডোল অ্যাসেটিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ গ্রুপ। Reumacap SR ডাইক্লোফেনাক ও সুলিনড্যাকের মতো একই বিস্তৃত NSAID শ্রেণীর অন্তর্গত, তবে এটি তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তিশালী এবং এতে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বেশি দেখা যায়।

ফার্মাকোলজি

Indomethacin সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 ও COX-2) এনজাইমকে অ-নির্বাচনীভাবে বাধা দিয়ে কাজ করে, ফলে অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড থেকে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ও থ্রম্বোক্সেন তৈরি বন্ধ হয়ে যায়। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের জন্য দায়ী, একইসাথে পাকস্থলীর প্রতিরক্ষামূলক আবরণ, কিডনির রক্তপ্রবাহ ও প্লেটলেট কার্যক্রমেও ভূমিকা রাখে।

এই প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন উৎপাদন কমিয়ে Indomethacin ব্যথানাশক, প্রদাহনাশক ও জ্বরনাশক প্রভাব সৃষ্টি করে। এর শক্তিশালী COX বাধাদান ক্ষমতার কারণেই এটি অন্যান্য অনেক NSAID-এর তুলনায় বেশি কার্যকর, কিন্তু পাকস্থলী ও স্নায়ুতন্ত্রের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: Indomethacin মুখে খাওয়ার পর ভালোভাবে শোষিত হয়, রক্তে প্রোটিনের সাথে উচ্চমাত্রায় (৯০%-এর বেশি) আবদ্ধ থাকে, যকৃতে বিপাক হয় এবং কিডনি ও পিত্তের মাধ্যমে নির্গত হয়; এর অর্ধায়ু প্রায় ২-১১ ঘণ্টা।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা (রোগ অনুযায়ী)

নির্দেশনাসাধারণ মাত্রা
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস / অস্টিওআর্থ্রাইটিস / অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিসদিনে ২-৩ বার ২৫ মিগ্রা; প্রয়োজনে সপ্তাহে ২৫-৫০ মিগ্রা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১৫০-২০০ মিগ্রা/দিন পর্যন্ত। সাসটেইন্ড-রিলিজ: দিনে একবার বা দুইবার ৭৫ মিগ্রা।
তীব্র গাউট আর্থ্রাইটিসব্যথা সহনীয় না হওয়া পর্যন্ত দিনে ৩ বার ৫০ মিগ্রা, এরপর ধীরে ধীরে কমিয়ে বন্ধ করতে হবে; সাধারণত মাত্র কয়েক দিনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
তীব্র ব্যথাযুক্ত কাঁধ (বার্সাইটিস/টেন্ডিনাইটিস)৭-১৪ দিনের জন্য ভাগ করে দৈনিক ৭৫-১৫০ মিগ্রা, এরপর বন্ধ করতে হবে।

সাধারণ সেবনবিধি

  • পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে Reumacap SR খাবার, দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে সেবন করুন।
  • হৃদরোগ ও পাকস্থলীর ঝুঁকি কমাতে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।
  • সাসটেইন্ড-রিলিজ ক্যাপসুল চিবিয়ে বা ভেঙে খাবেন না; পুরোটা গিলে ফেলুন।
  • চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ীই সেবন করুন; নিজে থেকে মাত্রা বাড়াবেন না এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না।

কিডনি/যকৃত সংক্রান্ত সমন্বয়

হালকা থেকে মাঝারি কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় সতর্কতার সাথে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ব্যবহার করুন; তীব্র কিডনি বা যকৃতের অকার্যকারিতায় Reumacap SR এড়িয়ে চলা উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Reumacap SR-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও প্রমাণিত ওষুধ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • অ্যাসপিরিন ও অন্যান্য NSAID: একসাথে ব্যবহারে পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ ও আলসারের ঝুঁকি বাড়ে, অতিরিক্ত উপকার ছাড়াই। একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • রক্ত পাতলাকারী ওষুধ (যেমন ওয়ারফারিন) ও অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ: গুরুতর রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড: পাকস্থলীতে আলসার ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।
  • SSRI/SNRI (কিছু মানসিক রোগের ওষুধ): Reumacap SR-এর সাথে একত্রে পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • লিথিয়াম: Reumacap SR কিডনি দিয়ে লিথিয়াম নিষ্কাশন কমিয়ে দেয়, ফলে লিথিয়ামের মাত্রা বিষাক্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে; নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • মেথোট্রেক্সেট: Reumacap SR মেথোট্রেক্সেটের নিষ্কাশন কমিয়ে এর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ACE ইনহিবিটর, ARB ও ডাইইউরেটিক: Reumacap SR এসবের রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমাতে পারে এবং একত্রে ব্যবহারে কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।
  • সাইক্লোস্পোরিন ও অন্যান্য কিডনি-ক্ষতিকর ওষুধ: কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।
  • ডিগক্সিন: Reumacap SR রক্তে ডিগক্সিনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে; পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

প্রতিনির্দেশনা

Indomethacin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ:

  • Indomethacin বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি-সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি)।
  • অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID সেবনের পর হাঁপানি, আমবাত বা অন্য অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস।
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) সার্জারির পেরিঅপারেটিভ ব্যথা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার — এতে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।
  • সক্রিয় গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ বা সক্রিয় পেপটিক আলসার রোগ।
  • তীব্র, অনিয়ন্ত্রিত হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতা (হার্ট ফেইলিওর)।
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিক (প্রায় ৩০ সপ্তাহ থেকে প্রসব পর্যন্ত)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সবচেয়ে সাধারণ (অন্যান্য NSAID-এর তুলনায় Reumacap SR-এ বেশি লক্ষণীয়):

  • স্নায়ুতন্ত্র সংক্রান্ত: মাথাব্যথা (সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া), মাথা ঘোরা, ভার্টিগো, ঝিমুনি এবং মাঝেমধ্যে বিভ্রান্তি বা মেজাজের পরিবর্তন — এসব Reumacap SR-এ অন্যান্য অনেক NSAID-এর তুলনায় বেশি দেখা যায়।
  • পাকস্থলী সংক্রান্ত: বমি বমি ভাব, বদহজম, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য।

কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর (বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন):

  • পাকস্থলীতে আলসার, রক্তক্ষরণ বা ছিদ্র
  • হৃদরোগজনিত রক্ত জমাট বাঁধা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক)
  • শরীরে পানি জমা, ফোলাভাব এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি
  • কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস
  • যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি, বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর যকৃতের ক্ষতি
  • কানে শব্দ (টিনিটাস) বা শ্রবণ সমস্যা
  • রক্তের উপাদানে সমস্যা (বিরল)
  • গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (যেমন স্টিভেন্স-জনসন সিনড্রোম) — বিরল

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: অন্যান্য NSAID-এর মতোই, গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ থেকে Reumacap SR এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে ভ্রূণের কিডনি সমস্যা ও অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে (প্রায় ৩০ সপ্তাহ থেকে) Reumacap SR সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, কারণ এতে ভ্রূণের হৃদযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর আগে, শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে সম্ভাব্য উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির তুলনায় বিবেচনা করতে হবে।

স্তন্যদান: Reumacap SR সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে। স্তন্যপান করা শিশুর খিঁচুনির বিরল প্রতিবেদনের কারণে এবং স্তন্যদানকালে NSAID ব্যবহারে সাধারণ সতর্কতার নিয়ম অনুযায়ী, Reumacap SR শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত, এবং শিশুর মধ্যে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

সতর্কতা

হৃদরোগ সংক্রান্ত ঝুঁকি

অন্যান্য NSAID-এর মতো Reumacap SR হৃদরোগজনিত গুরুতর রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা, যেমন হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। এই ঝুঁকি চিকিৎসার শুরুতেই দেখা দিতে পারে এবং ব্যবহারের সময়কাল বাড়ার সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়। CABG সার্জারির পেরিঅপারেটিভ ব্যথায় Reumacap SR সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।

পাকস্থলী সংক্রান্ত ঝুঁকি

Reumacap SRসহ NSAID-জাতীয় ওষুধ পাকস্থলী ও অন্ত্রে গুরুতর রক্তক্ষরণ, আলসার বা ছিদ্র সৃষ্টি করতে পারে, যা চিকিৎসার যেকোনো সময়ে, পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই দেখা দিতে পারে এবং প্রাণঘাতী হতে পারে। বয়স্ক রোগী এবং পূর্বে পেপটিক আলসার বা পাকস্থলীর রক্তক্ষরণের ইতিহাস থাকা রোগীদের ঝুঁকি বেশি।

কিডনির উপর প্রভাব

দীর্ঘমেয়াদি Reumacap SR ব্যবহার কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে, বিশেষত পূর্ব থেকে কিডনি সমস্যা, হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতা, যকৃতের সমস্যা, ডাইইউরেটিক বা ACE ইনহিবিটর/ARB সেবনকারী এবং বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে কিডনির টিস্যু ক্ষতির (রেনাল প্যাপিলারি নেক্রোসিস) প্রতিবেদনও রয়েছে। তীব্র কিডনি অকার্যকারিতায় Reumacap SR এড়িয়ে চলুন।

যকৃতের উপর প্রভাব

যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি পেতে পারে; পরীক্ষার ফলাফল অস্বাভাবিক থাকলে বা খারাপ হলে, অথবা যকৃতের সমস্যার লক্ষণ দেখা দিলে Reumacap SR বন্ধ করতে হবে। তীব্র যকৃতের অকার্যকারিতায় এড়িয়ে চলুন।

স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব

অন্যান্য অনেক NSAID-এর তুলনায় Reumacap SR-এ স্নায়ুতন্ত্রের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি) বেশি দেখা যায়; গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন, বিশেষত চিকিৎসা শুরুর সময় ও বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে।

বয়স্ক রোগী

বয়স্ক রোগীরা Reumacap SR-এর পাকস্থলী, হৃদরোগ, কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্র সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার প্রতি বেশি সংবেদনশীল; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করুন।

মাত্রাধিক্যতা

Reumacap SR-এর মাত্রাধিক্যের লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে ঝিমুনি, তন্দ্রা, বমি বমি ভাব, বমি ও পেটের উপরের অংশে ব্যথা, এবং আরও গুরুতর ক্ষেত্রে পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির তীব্র সমস্যা, শ্বাসকষ্ট বা খিঁচুনি।

Reumacap SR-এর মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে, অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সহায়ক পদ্ধতিতে এবং হাসপাতালে দেওয়া উচিত; বাড়িতে নিজে থেকে কোনো চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

সাধারণ বহির্বিভাগীয় ব্যবহারের জন্য শিশুদের মধ্যে মুখে খাওয়ার Reumacap SR-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া এটি সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। Reumacap SR-এর ইনজেকশন ফর্ম শুধুমাত্র অকাল জন্ম নেওয়া নবজাতকদের patent ductus arteriosus বন্ধ করার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল পরিবেশে নিওনেটোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়; এটি সাধারণ ব্যথা/প্রদাহ চিকিৎসার সাথে সম্পর্কিত নয়।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Reumacap SR-এর পাকস্থলী, হৃদরোগ, কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্র সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Reumacap SR 75 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Reumacap SR 75 mg Capsule একটি শক্তিশালী নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ (NSAID), যা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস, তীব্র গাউট আক্রমণ এবং তীব্র ব্যথাযুক্ত কাঁধের (বার্সাইটিস/টেন্ডিনাইটিস) ব্যথা, ফোলাভাব ও শক্ত ভাব কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি মাসিকের যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা কমাতেও ব্যবহৃত হয়।

Q: Reumacap SR 75 mg Capsule-এর সাথে কি অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেনের মতো অন্য ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে?

A: Reumacap SR 75 mg Capsule-এর সাথে অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID একসাথে খাওয়া উচিত নয়, কারণ এতে অতিরিক্ত ব্যথা উপশম ছাড়াই পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ ও আলসারের ঝুঁকি বাড়ে। Reumacap SR 75 mg Capsule শুরু করার আগে আপনি যে সব ওষুধ খাচ্ছেন তা চিকিৎসককে অবশ্যই জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় Reumacap SR 75 mg Capsule সেবন কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ থেকে Reumacap SR 75 mg Capsule এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে শিশুর কিডনি ও অ্যামনিওটিক ফ্লুইডের সমস্যা হতে পারে, এবং গর্ভাবস্থার প্রায় ৩০ সপ্তাহ থেকে (তৃতীয় ত্রৈমাসিক) এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, কারণ এতে শিশুর হৃদযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর আগে, শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং আপনার চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলেই Reumacap SR 75 mg Capsule ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: অন্যান্য ব্যথানাশকের তুলনায় Reumacap SR 75 mg Capsule-এ বেশি মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা কেন হয়?

A: Reumacap SR 75 mg Capsule অন্যান্য অনেক NSAID-এর তুলনায় বেশি মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং মাঝেমধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে জানা যায়। এটি এই ওষুধের একটি স্বীকৃত বৈশিষ্ট্য। এই লক্ষণগুলো তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন, এবং Reumacap SR 75 mg Capsule আপনার শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে তা না জানা পর্যন্ত গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনা এড়িয়ে চলুন।

Q: Reumacap SR 75 mg Capsule কি খালি পেটে খাওয়া যাবে?

A: পাকস্থলীর অস্বস্তি, আলসার বা রক্তক্ষরণের ঝুঁকি কমাতে Reumacap SR 75 mg Capsule খাবার, দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে সেবন করাই ভালো। খালি পেটে খেলে পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

Q: Reumacap SR 75 mg Capsule বেশি মাত্রায় খেয়ে ফেললে কী করব?

A: Reumacap SR 75 mg Capsule-এর মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। মাত্রাধিক্যের লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে তীব্র ঝিমুনি, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, বিভ্রান্তি বা পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যের চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor