Product gallery
MRP ৳ ১২০.৩৭১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১০৮.৩৩/piece
স্টকে নেই
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • মেনোপজ-পরবর্তী অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসা - Risedon মেরুদণ্ড ও নিতম্বের হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
  • পুরুষদের অস্টিওপোরোসিসে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।
  • গ্লুকোকর্টিকয়েড-জনিত অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় - দীর্ঘমেয়াদী স্টেরয়েড থেরাপি গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • হাড়ের পেজেট রোগের চিকিৎসায় - মাঝারি থেকে গুরুতর রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ, ওজন-বহনকারী ব্যায়াম এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সাথে Risedon ব্যবহার করা হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Risedon একটি বিসফসফোনেট শ্রেণীর ঔষধ, নির্দিষ্টভাবে একটি পাইরিডিনাইল বিসফসফোনেট, যা হাড় ক্ষয়রোধী (anti-resorptive) হিসেবে কাজ করে।

ফার্মাকোলজি

ফার্মাকোডাইনামিক্স

Risedronate Sodium হাড়ের হাইড্রক্সিঅ্যাপাটাইটের সাথে যুক্ত হয়ে অস্টিওক্লাস্টের কার্যকলাপ নির্বাচনীভাবে বাধা দেয়, ফলে হাড় ক্ষয়ের হার কমে এবং সময়ের সাথে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

মুখে সেবনের পর Risedronate Sodium-এর জৈব উপলভ্যতা কম (প্রায় ০.৬%), এবং খাবার বা ক্যালসিয়ামযুক্ত পণ্যের সাথে সেবন করলে তা আরও কমে যায়। শোষিত অংশের কিছু হাড়ে জমা হয়, বাকি অংশ মূলত কিডনির মাধ্যমে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

রোগ অনুযায়ী মাত্রা

নির্দেশনামাত্রা
মেনোপজ-পরবর্তী অস্টিওপোরোসিস (চিকিৎসা)৫ মিগ্রা প্রতিদিন একবার, অথবা ৩৫ মিগ্রা সপ্তাহে একবার, অথবা ১৫০ মিগ্রা মাসে একবার
মেনোপজ-পরবর্তী অস্টিওপোরোসিস (প্রতিরোধ)৫ মিগ্রা প্রতিদিন একবার, অথবা ৩৫ মিগ্রা সপ্তাহে একবার
পুরুষদের অস্টিওপোরোসিস৩৫ মিগ্রা সপ্তাহে একবার
গ্লুকোকর্টিকয়েড-জনিত অস্টিওপোরোসিস৫ মিগ্রা প্রতিদিন একবার
পেজেট রোগ৩০ মিগ্রা প্রতিদিন একবার, ২ মাস ধরে

সেবনবিধি (নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ)

  • Risedon ট্যাবলেট সকালে খালি পেটে, দিনের প্রথম খাবার, পানীয় (পানি ছাড়া) বা অন্য কোনো ঔষধ গ্রহণের অন্তত ৩০ মিনিট আগে সেবন করতে হবে।
  • শুধুমাত্র সাধারণ পানি দিয়ে গিলে খেতে হবে - চা, কফি, জুস বা দুধ দিয়ে নয়, কারণ এগুলো শোষণ কমিয়ে দেয়।
  • সেবনের পর অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এবং শুয়ে পড়া যাবে না, যাতে খাদ্যনালীতে প্রদাহ বা ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি না থাকে।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ নিশ্চিত করা উচিত, তবে ক্যালসিয়াম/মিনারেল সাপ্লিমেন্ট Risedon সেবনের ৩০ মিনিটের মধ্যে নেওয়া যাবে না (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম বা আয়রনযুক্ত পণ্য (অ্যান্টাসিড ও সাপ্লিমেন্ট সহ): এগুলো Risedon-এর শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। এগুলো Risedon সেবনের অন্তত ৩০ মিনিট পরে বা দিনের ভিন্ন সময়ে গ্রহণ করতে হবে।
  • অন্যান্য মুখে সেবনযোগ্য ঔষধ: এগুলোও Risedon থেকে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যবধানে গ্রহণ করা উচিত।
  • NSAIDs ও অ্যাসপিরিন: এগুলোর সাথে Risedon একত্রে ব্যবহারে পাকস্থলী ও অন্ত্রে প্রদাহের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

  • Risedronate Sodium বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতি সংবেদনশীলতা।
  • হাইপোক্যালসেমিয়া (রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি) - Risedronate Sodium শুরু করার আগে অবশ্যই সংশোধন করতে হবে।
  • খাদ্যনালীর গঠনগত সমস্যা যা খাদ্যনালী খালি হতে বিলম্ব করে, যেমন স্ট্রিকচার বা অ্যাকালাসিয়া।
  • সেবনের পর অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে অক্ষম রোগী।
  • মারাত্মক কিডনি অকার্যকারিতা।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ

  • বদহজম, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব
  • মাংসপেশি বা হাড়ে ব্যথা
  • পিঠে ব্যথা
  • মাথাব্যথা

কম সাধারণ / গুরুতর

  • খাদ্যনালীর প্রদাহ বা ক্ষত (সেবনবিধি সঠিকভাবে না মানলে)
  • চোয়ালের অস্টিওনেক্রোসিস (বিরল)
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে অস্বাভাবিক ফিমার হাড় ভাঙা (বিরল)
  • হাইপোক্যালসেমিয়া

Risedon সেবনকালে গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী পাকস্থলীর সমস্যা, নতুন করে নিতম্ব/উরুতে ব্যথা, বা চোয়ালে ব্যথা/ফোলাভাব দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

Risedon সাধারণত গর্ভাবস্থায় নির্দেশিত নয়, কারণ অস্টিওপোরোসিস মূলত মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের সমস্যা। প্রাণীদের উপর গবেষণায় ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেছে, এবং বিসফসফোনেট হাড়ে জমা হয়ে ধীরে ধীরে নিঃসৃত হয় বলে ভবিষ্যৎ গর্ভাবস্থায় এর প্রভাব সম্পূর্ণভাবে জানা নেই। স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে Risedon ব্যবহার করা উচিত। এটি বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই, তাই স্তন্যদানকালে Risedon ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

সতর্কতা

খাদ্যনালীর প্রদাহ

খাদ্যনালীর প্রদাহ বা ক্ষত এড়াতে Risedon-এর সেবনবিধি (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি) কঠোরভাবে মেনে চলা আবশ্যক। গিলতে অসুবিধা, নতুন বুক জ্বালাপোড়া বা বুকে ব্যথা হলে Risedon বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চোয়ালের অস্টিওনেক্রোসিস

বিরল ক্ষেত্রে বিসফসফোনেট ব্যবহারে চোয়ালের হাড়ের অস্টিওনেক্রোসিস দেখা দিতে পারে, বিশেষত ক্যান্সার রোগী, দাঁতের অস্ত্রোপচার, বা স্টেরয়েড ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে। Risedon চিকিৎসা শুরুর আগে দাঁতের পরীক্ষা করানো ভালো।

অস্বাভাবিক ফিমার হাড় ভাঙা

দীর্ঘমেয়াদী Risedon ব্যবহারে বিরল ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ফিমার হাড় ভাঙার ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে। নতুন বা অস্বাভাবিক উরু, নিতম্ব বা কুঁচকির ব্যথা হলে চিকিৎসককে জানান।

কিডনি অকার্যকারিতা

মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি অকার্যকারিতায় সতর্কতার সাথে Risedon ব্যবহার করুন; মারাত্মক কিডনি অকার্যকারিতায় ব্যবহার নিষিদ্ধ (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।

মাত্রাধিক্যতা

Risedon অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করলে হাইপোক্যালসেমিয়া, হাইপোফসফেটেমিয়া এবং পাকস্থলীর সমস্যা (বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া, খাদ্যনালীর প্রদাহ বা ক্ষত) হতে পারে। সম্প্রতি সেবন করা হলে ওষুধ বাঁধার জন্য দুধ বা ক্যালসিয়াম/ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড দেওয়া যেতে পারে, তবে বমি করানো উচিত নয় এবং রোগীকে সোজা হয়ে বসিয়ে রাখতে হবে। Risedon-এর অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু

শিশুদের ক্ষেত্রে Risedon-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।

বয়স্ক

শুধুমাত্র বয়সের ভিত্তিতে মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। প্রকৃতপক্ষে অস্টিওপোরোসিসের প্রধান রোগীগোষ্ঠীই বয়স্করা, এবং তাদের ক্ষেত্রে Risedon-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত।

কিডনি ও লিভার অকার্যকারিতা

মৃদু-মাঝারি কিডনি অকার্যকারিতায় Risedon-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই; মারাত্মক কিডনি অকার্যকারিতায় ব্যবহার নিষিদ্ধ। লিভার অকার্যকারিতায় নির্দিষ্ট গবেষণা নেই, তবে উল্লেখযোগ্য মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন মনে করা হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Risedon 150 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Risedon 150 mg Tablet মেনোপজ-পরবর্তী অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসা, পুরুষদের অস্টিওপোরোসিস চিকিৎসা, গ্লুকোকর্টিকয়েড-জনিত অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসা এবং হাড়ের পেজেট রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Q: Risedon 150 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: সকালে খালি পেটে শুধুমাত্র এক গ্লাস সাধারণ পানি দিয়ে Risedon 150 mg Tablet সেবন করুন, দিনের প্রথম খাবার বা অন্য ঔষধ গ্রহণের অন্তত ৩০ মিনিট আগে। এরপর অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকুন এবং শুয়ে পড়বেন না।

Q: Risedon 150 mg Tablet-এর সাথে কি ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যাবে?

A: না, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম বা আয়রনযুক্ত পণ্য (অ্যান্টাসিড সহ) Risedon 150 mg Tablet-এর শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। এগুলো Risedon 150 mg Tablet সেবনের অন্তত ৩০ মিনিট পরে বা দিনের ভিন্ন সময়ে গ্রহণ করুন।

Q: কাদের Risedon 150 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের এই ঔষধে অ্যালার্জি আছে, রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি (হাইপোক্যালসেমিয়া) সংশোধন করা হয়নি, খাদ্যনালীর গঠনগত সমস্যা আছে, সেবনের পর ৩০ মিনিট সোজা থাকতে অক্ষম, বা মারাত্মক কিডনি অকার্যকারিতা আছে, তাদের Risedon 150 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।

Q: Risedon 150 mg Tablet-এর গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: বিরল কিন্তু গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে খাদ্যনালীর প্রদাহ বা ক্ষত, চোয়ালের অস্টিওনেক্রোসিস, এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে অস্বাভাবিক ফিমার হাড় ভাঙা। গিলতে অসুবিধা, বুকে ব্যথা, চোয়ালে ব্যথা/ফোলাভাব, বা উরু/নিতম্বে অস্বাভাবিক ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Risedon 150 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: Risedon 150 mg Tablet সাধারণত গর্ভাবস্থায় নির্দেশিত নয় এবং শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত। এটি বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা জানা নেই, তাই স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor